খুঁজুন
, ,

কথাসাহিত্যিক নির্জনের গল্পে নাটক সুইট প্রেমিক

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:০১ অপরাহ্ণ
কথাসাহিত্যিক নির্জনের গল্পে নাটক সুইট প্রেমিক

এ সময়ের জনপ্রিয়র কথা সাহিত্যেক ফরিদুল ইসলাম নির্জনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সুইট প্রেমিক। ভিন্ন রকমের এই নাটকটি, অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক মিতুল খান।

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর জাগো ইন্টারটেইনমেন্ট রিলিজ পাচ্ছে।

 

নাটকটি সম্পর্কে পরিচালক মিতুল খান বলেন, নির্জন ভাইয়ের লেখার সাথে আগে থেকেই পরিচিত। সেই সুবাধে নাটকের জন্য গল্প চাই। গল্পটি নিয়ে কাজ করতে নতুন অভিজ্ঞতা সৃষ্টি হয়েছে। দর্শকরা নাটকটি দেখে বিনোদনের পাশাপাশি অনেককিছু  শিখবে।

নাটকটি সম্পর্কে সুইট প্রেমিকখ্যাত নীলয় আলমগীর বলেন,’মিতুল গল্পটি নিয়ে যখন প্রথম আমার কাছে আসে, সত্যিকারভাবে আমি করতেই চাইনি। ভেবেছি এই বয়সে, এমন চরিত্রের অভিনয়। ছয়জন নায়িকার সাথে প্রেম। তাদের মন যোগানো। কিন্তু পরবর্তীতে কাজ শেষ মনে হলো দারুণ কিছু হয়েছে। দশকরা ভালো কিছু দেখবে আশা করি। ‘

নাটকটি সম্পর্কে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ভিন্ন এক ক্যারেক্টর। অভিনয় করতে সত্যি দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে। দর্শক নাটকটি দেখে আনন্দিত হবে।

নাটকটির লেখক নির্জন বলেন, আমি সব সময় জনপ্রিয় ধারায় লিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। জনপ্রিয়তার মাধ্যমে সমাজে কিছু বার্তা দিয়ে থাকি। সুইট প্রেমিক নাটকের ক্ষেত্রেও দর্শক তেমনটি পাবে।

এ ছাড়া নাটকটিতে অভিনয় থাকছেন বাশার মাসুম, মনিরা মিঠু, শান্তি রহমান, অর্পা, স্নেহা, অরিন,অনেষ্বাসহ আরও অনেকেই।

ফরিদপুরে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া সেই পাঁচ সন্তানের ৪ জন মারা গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া সেই পাঁচ সন্তানের ৪ জন মারা গেছে

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। তবে গর্ভধারণের প্রায় সাড়ে ছয় মাসের মাথায় নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই সন্তান প্রসব হওয়ায় জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতকের মধ্যে চারজনই মারা গেছে। বর্তমানে একটি ছেলে শিশু হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রিয়া বিশ্বাস জানান, জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন নবজাতক মারা যায়। পরে শুক্রবার ভোরে আরও এক ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়। বর্তমানে একটি ছেলে শিশু জীবিত রয়েছে এবং তাকে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার অবস্থাও এখনও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে একে একে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম দেন চাঁদনী বেগম (২২)। বিরল এই প্রসবের ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে চার নবজাতকের মৃত্যুর খবরে নেমে আসে শোকের ছায়া।

চাঁদনী বেগম ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কোদালিয়া-শহীদনগর ইউনিয়নের বড় কাজুলী গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় দেড় বছর আগে একই উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামের মাহামুদুল হাসান ডলারের (৩০) সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। মাহামুদুল হাসান ডলার বর্তমানে সিঙ্গাপুরে কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের কয়েক মাস পর চাঁদনী গর্ভবতী হন। পরবর্তীতে আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে তাঁর গর্ভে পাঁচটি সন্তান রয়েছে বলে জানতে পারেন চিকিৎসকেরা। বিষয়টি পরিবারে আনন্দের সৃষ্টি করলেও চিকিৎসকেরা শুরু থেকেই এটিকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।

হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রায় এক ঘণ্টা পর স্বাভাবিক প্রসব শুরু হয়। মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে পাঁচটি নবজাতকের জন্ম হয়। জন্মের সময় প্রতিটি শিশুর ওজন ছিল আনুমানিক ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম, যা অত্যন্ত কম।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ড সূত্র জানায়, জন্মের পর পাঁচ নবজাতককেই চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অপরিণত বয়সে জন্ম নেওয়া এবং অত্যন্ত কম ওজনের কারণে তাদের শারীরিক অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন।

নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসক প্রীতিরাজ পাল চৌধুরী বলেন, জন্মের সময় পাঁচ শিশুই জীবিত ছিল। কিন্তু তারা ‘এক্সট্রিমলি লো বার্থ ওয়েট’ বা অত্যন্ত কম ওজনের নবজাতক হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন ছিল। এ ধরনের শিশুদের সাধারণত উন্নত নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (NICU)-এ চিকিৎসা দিতে হয়। হাসপাতালের সীমিত সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে নবজাতকদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের আর স্থানান্তর করা হয়নি।

চিকিৎসকদের ভাষ্য, সাধারণ গর্ভধারণের মেয়াদ ৩৭ থেকে ৪০ সপ্তাহ হলেও এই প্রসূতির সন্তানদের জন্ম হয়েছে প্রায় ২৮ সপ্তাহের আগেই। এত কম বয়সে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত না হওয়ায় মৃত্যুঝুঁকি অত্যন্ত বেশি থাকে।

একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বিরল ঘটনা। তবে অপরিণত প্রসব এবং পর্যাপ্ত নিবিড় নবজাতক পরিচর্যার অভাবে চার নবজাতকের মৃত্যুতে আনন্দের সেই মুহূর্ত মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে গভীর বেদনায়। বর্তমানে পরিবারের সব প্রার্থনা এখন একমাত্র জীবিত শিশুটিকে ঘিরেই।

স্মার্টফোনে বারবার বিজ্ঞাপনের বিরক্তি, এক সেটিংসেই মিলবে সমাধান

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ
স্মার্টফোনে বারবার বিজ্ঞাপনের বিরক্তি, এক সেটিংসেই মিলবে সমাধান

স্মার্টফোনে অ্যাপ ব্যবহার বা ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় হঠাৎ ফুল-স্ক্রিন বিজ্ঞাপন, ভিডিও অ্যাড বা একের পর এক পপ-আপ অনেকের জন্যই বিরক্তির কারণ। শুধু ব্যবহারেই বিঘ্ন ঘটে না, এসব বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফিশিং বা ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঝুঁকিও থাকে।

তবে অ্যান্ড্রয়েড ৯ (পাই) বা এর পরের সংস্করণ ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত কোনো অ্যাপ ইনস্টল না করেই একটি সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে পারেন। এর জন্য ব্যবহার করতে হবে প্রাইভেট ডিএনএস সুবিধা।

প্রাইভেট ডিএনএস ফোনের ইন্টারনেট সংযোগকে নির্দিষ্ট ডিএনএস সার্ভারের মাধ্যমে পরিচালনা করে। যদি অ্যাডগার্ড ডিএনএস এর মতো বিজ্ঞাপন-ফিল্টারিং ডিএনএস ব্যবহার করা হয়, তাহলে পরিচিত বিজ্ঞাপন, ট্র্যাকিং এবং কিছু ক্ষতিকর ডোমেইন আগেই ব্লক হয়ে যায়। ফলে অনেক অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন লোডই হয় না।

কীভাবে চালু করবেন

এই সুবিধা চালু করতে প্রথমে ফোনের সেটিংস থেকে নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ইন্টারনেট বা কানেকশনস মেনুতে যান। এরপর প্রাইভেট ডিএনএস অপশন নির্বাচন করে প্রাইভেট ডিএনএস প্রোভাইডার হোস্টনেম বেছে নিন। সেখানে ডিএনএস ডট অ্যাডগর্ডস ডট কম (dns.adguard.com) লিখে সেভ করুন। এরপর থেকেই অনেক বিজ্ঞাপন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হতে শুরু করবে।

তবে সব স্মার্টফোনে এই অপশনের অবস্থান এক নয়। অনেক ডিভাইসে এটি মোর কানেকশন, অ্যাডভান্সড সেটিংস, কিংবা ডিএনএস নামে থাকতে পারে। প্রয়োজন হলে সেটিংসের সার্চ বক্সে প্রাইভেট ডিএনএস লিখেও খুঁজে পাওয়া যাবে।

তবে এই পদ্ধতিতে সব ধরনের বিজ্ঞাপন বন্ধ হয় না। যেসব বিজ্ঞাপন সরাসরি অ্যাপের নিজস্ব সার্ভার থেকে আসে, সেগুলো অনেক ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে। তবুও অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন কমানোর পাশাপাশি পরিচিত ট্র্যাকিং, অ্যাডওয়্যার এবং কিছু ফিশিং ও ম্যালওয়্যার-সংশ্লিষ্ট ডোমেইন থেকেও অতিরিক্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়। ফলে মাত্র একটি সেটিংস পরিবর্তনেই স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও পরিচ্ছন্ন, দ্রুত ও তুলনামূলক নিরাপদ হতে পারে।

সূত্র : যুগান্তর

সুস্থ দেহ ও প্রশান্ত মনের জন্য ১২টি ইসলামিক অভ্যাস, জেনে নিন এক পলকে

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সুস্থ দেহ ও প্রশান্ত মনের জন্য ১২টি ইসলামিক অভ্যাস, জেনে নিন এক পলকে

ব্যস্ত এই নাগরিক জীবনে আমরা প্রতিনিয়ত সময়ের পেছনে ছুটছি। একে একে দৈনন্দিন কাজের তালিকা শেষ করতে গিয়ে দিনের শেষে দেখা যায়, নিজের যত্ন নিতেই আমরা ভুলে গেছি। অন্যের সেবা করা বা দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের প্রতি এই ক্রমাগত অবহেলা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের শরীর ও মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অথচ প্রতিটি নতুন দিন আমাদের জন্য নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এবং জীবনকে সুন্দর করার এক অনন্য সুযোগ নিয়ে আসে। ইসলাম আমাদের এমন এক পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান উপহার দিয়েছে, যেখানে কেবল আধ্যাত্মিক ইবাদত নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একটি গাছ যেমন রোদ ও পানি ছাড়া বেড়ে উঠতে পারে না, আমাদের জীবনকেও তেমনি মন, শরীর ও আত্মার যথাযথ যত্নের মাধ্যমে সতেজ রাখতে হয়।

যেকোনো পরিবর্তন শুরুর আগে আমরা প্রায়ই দ্বিধায় ভুগি, ‘কীভাবে শুরু করব’ বা ‘কবে শুরু করব’। এই দ্বিধা কাটাতে প্রতিদিন নিজেকে তিনটি সহজ প্রশ্ন করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে: আজ আমি আমার মন, শরীর এবং আত্মার জন্য কী করেছি?

জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং সুস্থ থাকার জন্য ১২টি কার্যকরী ইসলামিক অভ্যাসের কথা আজ তুলে ধরা হলো—

মনের সুস্থতায়

১. ডায়েরি বা জার্নাল লেখা: প্রতিদিনের প্রাপ্তি ও প্রতিবন্ধকতাগুলো লিখে রাখুন। বিশেষ করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়গুলো ডায়েরিতে স্থান দিন। মেধা ও জ্ঞানের চর্চা: নতুন কিছু শেখা বা জ্ঞান অন্বেষণ করা একজন মুসলমানের দায়িত্ব। নতুন কোনো ভাষা বা বিষয় শিখে নিজের মেধাকে শাণিত করুন।

২. ভালো সঙ্গ: এমন বন্ধুদের সাথে সময় কাটান যাদের সাহচর্য আপনাকে উপকৃত করে। ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখা উম্মাহর স্বাস্থ্যের জন্যও জরুরি।

শরীরের যত্নে

৩. প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি: শরীর সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন। সুস্থ দেহ আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের জন্যও সহায়ক।

৪. হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং: সকালে ঘুম থেকে উঠে বা রাতে ঘুমানোর আগে শরীর স্ট্রেচিং বা হালকা ব্যায়াম করে নিন, এতে জড়তা কাটবে ও সতেজ অনুভব করবেন।

৫. সময়মতো ঘুম: শরীর ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস আপনাকে ফজর সালাত সময়মতো পড়তে সাহায্য করবে।

৬. সচেতন খাদ্যাভ্যাস: আপনি প্রতিদিন কী খাচ্ছেন সেদিকে নজর দিন। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত ফলমূল ও শাকসবজি রাখুন, যা আপনার শরীরকে প্রাণবন্ত রাখবে।

৭. পর্যাপ্ত পানি পান: পানিশূন্যতা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই সারাদিন নিয়ম করে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

আত্মার প্রশান্তিতে

৮. সময়মতো সালাত: সালাতের সময় হলে অন্য সব কাজ সরিয়ে রাখুন। শয়তানের প্ররোচনায় সালাতে দেরি করা উচিত নয়, কারণ সালাতেই নিহিত রয়েছে প্রকৃত সাফল্য।

৯. কোরআনের সাথে সময় কাটানো: প্রতিদিন কুরআনের একটি অংশ পড়ার জন্য সময় বরাদ্দ করুন। আল্লাহর কালাম হৃদয়ে প্রশান্তি বয়ে আনে।

১০. আল্লাহর জিকির: জিহ্বাকে সর্বদা আল্লাহর জিকিরে সিক্ত রাখুন। জিকির পরকালের পাল্লাকে ভারী করবে।

১১. তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা: যেকোনো পরিস্থিতিতে সবার আগে আল্লাহর ওপর ভরসা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

১২. বিশেষ দোয়া

অলসতা ও বার্ধক্যজনিত অক্ষমতা থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.) এই দোয়াটি পাঠ করতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি।’

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি অলসতা, অতি বার্ধক্য, গোনাহ এবং ঋণ থেকে।

প্রতিটি দিন আমাদের জন্য নতুন সুযোগ। এই অভ্যাসগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা গতকালের চেয়ে একটি সুন্দর ও সুস্থ আগামী গড়ে তুলতে পারি।

দ্য মুসলিম ভাইব অবলম্বনে