খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে আহ্বান, সালথায় যৌথবাহিনীর মহড়া

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৮ পিএম
ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে আহ্বান, সালথায় যৌথবাহিনীর মহড়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফরিদপুরের সালথায় উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর ব্যাপক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার সালথা বাজার থেকে যৌথবাহিনী মহড়া শুরু করে রামকান্তপুর ও আটঘর ইউনিয়নের প্রতিটি বাজার ও কেন্দ্র ঘুরে দেখেন তারা।

উক্ত দুটি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে যৌথবাহিনী পক্ষ থেকে স্থানীয় জনগণকে অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাদের শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরেণ। এ সময় বাজারগুলোর বিভিন্ন পয়েন্টে যৌথবাহিনীর পেট্রোল টিমগুলো অবস্থান নেয়। যৌথবাহিনীর এই মহড়া ও টহল সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করেছে।

মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার, সালথা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন নিমান মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান, নগরকান্দা বিজিবি ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

মহড়া চলাকালী সময় সালথা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন নিমান মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলার বিভিন্ন প্রস্তুতির তথ্য স্থানীয়দের মাঝে তুলে ধরে বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং ভোটাররা যেন নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, এ জন্য সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে তাদের প্রচেষ্টা অব্যহত রাখবে। এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেউ যদি ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাদের প্রতি আমাদের অবস্থান হবে অত্যন্ত কঠোর।

সালথা আর্মি ক্যাম্পের সেনা কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংবিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করছে। তারই ধারাবাহিকতায় সালথা উপজেলার জনগণ যেন শান্তিপূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। যেকোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনী আচরণমালা লংঘন করা হলে প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সেনাবাহিনীর টহল দল নিয়মিত বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সহ প্রতিটি ইউনিয়ন বিশেষ টহল পরিচালনা করছে। জনসাধারণ যেনো কোন ধরনের গুজব বা অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতি গুরুত্ব না দেয় তার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি চলমান আছে। নির্বাচনি আচরণ বিধি প্রতিপালনসহ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক যে সব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কাজ চলমান আছে, সেগুলো অব্যাহত থাকবে। আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আমাদের প্রত্যাশা সকলের সহায়তায় একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করতে পারব।

মহড়ায় উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে গঠিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক শত সদস্য এতে অংশ নেন।

পবিত্র শবে বরাতের রাতেও আল্লাহ যাদের ক্ষমা করেন নি?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৪ এএম
পবিত্র শবে বরাতের রাতেও আল্লাহ যাদের ক্ষমা করেন নি?

পবিত্র শবেবরাত বা লাইলাতুল বরাত মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত রজনী। হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী এই রাতে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন। শবেবরাত উপলক্ষে সারা বিশ্বের মুসলমানগণ নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়ায় মশগুল থাকেন। তবে শুধু একটি রাত ইবাদত করলেই সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এমন ধারণা সঠিক নয়।

শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতের শুরু থেকেই আল্লাহ তাআলা বান্দাদের প্রতি মনোযোগী হন এবং ঘোষণা করতে থাকেন; কে আছে ক্ষমাপ্রার্থী, আমি তাকে ক্ষমা করব; কে আছে রিযিকপ্রার্থী, আমি তাকে রিজিক দেব; কে আছে বিপদগ্রস্ত, আমি তাকে মুক্ত করব ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই আমাদের উচিত এই রাতে নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য দোয়া করা।

তবে এই মহিমান্বিত রাতেও দুই শ্রেণির মানুষ আল্লাহর ক্ষমা থেকে বঞ্চিত থাকবে। এক. মুশরিক (যার জীবনে শিরক রয়েছে)। দুই. মুশাহিন (হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণকারী)।

বিখ্যাত সাহাবি মুয়াজ বিন জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মহান আল্লাহ অর্ধ-শাবানের রাতে অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে তার সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান : ৫৬৬৫)

ইসলামে শিরক সবচেয়ে বড় গুনাহ। আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে উপাস্য মনে করা বা আল্লাহর ক্ষমতা ও কর্তৃত্বে অংশীদার করা মারাত্মক অপরাধ। একইভাবে হিংসা-বিদ্বেষ মানুষের নেক আমল ধ্বংস করে দেয়।

এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হিংসা থেকে দূরে থাকো। কেননা হিংসা নেক আমলকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেমন আগুন লাকড়িকে ভস্ম করে দেয়। (সুনানে আবু দাউদ)

শবে বরাত কোনো ভাগ্যরজনী নয়। ভাগ্য নির্ধারণের রাত হলো লাইলাতুল কদর। শবে বরাত হলো আল্লাহর বিশেষ রহমতের রাত; যা ধারাবাহিক ইবাদতকারীদের জন্য এক ধরনের বোনাস। তবে যারা আন্তরিকভাবে তওবা করে নতুনভাবে আল্লাহর পথে ফিরে আসে, তারাও এ রাতে সৌভাগ্যবান হতে পারে।

সূত্র : কালবেলা

আঙুল ফোটানো ভালো না খারাপ—বিজ্ঞান কী বলে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১১ এএম
আঙুল ফোটানো ভালো না খারাপ—বিজ্ঞান কী বলে?

অতিরিক্ত টেনশন বা কাজের চাপের কারণে অনেকেই নিজের অজান্তে আঙুল ফুটিয়ে থাকেন। আঙুল ফোটানো অনেকের কাছে স্বস্তিদ্বায়ক, আবার অনেকের কাছে অভ্যাস। অনেকের ধারণা, আঙুল ফোটানো, আঙুলের হাড়ের জন্য ক্ষতিকর। আবার অনেকের ধারণা, নিয়মিত আঙুল ফোটালে নাকি আঙুলের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলছে এ বিষয়ে? সম্প্রতি হেলথলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এসব তথ্য।

চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আঙুল ফোটানোর পেছনের কারণ

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষ নিয়মিত বা মাঝেমধ্যে আঙুল ফুটিয়ে থাকেন। কেউ এই শব্দ শুনে আনন্দ পান, কেউ আবার মনে করেন এতে মানসিক চাপ কমে। অনেকেই আবার একে স্ট্রেস থেকে মুক্তির একটি উপায় হিসেবে দেখেন। কেউ কেউ চিন্তা বা উদ্বেগের সময় চুল পাকান, কেউ আবার নখ কামড়ান। তারাও অনিচ্ছাকৃতভাবে আঙুল ফোটাতে শুরু করেন। একবার এই অভ্যাস তৈরি হলে, তা ছেড়ে দেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।

আঙুল ফোটালে যে শব্দ হয়, তার উৎস

অনেকেই ভাবেন, হাড় ঘষা লেগেই বুঝি শব্দটি হয়। তবে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন ভিন্ন কথা। ২০১৫ সালের এক গবেষণায় এমআরআইতে দেখা গেছে, আঙুল ফোটানোর সময় জোড়া টান দিলে অস্থিসন্ধির তরলের মধ্যে একটি ছোট ‘ক্যাভিটি’ বা ফাঁপা জায়গা তৈরি হয়, যেটির সৃষ্টিই শব্দের কারণ। আর ২০১৮ সালের আরেক গবেষণায় বলা হয়, শব্দটি আসলে ওই ফাঁপা অংশটি আংশিক ভেঙে পড়ার সময় তৈরি হয়। আর একই আঙুল কিছুক্ষণ পর আবার ফোটানো যায়। কারণ ওই ফাঁপা জায়গাটি আবার পূর্ণ হতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে।

আঙুল ফোটানো কি ক্ষতিকর

অনেক অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, মাঝেমধ্যে আঙুল ফোটানো ক্ষতিকর নয়। তবে কেউ যদি এটি নিয়মিত বা দিনে বারবার করতে থাকেন, তাহলে সমস্যা হতে পারে। এতে অস্থিসন্ধির ভেতরের তরল (সাইনুভিয়াল ফ্লুইড) কমে যেতে পারে। ফলে হাড়ে হাড়ে ঘষা লাগে এবং দীর্ঘমেয়াদে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

তবে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আঙুল ফোটানো সরাসরি বাত বা হাড় ক্ষয়ের কারণ নয়। এক চিকিৎসক টানা ৫০ বছর ধরে শুধু এক হাতের আঙুল ফোটান। পরে তিনি দেখেন, ফোটানো হাত ও না ফোটানো হাতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এতে প্রমাণিত হয়, আঙুল ফোটানো সব সময় ক্ষতিকর নয়।

যখন সাবধান হওয়া জরুরি

যদি আঙুল ফোটানোর সময় বা পরে ব্যথা হয়, আঙুল ফুলে যায় বা নড়াতে সমস্যা হয়, তাহলে এটি শুধু অভ্যাস নয়। এটি শরীরের কোনো সমস্যা বা রোগের লক্ষণ হতে পারে, যা গাউট, আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্ট ইনজুরি হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, কিছু উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। উপসর্গগুলো হলো—

১. আঙুলে ব্যথা

২. ফুলে যাওয়া

৩. জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া

৪. নড়াচড়া করতে কষ্ট হওয়া

চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, মাঝেমধ্যে আঙুল ফোটানো ক্ষতিকর নয়। তবে যদি কেউ নিয়মিতভাবে এটি করেন, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই সতর্ক থাকা ভালো। আর যদি আঙুলে ব্যথা, ফোলাভাব বা অস্বস্তি হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র : হেলথ লাইন

কে এই আলোচিত নীলা ইসরাফিল? জানুন তার পরিচয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৩ এএম
কে এই আলোচিত নীলা ইসরাফিল? জানুন তার পরিচয়

গোপালগঞ্জ জেলার মেয়ে নীলা ইসরাফিল বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে এক আলোচিত ও বিতর্কিত নাম। ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক অবস্থান ও সামাজিকমাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে তিনি নিয়মিতই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রয়াত উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফের সাবেক স্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নীলা নিজ পরিচয়েই আলোচনায় উঠে এসেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নীলার দৃশ্যমান উপস্থিতি শুরু হয়। বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলনে তাকে সরব ভূমিকায় দেখা যায়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের গড়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন তিনি। দলটির বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নীলার উপস্থিতি সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

তবে রাজনৈতিক যাত্রা খুব দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দলের অভ্যন্তরীণ নানা বিষয় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে নীলা একপর্যায়ে নিজের সাবেক শ্বশুর প্রয়াত উপদেষ্টা হাসান আরিফ এবং এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন নীলা ইসরাফিল। পদত্যাগের পরও তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করে যাচ্ছেন, যা তাকে আলোচনায় রাখছে।

রাজনীতির বাইরে নীলা ইসরাফিল একজন পরিচিত মডেল ও অভিনেত্রী। শোবিজ অঙ্গনে তার পথচলা শুরু হয় বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে। রায়হানের নির্দেশনায় একটি প্রতিষ্ঠানের মশার কয়েলের বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেল হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে দেশীয় বিজ্ঞাপন জগতে নিজের অবস্থান শক্ত করেন নীলা। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০টির বেশি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। এর মধ্যে মেজবাউর রহমান সুমনের নির্দেশনায় ‘বিকাশ’ এবং পলকের নির্দেশনায় ‘জিপি’র বিজ্ঞাপন উল্লেখযোগ্য।

অভিনয় জগতে নীলার অভিষেক হয় অনিমেষ আইচ পরিচালিত নাটক ‘কুয়া’র মাধ্যমে। এরপর তিনি ‘ঘর সংষার’, ‘টিরিগিরি টক্কা’, ‘ফুল এইচডি’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। গেল ঈদে সকাল আহমেদ পরিচালিত ‘কে খুনী’ ও ‘ব্রেক আপ ইন’ নাটক দুটি প্রচারিত হয়, যা ইউটিউবে দর্শকদের ভালো সাড়া পায়।

চলচ্চিত্রেও নীলা কাজ করেছেন। তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত একমাত্র সিনেমা আবীর খান পরিচালিত ‘পোস্টমাস্টার ৭১’। এ ছাড়া ধ্রুব’র পরিচালনায় আরও একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন তিনি, যা এখনো মুক্তির অপেক্ষায়।

রাজনীতি ও বিনোদন—দুই অঙ্গনেই সক্রিয় নীলা ইসরাফিলকে ঘিরে আলোচনা থামছে না। সমর্থক ও সমালোচক—দুই পক্ষের নজরেই থাকা এই তরুণী ভবিষ্যতে কোন পথে এগোবেন, তা নিয়েই কৌতূহল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।