খুঁজুন
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩

সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ইসলামের নির্দেশনা

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ
সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ইসলামের নির্দেশনা

সুসম্পর্ক বজায় রাখা, পরস্পরের অধিকার আদায় করা এবং অন্যের উপকারে এগিয়ে আসাকে ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুমিনদের উদাহরণ তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়ার্দ্রতা ও সহানুভূতির দিক থেকে একটি মানবদেহের ন্যায় যখন তার একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয় তখন তার সমস্ত দেহ ডেকে আনে তাপ ও অনিদ্রা।

’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৪৮০)
কিন্তু বর্তমান যুগের মানুষের চিত্র ভিন্ন। যত দিন যাচ্ছে, মানুষ ততই অন্য রকম হয়ে যাচ্ছে।

 

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে দুই ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের ফাটল ধরেছে, তারা প্রত্যেকেই নিজের অবস্থান থেকে নিজেকে সঠিক মনে করে।

প্রত্যেকের বক্তব্য শুনলে মনে হয়, তারা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে চেষ্টা করছে। কিন্তু বাস্তবে সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে।
তাদের মধ্য থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও আল্লাহভীতি। ইসলাম এই সমস্যার ভারসাম্যপূর্ণ কিছু সমাধান দিয়েছে। নিম্নে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো—

ন্যায়ের ওপর অটল থাকা : মানুষ সাধারণত নিজের দৃষ্টিভঙ্গিকেই সত্য মনে করে। নিজের কষ্ট বড় করে দেখে, কিন্তু অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করে না।

যার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে অহংকার, নিজের ভুল অস্বীকার করার প্রবণতা, দ্রুত রাগ করা ও অন্যের অবদানকে ছোট করে দেখা। এসব মানবীয় দুর্বলতা মানুষকে হক বুঝতে বাধা সৃষ্টি করে। অনেক সময় ন্যায় ও হক বুঝেও এগুলোর কারণে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা সম্ভব হয় না। অথচ কোরআনের নির্দেশ হলো নিজের বা নিজের আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে গেলেও ন্যায়ের ওপর অবিচল থাকতে হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে।

যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।
(সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

উত্তম আচরণ করা : মানুষ সাধারণত তার সঙ্গে হয়ে যাওয়া অবিচার, অপমান কিংবা অবহেলা ভুলতে পারে না। তাই সময় সময় তার সেই চাপা ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে গেলে তা সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এই সমস্যার কোরআনি সমাধান হলো, মন্দ আচরণের মোকাবেলা ভালো আচরণ দিয়ে করা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘আর ভালো ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দকে প্রতিহত করো তা দ্বারা, যা উত্কৃষ্টতর; ফলে তোমার ও যার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে সে যেন হয়ে যাবে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু।’
(সুরা : ফসসিলাত, আয়াত : ৩৪)

এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়, সুযোগ পেলেই মন্দ আচরণ করে প্রতিশোধ নয়, উত্তম আচরণই সম্পর্ক পুনর্গঠনের চাবিকাঠি।

সন্দেহ ও গিবত থেকে বিরত থাকা : বেশির ভাগ সম্পর্কে ফাটল ধরে সন্দেহ ও গিবতের কারণে। শয়তান মানুষের মস্তিষ্কে তার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অলীক চিন্তার উদ্রেক ঘটায়। তার চলমান সংকট ও সমস্যাগুলোর পেছনে তার প্রতিপক্ষের হস্তক্ষেপ থাকার সন্দেহ তৈরি করে। ফলে সেও প্রতিশোধ না নিলেও প্রতিপক্ষের গিবত করে মনের কষ্ট নিবারণের চেষ্টা করে। অথচ অলীক চিন্তা ও অহেতুক সন্দেহ করা নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাকো। নিশ্চয়ই কোনো কোনো অনুমান তো পাপ।’
(সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১২)

রাগ নিয়ন্ত্রণ করা : অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায় অতিরিক্ত রাগের কারণে। অথচ রাগের মধ্যে কোনো বীরত্ব নেই; বরং বীরত্ব হলো, আত্মনিয়ন্ত্রণের মধ্যে। (বুখারি, হাদিস : ৬১১৪)

কথা বন্ধ না করা : বেশির ভাগ সম্পর্ক শেষ হয় ভুল-বোঝাবুঝি ও পরস্পর কথা বন্ধ করার কারণে। অথচ বাস্তবে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, তারা যদি খোলামেলা আলোচনা করত, একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করত, তাহলে তাদের শত্রুতা বন্ধুত্বে রূপ নিত। তারা কেউই কারো খারাপ চায়নি, শুধু দূরত্ব তাদের আলাদা করে রেখেছে।

ইসলাম এভাবে সম্পর্ক ছিন্ন রাখাকে সমর্থন করে না। মানুষ যদি অভিযোগ কমিয়ে সহমর্মিতা বাড়ায়, দোষারোপ না করে দায়িত্ব গ্রহণ করে, তাহলেই ভাঙা সম্পর্ক আবার বন্ধুত্বে রূপ নেওয়া সহজ হয়ে যায়।

ফরিদপুরে বেড়েছে হামের প্রকোপ: ৪ মাসে ২৯৮ আক্রান্ত, ঝরল ৪ প্রাণ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বেড়েছে হামের প্রকোপ: ৪ মাসে ২৯৮ আক্রান্ত, ঝরল ৪ প্রাণ

ফরিদপুর জেলায় হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলায় মোট ২৯৮ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে আরও ২০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে নতুন কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

উপজেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আলফাডাঙ্গায় ১০ জন, বোয়ালমারীতে ১২ জন, ভাঙ্গায় ৮ জন, চরভদ্রাসনে ৪ জন, নগরকান্দায় ২ জন, মধুখালীতে ৩ জন, সদরপুরে ৭ জন, ফরিদপুর সদরে সর্বোচ্চ ১৪ জন এবং সালথায় ৫ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে বোঝা যাচ্ছে, জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

চিকিৎসা ব্যবস্থার দিক থেকেও হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ জন। বর্তমানে এই দুই হাসপাতালে মোট ৫৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে ৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হামের বিস্তার রোধে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন থাকতে, শিশুদের জ্বর, ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হলেও সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমরা ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করেছি এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করছেন।”

তিনি আরও জানান, জনসাধারণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তাই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকাদানের আওতা বাড়ানো এবং দ্রুত শনাক্তকরণই পারে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।

অ্যাসিডিটির সমস্যা? জানুন ঘরোয়া উপায় নিয়ন্ত্রণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
অ্যাসিডিটির সমস্যা? জানুন ঘরোয়া উপায় নিয়ন্ত্রণ
বুক জ্বালা, ঢেকুর ওঠা, বমিভাব, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা বা অল্প খেলেই ভরাপেট লাগা অনেকেরই পরিচিত সমস্যা। কখনও কিছু খাবারের কারণে, আবার কখনও দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেও এমনটি হয়।

এই অ্যাসিডিটির সমস্যা কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। 

দারুচিনি
দারুচিনি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে।

এটি হজম ও শোষণ প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং পাকস্থলীর সমস্যা কমাতে সহায়তা করে। দারুচিনির চা পান করলে উপকার পাওয়া যায়।
 

জিরা
জিরা অ্যাসিড প্রতিরোধে কার্যকর। হজমে সহায়ক এবং পাকস্থলীর ব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখে।

ভাজা জিরা গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে বা সেদ্ধ পানিতে জিরা দিয়ে খাবারের পর পান করা যেতে পারে। 

তুলসী পাতা
তুলসী পাতা থেঁতো করে মধুর সঙ্গে খেলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উপকার পাওয়া যায়।

আপেল সাইডার ভিনেগার
এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে দুই চা-চামচ ভিনেগার মিশিয়ে খালি পেটে পান করলে গ্যাস কমতে সাহায্য করে।

আনারস
আনারস খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে।

ঠান্ডা দুধ
দুধে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরিতে বাধা দেয়। অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ উপকারী।

পানি
পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। তবে খাবারের অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করলে হজম ভালো হয়।

খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা
পরিমিত খাবার খাওয়া, কম তেল-মসলায় রান্না করা এবং দীর্ঘ সময় খালি পেটে না থাকা জরুরি। কুমড়া, মুলা, পেঁয়াজ, মরিচ, নারিকেল ও গরুর মাংসসহ ভারী খাবার এড়িয়ে চললে অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

বাবা-মায়ের বিচ্ছেদে সন্তানের ওপর প্রভাব

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ
বাবা-মায়ের বিচ্ছেদে সন্তানের ওপর প্রভাব

অভিনেত্রী নোরা ফতেহির জীবনের পেছনের গল্পটা যতটা ঝলমলে, ততটাই ভাঙা স্মৃতিতে ভরা। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি শেয়ার করেছেন তার শৈশবের কঠিন অভিজ্ঞতা, যা আজও তার সম্পর্ক ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।

নোরার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে তার খুব ছোট বয়সে। সেই সময় থেকেই তিনি বড় হয়েছেন মায়ের একক সংগ্রামে।

নোরা জানান, বিচ্ছেদের পর তার বাবা অনেকটা অদৃশ্য হয়ে যান, দীর্ঘদিন তার কোনো খোঁজও ছিল না। এই অভিজ্ঞতাই তার ভেতরে এক ধরনের মানসিক ভয় তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, কোনো সম্পর্কে যাওয়ার আগে আমি অনেক ভাবি। কারণ আমার মাথায় বারবার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের স্মৃতি ফিরে আসে।

অনেক ভালো মানুষের সঙ্গেও দেখা হয়েছে, কিন্তু সেই ভয় আমাকে পিছিয়ে দেয়।
এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শুধু তার প্রেমজীবনেই নয়, আবেগ ও সম্পর্কের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। বিচ্ছেদের যন্ত্রণা তিনি সহজে মেনে নিতে পারেন না।

বিচ্ছেদ ও সন্তানের মানসিক প্রভাব

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ শিশুদের জীবনে গভীর আবেগগত প্রভাব ফেলে। এতে তার মনে অনিশ্চয়তা, ভয়, রাগ ও দুঃখ জন্মাতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হলে সন্তানকে বয়স অনুযায়ী পরিষ্কারভাবে জানানো
বাবা-মা সম্পর্কে নেতিবাচক কথা না বলা
সন্তানের অনুভূতি মনোযোগ দিয়ে শোনা
তাদের আশ্বস্ত করা যে তারা একা নয়, দুইজনই তাদের পাশে আছেন
প্রয়োজন হলে শিশু মনোবিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া।

বিয়ে বিচ্ছেদ জীবনের একটি কঠিন বাস্তবতা হলেও, সন্তানের মানসিক সুস্থতা সবার আগে। বাবা-মায়ের দায়িত্ব হলো, নিজেদের দূরত্ব যেন সন্তানের শৈশব ও ভবিষ্যৎকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে। ভালোবাসা, ধৈর্য আর সঠিক যত্নই পারে এই কঠিন সময়কে কিছুটা সহজ করে দিতে।