খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে স্বামীকে হারিয়ে কাঁদছে নবীরণ বেগম, মাকে জড়িয়ে ধরে কান্না থামছে না শিশু সন্তানদের!

সিকদার সজল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫, ৮:২৬ এএম
ফরিদপুরে স্বামীকে হারিয়ে কাঁদছে নবীরণ বেগম, মাকে জড়িয়ে ধরে কান্না থামছে না শিশু সন্তানদের!

  1. স্বামীকে হারিয়ে কাঁদছে নবীরণ বেগম। মাকে জড়িয়ে ধরে কান্না থামছে না শিশু সন্তানদের। আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশীরাও শোকাচ্ছন্ন। মা ও সন্তানদের সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা কারও নেই! হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য দেখা গেল ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামে ইজ্জল শেখের বাড়িতে।

মোবাইলে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ইজ্জল শেখকে মারপিট ও বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। এমন অভিযোগ স্বজনদের।

রোববার (৮ জুন) সন্ধ্যায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে তার। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। ইজ্জল শেখের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।


শনিবার (৭ জুন) পবিত্র ঈদুল আজহার দিন দুপুরে হোগলাকান্দি বাজারের পাশে নদীর তীরে বসে ইজ্জল শেখ মোবাইলে জুয়া ধরে লুডু খেলতে বসেন স্থানীয় হানিফ শেখের সঙ্গে। খেলা শেষ হলে বাড়ি ফিরে যান ইজ্জল শেখ। পরবর্তীতে হানিফ শেখ তার মোবাইল খুঁজে না পেলে ইজ্জল শেখকে ডেকে আনেন এবং মোবাইল সে নিয়েছে বলে তাকে মারপিট করে। এক পর্যায়ে যেখানে বসে খেলছিল সেখান থেকে মোবাইল এনে হানিফ শেখকে দেন ইজ্জল শেখ।

এঘটনা নিয়ে বিকেলে ইজ্জল শেখকে পুনরায় মারপিট করে হানিফ শেখ ও তার লোকজন। এরপর কিছু সময় পর হোগলাকান্দি বাজার সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে ইজ্জল শেখকে পরে থাকতে দেখে এবং মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। সেখানে এসে হানিফ শেখের লোকজন ইজ্জল শেখকে অসুস্থ অবস্থায় তুলে নিয়ে বাজারের পাশে নদীর পানির মধ্যে চুপিয়ে অচেতন অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে ইজ্জল শেখের পরিবারের দাবি, তাকে মারপিট ও বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। এঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি নিহতের স্বজনদের।

নিহতের স্ত্রী নবীরন বেগম বলেন, ‘আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। স্বামী কোনো কাজ করতো না। সে মাঝে মধ্যে জুয়া খেলতো, তাকে অনেকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু শোনে না। ঈদের দিন আমি ফরিদপুর গেছিলাম মাংস জোগাড় করতে। বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে গিয়ে মাংস নিয়ে বাড়িতে আসি। এরপর বাড়ি এসে শুনতে পারি আমার স্বামীকে হানিফসহ তার লোকজন মারপিট করেছে। আমি বিষয়টি জানতে গেলে আমাকেও মারপিট করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মারপিট করার পর আমার স্বামীর মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। তারপর তাকে নদীতে নিয়ে চুবানো হয়, এক পর্যায়ে তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে সেখান থেকে হানিফ ও তার লোকজন চলে যায়। পরে স্থানীয়রা আমার স্বামীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

নবীরন বেগম বলেন, ‘এঘটনার পর আমাকে অর্থের লোভ দেখানো হচ্ছে। মিটমাট করতে বলা হচ্ছে। এমনকি হুমকি ধামকিও দেওয়া হচ্ছে আমাকে মিটমাট করার জন্য। কিন্তু আমি মিটমাট চাই না, স্বামী হত্যার বিচার চাই। যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করা হোক। আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই, গরিব মানুষ বলে স্বামীর হত্যার বিচার পাব না?’

নিহতের বোন ফরিদা খাতুন বলেন, ‘আমার ভাই মারা যাওয়ার আগে একটি কাগজে তাকে কারা মারছে তাদের নাম উল্লেখ করে লিখে রেখে গেছে। ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই। সন্তানরা এতিম হয়ে গেল, ওদের দেখবে কে। ভাইকে যারা মেরেছে তাদের ফাঁসি চাই।’

কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ আলতাফ হুসাইন বলেন, ‘হোগলাকান্দি এলাকায় মাদক ও জুয়ায় সয়লাব হয়ে গেছে। যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। কতিপয় ব্যক্তি এলাকায় মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করছে। আমি অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু রোধ করতে পারছি না।’

তিনি আরও বলেন, ইজ্জল শেখের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশের সহায়তা কামনা করেন এবং যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতারের অনুরোধ জানান তিনি।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ইজ্জল শেখের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার মৃত্যু বিষক্রিয়ায় হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তবে মোবাইলে জুয়া খেলা নিয়ে তাকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অন্য কোনো কারণ পেলে সেই হিসেবে মামলা নেওয়া হবে।

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।