খুঁজুন
, ,

বর্ষাকালে তেজপাতার পানি পান করার উপকারিতা জানুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বর্ষাকালে তেজপাতার পানি পান করার উপকারিতা জানুন

রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে ব্যবহৃত পরিচিত মসলা তেজপাতা শুধু খাবারের উপকরণ নয়, এর রয়েছে নানা ভেষজ গুণও। আয়ুর্বেদে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উপায়ে তেজপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা বা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো বা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।

তেজপাতায় থাকা পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড ও ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। এসব উপাদান কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

হজমের সমস্যা কমাতেও তেজপাতার ব্যবহার প্রচলিত। এতে থাকা কিছু উপাদান হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এবং বদহজম, পেটফাঁপা বা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে উপকারী হতে পারে।

কিছু গবেষণায় তেজপাতার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়; স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া তেজপাতায় থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকে তেজপাতা ফোটানো পানি পান করেন।

তবে তেজপাতার পানি পান করলেই সব ধরনের রোগ দূর হবে—এমন প্রমাণ নেই। যেকোনো স্বাস্থ্যসমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া জরুরি।

সূত্র : যুগান্তর

ফরিদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, সংবাদ সম্মেলনে ন্যায়বিচারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, সংবাদ সম্মেলনে ন্যায়বিচারের দাবি

ফরিদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে অতর্কিত হামলা চালানো ও গুরুতর রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

​সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের মরহুম অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন মোল্লা মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত সৈয়দ শামস্ তাবরেজ (৫৫) ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করার অভিযোগ আনা হয়।

​এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সৈয়দা মোশায়রা মাহবুবা।

​তিনি সাংবাদিকদের জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ সৈয়দ শামস্ তাবরেজ ও তার স্ত্রী লোহার রড, বাঁশের লাঠি এবং কাঠের বাটাম দিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন।

​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, এই ন্যাক্কারজনক হামলায় তারা শারীরিকভাবে মারাত্মক জখম হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

​ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

 

ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ৬ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ৬ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২১

ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫০ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলাটিতে মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ১৯১ জনে। আর এখন পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে জেলায় মোট ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

​জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ২৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৬ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসাসেবা শেষে দুই হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫২ জন।

​প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া ৫০ জনের মধ্যে ৩৬ জন ফরিদপুর জেলার স্থানীয় বাসিন্দা। বাকি ১৪ জন পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জেলা থেকে এসে ভর্তি হয়েছেন।

​বর্তমানে জেলাটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০৮ জন হাম রোগী। এর মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ২৫ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৩ জন ভর্তি আছেন।

ফরিদপুরে ভাড়া বাসা থেকে কলেজছাত্রী নিখোঁজ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভাড়া বাসা থেকে কলেজছাত্রী নিখোঁজ

ফরিদপুর শহরের অনাথের মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শারমিন খানম (২৯) নামে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের এক ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন।

​গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিনি। এরপর সম্ভাব্য সকল স্থানে সন্ধান চালিয়েও তাঁর কোনো খোঁজ না পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন নিখোঁজের মা সাফিয়া বেগম। গত ২৭ সেপ্টেম্বর দায়ের করা জিডি নম্বর ২১১৩।

​জিডি সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ শারমিনের গায়ের রং ফর্সা, শারীরিক গঠন ছিপছিপে (চিকন), উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, মুখমণ্ডল গোলাকার এবং চুল কালো। নিখোঁজের সময় তাঁর পরনে বোরকা ছিল।

​কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ওই ছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।