খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফরিদপুরে পশু হাসপাতালে জনবল সংকট, ব্যাহত সেবা কার্যক্রম

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০৮ এএম
ফরিদপুরে পশু হাসপাতালে জনবল সংকট, ব্যাহত সেবা কার্যক্রম

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে চলছে প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল। গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানের ১১টি পদের মধ্যে ছয়টি শূন্য। এর মধ্যে আবার তিনবছরের জন্য অন্যত্র প্রশিক্ষণে রয়েছেন একজন। বর্তমানে এই কার্যালয়ে কাগজে-কলমে পাঁচজন থাকলেও বাস্তবে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন। ফলে অল্প সংখ্যক জনবল নিয়ে উপজেলার একমাত্র সরকারি পশু হাসপাতালটিতে চিকিৎসাসেবা চরম ব্যাহত হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলফাডাঙ্গা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১২১টি গ্রামের লাখো মানুষের ৫৮ হাজার ৭৭৬টি গবাদি পশু ও দুই লাখ ৯০ হাজার ৫০১টির বেশি হাঁস মুরগীসহ বিভিন্ন প্রাণি রয়েছে। তাই প্রতিদিন অনেক গবাদি পশু পালনকারী সেবা ও পরামর্শ নিতে আসেন প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে। কিন্তু ভেটোরিনারি সার্জনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে জনবল না থাকায় চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ নিতে আসা লোকদের যেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তেমনি হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে। ফলে খামার মালিকরা বিভিন্ন গবাদি পশুর অপারেশনের জন্য ছুটছেন বেসরকারি চিকিৎসকের কাছে। এতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি উপজেলায় একজন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, একজন ভেটেরোনারি সার্জন, একজন উপজেলা লাইফ স্টক অ্যাসিসটেন্ট (ইউএলএ), তিনজন ভেটেরেনারি ফিল্ড অ্যাসিসটেন্ট (ডিএফএ), একজন কম্পাউন্ডার, একজন ফিল্ড অ্যাসিসটেন্ট (এফএ/এআই), একজন অফিস সহকারী, একজন ড্রেসার ও একজন অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) পদ রয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে বর্তমানে একজন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, একজন উপজেলা লাইফ স্টক অ্যাসিসটেন্ট, একজন ফিল্ড অ্যাসিসটেন্ট, একজন ড্রেসার ও একজন অফিস সহায়ক আছেন। অর্থাৎ ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্থলে পাঁচজন কর্মকর্তা-কর্মচারি আছেন। ছয়টি পদই দীর্ঘদিন ধরে শূণ্য রয়েছে। এদিকে এই পাঁচজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে আবার ফিল্ড অ্যাসিসটেন্ট তিন বছরের জন্য অন্যত্র প্রশিক্ষণে রয়েছেন। ফলে বর্তমানে এই কার্যালয়ে মাত্র চারজন কর্মরত আছেন।

দপ্তর থেকে জানা গেছে, কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ, পশুপাখিকে টিকাদান, চিকিৎসাদান, মাঠ পরিদর্শন, খামারিদের মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি বিতরণ, পশুপাখির সুস্থতার সনদ দেওয়া, উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ, খামার নিবন্ধন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জরুরি সেবাদানের কাজগুলো এই দপ্তরের অধীনে পরিচালিত হয়। কিন্তু জনবলসংকট থাকায় বাকিদেরই সব দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে পশু পালনকারীরা চাহিদামতো সেবা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন।

উপজেলার জাটিগ্রামের কৃষক মাহাবুর মোল্যা জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে একজন ডাক্তার দিয়ে চলছে এ হাসপাতাল। চিকিৎসার জন্য গবাদি পশু নিয়ে আসলে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। হাসপাতালে অনেক ভিড় থাকে। এ হাসপাতালে আরেকজন ডাক্তারের খুবই প্রয়োজন।’

উপজেলা ডেইরি এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম নজরুল ইসলাম জানান, ‘হাসপাতালে জনবল সংকটের কারণে যথাসময়ে সেবা দিতে পারছে না। আমরা চাই দ্রুত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধি করা হোক।’

আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবেন বাইন বলেন, ‘ভেটেরিনারি সার্জনসহ ছয়টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। প্রতিদিন প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষক বিভিন্ন গবাদিপশু নিয়ে আসেন চিকিৎসাসেবা নিতে। আমাকে দৈনন্দিন অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে হয়। মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কাজের জন্য যেতে হয়। সরকারি বিভিন্ন সভায় যেতে হয়। প্রতিদিন আমাকে একাই সব সামলাতে হচ্ছে। জনবল সংকটের মধ্যেও সেবা প্রদানে কোনো ধরনের গাফিলতি হচ্ছে না। তবে কাজ করতে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জেলার মাসিক সভায় বারবার অবহিত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘শূন্য পদে পদায়ন না হওয়ায় প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট অন্য যারা আছেন, তাদের সহযোগিতায় সেবা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যেসব পদে লোক নেই, সেসব পদে লোকবল দেওয়া হলে আমাদের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৮ এএম
ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

অনেকের ঘাড়, বগল কিংবা শরীরের ভাঁজে অন্য জায়গার তুলনায় কালচে দাগ দেখা যায়। অনেকেই এটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি মনে করে বেশি করে ঘষে বা সাবান ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সব সময় পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং এটি কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডভিত্তিক অ্যানেসথেসিওলজি ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. কুনাল সুদ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। গত ৪ মার্চ তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও বার্তায় জানান, ঘাড় বা বগলের ত্বক গাঢ় হয়ে যাওয়ার একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের নাম রয়েছে— Acanthosis Nigricans।

কেন হয় এই কালচে দাগ?

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অবস্থায় ত্বক শুধু গাঢ়ই হয় না, বরং একটু মোটা ও মসৃণ বা ভেলভেটের মতো দেখায়। অনেকেই এটিকে ময়লা বা অপরিষ্কার ভাবলেও আসলে তা নয়। ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করলে সাধারণত কোনো পরিবর্তন হয় না।

ডা. কুনাল সুদের মতে, এই সমস্যাটি বেশিভাগ ক্ষেত্রেই শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে এটি অনেক সময় প্রিডায়াবেটিস, টাইপ ২ ডায়াবেটিস কিংবা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)–এর মতো সমস্যার সঙ্গে দেখা যায়।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীরের পেশি, চর্বি ও লিভারের কোষগুলো ইনসুলিন হরমোনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া দেয় না। অথচ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যখন কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সাড়া কম দেয়, তখন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে অগ্ন্যাশয়কে আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হয়। এই পরিস্থিতিই অনেক সময় ত্বকের এমন কালচে দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

চিকিৎসা কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, Acanthosis Nigricans নিজে থেকে সংক্রামক বা মারাত্মক রোগ নয়। তবে এর পেছনে থাকা কারণগুলো শনাক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ডা. কুনাল সুদের মতে, শুধু ত্বক ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করে লাভ নেই। বরং শরীরের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়?

স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Cleveland Clinic জানায়, কিছু জীবনধারাগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানো সম্ভব। যেমন—

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম : ব্যায়াম করলে শরীরের পেশি রক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে, ফলে ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা কমে।

অতিরিক্ত ওজন কমানো : অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমালে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও কমে যায়।

পরীক্ষা করা জরুরি

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি ঘাড় বা বগলে এমন কালচে দাগ দেখা যায় এবং তা দীর্ঘদিন থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অনেক সময় A1C পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে গত তিন মাসে রক্তে গ্লুকোজের গড় মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ত্বকে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে তা অবহেলা না করে কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক সময় ছোট একটি লক্ষণই বড় কোনো শারীরিক সমস্যার আগাম ইঙ্গিত দিতে পারে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

রমজানের শিক্ষা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা: সালথায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
রমজানের শিক্ষা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা: সালথায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সালথা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সালথা উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। রমজানের তাৎপর্য ও নৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা এবং মিলনমেলার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল ফজল মুরাদ।

আলোচনা সভায় প্রধান ও বিশেষ অতিথিরা মাহে রমজানের শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, রমজান কেবল রোজা পালনের মাসই নয়, এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিকতার অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি জীবনকে শুদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজে ন্যায়, ইনসাফ ও সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধারণ করে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান, নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বকুল মিয়া, নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের সুরা সদস্য ও তালমা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মাহবুব হোসেন, ঢাকা মহানগরীর মুহাম্মদপুর থানা জামায়াতের সুরা সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান হিটু।

এ ছাড়া উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী মাহবুব আলী সিদ্দিকী নসরু, সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

১৫ বছর পর আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূরের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৪ পিএম
১৫ বছর পর আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূরের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে দেওয়া বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। এ বিষয়ে সোমবার (৯ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপকমিশনার (পশ্চিম) কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তকালকে চাকরিকাল হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি তিনি বিধি অনুযায়ী সব ধরনের বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্য সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে দুটি বিভাগীয় মামলা হয়েছিল। এ কারণে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণের গুরুদণ্ডও দেওয়া হয়। পরে তিনি ফৌজদারী মামলা দুটির অভিযোগ থেকে আদালতের মাধ্যমে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে খালাস পান।

এছাড়া তার গুরুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন রাষ্ট্রপতি মঞ্জুর করায় আরোপিত চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশটি বাতিল করা হয়। তাই কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলায় ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করা হলো। একই সঙ্গে তার বরখাস্তকালকে চাকরিকাল হিসেবে গণ্য করা হলো এবং তিনি বিধি মোতাবেক সব ধরনের বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্য সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।