খুঁজুন
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২

জেমস কনসার্টকে ঘিরে প্রাণহানির গুজব, যা বলছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৪ পিএম
জেমস কনসার্টকে ঘিরে প্রাণহানির গুজব, যা বলছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ

ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছরপূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রাণহানির যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব বলে নিশ্চিত করেছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ।

জেলা পুলিশ ও আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোনো ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু ফেসবুক পেইজ, আইডি ও বিভ্রান্তিকর রিল ভিডিওর মাধ্যমে “কমপক্ষে ৫ জনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে”—এমন দাবি সম্পূর্ণ বানোয়াট।

📌 যেভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে

‘Devdulal Guha Nipun’ নামের একটি ফেসবুক পেইজ এবং ‘দেব দুলাল গুহ…. দেবু ফরিদী’ নামের একটি ফেসবুক আইডিসহ নির্দিষ্ট কিছু রিল ভিডিওতে এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট লিংকগুলো ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সাইবার ক্রাইম ইউনিট কাজ করছে।

⚠️ কী ঘটেছিল বাস্তবে

অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জেমস (নগর বাউল)-এর কনসার্ট দেখতে প্রায় ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার অনিবন্ধিত বহিরাগত দর্শক দেয়াল টপকে প্রবেশের চেষ্টা করে।

এ সময় ভেতরে ঢুকতে ব্যর্থ হয়ে একটি অংশ মঞ্চ লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এতে জিলা স্কুলের শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

⏰ অনুষ্ঠান স্থগিত

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে অনুষ্ঠানটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
এ ঘটনায় কিছু চেয়ার ভাঙচুর হয় এবং ১০–১২ জন সামান্য আহত হয়ে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। তবে কেউ নিহত হয়নি—এ বিষয়টি জেলা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

🚫 গুজব রোধে পুলিশের সতর্কতা

ফরিদপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে—
গুজব ছড়ানো একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ
যাচাই ছাড়া কোনো পোস্ট, ভিডিও বা তথ্য শেয়ার না করার অনুরোধ। মিথ্যা ও উস্কানিমূলক তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত মনিটরিং চলছে।

🛑 জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ

✔ গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে দূরে থাকুন
✔ নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম ও ফরিদপুর জেলা পুলিশের অফিশিয়াল পেজ অনুসরণ করুন
✔ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করুন
ফরিদপুর জেলা পুলিশ গুজব প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ছাত্রদলের সাবেক ৭ শীর্ষনেতা যাচ্ছেন সংসদে, থাকতে পারেন মন্ত্রিসভায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১০ পিএম
ছাত্রদলের সাবেক ৭ শীর্ষনেতা যাচ্ছেন সংসদে, থাকতে পারেন মন্ত্রিসভায়

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক ৭ শীর্ষনেতা। তাদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি, অন্য দুজন দায়িত্ব পালন করেছেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। বিজয়ী সাত নেতার মধ্যে পাঁচজন এবার প্রথমবার সংসদ যাচ্ছেন, বাকি দুজনের মধ্যে একজন তৃতীয়বার এবং অন্যজন দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

ফজলুল হক মিলন
এবারের নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্রদলের সাবেক শীর্ষনেতার মধ্যে রয়েছেন ১৯৯৩-৯৬ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফজলুল হক মিলন। তিনি গাজীপুর-৫ আসন থেকে (কালীগঞ্জ ও সিটি করপোরেশন আংশিক) ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খায়রুল আহসান পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১২৩ ভোট।এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনেও ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে এ আসন (তৎকালীন গাজীপুর-৩) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ফজলুল হক মিলন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে স্মরণীয় ভূমিকা পালনকারী এই নেতা বর্তমানে গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। এর আগে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিদের মধ্যে এবারের নির্বাচনে বিজয়ী তালিকার আরেক নাম শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ১৯৯৬-৯৮ সাল মেয়াদে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দেওয়া এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট পেয়ে এবার তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।এর আগে ২০০১ ও ২০০৮ সালেও লক্ষ্মীপুর সদর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এ্যানি। ছাত্রদলের দাপুটে এই নেতা বিএনপির রাজনীতিতেও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বর্তমানে দলের যুগ্ম মহাসচিব। এর আগে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এ্যানি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির সমন্বয়ক ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের মতো দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। এবারের মন্ত্রিসভায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

আজিজুল বারী হেলাল
ছাত্রদলের রাজনীতিতে আরেক আলোচিত নাম আজিজুল বারী হেলাল। বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক তিনি। ২০০৩-০৪ সাল মেয়াদে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সংগঠনটির সভাপতি ছিলেন।এবার খুলনা-৪ আসন (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন হেলাল। ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের এসএম সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট। ছাত্ররাজনীতিতে দক্ষতার প্রমাণ দেওয়া আজিজুল বারী হেলাল কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। জামায়াতের প্রার্থী আহছান হাবিব মাসুকে ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ২০০৯-১২ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন তিনি। পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।এবারের নির্বাচনে একটি মাত্র পরিবারের দুজন সদস্য একই জেলার দুটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেই গর্বিত পরিবারের একজন হলেন টুকু। এবারের নির্বাচনে তার বড়ভাই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিনটুও টাঙ্গাইল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো টাঙ্গাইল-২ আসন (গোপালপুর-ভূয়াপুর) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির এর আগের সরকারে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর টানা ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন তিনি। এই সময়ে পিন্টুর আসনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তার ছোটভাই টুকু। এবার মন্ত্রিসভায় দুই ভাইয়ের মধ্যে কেউ একজন থাকবেন বলে বিশ্বাস তাদের অনুসারীদের।

রাজীব আহসান
বরিশাল-৪ আসন (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-কাজিরহাট) থেকে এবার বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন রাজিব আহসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।২০১৫-১৯ মেয়াদে ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন রাজিব। এখন তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। বিগত সরকারের আমলে সারা দেশে তার বিরুদ্ধে ৩১২টি মামলা হয়। এর মধ্যে চার মামলায় তাকে সাড়ে আট বছরের সাজাও দেন আদালত।

আমিরুল ইসলাম খান আলিম
সিরাজগঞ্জ-৫ (চৌহালী-বেলকুচি-এনায়েতপুর) আসনে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম। ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়েছেন তিনি।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আলী আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৮ ভোট। ২০০৯-১২ মেয়াদে সুলতান টুকুর সময়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আমিরুল ইসলাম আলিম। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।

হাবিবুর রশিদ হাবিব
২০১২ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা হাবিবুর রশিদ হাবিব এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা-৯ আসন (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) থেকে।১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে আলোচিত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ও এনসিপির জাভেদ রাসিনকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন হাবিব। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এই আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় ক্লিন ইমেজের হাবিব তারেক রহমান মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

 

 

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে জামায়াত জোট!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫১ পিএম
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে জামায়াত জোট!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি জোট। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নির্বাচিত এমপিদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর বিপরীতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের কথা জানালেন জামায়াত জোটের কয়েকজন শীর্ষনেতা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ- ২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট শিশির মনিরসহ বেশ কয়েকজন এই জোটের কয়েকজন নেতা বিকল্প ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের কথা জানিয়েছেন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেসবুকের এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং সার্বিক কার্যক্রমে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবে ছায়া মন্ত্রিসভা।’সুনামগঞ্জ- ২ (দিরাই শাল্লা) আসন থেকে নির্বাচন করে হেরে যাওয়া জামায়াত ইসলামীর আলোচিত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরও ছায়া মন্ত্রিপরিষদ গঠনের কথা জানিয়েছেন।

রোববার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে বলেন, ‘রাজনীতিতে নতুনত্ব আনুন। সরকারিদল মন্ত্রিসভা গঠন করুক। বিরোধীদল ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করুক। সংসদের ভিতরে-বাহিরে তুমুল বিতর্ক হোক। তবেই সৃষ্টিশীল নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।’

এর আগে, শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা ছায়া মন্ত্রিপরিষদ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।’এ ছাড়া ঢাকা-১৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) ও জামায়াত নেতা মীর আহমেদ বিন কাসেম (আরমান) তার ফেসবুক পোস্টেও ছায়া মন্ত্রিপরিষদ গঠনের কথা জানিয়েছেন।এর আগে, বৃহস্পতিবার সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের ওপর জাতীয় গণভোট। শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির তথ্যানুযায়ী, বিএনপি জোট ২১২টি আসন পেয়েছে। যার মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে। আর শরিক দলগুলো ৩টি আসনে জয় পায়। আর ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ৭৭টি আসনে জয় পায়। যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮ আসনে জয়লাভ করেছে। আর শরিক দলগুলো ৯টি আসনে জয় পেয়েছে।

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী, বললেন সত্যটা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২৯ পিএম
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী, বললেন সত্যটা

ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্কের অবস্থান স্পষ্ট করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। সাফ জানিয়ে দিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে তার এখনো আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স হয়নি; তাই নতুন করে নায়িকার বিয়ের কোনো প্রশ্নই আসে না।

ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে ‘বিহাইন্ড দ্য ফেম উইথ আরআরকে’র পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুবলী। সেখানে সঞ্চালক রুম্মান রশীদ খান তার কাছে জানতে চান, তিনি কবে আবার বিয়ে করছেন। জবাবে বুবলী বলেন, শুরুতেই বলে নিচ্ছি, আমার তো ডিভোর্স হয়নি। তাই বিয়ের প্রশ্নই ওঠে না।

শাকিব খানের জন্য নতুন পাত্রী খোঁজার খবরের প্রসঙ্গ টেনে বুবলী বলেন, এটি যার যার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে নিজের বৈবাহিক অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ম্যারিটাল স্ট্যাটাসের ক্ষেত্রে মানুষ হয় বিবাহিত, নয়তো ডিভোর্সড, সেপারেটেড কিংবা বিধবা হয়। এখানে ‘অতীত’ বলে কোনো অপশন থাকে না।

শাকিবের সঙ্গে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই নায়িকা জানান, তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা অভিমান হতে পারে, আবার তা ঠিকও হয়ে যায়।

বুবলী জোর দিয়ে ফের বলেন, আমাদের কখনো ডিভোর্স হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অনেকে হয়তো দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন, তাই পরিষ্কার করলাম।

এই বিশেষ পডকাস্টে বুবলী শুধু শাকিব খানের সঙ্গে তার সংসারের বর্তমান অবস্থাই নয়, নিজের প্রথম প্রেম এবং মিডিয়াপাড়ার বিভিন্ন গুঞ্জন নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন।