খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে গ্রাহকের পাশে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স: মৃত্যু দাবি চেক হস্তান্তর

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৪৪ পিএম
ফরিদপুরে গ্রাহকের পাশে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স: মৃত্যু দাবি চেক হস্তান্তর

বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র উদ্যোগে ফরিদপুরে মৃত্যু দাবি চেক হস্তান্তর ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে শহরের জনতা ব্যাংকের মোড়ের বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের ফরিদপুর বিভাগীয় অফিস প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ট্রেনিং মো. জামিল উদ্দিন মিন্টু এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট এজেন্সি ডিরেক্টর মিসেস কামরুন্নাহার জুথি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এজেন্সি ডিরেক্টর সাজেদ মাতুব্বর।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি সূচনা করা হয়। পরে বিভিন্ন পলিসি গ্রাহকের উত্তরাধিকারীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যু দাবি চেক তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপকারভোগীরা সময়মতো দাবি পরিশোধ করায় প্রতিষ্ঠানটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোশাররফ হোসেন বলেন, “বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স সবসময় শরিয়াহসম্মত ও গ্রাহকবান্ধব সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। গ্রাহকের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। মৃত্যু দাবি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিশোধ করা আমাদের প্রতিষ্ঠানের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি আরও বলেন, বীমা শুধু একটি আর্থিক সুরক্ষা নয়, বরং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার একটি শক্ত ভিত্তি।

বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বীমার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সচেতনভাবে বীমা গ্রহণ করলে অনিশ্চিত জীবনে আর্থিক ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। তারা বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সেবার মান ও দাবি নিষ্পত্তির স্বচ্ছতার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। এ সময় কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী, এজেন্ট, গ্রাহক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৭ এএম
ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ইতি টানার মতো কোনো চুক্তি হলে তেলের দাম হুড়মুড় করে পড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলা এবং এরপর ইরানের প্রতিশোধমূলক আঘাতে যুদ্ধ শুরুর প্রেক্ষাপটে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

ইরান তার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে রাখার কারণে সে পথে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে আছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প বলছেন, আমাদের একটি চুক্তি হওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে।

অবশ্য তিনি এ-ও যোগ করেন, কোনো কিছুর নিশ্চয়তা নেই; আমি কোনো কিছুর নিশ্চয়তা দিচ্ছি না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য দুই দেশ ১৫টি দফা নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন ‘এক, দুই ও তিন নম্বর’ দফা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলছেন, তিনি ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার বড় পরিবর্তন’ দেখতে চান।

এর আগে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে ‘ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বৈরিতা পুরোপুরি নিরসনের বিষয়ে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলমান বৈঠক ও আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২২ মার্চ) ট্রাম্প তেহরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে হরমুজ প্রণালি সব জাহাজের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর জবাবে ইরান জানায়, প্রতিশোধ হিসেবে তারা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে। এই প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বে মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলার হুমকি দেয় তেহরান।

সোমবার ইসলামির রেভুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি তাদের হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সব অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এ ছাড়া যেখানে আমেরিকার অর্থনৈতিক, শিল্প ও জ্বালানি খাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে, সেসব অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হবে।

এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিল সতর্ক করে বলেছে, দেশটির দক্ষিণ উপকূল বা দ্বীপগুলোতে কোনো হামলা হলে উপসাগরীয় নৌপথ বিচ্ছিন্ন করতে সমুদ্রে মাইন পেতে দেওয়া হবে।

তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

তাসকিন আহমেদ এবং সৈয়দা নাইমা রাবেয়া পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ২০১৭ সালে। দুজনের একসাথে পথচলা অবশ্য আরও আগেই শুরু হয়েছিল। একসাথে স্কুলে পড়া থেকে এখন জীবনের পথেও একসাথে এগোচ্ছেন তাসকিন-নাইমা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুজনের একসাথে পথচলার পুরো গল্পটা শেয়ার করেছেন তারা। তাসকিনের ছোট বোন রাজার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ২০১০ সাল থেকে নাইমার প্রতি ভালো লাগা শুরু তাসকিনের। যা পূর্ণতা পেয়েছে ২০১৭ সালে এসে।

নিজেদের চেনা জানার ব্যাপারে তাসকিন বলেন, ‘আমরা একসাথে স্কুলে পড়তাম। ভালো লাগা শুরু হয়েছে আমার ছোট বোন রোজার জন্মদিনে বোরকা ছাড়া প্রথম দেখার পর। তখন মনে হল এখন তো সুন্দর লাগতেছে। আমি তখন অনেক ব্যস্ত ছিলাম, যেহেতু একমাত্র ছেলে। যদিও তখনও অনেক ছোট, অনূর্ধ্ব-১৯ খেলতাম। এরপর থেকে ফোনে কথা শুরু। আমি যেহেতু ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, পড়া নেওয়া, সিলেবাস নেওয়া (এসব নিয়ে কথা হত)।’

তাসকিন আরও বলেন, ‘শুকরিয়া যে সৎ একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছি। ২০১৪ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে ভালো সময় যাচ্ছিল ২০১৫ সালে বিশ্বকাপে ভালো করলাম। ২ বছরের মধ্যে ১৫-১৬টা এন্ডোরসমেন্ট পেয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল ‘ওয়াট এ লাইফ!’

এরপর নাইমা বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে যখন স্যুট দেয়, তখন সে বাসার নিচে গিয়েছিল মিট করতে, দেখা করতে, যে দেখো।’ তাসকিনের প্রতি নারী ভক্তদের ভালো লাগার ব্যাপারটিও ভালোই জানেন নাইমা। এ ব্যাপারে নাইমা বলেন, ‘একটা সময় অনেক (নারী ভক্তকে ফেসবুক থেকে) ব্লক করতে হয়েছে। ২০ জনের বেশি (নারীভক্তকে) ব্লক করা হয়েছে একদিন।’

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি

খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৩ এএম
ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি

ফ্রি কিক থেকে গোল করা লিওনেল মেসির নিয়মিত অভ্যাসই বলা চলে। এবার ফ্রি কিক থেকে গোল করে ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

ক্যারিয়ারের ৭১তম ফ্রি কিক গোল করে সর্বকালের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন ইন্টার মায়ামির এই ফরোয়ার্ড। এখন তার সামনে রয়েছেন কেবল জুনিনিও পারনামবুকানো, যার ফ্রি কিক গোল সংখ্যা ৭৭।

মেসির এই নতুন কীর্তি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং তার ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা ও নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলারই প্রমাণ। ড্রিবলিং, অ্যাসিস্ট কিংবা বাম পায়ের নিখুঁত শটে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় থাকা মেসি সময়ের সঙ্গে ফ্রি কিককেও পরিণত করেছেন ভয়ংকর অস্ত্রে।

সর্বকালের ফ্রি কিক গোলদাতাদের তালিকায় এখন শীর্ষে রয়েছেন জুনিনিও (৭৭)। তার ঠিক পেছনে ৭১ গোল নিয়ে এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে মেসি। তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন পেলে (৭০)।

এছাড়া রোনালদিনিয়ো ও ভিক্টর লেগ্রোতালিয়ে রয়েছেন যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে, তাদের গোল সংখ্যা ৬৬। ৩৭ বছর বয়সেও নতুন নতুন রেকর্ড গড়ে চলা মেসির সামনে এখন নতুন লক্ষ্য জুনিনিওর শীর্ষস্থান। মাত্র ছয়টি গোল দূরে থাকা এই রেকর্ড স্পর্শ করা তার জন্য আর খুব দূরের লক্ষ্য নয়।