খুঁজুন
, ,

বসন্তের নানা আয়োজনে রঙিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
বসন্তের নানা আয়োজনে রঙিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকৃতির মাঝে বেজে উঠল বসন্তের সুর। বসন্তকে বরণ করে নিতে রাজধানীতে রয়েছে নানা আয়োজন।

এর অংশ হিসেবেই ভোরের আলো ফুটতেই সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষেরা ভিড় জমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

 

বসন্তকে বরণ করে নিতে ভোর ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়। বসন্ত উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ‘বসন্ত উৎসব ১৪৩১’ শেষ হয় দুপুর ১২টায়। সমবেত বাদ্যযন্ত্রের মধ্য দিয়ে উৎসবটি শুরু হয়।

পরে দেশের অগ্রগণ্য নৃত্য ও সঙ্গীতের দল, বরেণ্য শিল্পীদের একক গান, শিশু-কিশোরদের পরিবেশনা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবেশনার সঙ্গে বসন্ত কথন পর্ব, প্রীতি বন্ধনী বিনিময়, আবির বিনিময়সহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

বসন্ত-রঙিন শাড়ি, খোঁপায় ফুল জড়িয়ে চারুকলায় আসেন তরুণীরা। তরুণেরা জড়ান পাঞ্জাবি।

বসন্তকে বরণ করে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় অনুষ্ঠিত হয় বসন্তবন্দনা উৎসব। ‘পৃথিবীর নদ, বন  কিংবা পাহাড়, মানুষ মালিক নয়, বন্ধু তাহার’ এই আহ্বানে এবারের আয়োজনটি হয়েছে। বটতলায় গান, দলীয় নাচ, কবিতার মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় ঋতুরাজ বসন্তকে।

চারুকলার বকুলতলায় আসা শিল্পী সমর বড়ুয়া বলেন, দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত বসন্ত উৎসব। এ দেশের অনিন্দ্য সুন্দর প্রকৃতি আর ঋতু বৈচিত্র্যকে ধারণ করে এ উৎসব। বাঙালি জাতির জীবনে যেকোনো উৎসবের চেয়ে এ উৎসবের তাৎপর্য কোনো অংশে কম নয়।

অংশ নেন শিল্পী শ্যামলী বড়ুয়াও। তিনি বলেন, বসন্ত উৎসব একটি মিলনমেলা। ধর্ম-বর্ণ-মতের ঊর্ধ্বে গিয়ে বসন্ত উৎসবের আনন্দ। জীবনের অনেকটা সময় ধরে আমরা নানা ঝামেলা নিয়ে থাকি। সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে বসন্তের এই রঙিন মেলায় একত্রিত হই। এই রং আমাদের মনকে ভালো করে দেয়। এই যে এতগুলো মানুষের চোখেমুখে আনন্দ, এই আনন্দ জীবনের সব ক্লান্তি দূর করে দেয়।

বটতলায় বসন্তবন্দনায় সমগীত শ্রদ্ধার্ঘ্য নেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। সমগীতের এই আয়োজনে গান পরিবেশন করেন শিল্পী কফিল আহমেদ, লীলা, কৃষ্ণকলি, সায়ান,  আদিবাসী ব্যান্ড রেরে, সুডোস অন আ রং রুট, অমৌলিক ও গঙ্গাফড়িং। এ ছাড়া নৃত্য পরিবেশন করেন আকরামুল হিজড়া ও সাচিং মং মারমা।

আয়োজন নিয়ে সমগীতের সভাপতি কমল আকাশ বলেন, দেশের সব সংস্কৃতির মিলনমেলা ঘটে আমাদের এই আয়োজনে। এ উৎসব আমাদের প্রকৃতির প্রাণ উপলব্ধি করতে শেখায়। আজকাল আমরা বৈচিত্র্যময় ছয় ঋতুকে অনুভব করতে ভুলে যাই। সবচেয়ে রঙিন ঋতু বসন্তকে উপলব্ধির মাধ্যমে আমাদের সেই সংকট কাটাতে চাই। প্রকৃতির প্রতি যত্নশীল হওয়ার এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করার প্রতি সবাইকে উদ্বুদ্ধ করাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত ১৬

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত ১৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বরিশাল-ফরিদপুর মহাসড়কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক আনিচুর রহমানসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।

​শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ড ও ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে আসা একটি পরিবহন বাসের সঙ্গে ফরিদপুর থেকে টেকেরহাটগামী একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। এতে দুই বাসের অন্তত ১৩ যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে সাংবাদিক আনিচুর রহমান ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​একই সময়ে ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের উল্টো পথে ঢুকে পড়ে একটি অটোরিকশা। অটোরিকশাটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের চালক ও সহকারীসহ ৩ জন আহত হন।

​দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

​ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধানের পর জানানো হবে।

হুইলচেয়ারেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন: ভিক্ষা নয়, চানাচুর বেচে বাঁচার লড়াই হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
হুইলচেয়ারেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন: ভিক্ষা নয়, চানাচুর বেচে বাঁচার লড়াই হাসানের

জীবনটা যেন এক পলকেই থমকে গিয়েছিল। একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছিল শরীরের শক্তি, কেড়ে নিয়েছিল ডান পা-টি। তবে জীবনের কাছে হার মানেননি ফরিদপুরের বোয়ালমারীর হাসান বিশ্বাস (৪৫)। এক হাতের কর্মক্ষমতা হারিয়ে আর এক পা কেটে বাদ দেওয়ার পরও ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নেননি তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই চানাচুর ও বিস্কুট বিক্রি করে বাঁচিয়ে রেখেছেন নিজের আত্মসম্মান ও স্বাবলম্বী হওয়ার অদম্য স্বপ্ন।

​১২ বছর আগের কথা। নসিমন চালিয়ে স্ত্রী, সন্তান আর বৃদ্ধা মাকে নিয়ে বেশ ভালোই কাটছিল হাসানের সংসার। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেটে ফেলতে হয় একটি পা, অবশ হয়ে যায় শরীরের এক পাশ। স্বাভাবিক চলাফেরার পথ বন্ধ হয়ে চিরতরে ঠাঁই হয় হুইলচেয়ারে।

​প্রতিদিনের গোসল, খাওয়া থেকে শুরু করে বিছানায় ওঠা-নামার মতো দৈনন্দিন কাজেও এখন পরিবারটির ভরসা হতে হয় হাসানকে। যে মানুষটি একসময় পুরো পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব একা কাঁধে সামলেছেন, তাঁকেই আজ অন্যের সাহায্যের মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে।

​তবে অন্তরের অদম্য তেজ ও আত্মমর্যাদাবোধ তাঁকে দমাতে পারেনি। ভিক্ষা না করে বেঁচে থাকার তাগিদে নিজেই শুরু করেন ছোট্ট এক ব্যবসা। বোয়ালমারী পৌরসভার সোতাশী রহমানির আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে বসে চানাচুর ও বিস্কুট বিক্রি করেন তিনি। চাকার ওপর ভর করেই মেলে ধরেন বেঁচে থাকার নতুন লড়াই।

​আবেগপ্লুত কণ্ঠে হাসান বিশ্বাস বলেন, “দুর্ঘটনার পর জীবনটা পুরো বদলে গেছে। এখন নিজের অনেক কাজও একা করতে পারি না, স্ত্রী-সন্তানের সাহায্য লাগে। কিন্তু আমি কারও বোঝা হতে চাই না। অল্প আয়ে যতটুকু পারি, দোকানটা চালিয়ে খাই। ভিক্ষা না করে নিজের পরিশ্রমে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই।”

​বাবার এই আত্মমর্যাদার লড়াই দেখে বড় হওয়া হাসানের সন্তান জানান, “বাবা অনেক কষ্ট করেন। দুর্ঘটনার পর থেকেই বাবাকে এমন দেখে আসছি। অনেক কাজে আমাদের সাহায্য করতে হলেও বাবা কখনো হাত পাততে চাননি। এই ছোট্ট দোকানটাই বাবার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর বড় চেষ্টা।”

​দোকানের অল্প বেচাকেনায় সংসার চালানো কঠিন হলেও প্রতিদিন দোকান খোলার মধ্যেই নতুন করে বাঁচার সাহস পান বোয়ালমারী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই বাসিন্দা।

​নিজের ব্যবসার পুঁজি বাড়িয়ে দোকানটি একটু ভালোভাবে পরিচালনা করতে চান হাসান। তাই কোনো বড় দাবি নয়, বরং কর্মপরিবেশ সৃষ্টি ও সামান্য পুঁজির সহায়তার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবান মানুষদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন এই সংগ্রামী মানুষটি।

​হুইলচেয়ারের ওপর সাজিয়ে রাখা কয়েকটি চানাচুর আর বিস্কুটের প্যাকেট যেন আজ হাসানের জীবনের এক বড় সত্য প্রকাশ করে—শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনো মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছে ও আত্মসম্মানকে থমকে দিতে পারে না।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম. রকিবুল হাসান বলেন, ​“হাসান বিশ্বাসের এই আত্মমর্যাদাবোধ ও অদম্য ইচ্ছা সত্যিই অনুকরণীয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে ভিক্ষাবৃত্তির মতো পথ এড়িয়ে নিজের পরিশ্রমে বেঁচে থাকার এই লড়াই সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত তাঁর খোঁজখবর নেব।”

তিনি আরও বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে সরকারি কোনো সুবিধা দেওয়া সম্ভব হলে তার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি তাঁর এই ছোট ব্যবসাটিকে আরও গতিশীল করতে কীভাবে সরকারি সহায়তা বা প্রয়োজনীয় পুঁজির জোগান দেওয়া যায়, সে বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

ফরিদপুরে শামিম খান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, গজগাহ চ্যাম্পিয়ন

জাকির হোসেন, নগরকান্দা:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে শামিম খান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, গজগাহ চ্যাম্পিয়ন

জমকালো ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘শামিম খান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গজগাহ ফুটবল একাদশ। চার গ্রামের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টের সমাপনী ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪-২ গোল ব্যবধানে তারা পরাজিত করে রাধানগর ফুটবল একাদশকে।

​শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই টানটান উত্তেজনার খেলায় শুরু থেকেই উভয় দলই দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে। নির্ধারিত ৬০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র হলে মাঠের উপস্থিত ক্রীড়ামোদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুরোধে আরও ১০ মিনিট সময় বাড়ানো হয়। তবে অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচটি গড়ায় টাইব্রেকারে।

​টাইব্রেকারে গজগাহ ফুটবল একাদশের ‘স্পেশালিস্ট’ গোলকিপার বিএম নিজাম প্রতিপক্ষের দুটি দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে দিয়ে দলকে জয় এনে দেন।

​বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার পুরুষ ও নারী দর্শক মাঠের চারপাশে উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন।

​ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা আফরিন। খেলায় সভাপতিত্ব করেন রামনগর ইউনিয়নের সমাজসেবক আব্দুল মান্নান মন্ডল।

​এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান মুকুল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ এবং সাবেক জাতীয় ফুটবল কোচ ও রাজশাহী বিভাগের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক ডেপুটি ডাইরেক্টর এস এইচ এম শামসুদ্দোহা চাঁদ।

​ম্যাচটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অনুমোদিত ও ২০২১ সালের জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা রেফারি সাইফ দোহা। ধারাবিবরণীতে ছিলেন চরভদ্রাসনের শেখ সাজু ও ইঞ্জিনিয়ার বিএম নাইম।

​খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে পুরস্কার হিসেবে স্মার্ট টেলিভিশন তুলে দেন তরুণ রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মো. ফিরোজুল হক মোল্লা। অন্যদিকে রানার্সআপ দলের স্মার্ট টেলিভিশন পুরস্কারটি প্রদান করা হয় কুঞ্জনগর স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষ থেকে।

​রামনগর স্পোর্টিং ক্লাব ও কুঞ্জনগর বাজারের সদস্যদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টুর্নামেন্টটির সফল আয়োজনে ভূমিকা রাখেন আব্দুল হান্নান মাতব্বর, সালাম ব্যাপারী, বিল্লাল হোসেন রানা, মুরাদ মাতুব্বর, রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানুজ্জামান চৌধুরী, কৃষ্ণডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ মোল্লা, সুমন মুন্সী, মুসা মুন্সী, পিন্টু মোল্যা, সাঈম হোসেন, সিরাজ মিয়া, শামীম হাচান, ফরিদ মোল্যা, মেহেদী খান, পারভেজ খান, রমিজ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মরহুম শামিম খানের শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

​প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টটি সফলভাবে বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করেন মোয়াজ্জেম হোসেন বাপ্পি।