খুঁজুন
, ,

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বড় দরপতন, দেশে দাম কমছে কবে?

আমিনুল মজলিশ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বড় দরপতন, দেশে দাম কমছে কবে?

দীর্ঘ উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে ইরান সরকার ‘হরমুজ প্রণালী’ সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। আর এই একটি ঘোষণাতেই বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে।

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন আর সরকারের দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই, বরং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ামে করপোরেশনের (বিপিসি) নিয়ম অনুযায়ী লিটারপ্রতি দাম ৫ থেকে ৮ টাকা কমতে পারে।

তারা বলছেন, এ ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক কমবে এবং প্যানিক বায়িং কমবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানান তারা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। অথচ দিনের শুরুতেও এর দাম ছিল ৯৮ ডলারের ওপরে।

বিশ্ববাজারের চিত্র বলছে, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০ দশমিক ৫৯ ডলার কমে ৮৮ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন ডব্লিউটিআই তেলের দাম প্রায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ৮৯ ডলারে অবস্থান করছে।

এ প্রসঙ্গে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, এরই মধ্যে পেট্রোল পাম্প মালিকরা বিপিসির সঙ্গে বৈঠকে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল। সে অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে আভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন বিশ্ববাজারে দাম কমার ফলে সে সুযোগ আর থাকছে না। কারণ বিপিসির স্বয়ংক্রিয় ফরমুলা অনুযায়ী ১৫ দিন বা এক মাসের আন্তর্জাতিক গড় দামের ওপর ভিত্তি করে দেশীয় মূল্য নির্ধারিত হয়। সে হিসাবে বিশ্ববাজারের এই ১৩ শতাংশ পতন দেশের ভোক্তাদের জন্য অন্তত ৫ থেকে ৮ টাকা (লিটারপ্রতি) দাম কমার সুযোগ তৈরি করতে পারে। আমরা সেটাই প্রত্যাশা করি।

আইইইর প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের অবাধ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় এবং মার্কিন-ইরান সম্ভাব্য চুক্তির খবরে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কমেছে, এর প্রতিফলন ঘটেছে এই দরপতনে। দেশের বাজারে নিঃসন্দেহে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে সরকারের মনিটরিংয়ে কোনো শিথিলতা আনা যাবে না।

এ প্রসঙ্গে বিপিসির সাবেক এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম ইতোমধ্যে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তেলের দামের এই বড় পতন যদি চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বজায় থাকে, আগামী মে মাসের শুরুতেই, অর্থাৎ পহেলা মে থেকে সরকার বড় ধরনের দাম কমানোর ঘোষণা দিতে পারে।

পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব মীর আহসান পারভেজ বলেন, গত কয়েক দিনে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীর উত্তেজনার কারণে দেশে যে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা এখন কেটে যাবে। আমাদের কাছে যেটুকু তথ্য রয়েছে, তা হচ্ছে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং নতুন শিপমেন্টগুলোও এখন নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ পাঠান বলেন, বিশ্ববাজারে দাম কমার সুফল সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে সরকারকে দ্রুত সমন্বয় করতে হবে। তেলের দাম কমলে শুধু পকেটের সাশ্রয় হবে না, বরং পরিবহন ভাড়া এবং কৃষি সেচের খরচ কমার মাধ্যমে নিত্যপণ্যের বাজারেও বড় ধরনের স্বস্তি আসবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হওয়া বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় ‘টার্নিং পয়েন্ট’। এখন সাধারণ মানুষের চোখ মে মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে। সরকার যদি বিশ্ববাজারের এই সুফল দ্রুত সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায়, তবে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সঠিক নজরদারি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। তবেই জনমনে আস্থা ফিরে আসবে।

ফরিদপুরে অস্ত্র, ককটেল ও সেনাপোশাকসহ ভুয়া কর্মকর্তা গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অস্ত্র, ককটেল ও সেনাপোশাকসহ ভুয়া কর্মকর্তা গ্রেফতার

ফরিদপুর শহরের কোতয়ালী থানা এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলবার, তাজা কার্তুজ, ককটেল, দেশীয় অস্ত্র, ওয়াকিটকি ও সেনাবাহিনীর পোশাকসহ সাফায়েত আহমেদ (৩৬) নামের এক ভুয়া সেন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১০)।

​মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে ও সকালে পৃথক স্থান থেকে তাকে গ্রেফতার ও এসব সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

​এসআরবি-১০ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফরিদপুর কোতয়ালী থানাধীন উত্তর কালীবাড়ি এলাকার জেনারেল হাসপাতালের একটি পরিত্যক্ত ভবনে মাদক বেচাকেনার খবর পেয়ে অভিযান চালায় এসআরবি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা মাদকসেবীরা পালিয়ে যায়। পরে ভবনে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলবার ও ৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

​পরবর্তীতে একই দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে নীলটুলি এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অপর এক অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে পালানোর চেষ্টাকালে চরকমলাপুর এলাকার মৃত বশির আহমেদের ছেলে সাফায়েত আহমেদকে আটক করা হয়।

​পরে তার দেওয়া তথ্য মতে বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ২টি ককটেল, ১টি খেলনা রিভলবার, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি রামদা, ১টি ছুরি, ১টি সুইচ গিয়ার, ১টি ওয়াকিটকি, ১টি ট্রেজার গান, ২৫ রাউন্ড গুলির খোসা, ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২টি সেনাবাহিনীর ক্যাপ, ১টি এপিবিএন-এর ক্যাপ ও ১টি সেনাবাহিনীর কোমর বন্ধনী উদ্ধার করা হয়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক সাফায়েত দীর্ঘদিন ধরে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি মাদক ও একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলা রয়েছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে এসআরবি-১০ এর সিপিএসসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মো: শাহরিয়ার রিফাত অভি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। অপরাধ দমনে এসআরবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরে বিদ্যালয়ের পাশে পোল্ট্রি ফার্ম, দুর্গন্ধে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ৩০০ শিক্ষার্থী

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বিদ্যালয়ের পাশে পোল্ট্রি ফার্ম, দুর্গন্ধে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ৩০০ শিক্ষার্থী

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের পিয়াজখালী আদর্শ লিপি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পাশেই গড়ে উঠেছে একটি পোল্ট্রি ফার্ম। অভিযোগ, ফার্মের মুরগির বিষ্ঠা ও অন্যান্য বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করায় সেখান থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। এতে বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পিয়াজখালী এলাকায় বিদ্যালয়টির ১৫ মিটার পাশেই পোল্ট্রি ফার্মটি স্থাপন করা হয়েছে। ফার্মে মুরগি পালনের কারণে নিয়মিত দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে বাতাসের সঙ্গে দুর্গন্ধ বিদ্যালয়ের দিকে এলে শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদান কঠিন হয়ে পড়ে। দুর্গন্ধের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না। কখনো কখনো তাদের বমি বমি ভাবও হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল আক্তার বলে, ক্লাস করার সময় এমন দুর্গন্ধ আসে যে নাকে হাত দিয়ে বসে থাকতে হয়। তখন স্যার-ম্যাডামের পড়ায় মনোযোগ দেওয়া যায় না। মাঝে মাঝে বমি বমি লাগে।

অভিভাবক মোসা. সালমা আক্তার বলেন, আমরা সন্তানদের লেখাপড়া করানোর জন্য স্কুলে পাঠাই। কিন্তু স্কুলের পাশেই এমনভাবে পোল্ট্রি ফার্ম করা হয়েছে যে দুর্গন্ধে শিশুরা কষ্ট পাচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা দরকার।

বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মোসা. মিনু আক্তার বলেন, পোল্ট্রি ফার্মের দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বাতাসের সঙ্গে দুর্গন্ধ স্কুলের দিকে এলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা যায় না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আবু সাঈদ খান বলেন, বিদ্যালয়ের পাশে পোল্ট্রি ফার্ম স্থাপনের পর থেকেই দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধের সমস্যা চলছে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি ফার্ম কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি। ফার্মের মালিক বারবার কার্যক্রম বন্ধ করার কথা বললেও পোল্ট্রি বিক্রি করে আবার নতুন করে পোল্ট্রি পালন শুরু করেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশের কথা বিবেচনা করে দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

তবে পোল্ট্রি ফার্মের মালিক মো. মজনু খান বলেন, আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে পোল্ট্রিগুলো বিক্রি করে দেব। এরপর আর এখানে পোল্ট্রি পালন করব না।

এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন জানান, এ বিষয়টি আমি অবগত না। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে হাতি দিয়ে টাকা আদায়, ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হাতি দিয়ে টাকা আদায়, ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি

Oplus_131072

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সদর বাজার চৌরাস্তায় হাতি নিয়ে বিভিন্ন দোকান ও পথচারীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ব্যস্ত বাজারে এভাবে টাকা তোলায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

​স্থানীয়রা জানান, দুপুরে এক মাহুত একটি হাতি নিয়ে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তা এলাকায় আসেন। পরে হাতিটিকে বিভিন্ন দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা চাইতে দেখা যায়। হাতি দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দেন।

​বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দোকানের সামনে হাতি এসে দাঁড়ালে চাইলেও বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া যায় না। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অনেকেই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এভাবে প্রতিদিন টাকা তোলা হলে বাজার এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

​স্থানীয়দের আশঙ্কা, আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তা অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকা। যেকোনো মুহূর্তে হাতিটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। হাতি নিয়ে এভাবে টাকা তোলার কোনো আইনি অনুমোদন আছে কি না, সে বিষয়ে বন বিভাগ ও প্রশাসনের স্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেছেন তারা।

​বিষয়টি নজরে আনলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বন কর্মকর্তা শেখ লিটন জানান, হাতি দিয়ে টাকা সংগ্রহের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, “সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলে সুযোগ বুঝে মাহুত হাতি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও বাজারে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্থানীয়রা।