খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

অসম্ভবকে সম্ভব করে যে দোয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০২ পিএম
অসম্ভবকে সম্ভব করে যে দোয়া

মুতাররিফ বিন মুসআব (রহ.) বলেন, একদিন আমি খলিফা মানসুরের কাছে গেলাম। দেখলাম তিনি অত্যন্ত বিষণ্ণ ও শোকাতুর হয়ে বসে আছেন। তার কোনো এক প্রিয়জনকে হারানোর শোকে তিনি কথা বলাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বললেন— মুতাররিফ! আমি এমন দুশ্চিন্তায় পড়েছি যা আল্লাহ ছাড়া কেউ দূর করতে পারবে না। তোমার কি এমন কোনো দোয়ার কথা জানা আছে যা পড়লে আল্লাহ আমার এই অস্থিরতা দূর করবেন?

মুতাররিফ (রহ.) বললেন, হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনাকে বসরা শহরের এক ব্যক্তির ঘটনা শোনাই। সেই লোকটির কানে একটি মশা ঢুকে একদম ভেতর পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। ব্যথায় সে ছটফট করছিল এবং কিছুতেই ঘুমাতে পারছিল না। তখন তাকে এক ব্যক্তি পরামর্শ দিলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবি হজরত আলা ইবনুল হাদরামি (রা.)-এর সেই দোয়ার মাধ্যমে প্রার্থনা করতে, যে দোয়ার বরকতে আল্লাহ তাকে মরুভূমি ও সমুদ্রে রক্ষা করেছিলেন।

খলিফা মানসুর কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন— সেই দোয়াটি কী?

তখন মুতাররিফ (রহ.) বললেন, অসম্ভবকে সম্ভব করার সেই দোয়া হলো—

يَا حَلِيمُ يَا عَلِيمُ يَا عَلِيُّ يَا عَظِيمُ

উচ্চারণ: ইয়া হালিমু, ইয়া আলিমু, ইয়া আলিয়্যু, ইয়া আজিমু।

অর্থ: হে পরম সহনশীল, হে সর্বজ্ঞ, হে সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল, হে মহান।

এই দোয়াটি মূলত আল্লাহ তাআলার চারটি মহিমান্বিত আসমা উল হুসনা (সুন্দর নাম) দ্বারা তাকে ডাকার একটি জিকির। কুরআনে আল্লাহ বলেন—

وَلِلّٰهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا

আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম; সেগুলোর মাধ্যমে তোমরা তাঁকে ডাকো। (সুরা আল-আরাফ: আয়াত ১৮০)

কেন এটি অসম্ভবকে সম্ভব করার দোয়া

কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও প্রশান্তির জন্য
গুনাহের পর আল্লাহর হিলম (সহনশীলতা) কামনায়
জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য
আল্লাহর মহত্ত্ব স্মরণ করে বিনয়ী হওয়ার জন্য
বিশেষ করে বিপদ, মানসিক চাপ, ভয় বা অনিশ্চয়তার সময়ে এই জিকির হৃদয়ে প্রশান্তি আনে— কারণ এতে আল্লাহর সহনশীলতা, জ্ঞান, উচ্চতা ও মহিমা একসাথে স্মরণ করা হয়।

‘হযরত আলা ইবনুল হাদরামি (রা.) একবার বাহরাইন অভিযানের সময় বিশাল এক মরুভূমি পাড়ি দিচ্ছিলেন। সাথে ছিল তাঁর ৪০০০ সৈন্যের বাহিনী। পথে তারা প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়লেন এবং পানির অভাবে সবার মৃত্যুর উপক্রম হলো। তখন তিনি দুই রাকাত নামাজ পড়ে হাত তুলে এই দোয়াটি করলেন—

يَا حَلِيمُ يَا عَلِيمُ يَا عَلِيُّ يَا عَظِيمُ

উচ্চারণ: ‘ইয়া হালিমু, ইয়া আলিমু, ইয়া আলিয়্যু, ইয়া আজিমু।’

অর্থ: ‘হে পরম সহনশীল, হে সর্বজ্ঞ, হে সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল, হে মহান।’

আমাদের তৃষ্ণা মেটান

দোয়া শেষ হতে না হতেই পাখির ডানার মতো একখণ্ড মেঘ উড়ে এল এবং প্রবল বৃষ্টি শুরু হলো। তারা নিজেদের সব পাত্র ও মশক পূর্ণ করে নিলেন।

এরপর তারা একটি উপসাগরের পাড়ে পৌঁছালেন। সেখানে পার হওয়ার মতো কোনো নৌকা ছিল না। তিনি আবারও দুই রাকাত নামাজ পড়ে দোয়া করলেন—

يَا حَلِيمُ يَا عَلِيمُ يَا عَلِيُّ يَا عَظِيمُ

উচ্চারণ: ‘ইয়া হালিমু, ইয়া আলিমু, ইয়া আলিয়্যু, ইয়া আজিমু।’

অর্থ: ‘হে পরম সহনশীল, হে সর্বজ্ঞ, হে সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল, হে মহান।’

আমাদের নদী পার করে দিন

এরপর তিনি তার ঘোড়ার লাগাম ধরলেন এবং বাহিনীকে বললেন, ‘বিসমিল্লাহ বলে পার হও!’

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, আমরা ৪০০০ অশ্বারোহী সৈন্য সেই সমুদ্রের ওপর দিয়ে হেঁটে গেলাম! আমাদের ঘোড়ার খুর কিংবা আমাদের পা কিছুই ভিজেনি!’

মুতাররিফ রহ. বলেন, ‘সেই বসরার লোকটিও যখন এই দোয়াটি পড়ল, সঙ্গে সঙ্গে তার কান থেকে এক ধরনের গুণগুণ শব্দ করে মশাটি বেরিয়ে এলো এবং সে সুস্থ হয়ে গেল।’

এ ঘটনা শোনার পর খলিফা মানসুর সঙ্গে সঙ্গে কিবলামুখী হয়ে বসে পড়লেন এবং একাগ্রচিত্তে এই ৪টি শব্দ দিয়ে দোয়া করতে লাগলেন—

يَا حَلِيمُ يَا عَلِيمُ يَا عَلِيُّ يَا عَظِيمُ

উচ্চারণ: ‘ইয়া হালিমু, ইয়া আলিমু, ইয়া আলিয়্যু, ইয়া আজিমু।’

অর্থ: ‘হে পরম সহনশীল, হে সর্বজ্ঞ, হে সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল, হে মহান।’

কিছুক্ষণ পর তিনি মুতাররিফ (রহ.)-এর দিকে হাসিমুখে ফিরে তাকালেন এবং বললেন— ‘হে মুতাররিফ! আল্লাহর শুকরিয়া, আমার হৃদয়ের সমস্ত অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা এক নিমিষেই দূর হয়ে গেছে।’

আল্লাহর এই চারটি গুণবাচক নাম (পরম সহনশীল, সর্বজ্ঞাত, সমুন্নত ও সুমহান) অত্যন্ত শক্তিশালী। যখন কোনো বান্দা পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে এই নামে আল্লাহকে ডাকে, তখন অসম্ভব বিষয়ও সম্ভবে পরিণত হতে সময় লাগে না। (সূত্র: মিন আজাইবিদ দুআ,আদ দুআউল মাসুর ওয়া আদাবুহু)

ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি, শেষরক্ষা হলো না মাদক মামলার পলাতক আসামির

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৯ এএম
ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি, শেষরক্ষা হলো না মাদক মামলার পলাতক আসামির

ফরিদপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. সাদ্দাম শেখ (২৪)। তিনি ফরিদপুর শহরের খোদাবক্স রোড, কসাই বাড়ি সড়ক এলাকার বাসিন্দা এবং মো. শেখ শহিদের ছেলে।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্প থেকে বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুর সদরের শিবরামপুর বাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১০-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কোতয়ালী থানার জিআর মামলা নম্বর- ৫৫৬/১৪ এর আলোকে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার টেবিল ২২(গ) অনুযায়ী ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত সাজা পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাদ্দাম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্বীকার করেছে যে, সাজা এড়াতে সে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। র‌্যাবের নিয়মিত নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার ফলে শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

র‌্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক সংক্রান্ত অপরাধ দমনে র‌্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার তারিকুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “মাদকদ্রব্য সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ হুমকি। মাদকের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”

 

রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এখন ফরিদপুর: আজ তারেক রহমানের জনসভা, প্রস্তুত বিএনপি

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৬ এএম
রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এখন ফরিদপুর: আজ তারেক রহমানের জনসভা, প্রস্তুত বিএনপি

নির্বাচনী সফরের অংশ হিসেবে আজ বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরে আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ উপলক্ষে ফরিদপুর শহরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জনসভাকে ঘিরে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই প্রথম ফরিদপুর সফরে আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুপুরে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার ফরিদপুর স্টেডিয়ামে অবতরণ করবে। সেখান থেকে একটি সুসজ্জিত গাড়িবহর নিয়ে তিনি সরাসরি শহরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভাস্থলে যাবেন। আজ দুপুর ২টায় শুরু হতে যাওয়া এ জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

বিভাগীয় এ জনসভাকে কেন্দ্র করে রাজেন্দ্র কলেজ মাঠ ও আশপাশের এলাকায় তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। মাঠজুড়ে বসানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ফরিদপুরসহ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলা—ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর থেকে নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামবে এই জনসভায়। এতে লাখো মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

ফরিদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মো. রাজিব হোসেন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন,“তারেক রহমানের ফরিদপুর আগমন আমাদের জন্য ঐতিহাসিক ও প্রেরণাদায়ক একটি ঘটনা। তরুণ প্রজন্মের মাঝে বিএনপির রাজনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এই জনসভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যুবদলসহ বিএনপির সব অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে জনসভা সফল করার জন্য কাজ করছে। আমরা আশা করছি, আজকের জনসভা ফরিদপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “এই জনসভা থেকে তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন। তরুণ সমাজ তার বক্তব্য থেকে নতুন অনুপ্রেরণা পাবে।”

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আজ নতুন উদ্যমে সংগঠিত হচ্ছে। ফরিদপুরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তারেক রহমানকে সরাসরি দেখার অপেক্ষায় ছিল। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটছে আজ। আমরা বিশ্বাস করি, এই জনসভা থেকে জনগণ গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও একটি জবাবদিহিমূলক সরকারের পক্ষে আরও ঐক্যবদ্ধ হবে।”

তিনি বলেন, “ফরিদপুর ঐতিহ্যগতভাবে গণতন্ত্রকামী মানুষের এলাকা। আজকের জনসভা প্রমাণ করবে, বিএনপি এখনো জনগণের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক শক্তি। আমরা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে জনসভা আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।”

উল্লেখ্য, তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। জনসভা সফল করতে বিএনপির স্থানীয় ইউনিটগুলো একযোগে কাজ করছে। সব মিলিয়ে আজকের জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুরে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

‘ইনসাফের কথা’

মামুন সিকদার
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ এএম
‘ইনসাফের কথা’

মোরা ঊষার পথের তরুণের দল
ইনসাফের কথা বলিবো সচল,
এক হাদি’কে গুলিবিদ্ধ করে
ক্ষান্ত করিতে পারিবে না বল।

মোরা শত শত হাদি আছি বাংলা জুড়ে
ক’টা গুলি আছে বল? হায়েনার দল,
মোরা ঊষার পথের তরুণের দল
ইনসাফের কথা বলিবো সচল।

মোরা থামবো না, মোরা থামবো না
ইনসাফের পথে করিবো সংগ্রাম,
বাংলা জুড়ে যারা করে ছল
অপশক্তি বিনাশ করিবো, আমরা আছি যারা।

তবু থামবো না, তবু থামবো না
আসুক যত ঝড় ও তুফান,
মোরা ঊষার পথের তরুণের দল
ইনসাফের কথা বলিবো সচল।