খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২ মাঘ, ১৪৩২

ফরিদপুরের গ্রামের শীতের সকালে আগুন পোহানো মানুষের গল্প

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৪০ এএম
ফরিদপুরের গ্রামের শীতের সকালে আগুন পোহানো মানুষের গল্প

ভোরের ফরিদপুর। চারদিকে কুয়াশার ঘন পর্দা, সূর্যের আলো তখনো মাঠ ছুঁয়ে দেখেনি। গ্রামের কাঁচা রাস্তায় হাঁটলে মনে হয়—সবকিছু থমকে আছে। অথচ সেই নীরবতার মাঝেই জীবনের এক অন্য দৃশ্য দেখা যায়। বাঁশঝাড়ের পাশে, খালের ধারে কিংবা বাড়ির উঠোনে জ্বলে উঠেছে ছোট ছোট আগুন। আগুন ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে মানুষ—শীতের সকালে একটু উষ্ণতার আশায়।

চরভদ্রাসন উপজেলার এক গ্রামে দেখা গেল কয়েকজন দিনমজুর ভোরের কুয়াশার মধ্যে আগুন পোহাচ্ছেন। খড়, শুকনো পাতা আর ভাঙা বাঁশ জ্বালিয়ে তারা হাত ছেঁকে নিচ্ছেন। এসময় সেলিম শেখ নামে একজন বললেন, “ভোরে কাজের জন্য বের হই। কিন্তু শীত না কাটলে শরীর চলে না।” আগুনের তাপে হাত গরম হলেও চোখেমুখে লুকানো ক্লান্তি স্পষ্ট।

গ্রামের প্রবীণদের জন্য শীত আরও কঠিন। লাঠি হাতে বসে থাকা করিম মাতুব্বর নামে এক বৃদ্ধ আগুনের পাশে চুপচাপ বসে আছেন। তিনি বলেন, “আগে শরীর ভালো ছিল। এখন শীতে হাঁটতেই কষ্ট হয়।” পুরোনো শাল আর মলিন লুঙ্গি তার শীত ঠেকানোর শেষ ভরসা। আগুন নিভে গেলে আবার কাঁপুনি শুরু হবে—এটা তিনি জানেন।

একপাশে শিশুদের দৃশ্য আলাদা। স্কুলে যাওয়ার আগে তারা মায়ের পাশে আগুনের কাছে দাঁড়িয়ে আছে। ছোট হাতগুলো আগুনের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে তারা হাসছে, যেন আগুনটাই তাদের সকালের খেলার সঙ্গী। এক মা বললেন, “শীতের সকালে বাচ্চাদের ঘুম থেকে তুলতেই কষ্ট হয়। ঠান্ডায় অসুখের ভয় থাকে।” তবুও আগুনের পাশে দাঁড়ানো এই মুহূর্তগুলোতেই পরিবারগুলো একটু স্বস্তি খোঁজে।

কৃষকের উঠোনেও আগুন জ্বলে। মাঠে যাওয়ার আগে তারা শরীর গরম করেন। কুয়াশার কারণে অনেক সময় কাজ দেরিতে শুরু হয়। ফলে দৈনিক আয়েও প্রভাব পড়ে। তবুও জীবনের তাগিদে মাঠে নামতেই হয়। শীত এখানে শুধু আবহাওয়া নয়, এটি জীবিকার সঙ্গেও লড়াই।

ফরিদপুরের গ্রামে এই আগুন পোহানো দৃশ্য নতুন নয়। বছরের পর বছর ধরে শীত এলেই এমন ছবি দেখা যায়। আগুন নিভে যায়, মানুষ কাজে চলে যায়, কুয়াশা ধীরে ধীরে সরে। কিন্তু থেকে যায় সেই লড়াইয়ের গল্প—যেখানে সামান্য আগুনই হয়ে ওঠে পুরো সকালের সাহস।

এই আগুন কোনো বিলাসিতা নয়, কোনো উৎসবও নয়। এটি ফরিদপুরের গ্রামের মানুষের টিকে থাকার প্রতীক। শীতের সকালে আগুন পোহানো মানুষগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—কঠিন সময়েও মানুষ উষ্ণতা খোঁজে, আশায় বাঁচে, আর প্রতিদিন নতুন করে জীবন শুরু করে।

ফরিদপুর-৪ আসনে নাটকীয় সিদ্ধান্ত: খেলাফত প্রার্থী প্রত্যাহার, জামায়াতের পক্ষে সমর্থন

ফরিদপুর ও ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৭ পিএম
ফরিদপুর-৪ আসনে নাটকীয় সিদ্ধান্ত: খেলাফত প্রার্থী প্রত্যাহার, জামায়াতের পক্ষে সমর্থন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের নতুন বার্তা পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে ১১ দলীয় ইসলামী জোটের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়েছেন।

খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠ ছাড়ার ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ প্রসঙ্গে মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন, “সারাদেশে ১১ দলীয় ইসলামী জোট ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু ফরিদপুর-৪ আসনে শুরুতে উন্মুক্ত থাকায় জোটভুক্ত দুই দলের দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এতে জোটের বিজয় ও ইসলামের পক্ষে ফলাফল অনিশ্চিত হয়ে পড়ছিল। সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, দলের আমির আল্লামা মামুনুল হকের সঙ্গে পরামর্শ করে এবং দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। “আমি প্রায় দুই বছর ধরে ফরিদপুর-৪ আসনের তিনটি থানায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছি। শেষ পর্যন্ত জোটের সম্মান ও ইসলামী ঐক্যের স্বার্থে এই ত্যাগ স্বীকার করেছি। ইনশাআল্লাহ, এখন এই আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীই বিজয়ী হবেন,”—যোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন খেলাফত মজলিসের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “ফরিদপুর-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের দুইজন প্রার্থী ছিলেন। আমার জোটের ছোট ভাই মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে আমাকে সমর্থন জানিয়েছেন। এটি ইসলামী ঐক্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখন আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে ন্যায়, ইনসাফ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে জনগণের কল্যাণে কাজ করবেন। এই ঐক্যের ফলে ফরিদপুর-৪ আসনে নির্বাচনী সমীকরণ নতুনভাবে সাজানো হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নতুন প্রজন্মের হাতে ফিরল নকশি-পুলি, ফরিদপুরে স্কুলে গ্রাম-বাংলার পিঠা উৎসব

মো. সৈকত হাসান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
নতুন প্রজন্মের হাতে ফিরল নকশি-পুলি, ফরিদপুরে স্কুলে গ্রাম-বাংলার পিঠা উৎসব

গ্রাম বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও শীতের আবহকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ফরিদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গঙ্গাবর্দীতে অবস্থিত ব্র্যাক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব। ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনে বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। রঙিন ব্যানার, সাজানো স্টল আর শিশুদের কোলাহলে পুরো এলাকা যেন পরিণত হয় এক গ্রামীণ মেলায়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা নিয়ে আসে। ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, চিতই, দুধ চিতই, পুলি, নকশি পিঠাসহ নানা স্বাদের পিঠায় ভরে ওঠে স্টলগুলো। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পিঠার দাম নির্ধারণ করা হয় ৫ টাকা থেকে ৫০ টাকার মধ্যে।

সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলা এ উৎসবে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এসে পিঠার স্বাদ গ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেন।

অভিভাবকরা জানান, এমন আয়োজন শিশুদের শিকড়ের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে এবং বইয়ের বাইরের বাস্তব শিক্ষা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে শিশুদের আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও সামাজিক দক্ষতা বাড়াতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ।

উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি এমন আনন্দঘন আয়োজন তাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়। কেউ কেউ নিজ হাতে পিঠা তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে আয়-ব্যয়ের ধারণা পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হওয়ার পথে তাদের আগ্রহ বাড়াবে বলে মনে করে তারা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর সদরের উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইকবাল হাসান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির ম্যানেজার (ফিল্ড অপারেশন) প্রসেনজিৎ বিশ্বাস এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন ইসলাম।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি চর্চায় এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এমন কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক বিকাশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

দিনব্যাপী এই পিঠা উৎসব বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে পরিণত করে এক আনন্দঘন মিলনমেলায়, যেখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুন্দর সমন্বয় নতুন প্রজন্মের মনে গেঁথে দেয় গ্রাম বাংলার চিরচেনা স্বাদ ও অনুভূতি।

আগামীকাল শুক্রবার ফরিদপুরে আসছেন জামায়াতের আমীর

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৪ পিএম
আগামীকাল শুক্রবার ফরিদপুরে আসছেন জামায়াতের আমীর

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামীকাল শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরে জামায়াতের আয়োজনে দুটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর শহরের চকবাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামী ফরিদপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। এ সময় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন পিয়ালসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর-১ আসনের (বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা) বোয়ালমারী স্টেডিয়ামে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন জামায়াত আমীর। একইদিন রাতে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত আরেকটি নির্বাচনী জনসভায়ও তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

নির্বাচনী সভার প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানান, ফরিদপুরের দুটি সংসদীয় আসনে জনসভা সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দলীয় প্রধানের আগমনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মী ও ১১ দলীয় জোটের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

জেলা জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলের নির্বাচনী জনসভা শেষে জামায়াত আমীর প্রথমে বিকেলে ফরিদপুরের বোয়ালমারী জনসভায় অংশ নেবেন। এরপর রাত ৮টার দিকে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফরিদপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক আব্দুল ওহাব জানান, জনসভা উপলক্ষে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দলের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মো. বদরউদ্দিন বলেন, জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের ফরিদপুর সফর ঘিরে এ অঞ্চলের মানুষের নানা প্রত্যাশা রয়েছে। ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা, একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ক্যান্টনমেন্ট নির্মাণ এবং ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আধুনিকায়নের দাবি দীর্ঘদিনের। জনসভা থেকে এসব দাবি আমীরে জামায়াতের কাছে তুলে ধরা হবে।

তিনি আরো বলেন, জনগণের ভোটে জামায়াত-১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করতে পারলে ফরিদপুরসহ এ অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নে আন্তরিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের জামায়াত জোট মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, নির্বাচনী সভার প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ফরিদপুর-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা ও ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের জামায়াত জোট মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর আবদুত তাওয়াব।