খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরের নগরকান্দায় খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে মাঠে নামছে ক্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে মাঠে নামছে ক্যাব

ফরিদপুরের নগরকান্দায় খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নগরকান্দা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভা থেকে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

​ক্যাবের নগরকান্দা উপজেলা শাখার সভাপতি এহসানুল হক মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় খাদ্যে ভেজাল রোধের পাশাপাশি বাজার অস্থিতিশীলতা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মান ও অন্যায্য মূল্য প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপদ শিশুখাদ্য নিশ্চিত করা, গুড় ও দুধে ক্ষতিকর রাসায়নিক প্রতিরোধ, দুধের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ে ল্যাকটোমিটার সংগ্রহ, ভেজাল ওষুধ বিক্রি বন্ধ, বাজারজাত কীটনাশকের সরকারি অনুমোদন ও নির্ধারিত মূল্যের অসংগতি খতিয়ে দেখা।

​এছাড়া বইয়ের গায়ে মুদ্রিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ, নগরকান্দার কাঠপট্টি সংলগ্ন জনাকীর্ণ স্থানে আসবাবপত্রে ব্যবহৃত কীটনাশক থেকে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিশেষ সচেতনতা তৈরি এবং খাদ্যে রাসায়নিকের প্রভাবে ক্যানসারসহ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, ভেজালবিরোধী ব্যানার স্থাপন এবং উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়ে সভায় বক্তারা বলেন, “নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; এর জন্য ব্যবসায়ী, ভোক্তা ও সুশীল সমাজসহ সবার সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন।”

​সভায় ক্যাবের নগরকান্দা শাখার সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমির সাবেক শিক্ষক এ কে এম সাইয়াদুর রহমান (বাবলু), নগরকান্দা বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামছুল হুদা হুদু, লস্করদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এ এফ এম সিদ্দিকুল আলম (বাবলু) এবং নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ উপস্থিত ছিলেন।

​এছাড়াও সংগঠনের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান তুহিন, যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান মোল্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা আক্তারসহ কার্যনির্বাহী সদস্য বলরাম কর্মকার, কামাল হোসেন পলাশ ও মুফতি হেদায়েত উল্লাহ সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।

 

ফরিদপুরে ​স্কুল তৈরিতে ৮৪ শতাংশ জমি দান, তবুও মেলেনি স্বীকৃতি

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ​স্কুল তৈরিতে ৮৪ শতাংশ জমি দান, তবুও মেলেনি স্বীকৃতি

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ৮৪ শতাংশ জমি দান করার পরও দাতা সদস্যের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং দীর্ঘদিন এক কর্মচারীর বেতন বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

​এসব অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যরা।

​শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মকবুল হোসেন খানের মেয়ে মনিরা বেগম ও ছেলে হারুন খান।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার সময় স্থানীয় মকবুল হোসেন খান ৮৪ শতাংশ জমি দান করেন। তবে পরবর্তীতে জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে দাতা সদস্যের তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদারের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি ও ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।

​অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সন্তান হারুন খান অফিস সহকারী পদে যোগ দেন। তবে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাওলানা দবিরউদ্দীন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অন্যায়ভাবে তাঁর বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে।

​তবে বেতন বন্ধের বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে বেতন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এখনো জমা দেওয়া হয়নি। এ কারণে তাঁর নাম ইএফটিতে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে দ্রুত ইএফটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করে বেতন চালুর ব্যবস্থা করা হবে।

​এদিকে নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা। অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, “আমি প্রায় ৯ বছর আগে অবসরে গেছি। সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।”

​একই সুর মিলিয়ে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাওলানা দবিরউদ্দীনও দাবি করেন, সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অসত্য তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব অভিযোগের দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, বিদ্যালয়ের জমি ও সার্বিক আর্থিক কার্যক্রম পুনর্বিবেচনা এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৬ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৬ জনের

চলন্ত অবস্থায় চাকা বিস্ফোরিত হয়ে মহাসড়কে উল্টে পড়ে বালুবাহী ট্রাক। মুহূর্তেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া প্রাইভেটকারে থাকা মা ও তাঁর শিশুসন্তানের মৃত্যু হয়। আর বালু ও ট্রাকের নিচে চাপা পড়া ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার করে উদ্ধারকর্মীরা।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর জেলা সদরের কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হন। এর মাত্র এক ঘণ্টা আগে একই মহাসড়কে বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন আরো তিনজন। দুই দুর্ঘটনায় এক বিকেলেই ছয়জনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সুমি বেগম (৩২), তাঁর ৭ বছরের ছেলে শাওন এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক ইজিবাইকচালক। এ ঘটনায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ (৩৮) গুরুতর আহত অবস্থায় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহর থেকে একটি বালুবাহী ট্রাক কানাইপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সেটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ সময় সামনে থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকটির নিচে চাপা পড়ে। দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারটির একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।

অন্যদিকে ইজিবাইকটি বালু ও ট্রাকের নিচে পুরোপুরি চাপা পড়ে। খবর পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বালু সরিয়ে ইজিবাইক থেকে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়। ক্রেনের সাহায্যে ট্রাক সরিয়ে প্রাইভেটকার থেকে আরো একজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক সুমি বেগম ও তাঁর ছেলে শাওনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে ট্রাক ও বালুর স্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ইজিবাইকচালককে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকে। পরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে কোতয়ালী থানা ও করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মাগুরাগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা তিনজন নিহত হন। আহত হন আরো কয়েকজন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সে সাতজনের একটি দল ছিল। তাঁরা ‘ভলেন্টিয়ার বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভায় অংশ নিতে মাগুরা থেকে ফরিদপুরে এসেছিলেন। সভা শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।

নিহতদের মধ্যে রাব্বি (২১) নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্য দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১) রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁরা মাগুরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর একই সড়কের কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা-ছেলেসহ আরো তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৩

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৩

ফরিদপুরের মধুখালীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার আড়কান্দি এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানায়, ঢাকাগামী একটি বাসের সঙ্গে মাগুরাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনস্থলে তিনজন নিহত হয়।

ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষ তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের নাম-পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। আমরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছি। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো যাবে।