খুঁজুন
শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬ চৈত্র, ১৪৩২

সালথায় ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি—জাগরণ যুব সংঘের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
সালথায় ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি—জাগরণ যুব সংঘের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগরণ সমাজকল্যাণ যুব সংঘ। সংগঠনটির উদ্যোগে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া, বড়দিয়া, বড় লক্ষনদিয়া (আংশিক) ও ভাটপাড়া (আংশিক) এলাকার ৬৩টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে কাঁঠালবাড়িয়া ও বড়দিয়া এলাকায় আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচিতে দেখা যায় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য। নতুন কাপড় ও খাদ্যসামগ্রী পেয়ে অনেকেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। কারও চোখে আনন্দের অশ্রু, আবার কেউ সামান্য সহায়তায় ফিরে পেয়েছেন ঈদের প্রকৃত আনন্দ।

উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, সেমাই, চিনি ও নতুন পোশাকসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্য। আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু সহায়তা প্রদান নয়—বরং সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি প্রয়াস।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকল সদস্য শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও—দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতা, দোয়া ও ভালোবাসাই এই আয়োজনকে সফল করেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ আতিয়ার হোসেন মাস্টার, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মুরাদ হোসাইন (আয়কর আইনজীবী, ঢাকা ট্যাক্স বার এসোসিয়েশন), সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজ শেখ (বাংলাদেশ পুলিশ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুল মাতুব্বার (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী), দপ্তর সম্পাদক মোঃ সোহান মিয়া (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) এবং অর্থ সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান (উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস, নগরকান্দা)।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমরা হয়তো সবসময় সবার পাশে থাকতে পারি না, কিন্তু ছোট ছোট এই উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

তারা আরও জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

যারা অর্থ, শ্রম ও সময় দিয়ে এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন—তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। পাশাপাশি সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতেও মানবতার সেবায় এ ধারা অব্যাহত রাখা যায়।

বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৪ পিএম
বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন?

বছর ঘুরে আবার এলো ঈদ। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির শীর্ষ নেতারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা ও পারিবারিক পরিমণ্ডলে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। কেউ ঢাকায় থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন, আবার কেউ যাবেন নিজ জেলায়, সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেবেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের ঈদে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন নেতারা।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। আগামী শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠেয় এই জামাতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ঈদের দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর যমুনায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এ অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ যোগ দিতে পারেন।

সকালে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে জিয়ারত করবেন দলটির নেতারা। এরপর অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এদিকে বিএনপি শীর্ষ নেতাদের ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। কেউ ঢাকায় থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, আবার অনেকেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঈদের দিন ঢাকাতেই থাকবেন। তার সঙ্গে রাজধানীতে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেলিমা রহমান এবং সমাজল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা নিজ নিজ এলাকায় যাবেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা নিজ নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেরানীগঞ্জে, আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজারে ঈদ উদযাপন করবেন।

এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে থাকবেন এবং জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকাতেই ঈদের সময় কাটাবেন।

তবে এবারের ঈদে দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে দেশে দেখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খানও দেশের বাইরে চিকিৎসার কারণে ঈদের সময় দেশে থাকছেন না।

রাজধানীতে আরও থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তারা ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে জেলার নেতারাও নিজ নিজ এলাকায় ঈদের দিন নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ কুমিল্লার মুরাদনগরে, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহীতে এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া সিলেটে থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বরিশালে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং লক্ষ্মীপুরে থাকবেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

সব মিলিয়ে এবারের ঈদে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ ঢাকায় এবং অন্যরা দেশের বিভিন্ন জেলায় থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

সূত্র : বাংলানিউজ২৪

ফরিদপুরে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৯ পিএম
ফরিদপুরে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. লুৎফর রহমান (৪৬) নামে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের মধ্য আড়পাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত লুৎফর রহমান আড়পাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি পেশায় একজন পরিশ্রমী কৃষক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বাড়ির পাশের জমিতে কৃষিকাজ করছিলেন লুৎফর রহমান। আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। বজ্রাঘাতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

আড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বদরুজ্জামান বাবু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “লুৎফর রহমান একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান বলেন, “বজ্রপাতে একজনের মৃত্যুর খবর আমরা মৌখিকভাবে পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি আতঙ্ক বিরাজ করছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়ে খোলা মাঠে কাজ করার ঝুঁকি নিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, গাছের নিচে বা পানির কাছে অবস্থান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর বর্ষা ও কালবৈশাখী মৌসুমে দেশে বজ্রপাতে হতাহতের ঘটনা বেড়ে যায়, যা গ্রামীণ কৃষকদের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফরিদপুরে ৫ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা শুরু হচ্ছে ২৩ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০১ পিএম
ফরিদপুরে ৫ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা শুরু হচ্ছে ২৩ মার্চ

ফরিদপুরে আগামী ২৩ মার্চ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজক কমিটির উদ্যোগে পাঁচদিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ২৩ মার্চ সোমবার (পঞ্চমী) রাত ৮টায় দেবীর নৌকায় আগমনের মধ্য দিয়ে পূজার সূচনা হবে। আয়োজকদের মতে, নৌকায় দেবীর আগমন শস্যবৃদ্ধি ও জলবৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

২৪ মার্চ মঙ্গলবার (মহাষষ্ঠী) থেকে পূজার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। ২৫ মার্চ বুধবার (মহাসপ্তমী) সায়ংকালে দেবীর আমন্ত্রণ, অধিবাস ও শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। একইদিন সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৮টায় রামায়ণ গানের আয়োজন রাখা হয়েছে।

২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার (মহাঅষ্টমী) নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, কল্পারম্ভ এবং অষ্টমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হবে এবং রাত ৮টায় পূজা প্রশস্তা অনুষ্ঠিত হবে।

২৭ মার্চ শুক্রবার (মহানবমী) রাত ৮টায় পূজা প্রশস্তা অনুষ্ঠিত হবে। একইদিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।

সবশেষে ২৮ মার্চ শনিবার (মহাদশমী) দশমী বিহিত পূজা শেষে দেবীর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

আয়োজকরা জানান, শাস্ত্রমতে এবারের বাসন্তী পূজার বিশেষ তাৎপর্য হচ্ছে দেবীর নৌকায় আগমন ও ঘোটকে গমন, যা দেশ, জাতি ও বিশ্বমানবতার শান্তি ও মঙ্গল কামনার প্রতীক। তারা সকল ভক্তবৃন্দকে এ উৎসবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।