খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে ওলামাদল নেতার পদত্যাগ 

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ওলামাদল নেতার পদত্যাগ 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাউল আবুল সরকারের সাম্প্রতিক খোদাদ্রোহী বক্তব্যকে পরোক্ষ সমর্থন করেছেন- এমন অভিযোগ এনে প্রতিবাদ স্বরূপ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির ফরিদপুর জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ও নগরকান্দা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুফতী মুস্তাফিজুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

মুফতী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আল্লাহকে কটূক্তিকারী ভন্ড বাউলের পক্ষ নেয়ায় আমি পদত্যাগ করলাম।

একইসাথে ওই বিবৃতিতে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং দাবি করেছেন, বিএনপি যদি বার বার মির্জা ফখরুলের এমন ইসলামবিরোধী বক্তব্যকে উপক্ষা করতে থাকে, তাহলে তাদেরও ফ্যাসিস্টের মতো পরিস্থিতি ভোগ করতে হবে।

ওই বিবৃতিতে মুফতী মুস্তাফিজুর রহমান আরো বলেন, মহান আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তিকারী বাউল আবুল সরকারের পক্ষে সাফাই গেয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও আল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। বিএনপির মতো ডানপন্থী একটি দলের মহাসচিবের এমন অবস্থানে গোড়া দেশের ইসলামপ্রিয় মানুষকে আশাহত করেছে।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি- মহান আল্লাহ সবকিছুর ঊর্ধ্বে। তাই মির্জা ফখরুল বাউলের খোদাদ্রোহী বক্তব্যকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করায় আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসাথে বিএনপির সম্মানিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অনুরোধ করছি- ইসলামপ্রিয় ব্যক্তিদের ‘ধর্মান্ধ’ বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে কটাক্ষ করেছেন এবং বাউলের খোদাদ্রোহী বক্তব্যের পরোক্ষ পক্ষাবলম্বন করেছেন, আপনি খুব শিগগিরই এর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে মুফতী মুস্তাফিজুর রহমান আরো বলেন, একইসাথে আপনার প্রতি অনুরোধ- দেশের জনপ্রিয় শাসক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল বিএনপিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোন মতলবে কাদের খুশি করতে ইসলামের মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছেন, সে বিষয়েও যথাযথ খোঁজখবর নেবেন বলে আশা করছি।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সমাজসেবা কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সমাজসেবা কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৬ জুলাই) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষের জানালার কাচ ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬’ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের জন্য আবেদনকারীদের রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স রুমে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে এর আগেই সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোয়াম্মদ মাহবুব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে আবেদন জমার শেষ সময় ২৮ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ফলে নির্ধারিত দিনের পরীক্ষা বা বাছাই কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

এরই মধ্যে রোববার ভোরে কে বা কারা সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রবেশ করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষের জানালার কাচ ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।

সকালে অনেক আবেদনকারী পরীক্ষা দিতে এসে ফিরে যান। আবার অনেকে নতুন সময়সীমার সুযোগে আবেদনপত্র জমা দিতে দেখা যায়। এ কারণে স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, নিয়োগ কার্যক্রমের সময়সূচি পরিবর্তনকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমি এ ধারণা নাকচ করে বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড শুমারির আবেদনকারীদের সঙ্গে এ ভাঙচুরের কোনো সম্পর্ক রয়েছে বলে আমরা মনে করছি না। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে আবেদন জমার সময় ২৮ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেটি পাওয়ার পর আজ সকাল ৮টার দিকে আমি বিষয়টি ফেসবুকে জানিয়ে দিয়েছি। ভাঙচুরের ঘটনায় সমাজসেবা কর্মকর্তাকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

আলফাডাঙ্গা সমাজসেবা কার্যালয়ের নৈশপ্রহরী জাকির হোসেন বলেন, “আমি রাতে অফিসে দায়িত্বে ছিলাম। দায়িত্ব শেষ করে চলে যাওয়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি।”

অফিস সহকারী আজিজুর রহমান বলেন, “সকাল পৌনে ৯টার দিকে অফিসে এসে দেখি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষের জানালার কাচ ভাঙা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্যারকে জানাই।”

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ঝুমুর সরকার বলেন, “অফিসে প্রবেশের আগেই খবর পাই দুর্বৃত্তরা আমার কক্ষের জানালার কাচ ভেঙে ফেলেছে। বিষয়টি জেলা কার্যালয়কে জানিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলেই থানায় অভিযোগ দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।”

ফরিদপুরে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকরের দাবি, স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকরের দাবি, স্মারকলিপি প্রদান

ফরিদপুরে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকরের দাবিতে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদল।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসকের কাছে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। এ সময় ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহনে হাফ ভাড়ার সুবিধা চালু থাকলেও ফরিদপুরে তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পূর্ণ ভাড়া পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।

তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া শুধু একটি সুবিধা নয়, বরং শিক্ষাবান্ধব ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ। এই সুবিধা নিশ্চিত হলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ সহজ হবে এবং তাদের আর্থিক দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

স্মারকলিপিতে ফরিদপুর জেলার সব ধরনের গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া কার্যকর করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকে এ বিষয়ে কার্যকর নির্দেশনা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে ছাত্রদলের নেতারা জানান।

ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হলে যে ৮ কাজ করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হলে যে ৮ কাজ করবেন

অনেকে রাগ বা আতঙ্কে ভিডিওটি ডাউনলোড করে পরিচিতদের কাছে পাঠান বা বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করে জানান যে, এটি মুছে ফেলতে হবে। এতে উল্টো ভিডিওটি আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই নিজেও ভিডিওটি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে দ্রুত অভিযোগ করুন

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউবসহ প্রায় সব বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই ব্যক্তিগত বা সম্মতি ছাড়া প্রকাশিত অন্তরঙ্গ কনটেন্ট অপসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। নির্ধারিত রিপোর্টিং অপশন ব্যবহার করে দ্রুত অভিযোগ জানান। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

আইনি সহায়তা নিন

অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশ করা অনেক দেশেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশেও তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার অপরাধসংক্রান্ত প্রচলিত আইনের আওতায় অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজন হলে নিকটস্থ থানার পাশাপাশি পুলিশের সাইবার ইউনিট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিন।

পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন

ভিডিওটি যদি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফাঁস হয়ে থাকে, তাহলে অবিলম্বে ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ক্লাউড স্টোরেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। সম্ভব হলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করুন।

পরিচিতদের আগেই জানিয়ে দিন

ঘনিষ্ঠ পরিবার, বন্ধু বা কর্মস্থলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সত্য ঘটনা সংক্ষেপে জানিয়ে রাখলে ভুল বোঝাবুঝি কমে। এতে কেউ ভিডিওটি পেলে বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়।

মানসিক চাপকে অবহেলা করবেন না

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই লজ্জা, ভয়, উদ্বেগ কিংবা বিষণ্নতায় ভুগতে পারেন। এ সময় নিজেকে একা না রেখে বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতের জন্য সতর্কতা

এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি কমাতে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

  • – ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করলে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করুন।
    – অপরিচিত লিঙ্ক বা ফাইল খুলবেন না।
    – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাইভেসি সেটিংস নিয়মিত পর্যালোচনা করুন।
    – মোবাইল ও কম্পিউটারে নিরাপত্তা হালনাগাদ রাখুন।
    – কাউকে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও পাঠানোর আগে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করুন।
    – এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও (ডিপফেক) সম্পর্কেও সচেতন থাকুন।
    – ভুক্তভোগীকে দোষারোপ নয়

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন। এমন ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে দোষারোপ বা উপহাস না করে সহানুভূতিশীল হওয়া এবং আইনি ও মানসিক সহায়তা পেতে সহযোগিতা করা সমাজের দায়িত্ব।

ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়া নিঃসন্দেহে একটি কঠিন অভিজ্ঞতা। তবে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তাই এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) কনজিউমার অ্যাডভাইস ও বাংলাদেশ পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অবলম্বনে