খুঁজুন
, ,

ছেলে তারকা হোক, চাইতেন না শাহরুখ!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
ছেলে তারকা হোক, চাইতেন না শাহরুখ!
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ২০২৫ সাল। তার পরিচালিত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাড্স অফ বলিউড’ সাড়া ফেলেছে ওটিটি দুনিয়ায়। এরপর রাতারাতি নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন আরিয়ান।

কিন্তু একসময়ে শাহরুখ জানিয়েছিলেন, তিনি কখনওই পুত্রকে তারকা হতে দেবেন না।

 

‘দিলওয়ালে’ সিনেমা মুক্তির আগে এক সাক্ষাৎকারে, শাহরুখ এমনই একটি মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু সেই মন্তব্য আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে।

কেন এমন মন্তব্য করেছিলেন শাহরুখ? অতীতে আর একটি সাক্ষাৎকারে শাহরুখ মন্তব্য করেছিলেন, পুত্র আরিয়ান যত দিন না তারকা হয়ে উঠছেন, তত দিন যেন তার নিজের খ্যাতি বজায় থাকে।

‘দিলওয়ালে’ সিনেমা মুক্তির আগের সেই সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল শাহরুখকে।

প্রথমে তিনি এই মন্তব্যের কথা স্বীকারই করেননি। দ্বিতীয়ত, কথা প্রসঙ্গে তিনি বলে বসেন, আমি আমার পুত্রকে কখনও আমার মতো তারকা হতেই দেব না। আগের মন্তব্যের পেছনে যুক্তি দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছিলেন শাহরুখ। 

পরে অবশ্য শাহরুখ জানিয়েছিলেন, তিনি মজা করে অনেক সময়ে নানা রকমের মন্তব্য করে থাকেন।

সেটাকে মজা হিসাবেই সবার গ্রহণ করা উচিত। এর মধ্যে কোনও গভীর অর্থ না খোঁজাই সমীচীন। 

উল্লেখ্য, আরিয়ান ইতোমধ্যেই তারকা পরিচালকের তকমা পেয়ে গেছেন। যদিও তার সিরিজের অভিনেতাদের অধিকাংশের দাবি, আরিয়ান মাটির মানুষ। তারকাসন্তান হওয়ার বিন্দুমাত্র চিহ্ন নেই তার মধ্যে।

সবার সঙ্গে হাসিখুশি ভাবে কাজ করতে ভালোবাসেন তিনি।

দিনে কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? জানুন সঠিক নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ
দিনে কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? জানুন সঠিক নিয়ম

চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে আঁচড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। তবে কতবার আঁচড়ানো উচিত, তা নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। ভিক্টোরিয়ান যুগে একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে, দিনে অন্তত ১০০ বার চুল আঁচড়ানো চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

অস্ট্রিয়ার সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথ (সিসি)-ও এই নিয়ম মেনে চলতেন বলে শোনা যায়। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন? আসলেও কি ১০০ বার আঁচড়ানো প্রয়োজন?

বিজ্ঞানীদের মতে, ১০০ বার চুল আঁচড়ানোর ধারণাটি একটি নিছক মিথ্যা বা ভুল ধারণা। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত চিরুনি চালালে চুলের ভেতরে ফাটল ধরে এবং ‘স্প্লিট এন্ড’ বা আগা ফাটার সমস্যা তৈরি হয়। গবেষক ডেভিড টেলরের মতে, চুলে অতিরিক্ত ঘর্ষণ বা চাপের ফলে এই ক্ষতি হয়। এমনকি বিজ্ঞানীরা একে ‘কিউমিলেটিভ ফ্যাটিগ ড্যামেজ’ বা ক্রমপুঞ্জিত ক্লান্তিজনিত ক্ষতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

কেন চুল আঁচড়ানো জরুরি?

অতিরিক্ত আঁচড়ানো ক্ষতিকর হলেও নিয়মিত ও সঠিক পদ্ধতিতে আঁচড়ানোর কিছু সুফল রয়েছে:

– এটি চুলে বড় জট পাকানো রোধ করে এবং চুল ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়।

– মাথার ত্বকের মৃত কোষ, ময়লা এবং ঝরে যাওয়া চুল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

– নরমভাবে আঁচড়ালে চুলের প্রাকৃতিক তেল পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়ে।

চুলের ধরন অনুযায়ী আঁচড়ানোর সঠিক নিয়ম

আপনার চুলের ধরন বলে দেবে আপনার দিনে কতবার চিরুনি প্রয়োজন:

সোজা বা ঢেউখেলানো চুল: বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের চুলের জন্য দিনে এক থেকে দুবার বা সপ্তাহে অন্তত তিনবার আঁচড়ানোর পরামর্শ দেন। তবে মনে রাখবেন, সোজা চুল কখনোই ভেজা অবস্থায় আঁচড়ানো উচিত নয়। কারণ ভেজা অবস্থায় চুলের বাইরের স্তর (কিউটিকেল) নরম থাকে, ফলে তা সহজেই ভেঙে যেতে পারে।

কোঁকড়া বা কুঁচকানো চুল: এই ধরনের চুলের নিয়ম একদম ভিন্ন। কোঁকড়া চুল শুকনো অবস্থায় আঁচড়ালে তা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এ ধরনের চুল কেবল ধোয়ার সময় বা ভেজা অবস্থায় ডিট্যাঙ্গলিং কন্ডিশনার ব্যবহার করে আঁচড়ানো উচিত।

সঠিক চিরুনি নির্বাচন

চুল ভালো রাখতে সঠিক চিরুনি ব্যবহার করাও জরুরি:

– ভেজা চুলের জট ছাড়াতে নরম ও নমনীয় ব্রাশ ব্যবহার করুন।

– শুকনো চুলের ক্ষেত্রে ‘বোর ব্রিস্টল’ যুক্ত ব্রাশ ভালো, যা চুলের গোড়ার তেল আগা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।

পরিশেষে, কতবার আঁচড়াচ্ছেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটা যত্ন নিয়ে এবং কতটুকু জোরে আঁচড়াচ্ছেন। নিয়মিত কিন্তু পরিমিতভাবে চুল আঁচড়ানোর অভ্যাসই আপনার চুলকে রাখতে পারে প্রাণবন্ত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

সালথার সাড়ুকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি মাহফুজ খান

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
সালথার সাড়ুকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি মাহফুজ খান

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সাড়ুকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবদলের অন্যতম নেতা মো. মাহফুজ খান। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শিক্ষানুরাগী মঞ্জু বিশ্বাস। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও সর্বসম্মত সমর্থনের ভিত্তিতে ১২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অভিভাবক সদস্য, শিক্ষক প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভায় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবগঠিত কমিটির পদাধিকারবলে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান শিক্ষক ঝর্না রায়। এছাড়া দাতা সদস্য হিসেবে রয়েছেন শেফালী দত্ত এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মো. কামাল হোসেন। অন্যান্য সদস্যরা হলেন— মো. বাবলু মোল্লা, মো. মোশাররফ হোসেন, শুকুর মিয়া, মো. দেলোয়ার মোল্লা, মো. হারুন মাতুব্বর, শিল্পী রানী বোস ও শ্রী কৃষ্ণ পাল।

সভায় সভাপতি ও সহ-সভাপতির নাম ঘোষণার পর উপস্থিত শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানসম্মত করতে নবনির্বাচিত কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা আশা প্রকাশ করে বলেন, সভাপতি মাহফুজ খানের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে নতুন কমিটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর মো. মাহফুজ খান বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

এদিকে নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভকামনা জানিয়ে এলাকাবাসী বলেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি শিক্ষাক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন করবে এবং এলাকার শিক্ষার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

‘জিকের পাড়ের কদম ফুল’

সোহানুর রহমান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
‘জিকের পাড়ের কদম ফুল’

জিকের পাড়ে একটি কদমগাছ দেখলাম বটে। কিন্তু গাছে কোনো ফুল নেই। মাটিতে পড়ে আছে কয়েকটি কদমফুলের অবশেষ—তবে তাতে নেই পুংকেশর, নেই পরাগধানী; শুধু পড়ে আছে নিঃসঙ্গ পুষ্পাধার। মনে হলো, যেন কেউ ফুলের সমস্ত সৌন্দর্য তুলে নিয়ে গেছে, রেখে গেছে শুধু স্মৃতি।

না, সেটি তোমার জন্য মানানসই নয়-

এদিকে আষাঢ়ের প্রায় অর্ধেক পেরিয়ে গেছে। প্রতিদিন অপরাহ্ণ নামলেই আকাশজুড়ে জমে কালো মেঘ। দূর দিগন্ত থেকে ভেসে আসে শীতল হাওয়া, কখনও মেঘের গম্ভীর গর্জন। জিকের পাড়ের সেই মায়াময় পথ ধরে হাঁটি আমি—প্রতিদিন, একই রকম অপেক্ষা বুকে নিয়ে।

তুমি হয়তো ভেবেছো, কিংবা পণ করেছো—কদমফুলের কথা আর মুখেও আনবে না। হয়তো আমাকে পরখ করে দেখছো। পরিচয়ের শুরুতে যে ‘মেঘাগমপ্রিয়’ হওয়ার কথা বলেছিলাম, সে কথা আমি ভুলে যাই কি না, সেটাই হয়তো দেখতে চাও।

না, আমি ভুলিনি।

বরং কদমফুলের গাছ খুঁজতে খুঁজতে কতবার যে জিকের পাড়ে হোঁচট খেতে খেতে চলেছি, তার হিসাব নেই। কত বিকেল, কত মেঘলা আকাশ, কত অকারণ পথচলা—সবই যেন একটিমাত্র প্রতিশ্রুতির কাছে ঋণী।

তবে এবার যখন কদমফুল আনব—

যদি আকাশে মেঘ না-ও থাকে, যদি সজল পবন না-ও বয়, যদি এই আষাঢ় হঠাৎ চৈত্রের রূপ ধারণ করে,
তবুও তোমার নিঃশ্বাস আর আমার নিঃশ্বাসের মাঝখানে একটি কদমফুলের ক্যারোলা টিউব রেখে একটি ছবি তুলব।

সেই ছবিতে হয়তো থাকবে না বর্ষার আবহ, থাকবে না মেঘের গর্জন কিংবা বৃষ্টির ছোঁয়া। তবু থাকবে অপেক্ষার ইতিহাস, প্রতিশ্রুতির সুবাস এবং দুটি মানুষের নীরব বোঝাপড়া।

আর যদি হঠাৎ ঝঞ্ঝাবায়ু আসে, যদি আকাশ ভেঙে নামে বর্ষণ, তবে চার হাত এক করে কদমের পুষ্পমঞ্জরি বাতাসে উড়িয়ে দেব। উড়ে যাক ফুলের পাপড়ি, ছড়িয়ে পড়ুক আষাঢ়ের গোপন আনন্দ।

কথা দিলাম—

এই বর্ষায়, এই আষাঢ়ে, একদিন তোমাকে আমি জিকের পাড়ের কদমফুল দেব।

শুধু একটি ফুল নয়, দেব মেঘমাখা বিকেল, জিকের পাড়ের মায়াপথ, আর অপেক্ষায় ভেজা আমার সমস্ত হৃদয়।