খুঁজুন
, ,

প্রিয় দল হারলে মন ভালো করার ৬ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ
প্রিয় দল হারলে মন ভালো করার ৬ উপায়

মাঠের টানটান উত্তেজনা কেবল খেলোয়াড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, তা গ্যালারি ছাড়িয়ে কোটি ভক্তের বসার ঘর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রিয় দলটি যখন মাঠে নামে, তখন ভক্তদের হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

প্রিয় দলের প্রতিটি ভালো মুভমেন্টে তারা আনন্দিত হন, উল্লাসে মাতেন। তবে, একটি ভুল চালে মুহূর্তে তৈরি হয় রাগ বা হতাশাও। প্রিয় দলের পরাজয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকেই।

গবেষণায় দেখা গেছে, একনিষ্ঠ ভক্তরা দলের পারফরম্যান্সকে নিজেদের ব্যক্তিগত সাফল্যের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। প্রিয় দলের জয়কে তারা যেমন ‘আমাদের জয়’ বলে গর্ব করেন, তেমনি পরাজয়কে ব্যক্তিগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখে বিষণ্ণতায় ডুবে যান। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘স্পোর্টস ফ্যান ব্লুজ’ বলা হয়, যা মানুষের আত্মসম্মানবোধ কমিয়ে দিতে পারে এবং মনে এক ধরনের হীনম্মন্যতা তৈরি করতে পারে।

তবে মনে রাখা জরুরি, খেলার জয়-পরাজয় পুরোপুরি আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরের একটি বিষয় এবং আপনি কোনোভাবেই এর ফলাফলের জন্য দায়ী নন। পরাজয়ের এই মানসিক ধাক্কা সামলে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য বিশেষজ্ঞরা কিছু কার্যকর কৌশলের কথা বলেছেন।

আপনার প্রিয় দল হারলে মন ভালো করার সেরা ৬টি উপায় নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ক্ষোভ প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করুন

হারের পর দীর্ঘ সময় ধরে সেই দুঃখ নিয়ে পড়ে থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, হারের পর আপনার আবেগ বা ক্ষোভ প্রকাশের জন্য সর্বোচ্চ ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট সময় দিন। এই সময়ের মধ্যে অন্য ভক্তদের সঙ্গে কথা বলে বা আলোচনা করে মনের ভার হালকা করে নিন। তবে এই সময়ের পর অবশ্যই অন্য কোনো কাজ বা অন্য প্রসঙ্গে চলে যেতে হবে। দীর্ঘক্ষণ একা একা হারের কারণ নিয়ে পড়ে থাকলে আপনার খারাপ লাগা আরও বাড়তে পারে।

২. সোশ্যাল মিডিয়া ও পোস্ট-গেম বিশ্লেষণ থেকে দূরে থাকুন

খেলার পরপরই ফেসবুক বা এক্স (সাবেক টুইটার)-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। সেখানে বিপক্ষ দলের ভক্তদের ট্রল বা নেতিবাচক মন্তব্য আপনার মেজাজ আরও বিগড়ে দিতে পারে। পাশাপাশি টিভি বা রেডিওর দীর্ঘ ‘পোস্ট-গেম বিশ্লেষণ’ শোনা বন্ধ করুন। বারবার পরাজয়ের দৃশ্য বা হারের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা আপনার মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৩. শরীরচর্চা বা ঘাম ঝরানো

মানসিক চাপ কমাতে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। হারের ফলে শরীরে যে ‘কর্টিসল’ বা স্ট্রেস হরমোন তৈরি হয়, তা কমাতে ১০ থেকে ৩০ মিনিটের ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর। আপনি দ্রুত হাঁটতে পারেন, সাইকেল চালাতে পারেন বা একটু দৌড়ে আসতে পারেন। এতে শরীরে ‘ডোপামিন’ বা ফিল-গুড হরমোনের মাত্রা বাড়ে, যা আপনার তাৎক্ষণিক মন খারাপ দূর করে শরীরের শক্তি ও মেজাজ চনমনে করতে সাহায্য করবে।

৪. মানসিক প্রশান্তি দেয় এমন সৃজনশীল কাজে যুক্ত হোন

খেলার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে নিজেকে সৃজনশীল কোনো কাজে ব্যস্ত রাখুন। গান শোনা, পছন্দের কোনো পডকাস্ট শোনা, ডায়েরি লেখা কিংবা ছবি আঁকার মতো কাজগুলো আপনার মনকে শান্ত করবে। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা ধ্যান করলে স্নায়বিক চাপ কমে এবং মনে প্রশান্তি আসে, যা পরাজয়ের গ্লানি ভুলে যেতে সাহায্য করে।

৫. বহুমুখী শখ গড়ে তুলুন

আপনার জীবনের একমাত্র আনন্দ বা পরিচয়ের উৎস যদি কেবল প্রিয় দলের জয়ের ওপর নির্ভর করে, তবে পরাজয় আপনাকে অনেক বেশি বিপর্যস্ত করবে। নিজের পরিচয়কে কেবল একজন ‘ফ্যান’ হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে বহুমুখী শখ গড়ে তুলুন। সৃজনশীল কাজ (রান্না বা সেলাই), বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ (বই পড়া বা দাবা খেলা) কিংবা নতুন কোনো ভাষা শেখার মতো শখগুলো আপনাকে একটি বহুমুখী ব্যক্তিত্ব দেবে। এতে দলের হারের প্রভাব আপনার ওপর তুলনামূলক কম পড়বে।

৬. মনে রাখুন, ফলাফল আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই

প্রিয় দল হারলে নিজেকে কোনোভাবেই দোষী ভাববেন না। মনে রাখবেন, আপনি খেলাটি খেলছিলেন না এবং মাঠের ফলাফলে আপনার কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই। খেলাটি কেবল একটি বিনোদন এবং এর জয়-পরাজয় আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ হতে পারেন, কিন্তু নিজের ওপর থেকে বিশ্বাস হারাবেন না।

হেলথ লাইন অবলম্বনে

সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

ক্লাস চলার সময়ে নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে রাস্তাঘাট বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এমন কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রশাসন।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সালথা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সালথা উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ক্লাস চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবককে উপজেলা প্রশাসনে বা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না মর্মে অভিভাবকের কাছ থেকে উপযুক্ত মুচলেকা গ্রহণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

​উপজেলা প্রশাসন জানায়, এই নির্দেশনা অত্যন্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার স্বার্থেই মূলত এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।

সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৫টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) বিকেলে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

​স্থানীয়রা জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও ফসলি জমি নিয়ে মেহেরদিয়া গ্রামের মো. কালাম মুন্সীর সঙ্গে নুর ইসলাম মুন্সীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে কালাম মুন্সী তাঁর ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দিতে গেলে নুর ইসলামের সমর্থকরা তাঁকে মারধর করেন।

​এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ সময় হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে সংঘর্ষকারীরা।

​এ ঘটনায় কালাম মুন্সী ও শাহজাহান মাতুব্বরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

​সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’

​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে একটি আন্তঃজেলা ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সাবেক (চাকরিচ্যুত) দুই সদস্য রয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ডাকাতি হওয়া একটি ১৫০ সিসি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

​বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

​পুলিশ জানায়, সম্প্রতি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ভাড়া করার ছলে ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনার তদন্তে নেমে চক্রটির সন্ধান পায় গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযানের একপর্যায়ে চক্রের মূল হোতা সাবেক পুলিশ সদস্য মো. লিমন মিয়া (৩৪) ও তার সহযোগী মো. সাখাওয়াত মুন্সি ওরফে সাকাকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার লিমন ও সাকার বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাসাবাদে লিমন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাই করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ছিনতাই করা ইজিবাইকগুলো মুকসুদপুরের মন্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হতো। লিমনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, অস্ত্র ও মাদকসহ অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে।

​পরে লিমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবেক সেনা সদস্য মো. ইমদাদুল হক ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৫৫) গ্রেফতার করে ডিবি। খুলনা সদর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বর্তমানে রঘুনন্দনপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

​অভিযানে তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় রূপগঞ্জে ডাকাতি হওয়া মোটরসাইকেলটি। পুলিশের দাবি, জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বড় ধরনের ডাকাতি সংঘটিত করে নগদ ২৪ লাখ টাকাসহ প্রায় ৬৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. শাহারিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জানান, গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।