খুঁজুন
শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৭ চৈত্র, ১৪৩২

সালথায় শামা ওবায়েদের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন আরও পাঁচ আ.লীগ নেতা

নুরুল ইসলাম নাহিদ, সালথা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৩ পিএম
সালথায় শামা ওবায়েদের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন আরও পাঁচ আ.লীগ নেতা

ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী পাঁচ নেতা।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ার) বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা সালথা উপজেলা মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া গ্রামে আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া রুহের মারফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন তারা। এর আগে দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদানের ঘোষনা দেন আওয়ামী লীগের ওই পাঁচ নেতা।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করা নেতারা হলেন, উপজেলার মাঝারাদিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. আফসার উদ্দিন মাতুব্বর, মাঝারদিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সহসভাপতি মো. এসকেন মাতুব্বর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মোল্যা, ২ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সহসভাপতি ইসহাক মাতুব্বর ও উপজেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি মো. বছির মাতুব্বর। এসব নেতাদের সঙ্গে সহস্রাধিক আ.লীগের কর্মী সমর্থকও বিএনপিতে যোগদান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি মো. বছির মাতুব্বর । তিনি বলেন, মাঝারদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আফসার উদ্দিন মাতুব্বরের নেতৃত্বে আজ থেকে আমরা সবাই একযোগে আওয়ামী লীগের সকল পদপদবি ও কর্মকাণ্ড থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিলাম। আজকে থেকে আমরা সবাই বিএনপিতে যোগদান করলাম।

এক প্রশ্নের জবাবে পদত্যাগের ঘোষনা দেওয়া নেতারা বলেন, কোনো ধরণের চাপের মুখে আমরা পদত্যাগ করছি না। আমার নিজের ইচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এখন থেকে আমরা বিএনপি নেত্রীর শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর সাথে কাজ করে যাবো। আমরা ইতিমধ্যে আমাদের লিখিত পদত্যাগ সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে জমা দিয়েছি।

দোয়া অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সালথা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান, বিএনপি নেতা শাহিদুজ্জামান সাহিদ, হাবিবুর রহমান লাবলু, আনোয়ার হোসেন মিয়া, যুবদল নেতা তৈয়াবুর রহমান মাসুদ, মো. ইমরান হোসেন প্রমুখ।

এক টুকরো ঘর আছে, নেই ঈদের আনন্দ—সালথার আশ্রয়নবাসীর হাহাকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
এক টুকরো ঘর আছে, নেই ঈদের আনন্দ—সালথার আশ্রয়নবাসীর হাহাকার

সারাদেশ যখন পবিত্র ঈদকে ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে, নতুন পোশাক, সেমাই, মাংস আর পারিবারিক আয়োজনের ব্যস্ততায় মুখর চারদিক—ঠিক তখনই সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতা চোখে পড়ে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বড় লক্ষণদিয়া গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায়। এখানে নেই ঈদের কোনো আমেজ, নেই আনন্দের ছোঁয়া; বরং চারদিকে বিরাজ করছে হতাশা, অনিশ্চয়তা আর না পাওয়ার দীর্ঘশ্বাস।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আশ্রয়ন প্রকল্পের অধিকাংশ পরিবারেই ঈদকে ঘিরে নেই কোনো প্রস্তুতি। অনেক ঘরেই সেমাই, চিনি, দুধ কিংবা মাংস কেনার সামর্থ্য নেই। শিশুদের চোখে নেই নতুন জামার উচ্ছ্বাস, বরং আছে অজানা অপেক্ষা—ঈদে তারা আদৌ কিছু পাবে কিনা, তা নিয়েই সংশয়।

ষাটোর্ধ্ব বিধবা কমেলা বেগম কণ্ঠ ভারী করে বলেন, “আমার স্বামী-ছেলে কেউ বেঁচে নেই। নাতনি মানুষের বাসায় কাজ করে যা আয় করে, তা দিয়েই কোনো রকমে দিন চলে। একটি টিসিবি কার্ড আছে, কিন্তু নিয়মিত কিছু পাই না। চেয়ারম্যানের কাছে অনেকবার গেছি, কিন্তু কোনো ভিজিডি, বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতা পাইনি। এই বয়সে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো?”

একই রকম অসহায়ত্বের কথা জানান জানারা বেগম। তিনি বলেন, “তিন বছর ধরে এখানে থাকি। স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না। এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি, ছেলে নেই। মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে যা পাই, তাই দিয়ে সংসার চালাই। সরকারি কোনো সহায়তা পাই না। ঈদ আসছে, কিন্তু ঘরে কিছুই নেই।”

শুধু কমেলা বা জানারা নন, আশ্রয়ন প্রকল্পের আরও অনেক বাসিন্দার গল্প একই সুরে বাঁধা। রাবিয়া বেগম, সাহেরা বেগম, জিয়াসমিন বেগম, চায়না বেগম, পাখি বেগম, আবে বেগম ও তাসলি বেগমসহ একাধিক নারী জানান, “আমরা শুধু একটা ঘর পেয়েছি, কিন্তু জীবিকার কোনো নিশ্চয়তা নেই। স্বামীরা নিয়মিত কাজ পায় না। অনেক সময় অন্যের বাড়িতে কাজ করে দিন চালাতে হয়। ঈদ সামনে, কিন্তু এখনো বাজার করতে পারিনি। সন্তানদের জন্য নতুন জামা কিনতে না পারাটাই সবচেয়ে কষ্টের।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, আশ্রয়ন প্রকল্পের বহু পরিবার নিয়মিত সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা কিংবা অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা অনেকেই পাচ্ছেন না। ফলে জীবনের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করাই যেখানে কঠিন, সেখানে ঈদের মতো আনন্দঘন উৎসবও তাদের কাছে হয়ে উঠেছে বেদনার প্রতীক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আশ্রয়ন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য শুধু গৃহহীনদের ঘর প্রদান নয়; বরং তাদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করা, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা এবং স্বাবলম্বী করে তোলা। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের উপকারভোগীরা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান বা নিয়মিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে তারা দারিদ্র্যের চক্র থেকেই বের হতে পারছেন না।

এ বিষয়ে গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু বলেন, “আমি সম্প্রতি প্রতিজনকে ৫ হাজার টাকার একটি প্যাকেজ দিয়েছি। এছাড়া তিনজনকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। যারা এখনো ভাতা পাননি, তারা আবেদন করলে বয়স্ক ও বিধবা ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।”

অন্যদিকে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য আলাদাভাবে কোনো সুবিধা বরাদ্দ নেই। সরকার যেসব স্কিম চালু করেছে, সেগুলোর মাধ্যমেই সহায়তা দেওয়া হয়। সরকার ধাপে ধাপে নতুন পরিকল্পনা নিচ্ছে। কেউ বাদ যাবে না—সবাইকে পর্যায়ক্রমে আওতায় আনা হবে।”

তবে বাস্তবতা বলছে, এই ‘পর্যায়ক্রমে’ সহায়তা পাওয়ার অপেক্ষায় থেকেই বছরের পর বছর পার করছেন অনেক অসহায় পরিবার। তাদের কাছে ঈদ মানে নতুন পোশাক বা বিশেষ খাবার নয়; বরং টিকে থাকার সংগ্রামের মধ্যেও একটু স্বস্তির খোঁজ।

যেখানে ঈদ আনন্দ, ভালোবাসা ও ভাগাভাগির প্রতীক—সেখানে বড় লক্ষণদিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের মানুষের জীবনে ঈদ এসে দাঁড়িয়েছে নীরব, নিঃশব্দ ও বিষণ্ণ এক দিন হয়ে। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা—শুধু একটি ঘর নয়, একটি স্থায়ী জীবিকা এবং বেঁচে থাকার ন্যূনতম নিশ্চয়তা।

চাঁদ দেখা গেছে, কাল শনিবার ঈদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
চাঁদ দেখা গেছে, কাল শনিবার ঈদ

দেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শনিবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে কক্সবাজারে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কথা জানায় প্রশাসন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে জানানো হয়, শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এ জন্য শনিবার ঈদ। বলা হয়, শাওয়াল মাস গণনা অনুযায়ী পূর্ণ ৩০ রোজা শেষে শনিবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের প্রতিটি ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। মুসল্লিরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও শৃঙ্খলা মেনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এছাড়া গত ১৮ মার্চ চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ওইদিন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বৃহস্পতিবার পবিত্র রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে এবং শুক্রবার (২০ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হয়।

সূত্র : চ্যানেল২৪

বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৪ পিএম
বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন?

বছর ঘুরে আবার এলো ঈদ। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির শীর্ষ নেতারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা ও পারিবারিক পরিমণ্ডলে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। কেউ ঢাকায় থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন, আবার কেউ যাবেন নিজ জেলায়, সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেবেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের ঈদে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন নেতারা।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। আগামী শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠেয় এই জামাতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ঈদের দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর যমুনায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এ অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ যোগ দিতে পারেন।

সকালে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে জিয়ারত করবেন দলটির নেতারা। এরপর অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এদিকে বিএনপি শীর্ষ নেতাদের ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। কেউ ঢাকায় থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, আবার অনেকেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঈদের দিন ঢাকাতেই থাকবেন। তার সঙ্গে রাজধানীতে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেলিমা রহমান এবং সমাজল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা নিজ নিজ এলাকায় যাবেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা নিজ নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেরানীগঞ্জে, আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজারে ঈদ উদযাপন করবেন।

এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে থাকবেন এবং জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকাতেই ঈদের সময় কাটাবেন।

তবে এবারের ঈদে দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে দেশে দেখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খানও দেশের বাইরে চিকিৎসার কারণে ঈদের সময় দেশে থাকছেন না।

রাজধানীতে আরও থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তারা ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে জেলার নেতারাও নিজ নিজ এলাকায় ঈদের দিন নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ কুমিল্লার মুরাদনগরে, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহীতে এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া সিলেটে থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বরিশালে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং লক্ষ্মীপুরে থাকবেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

সব মিলিয়ে এবারের ঈদে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ ঢাকায় এবং অন্যরা দেশের বিভিন্ন জেলায় থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

সূত্র : বাংলানিউজ২৪