খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

বোয়ালমারীতে বিএনপির সংঘর্ষে পাল্টাপাল্টি মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৩ পিএম
বোয়ালমারীতে বিএনপির সংঘর্ষে পাল্টাপাল্টি মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় নেতৃত্বদানকারী কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম এবং বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দীন মিয়া ঝুনুকে (ভিপি ঝুনু) প্রধান আসামি করে পাল্টাপাল্টি দুইটি মামলা হয়েছে।

রবিবার (০৯ নভেম্বর) বিকেলে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান।

এর আগে গত ৭ নভেম্বর বিএনপির দুইগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় শনিবার (০৮ নভেম্বর) দিবাগত রাতে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় এ মামলা দুটি রুজু করা হয়। পৃথক মামলায় ২২৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৫০ জনকে দুই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী শামসুদ্দীন মিয়া ঝুনুর অনুসারী বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান বাবু বাদি হয়ে ১৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে ২০০-৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিম্ফোরক আইনে মামলা করেন। মামলা নম্বর-১০।

অপর দিকে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি ও বিএনপি থেকে মনোয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দীন মিয়া ভিপি ঝুনুকে প্রধান আসামি করে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০০-৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছেন। মামলা নম্বর-১১।

এ মামলায় বিএনপিসহ বিভিন্ন দল থেকে ফরিদপুর-১ আসনের ৪ বারের সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় জনতা পার্টির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো. আবু জাফরকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে পাশের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারকে।

থানা ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্প্রতি বিএনপি থেকে ২৩৭ আসনের মধ্যে ফরিদপুর জেলার ৪টি আসনের তিনটিতে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করে দলটি। এর মধ্যে জেলার বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা স্থগিত রাখে। তবে আসনটিতে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি, সাবেক এমপি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম এবং বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামসুদ্দীন মিয়া ঝুনু মিয়া আলাদা আলাদা দলীয় সভা-সমাবেশ চালিয়ে আসছিল। দুই নেতার সভা-সামাবেশে বিভিন্ন সময় পক্ষে-বিপক্ষে কথা চালাচালিও করতে শোনা গেছে। এ নিয়ে দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে কয়েকবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ও শামসুদ্দীন মিয়া ঝুনুর নেতৃত্বে এলাকাটিতে বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত থাকলেও নাসিরুল ইসলামের সাথেই তিন উপজেলার বেশির ভাগ নেতাকর্মীরা। গত ২১ অক্টোবর ১০ বছর পরে বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটি গঠিত হয়। কমিটিতে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের অনুসারীরা বড় পদ গুলোতে স্থান পায়। কমিটি নিয়ে দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে তীব্র অন্তোকোন্দল চলতে থাকে। এ কমিটি গঠনের পরেরদিন থেকে বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল চালিয়ে যাচ্ছিল ভিপি ঝুনু অনুসারীরা। এক পর্যায়ে গত শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিল্পবী ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বোয়ালমারী পৌর বাজারে দুই পক্ষ আলাদা জায়গায় সমাবেশ করে। সমাবেশ করে মিছিল করে আসার সময় মাঝকান্দি-বোয়ালমারী-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বোয়ালমারী ওয়াবদা মোড়ে মুখোমুখি অবস্থানে পৌছিলে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাংচুর ও একাংশের বিএনপির কার্যালয়সহ ১০-১২টি মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগ করে বিক্ষুব্ধরা। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ৪০-৫০ জন কমবেশী আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনার পরেরদিন শনিবার দিবাগত রাতে ২২৬ জনের নাম উল্লেখ করে স্থানীয় থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। দুই মামলায় ৬৫০জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। তবে আজ রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিএনপির দুইপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে বোয়ালমারী থানায় দুইটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৮ এএম
ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

অনেকের ঘাড়, বগল কিংবা শরীরের ভাঁজে অন্য জায়গার তুলনায় কালচে দাগ দেখা যায়। অনেকেই এটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি মনে করে বেশি করে ঘষে বা সাবান ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সব সময় পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং এটি কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডভিত্তিক অ্যানেসথেসিওলজি ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. কুনাল সুদ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। গত ৪ মার্চ তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও বার্তায় জানান, ঘাড় বা বগলের ত্বক গাঢ় হয়ে যাওয়ার একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের নাম রয়েছে— Acanthosis Nigricans।

কেন হয় এই কালচে দাগ?

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অবস্থায় ত্বক শুধু গাঢ়ই হয় না, বরং একটু মোটা ও মসৃণ বা ভেলভেটের মতো দেখায়। অনেকেই এটিকে ময়লা বা অপরিষ্কার ভাবলেও আসলে তা নয়। ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করলে সাধারণত কোনো পরিবর্তন হয় না।

ডা. কুনাল সুদের মতে, এই সমস্যাটি বেশিভাগ ক্ষেত্রেই শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে এটি অনেক সময় প্রিডায়াবেটিস, টাইপ ২ ডায়াবেটিস কিংবা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)–এর মতো সমস্যার সঙ্গে দেখা যায়।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীরের পেশি, চর্বি ও লিভারের কোষগুলো ইনসুলিন হরমোনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া দেয় না। অথচ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যখন কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সাড়া কম দেয়, তখন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে অগ্ন্যাশয়কে আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হয়। এই পরিস্থিতিই অনেক সময় ত্বকের এমন কালচে দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

চিকিৎসা কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, Acanthosis Nigricans নিজে থেকে সংক্রামক বা মারাত্মক রোগ নয়। তবে এর পেছনে থাকা কারণগুলো শনাক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ডা. কুনাল সুদের মতে, শুধু ত্বক ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করে লাভ নেই। বরং শরীরের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়?

স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Cleveland Clinic জানায়, কিছু জীবনধারাগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানো সম্ভব। যেমন—

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম : ব্যায়াম করলে শরীরের পেশি রক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে, ফলে ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা কমে।

অতিরিক্ত ওজন কমানো : অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমালে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও কমে যায়।

পরীক্ষা করা জরুরি

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি ঘাড় বা বগলে এমন কালচে দাগ দেখা যায় এবং তা দীর্ঘদিন থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অনেক সময় A1C পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে গত তিন মাসে রক্তে গ্লুকোজের গড় মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ত্বকে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে তা অবহেলা না করে কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক সময় ছোট একটি লক্ষণই বড় কোনো শারীরিক সমস্যার আগাম ইঙ্গিত দিতে পারে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

রমজানের শিক্ষা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা: সালথায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
রমজানের শিক্ষা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা: সালথায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সালথা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সালথা উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। রমজানের তাৎপর্য ও নৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা এবং মিলনমেলার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল ফজল মুরাদ।

আলোচনা সভায় প্রধান ও বিশেষ অতিথিরা মাহে রমজানের শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, রমজান কেবল রোজা পালনের মাসই নয়, এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিকতার অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি জীবনকে শুদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজে ন্যায়, ইনসাফ ও সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধারণ করে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান, নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বকুল মিয়া, নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের সুরা সদস্য ও তালমা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মাহবুব হোসেন, ঢাকা মহানগরীর মুহাম্মদপুর থানা জামায়াতের সুরা সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান হিটু।

এ ছাড়া উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী মাহবুব আলী সিদ্দিকী নসরু, সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

১৫ বছর পর আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূরের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৪ পিএম
১৫ বছর পর আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূরের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে দেওয়া বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। এ বিষয়ে সোমবার (৯ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপকমিশনার (পশ্চিম) কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তকালকে চাকরিকাল হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি তিনি বিধি অনুযায়ী সব ধরনের বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্য সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে দুটি বিভাগীয় মামলা হয়েছিল। এ কারণে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণের গুরুদণ্ডও দেওয়া হয়। পরে তিনি ফৌজদারী মামলা দুটির অভিযোগ থেকে আদালতের মাধ্যমে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে খালাস পান।

এছাড়া তার গুরুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন রাষ্ট্রপতি মঞ্জুর করায় আরোপিত চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশটি বাতিল করা হয়। তাই কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলায় ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করা হলো। একই সঙ্গে তার বরখাস্তকালকে চাকরিকাল হিসেবে গণ্য করা হলো এবং তিনি বিধি মোতাবেক সব ধরনের বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্য সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।