খুঁজুন
, ,

শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় ২০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে যুবদল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় ২০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে যুবদল

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে যুবদলের ২শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে আজ আমরা একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে এসেছি। আমরা সব সময় সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী এবং কোনো রকমের বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেই না।

তিনি বলেন, সংগঠনের আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে, জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক ইতোমধ্যে সারাদেশে প্রায় ৬০ জনের মতো যুবদল নেতাকে শোকজ এবং প্রায় ১৪০ জনের মতো নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এমনকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক একটি ঘটনার উদ্ধৃতি টেনে তিনি বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা থাকায় জাহাঙ্গীর আলমকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমাদের অবস্থান এখানে সীমাবদ্ধ নয়। সংগঠনের সুনাম ও আদর্শ রক্ষার্থে, যুবদলের পক্ষ থেকে স্বপ্রণোদিত হয়ে গতকাল তার বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের প্রতি আমাদের অবিচল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেছেন যে, আমাদের দলে অন্যায় ও অপকর্মের কোনো স্থান নেই। অন্য দল যেখানে দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের রক্ষা করে, বিএনপি সেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার এই দৃঢ় নীতির আলোকে, যুবদল জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই যে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাবে না। ভবিষ্যতে যাতে কেউ সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সেজন্য জাতীয়তাবাদী যুবদল কঠোর নীতি নেবে।

সব নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন তারেক, দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

‘জুলাইয়ের বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি ১৮ কোটি মানুষের বিজয়’ —পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
‘জুলাইয়ের বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি ১৮ কোটি মানুষের বিজয়’ —পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, “জুলাইয়ের যোদ্ধারা শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নামেননি। তারা দীর্ঘ ১৭ বছরের গুম, খুন, সন্ত্রাস, নির্যাতন ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যেই আন্দোলন করেছিলেন। এই বিজয় কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত বিজয়।”

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শহীদ আকরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, “গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি হচ্ছে জনগণের ভোটাধিকার, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা। তাই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে মানুষের আত্মত্যাগ, সাহস এবং গণতন্ত্রের প্রতি অটল অঙ্গীকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে। শহীদদের এই আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করবে।”

তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করেই একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীকে বিভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা, নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান শাহিন, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান ওহিদ, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহাবুব আলী মিয়া এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করেন এবং গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করলে কী হয়, কীভাবে এগুলো এড়ানো যায়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ
মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করলে কী হয়, কীভাবে এগুলো এড়ানো যায়?

সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অন্যতম বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ফুড-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমাদের পানীয় জল, সামুদ্রিক খাবার, ফলমূল, শাকসবজি, লবণ, মধু, চা, চাল, এমনকি শ্বাস নেওয়ার বাতাসেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা খুঁজে পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা এমনকি মানুষের রক্ত, ফুসফুস, হৃদযন্ত্রের ধমনী এবং গর্ভফুলের মধ্যেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন।

যদিও এই কণাগুলো আমাদের শরীরে ঠিক কতটা ক্ষতিকর তা নিয়ে গবেষণা চলছে, তবে প্রাথমিক ফলাফলগুলো যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিক আসলে কী?

৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট আকারের প্লাস্টিকের কণাগুলোকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। বড় প্লাস্টিক পণ্য যেমন বোতল, প্যাকেট বা সিন্থেটিক কাপড় সময়ের সাথে সাথে ভেঙে এই ক্ষুদ্র কণা তৈরি করে। এর চেয়েও ক্ষুদ্র কণা হলো ন্যানোপ্লাস্টিক, যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং এগুলো মানবদেহের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম বলে ধারণা করা হয়।

কীভাবে এগুলো আমাদের খাদ্যে প্রবেশ করে?

খাদ্যশৃঙ্খলের প্রায় প্রতিটি স্তরেই মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করতে পারে:

দূষিত মাটি ও পানির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও মাছের শরীরে।

প্লাস্টিক প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সময়।

রান্না বা খাবার সংরক্ষণের সময় বাতাসের মাধ্যমে ধুলোবালি হিসেবে খাবারের ওপর জমে।

মানবদেহে এর ক্ষতিকর প্রভাব

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বড় মাইক্রোপ্লাস্টিক কণাগুলো সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়, কিন্তু ক্ষুদ্রতম কণা বা ন্যানোপ্লাস্টিকগুলো রক্ত ও টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে। এর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবগুলো হলো:

প্রদাহ ও দীর্ঘমেয়াদী রোগ: মাইক্রোপ্লাস্টিক কোষকে উত্তেজিত করে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস: এটি শরীরের কোষ, প্রোটিন এবং ডিএনএ-র ক্ষতি করতে পারে।

পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট: গবেষণা বলছে, এটি আমাদের অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

রাসায়নিক ঝুঁকি: প্লাস্টিকে থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর অ্যাডিটিভ বা পরিবেশ থেকে শোষিত ভারী ধাতু আমাদের শরীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন সবখানে বিদ্যমান থাকায় একে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা অসম্ভব, তবে কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে এর সংস্পর্শ কমিয়ে আনা সম্ভব:

১. প্লাস্টিকে গরম করা বন্ধ করুন: প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার রেখে মাইক্রোওয়েভে গরম করবেন না; পরিবর্তে কাঁচ বা সিরামিকের পাত্র ব্যবহার করুন।

২. কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার: পানির বোতল, টিফিন বক্স বা খাবার সংরক্ষণের জন্য প্লাস্টিকের বদলে কাঁচ বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করা নিরাপদ।

৩. অতিরিক্ত গরম খাবার থেকে সাবধান: খুব গরম চা বা কফি প্লাস্টিকের কাপে পান করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ তা প্লাস্টিক কণা নিঃসরণ বাড়ায়।

৪. ফল ও সবজি ভালো করে ধোয়া: খাওয়ার আগে ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে নিলে উপরিভাগে জমে থাকা প্লাস্টিক কণা বা ধুলো পরিষ্কার হয়।

৫. ফিল্টার করা পানি পান: বোতলজাত পানির তুলনায় ফিল্টার করা কলের পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক কম থাকার সম্ভাবনা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিকের সুদূরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সচেতন থাকা এবং প্লাস্টিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমিয়ে আনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড

বাঙ্গালী আমৃত্য জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে : শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
বাঙ্গালী আমৃত্য জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে : শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ও ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ পতন উপলক্ষে বিএনপির বিজয় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর বিএনপির(একাংশ) আয়োজনে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বোয়ালমারী রেলস্টেশন থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে পৌরসদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বোয়ালমারী চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‍্যালীতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে র‍্যালিটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। র‍্যালী শেষে বোয়ালমারী চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু। তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে বাঙালি যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে। জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতা জীবন দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি কোনোদিন ভুলবে না। আর কোনোদিন যাতে জুলাইয়ের জঘন্যতম দিন না আসে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক জিএস বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, মফিজুর কাদের খান মিল্টন, জাহাঙ্গীর আলম কালা মিয়া, সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মিনাজুর রহমান লিপন, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মনির হোসেন, জাসাসের সাবেক সভাপতি শাইন আনোয়ার, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুব হাসান সজীব, ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক যাকারিয়া মোল্লা সুমন, জুয়েল প্রমুখ।