খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

ল্যাপটপকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখার ৫ টিপস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:১৪ পিএম
ল্যাপটপকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখার ৫ টিপস

ল্যাপটপ এখন আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ। পড়াশোনা, কাজ, মুভি দেখা বা শুধু ইউটিউবে ঘুরে বেড়ান থেকে সবকিছুই ল্যাপটপেই চলে।

অনেক সময় আমরা এটার দিকে খুবই অবহেলা করি, অথচ ঠিকমতো যত্ন নিলে ল্যাপটপ অনেক দিন ভালো থাকে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিছু সহজ টিপস, যা আপনার ল্যাপটপকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

কয়েকটি সহজ টিপস

কাজ করার সময় ল্যাপটপকে কুশন বা বালিশের ওপর রাখবেন না

আমি আমার বন্ধুদের প্রায়ই দেখি, ল্যাপটপ সোফা বা বিছানায় রেখে কাজ করছে। এতে ল্যাপটপের ব্যাটারির ক্ষতি হয়। বেশিরভাগ ল্যাপটপের ফ্যান নিচে থাকে, আর যখন আপনি এটিকে কম্বল বা কুশনের ওপর রাখেন, তখন গরম বাতাস বের হতে পারে না। এতে ল্যাপটপ আরও গরম হয় এবং দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

সবসময় আপডেট করুন

অনেক সময় সফটওয়্যার ঠিকভাবে কাজ না করার কারণ হলো আপনি তার আপডেটগুলো এড়িয়ে গেছেন। আমি জানি আপডেট সময় নেয় এবং বিরক্তিকর মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো বাগ ঠিক করে এবং ডিভাইসকে ভালোভাবে চলতে সাহায্য করে।

ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখুন

কি-বোর্ডের মধ্যে ধুলো-ময়লা খুব সহজেই ঢুকে যায়, আর সেখান থেকে ভেতরের অংশেও চলে যেতে পারে। নিয়মিত ল্যাপটপ পরিষ্কার করলে ধুলো কম জমবে এবং ল্যাপটপও বেশি দিন ভালো থাকবে।

ল্যাপটপ বন্ধ করে রাখুন!

ল্যাপটপকে একটু বিশ্রাম দেওয়া জরুরি। আপনি যদি সবসময় চালু রাখেন, এমনকি স্লিপ মোডেও অনেক কাজ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। তাই মাঝে মধ্যে পুরোপুরি বন্ধ করে রাখলে ল্যাপটপের আয়ু বাড়ে। মানুষ যেমন বিশ্রাম চায়, ল্যাপটপও তেমনই।

সহজ কিছু আপগ্রেড করুন

অনেক ল্যাপটপে প্রয়োজন হলে RAM বাড়ানো বা ব্যাটারি বদলানো যায় খুব সহজেই। ইউটিউবে প্রচুর টিউটোরিয়াল আছে যেগুলো দেখে নিজেই করতে পারবেন। আর যদি প্রযুক্তিতে খুব স্বচ্ছন্দ না হন, তাহলে স্থানীয় মেরামত বা রিইউজ নেটওয়ার্কে গিয়ে সাহায্য নিতে পারেন।

কেন ল্যাপটপ বেশি দিন টিকিয়ে রাখা জরুরি?

ই-ওয়েস্ট বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য এখন বড় সমস্যা। তাই শুধু নতুন ল্যাপটপ কিনে ফেলা সহজ সমাধান নয়। বেশিরভাগ সময় বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক জিনিসগুলো এমন দেশে পাঠানো হয়, যেখানে বর্জ্য নিষ্পত্তির নিয়ম-কানুন খুব শিথিল।

সেখানে যারা এসব বর্জ্য নিয়ে কাজ করেন, তারা ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক থেকে নিজেদের রক্ষা করার মতো প্রশিক্ষণ পান না। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ২০ লাখ টন ই-ওয়েস্ট বাড়ছে। বিশ্বে মোট প্রায় ১.৪ মিলিয়ন টন ইলেকট্রনিক পণ্য কেনা হয় এবং প্রায় একই পরিমাণ ফেলে দেওয়া হয়।

WRAP-এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৪০% ই-ওয়েস্ট ল্যান্ডফিলে যায় এবং ১০% এরও কম পুনরায় ব্যবহার করা হয়, যদিও বেশিরভাগই ব্যবহারযোগ্য বা মেরামতযোগ্য থাকে।

সূত্র : Computer Aid

১০ কেজি ধানের শীষ গায়ে ফরিদপুরে সেলিম, তারেক রহমান দেখার অদম্য আকাঙ্ক্ষা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০২ পিএম
১০ কেজি ধানের শীষ গায়ে ফরিদপুরে সেলিম, তারেক রহমান দেখার অদম্য আকাঙ্ক্ষা

প্রথমবারের মতো ফরিদপুরে আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই আগমন ও বিভাগীয় জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুর জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই শহর ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্লোগান, মিছিল আর পতাকায় মুখরিত পুরো জেলা।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির বিভাগীয় জনসভা। এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। তার বক্তব্য শুনতে ও এক নজর দেখতে ভোর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন।

সকাল থেকেই ফরিদপুর শহরের প্রবেশপথগুলোতে দেখা যায় খণ্ড খণ্ড মিছিল। কেউ হাতে দলীয় পতাকা, কেউ মাথায় পতাকা সংবলিত টুপি, আবার অনেকেই গায়ে জড়িয়ে নিয়েছেন বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ। সমাবেশস্থল রাজেন্দ্র কলেজ মাঠ ও আশপাশের সড়কগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এই ভিড়ের মধ্যেই সবার দৃষ্টি কেড়েছেন শরীয়তপুর থেকে আসা বিএনপি সমর্থক সেলিম মন্ডল। তিনি পুরো শরীরজুড়ে প্রায় ১০ কেজি ধানের শীষ বেঁধে সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন। ব্যতিক্রমী এই উপস্থিতি মুহূর্তেই আকর্ষণ করে আশপাশের মানুষের দৃষ্টি।

সেলিম মন্ডল জানান, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা থেকে তিনি বুধবার ভোরেই ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখবেন এবং সরাসরি তার বক্তব্য শুনবেন—এই আশা নিয়েই কাকডাকা ভোরে রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে প্রবেশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কয়েকবার সরাসরি দেখার সুযোগ হয়েছে। ঢাকায় দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছি। এবার দলের নতুন কাণ্ডারী তারেক রহমানকে নিজ চোখে দেখতে চাই বলেই এত কষ্ট করে এসেছি।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠ ও এর আশপাশে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।

বিএনপি নেতারা আশা করছেন, ফরিদপুরের এই বিভাগীয় জনসভা দলের সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থনের বড় ধরনের বার্তা দেবে। তারেক রহমানের বক্তব্য ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে বাড়তি আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

তারেক রহমানের জনসভা ঘিরে ফরিদপুরে উৎসবের আমেজ, শহরজুড়ে মিছিল

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
তারেক রহমানের জনসভা ঘিরে ফরিদপুরে উৎসবের আমেজ, শহরজুড়ে মিছিল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে ‘তারেক রহমান আসছে, গণতন্ত্র বাঁচছে’, ‘স্বাগতম তারেক রহমান’সহ নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। জনসভাকে ঘিরে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, “তারেক রহমানের এই জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ফরিদপুরবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে মানুষ পরিবর্তন চায়।”

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে জনসভা সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

মিছিল নিয়ে আসা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। সদর উপজেলার বিএনপি কর্মী আব্দুল মালেক বলেন, “দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের এমন সরাসরি বার্তা শোনার সুযোগ পাচ্ছি। আমরা আশা করছি, তিনি দেশ ও দলের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দেবেন।” একই কথা জানান ছাত্রদলের নেতা রুবেল হোসেন। তিনি বলেন, “তরুণদের জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের জনসভা আমাদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে।”

এদিকে মহিলা দলের নেত্রী নাজমা বেগম বলেন, “নারীদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আমরা আশাবাদী। তারেক রহমানের বক্তব্যে আমরা সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখতে চাই।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জনসভায় ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নিচ্ছেন। জনসভাকে কেন্দ্র করে আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠে প্রবেশের জন্য একাধিক গেট নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সব মিলিয়ে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ ও উৎসাহ তুঙ্গে। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এই সমাবেশ বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং আগামীর আন্দোলনে দিকনির্দেশনা দেবে।

ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি, শেষরক্ষা হলো না সাদ্দামের

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৯ এএম
ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি, শেষরক্ষা হলো না সাদ্দামের

ফরিদপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. সাদ্দাম শেখ (২৪)। তিনি ফরিদপুর শহরের খোদাবক্স রোড, কসাই বাড়ি সড়ক এলাকার বাসিন্দা এবং মো. শেখ শহিদের ছেলে।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্প থেকে বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুর সদরের শিবরামপুর বাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১০-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কোতয়ালী থানার জিআর মামলা নম্বর- ৫৫৬/১৪ এর আলোকে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার টেবিল ২২(গ) অনুযায়ী ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত সাজা পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাদ্দাম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্বীকার করেছে যে, সাজা এড়াতে সে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। র‌্যাবের নিয়মিত নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার ফলে শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

র‌্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক সংক্রান্ত অপরাধ দমনে র‌্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার তারিকুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “মাদকদ্রব্য সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ হুমকি। মাদকের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”