খুঁজুন
, ,

অংশীজনের মতামত নিয়ে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক টপোলজি পরিবর্তন করা হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
অংশীজনের মতামত নিয়ে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক টপোলজি পরিবর্তন করা হবে

টেলিযোগাযোগ খাতের নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং কাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় পরামর্শমূলক কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁয়ে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেন, প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে, তাই নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে আমাদেরকে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

 

 

ডিজিটাল সেবাকে প্রাধান্য দিয়ে নেটওয়ার্ক টপোলজি পরিবর্তন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কানেক্টিভিটির সুফল আমরা ইতিমধ্যে ভোগ করছি। তাই প্রযুক্তিকে বিভিন্ন ব্যবসা ও সেবায় কাজে লাগানোর দিকে নজর দিতে হবে।

টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক কাঠামোকে সহজ ও সাশ্রয়ী হতে হবে উল্লেখ করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রস্তাবিত সংস্কার সকলের স্বার্থ কিছু ক্ষেত্রে পূরণ নাও করতে পারে, কিন্তু দেশের মানুষের সুলভ মূল্যে মানসম্মত সেবা প্রাপ্তি এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অধিকাংশ স্টেকহোল্ডারের সমর্থন নিয়ে সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে।

স্বাগত বক্তব্যে বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইকবাল আহমেদ বলেন, বৃহত্তর স্বার্থ ও গ্রাহকের দৃষ্টিকোণকে প্রাধান্য দিয়ে টেলিযোগাযোগ খাতের সংস্কার করা হবে এবং সংস্কারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান লাইসেন্সিদের ব্যবসায়িক রুপান্তর কেমন হবে সে বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে।

প্রস্তাবিত সংস্কারে টেলিযোযোগাযোগ খাতের লাইসেন্সিসমূহকে সম্ভাব্য তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এতে গ্রাহক পর্যায়ে সেবাদানকারী হিসেবে অ্যাক্সেস সার্ভিস প্রোভাইডারস; জাতীয় পর্যায়ে কানেক্টিভিটি সেবাদানকারী হিসেবে ন্যাশনাল কানেকটিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডারস এবং আন্তর্জাতিক কানেক্টিভিটি সেবা প্রদানকারী হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কানেকটিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডারস ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে।

গ্রুপভিত্তিক আলোচনায় গ্রাহক পর্যায়ে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অপারেটররা অ্যাকটিভ শেয়ারিং, লাস্টমাইল কানেক্টিভিটিতে নিজস্ব ফাইভার স্থাপন, নতুন প্রযুক্তি ও প্ল্যাটফর্মের জন্য নমনীয় রেগুলেশন বিষয় উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে অ্যাকটিভ শেয়ারিং, ওপেন লাইসেন্স পলিসি, ব্যান্ডউইথ মূল্য রেগুলেশন, লাস্টমাইল কানেক্টিভিটি, ওপেন একসেস ট্রান্সমিশন ইত্যাদি বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করেন।

জাতীয় পর্যায়ে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় লেয়ার বাদ দেওয়া, প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি, ওপেন মর্কেট অ্যাকসেস, যথাযথ মনিটরিং, ট্যাক্স পলিসি ও রেভিনিউ শেয়ারিং পুর্নবিবেচনা, কোয়ালিটি ভিত্তিক সার্ভিস পলিসি প্রণয়ন, অবকাঠামো শেয়ারিং, স্বচ্ছ ট্যারিফ পলিসি চালু এবং স্বল্প সময়ে প্রস্তাবিত সংস্কার চালুর বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করা হয়।

আন্তর্জাতিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য অবকাঠামো শেয়ারিং, ট্যারিফ নির্ধারণ, সকল লাইসেন্সিকে সকল রুটে সেবা প্রদানের সুযোগ, টেলিকম পলিসির সঙ্গে আইসিটি আইনসহ অন্যান্য আইনের সামঞ্জস্যতা, ডাটা সেন্টার ডিরেগুলেশন, পার্শ্ববর্তী দেশ ও অঞ্চলে সেবা দেওয়ার সুযোগ এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জয়েন্ট ভেঞ্চার, বৈদেশিক বিনিয়োগ, কনসোর্টিয়াম গঠনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেন, সিস্টমেস্ অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খলিল উর রহমান, বিটিআরসির উধ্বর্তন কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ ব্যাংক, ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন, টেলিযোযোগাযোগ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস লিমিটেড, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিটিটেড (বিটিসিএল), বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), মোবাইল অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি), আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম অব বাংলাদেশ, অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস বাংলাদেশ, টাওয়ার কোম্পানি, ন্যাশনওয়াইড টেলিকম ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন), ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স), ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি), ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (নিক্স), টাওয়ার অপারেটর, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) এর প্রতিনিধিসহ বুয়েট, এমআইএসটি, নর্থ-সাউথ, ব্র্যাক ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”