খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

সিঙ্গাপুরের কাছে হেরে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে বিদায় ভারতের

ক্রীড়া ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:০৬ এএম
সিঙ্গাপুরের কাছে হেরে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে বিদায় ভারতের

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় ধাপ চলছে। এই স্তরে ২৪ দল ছয়টি গ্রুপে খেলছে। ছয় গ্রুপের ছয় চ্যাম্পিয়ন আগামী বছর সৌদি আরবে মূল পর্বে খেলবে। বাংলাদেশ পড়েছে সি গ্রুপে ভারত, সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের বিপক্ষে।

আজ চার দলেরই চারটি করে ম্যাচ হয়েছে। সিঙ্গাপুর ও হংকং দুই দলের সমান ৮ পয়েন্ট। বাংলাদেশ ও ভারতের পয়েন্ট সমান দুই। আজ ভারত গৌহাটিতে ১-২ গোলে সিঙ্গাপুরের কাছে হেরেছে। এতে সি গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দল এশিয়া কাপ খেলার দৌড় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটকে গেছে। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দলের কেউ শেষ দুই ম্যাচ জিতলে ৮ পয়েন্ট হলেও ১৮ নভেম্বর সিঙ্গাপুর-হংকং ম্যাচের ফলাফল যাই হোক এক দলের পয়েন্ট ৮ এর বেশি থাকবে। ফলে বাংলাদেশ ও ভারত কারো গ্রুপ সেরা হওয়ার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ ও ভারত এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না। তবে সিঙ্গাপুর-হংকংয়ের গলার কাটা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ সিঙ্গাপুর-হংকং ম্যাচ ড্র হলে দুই দলের পয়েন্ট ১৮ নভেম্বর দাড়াবে ৯। তখন ৩০ মার্চ বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরকে হারালে বা ড্র করলে ভারতকে হারিয়ে হংকং জিতলে তারা এশিয়া কাপে খেলবে। তদ্রুপ বিপরীত ঘটনাও হতে পারে ভারত হংকংকে রুখে দিলে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশকে হারালে, তখন সিঙ্গাপুর খেলবে এশিয়া কাপ।

১৮ নভেম্বর হংকং-সিঙ্গাপুর ম্যাচ এই গ্রুপের অঘোষিত ফাইনাল। কারণ ঐ ম্যাচে যে দল জয়ী হবে সেই দলই এই গ্রুপ থেকে এশিয়া কাপে খেলবে। যে দল জয়ী হবে তাদের পয়েন্ট হবে ১১। শেষ ম্যাচে সেই দল হারলে এবং তাদের পেছন ছুটতে থাকা দল শেষ ম্যাচ জিতলে তখন দুই দলেরই সমান ১১ পয়েন্ট হবে। সিঙ্গাপুর-হংকং দুই দলের মধ্যকার ২৫ মার্চের ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। ফলে ১৮ নভেম্বর ম্যাচে জয়ী দল হেড টু হেডে এগিয়ে থাকায় এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলবে।

এশিয়া কাপের দৌড়ে টিকে থাকতে আজ বাংলাদেশের জয় প্রয়োজন ছিল। ড্র করেও খানিকটা মৃদু আশা ছিল। যদি ভারত সিঙ্গাপুরকে হারাতে পারত, তখন সিঙ্গাপুর ও ভারত দুই দলের সমান পয়েন্ট থাকত। বাংলাদেশ শেষ দুই ম্যাচে জিতলে এবং সিঙ্গাপুর হংকংকে হারালে তখন চার দলেরই সমান ৮ পয়েন্ট হতো। সেক্ষেত্রে গোল ব্যবধান হেড টু হেডের জটিল হিসেবে সম্ভাবনা তৈরি হতো।

বাংলাদেশের মৃদু আশা জাগিয়ে তুলেছিল ভারত। ১৪ মিনিটে লিড নিয়েছিল স্বাগতিক দল। ৪৪ মিনিটে সমতা আনে সফরকারী সিঙ্গাপুর। এরপর ৫৮ মিনিটে আরেক গোল করলে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ভারত। রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের এশিয়া কাপ খেলার স্বপ্ন-সম্ভাবনা দু’টোই শেষ হয়।

এশিয়া কাপ ২৪ দলের। এশিয়ান অঞ্চলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পরবর্তী ধাপে খেলা ১৮ দল সরাসরি এশিয়া কাপে উঠেছে। বাকি ছয়টি স্থানের জন্য ২৪ দল লড়ছে।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঈদের নামাজ শেষে দুই দল গ্রামবাসী মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৫/২০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় বলে জানা গেছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে এ সংঘর্ষ। দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে বারটার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১২ জন আহত হন। এর জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৭ সালের ২১ মার্চ ঢাকা অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

কেএম ওবায়দুর রহমান ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন ও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৯৬২-৬৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৩ থেকে ৬৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের কোতোয়ালি ও নগরকান্দা থানা নিয়ে গঠিত আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার  পরে ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও সরকারের প্রতিমন্ত্রী হন। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও সরকারের মন্ত্রী হন। এরপর তিনি বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের ৭ম জাতীয় সংসদ ও ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর -২ (নগরকান্দা ও সালথা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তাঁর ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশে মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমান একজন গণসম্পৃক্ত জাতীয় নেতা হিসেবে সবার নিকট সমাদৃত ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু পরবর্তীতে জাতীয় রাজনৈতিক জীবনে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র তথা সকল আন্দোলন -সংগ্রামে সোচ্চার থেকে তিনি আজীবন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। ‘

কেএম ওবায়দুর রহমানের একমাত্র সন্তান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, ন্যায় ও গণতন্ত্রের নির্ভীক সৈনিক। তার আদর্শ, সততা মানুষের জন্য কাজ আমাদের পথচলার প্রেরণা হয়ে আছে এবং থাকবে।

কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা বিএনপি, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকাল ৩ টায় নগরকান্দার লস্করদিয়ায় কে এম ওবায়দুর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা অর্পণ ও আগামী ২৩ মার্চ বিকালে নগরকান্দা সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন