খুঁজুন
, ,

তীব্র গরমে বারবার স্মার্টফোন গরম হলে যা করবেন?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
তীব্র গরমে বারবার স্মার্টফোন গরম হলে যা করবেন?

গরমে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সময় ফোন খুবই গরম হয়ে যায়। কাজের সময়, চার্জ দেওয়ার সময়, ভিডিও চালানো কিংবা ধারণ করার সময়। এমনকি গেমিং বা ভারি কোনো অ্যাপ ব্যবহারের সময় ফোন বেশি গরম হয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, ব্যাটারির সমস্যার কারণে এমনটি হয়ে থাকে।

কিন্তু বিষয়টি তা নয়, নানা কারণে স্মার্টফোন গরম হতে পারে। তবে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখলে স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হওয়ার থেকে রক্ষা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিভিত্তিক একটি সাময়িকী পিসি ম্যাগের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হওয়া রোধে ফোনের কাভার খুলে ফেলা, ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা এবং সরাসরি রোদ থেকে ফোন দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ফোন চার্জ করার সময় ব্যবহার না করা এবং ঠান্ডা করতে ফ্রিজ বা পানির ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

গরমের দিনে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এর প্রভাব শুধু শরীরেই পড়ে ন, স্মার্টফোনেও পড়ে। অনেকেই লক্ষ্য করেন, ফোন ব্যবহার করার পর ডিভাইস অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে যায়। এই অতিরিক্ত তাপ শুধু পারফরম্যান্সই কমিয়ে দেয় না, ব্যাটারির স্থায়িত্বও ধীরে ধীরে নষ্ট করে দিতে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরমের কারণে ফোনে বড় ধরনের ক্ষতি বা দুর্ঘটনার খবরও শোনা যায়। তাই স্মার্টফোনকে ওভারহিটিং থেকে রক্ষা করা ভীষণ জরুরি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, স্মার্টফোন গরম হলে কী করবেন—

প্রথমত একটানা ব্যবহার কমিয়ে দিন। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলা, ভিডিও স্ট্রিমিং বা রেকর্ডিং করলে প্রসেসরের ওপর চাপ পড়ে যায় এবং ফোন গরম হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরপর বিরতি দিলে ডিভাইস স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসার সুযোগ পায়।

দ্বিতীয়ত সরাসরি রোদ থেকে ফোন দূরে রাখুন। কারণ স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সূর্যের তাপ। বাইরে কাজ করার সময় বা গাড়ির ভেতরে ড্যাশবোর্ডে ফোন রেখে দিলে ডিভাইস দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। তাই চেষ্টা করুন ফোন সবসময় ঠান্ডা জায়গায় রাখতে।

এ ছাড়া স্মার্টফোনে মোটা কাভার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। অনেক মোটা বা ভারি কাভার ফোনের তাপ বের হতে বাধা দেয়। ফলে ফোন আরও দ্রুত গরম হয়ে যায়। প্রয়োজনে ফোন বেশি গরম হলে কাভার খুলে কিছুক্ষণ রেখে দিলে তাপমাত্রা কমতে সাহায্য করে।

আবার প্রয়োজনে ব্যাটারি সেভার মোড ব্যবহার করুন। কারণ ব্যাটারি সেভার চালু রাখলে প্রসেসরের ওপর চাপ কমে যায়। এতে ফোন তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে এবং ব্যাটারিও সাশ্রয় হয়।

এ ছাড়া স্মার্টফোন চার্জে লাগিয়ে ব্যবহার করলে বিশেষ করে গেমিং কিংবা ভিডিও দেখা হলে দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই চার্জ হওয়ার সময় ফোন ব্যবহার না করাই নিরাপদ। আর নিম্নমানের বা নকল চার্জার সঠিকভাবে ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এতে ফোন অতিরিক্ত গরম হওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং ব্যাটারির ক্ষতিও হতে পারে। সবসময় নির্ভরযোগ্য ও মূল কোম্পানির চার্জার ব্যবহার করাই ভালো।

আর অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা শুধু ব্যাটারি খরচ বাড়ায় না, ফোনের তাপমাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। প্রয়োজন অনুযায়ী স্ক্রিন লাইট কমিয়ে ব্যবহার করুন। একই সঙ্গে ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ চালু থাকলে সেগুলো বন্ধ রাখুন।

ভাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ৩

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাওয়া-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়েতে ব্যাটারি বোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে প্রচণ্ড ধাক্কা দিয়েছে। এতে ট্রাকের চালক, হেলপার ও এক মোটরসাইকেল আরোহীসহ মোট ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকামুখী লেনে মালীগ্রাম ফ্লাইওভারের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে।

​দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—হবিগঞ্জের সোহেল মিয়ার ছেলে ট্রাকচালক রফিক (২৮) ও একই জেলার আজিজ মিয়ার ছেলে হেলপার মমিন আলী (২৬)। আহত অন্যজন এক মোটরসাইকেল আরোহী, যার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্যাটারি বোঝাই ট্রাকটি ঢাকা যাচ্ছিল। পথে মালীগ্রাম ফ্লাইওভারের ওপর পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক্সপ্রেসওয়ের পাশের শক্তিশালী রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার তীব্রতায় ট্রাকের সামনের অংশ ভেঙে খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায় এবং ভেতরে থাকা ব্যাটারিগুলো ছিটকে বেশ কিছু দূরে গিয়ে পড়ে। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকের প্রভাবে পাশের এক মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হন।

​দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চালক ও হেলপারের অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে শিবচর হাইওয়ে থানার এসআই মুনতাসীর জানান, দুর্ঘটনায় ট্রাকটি একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ফরিদপুরে একদিনে আরও ১০ জন হামে আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে একদিনে আরও ১০ জন হামে আক্রান্ত

ফরিদপুরে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে হামের প্রাদুর্ভাব। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় মোট হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮১৪ জনে।

​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

​জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামজনিত কারণে নতুন কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ফলে জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।

​উপজেলাভিত্তিক আক্রান্তের তথ্যে দেখা গেছে—আলফাডাঙ্গায় ২৮, বোয়ালমারীতে ২৫, ভাঙ্গায় ১২, চরভদ্রাসনে ১৭, নগরকান্দায় ২, মধুখালীতে ৬, সদরপুরে ১৪, সালথায় ২৩ এবং ফরিদপুর সদর উপজেলায় ৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

​হাসপাতালগুলোর চিত্রে দেখা যায়, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৭২৪ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিগত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো রোগী ভর্তি না হলেও বর্তমানে হাসপাতালটিতে ২২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

​অন্যদিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে সেখানে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৫ জনে। প্রতিষ্ঠানটিতে এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৯৫৮ জন হাম রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটি থেকে সুস্থ হয়ে ২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

​স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ফরিদপুর জেলার ৭ জন এবং পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জেলার ৩ জন সন্দেহভাজন রোগী রয়েছে। বর্তমানে জেলাজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

যে ৮ অভ্যাসে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
যে ৮ অভ্যাসে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে?

মানুষের কাছে গুরুত্ব ও সম্মান পাওয়ার পেছনে সবসময় পদমর্যাদা, অর্থ বা সামাজিক অবস্থান কাজ করে না। বরং প্রতিদিনের আচরণ, কথা ও কাজের সামঞ্জস্য এবং অন্যের প্রতি ব্যবহারের মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে তৈরি হয় একজন মানুষের গ্রহণযোগ্যতা।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্ভরযোগ্য থাকা, অন্যকে সম্মান করা, মনোযোগ দিয়ে শোনা, স্পষ্টভাবে কথা বলা এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার মতো অভ্যাস মানুষের আস্থা ও সম্মান অর্জনে সহায়ক হতে পারে।

কর্মক্ষেত্র থেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সব জায়গাতেই কিছু অভ্যাস মানুষের প্রতি অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে উঠে আসা বিষয়গুলোর আলোকে এমন ৮টি অভ্যাস রয়েছে, যা নিয়মিত চর্চা করলে মানুষ আপনাকে আরও গুরুত্ব দিতে শুরু করতে পারে।

১. কথা দিয়ে কথা রাখা: যদি কাউকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেন, তবে তা রক্ষা করুন। কোনো অজুহাত বা গড়িমসি না করে নিজের দায়িত্ব পালন করা বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করে। আপনি যখন নিয়মিত আপনার কথা ও কাজের মিল রাখবেন, তখন মানুষ আপনাকে নির্ভরযোগ্য মনে করবে এবং আপনার ওপর ভরসা করতে শুরু করবে।

২. অকারণে ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করুন: কথা বলার সময় ‘বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত’ বা ‘আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই, তবে…’—এ ধরনের দ্বিধাগ্রস্ত বাক্য এড়িয়ে চলুন। নিজের মতামত সরাসরি এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রকাশ করুন। নিজের অন্তর্দৃষ্টি বা বুদ্ধিকে অন্যদের কাছে বোঝা মনে না করে এর গুরুত্ব তুলে ধরুন।

৩. ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা: সীমানা নির্ধারণ করা মানে অভদ্রতা নয়, বরং অন্যরা আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করবে তার একটি নির্দেশিকা। কেউ আপনার সময় নষ্ট করলে বা মূল্যবোধে আঘাত দিলে নির্দ্বিধায় এবং কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই ‘না’ বলতে শিখুন। এটি অন্যদের বাধ্য করবে আপনার সময়ের মর্যাদা দিতে।

৪. বলার চেয়ে শোনাকে প্রাধান্য দিন: প্রকৃত আত্মবিশ্বাস থাকে নীরবতায়। কোনো আলোচনা বা সভায় সারাক্ষণ কথা বলে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা না করে মন দিয়ে অন্যের কথা শুনুন। আপনি যখন আবেগীয় পরিপক্বতা নিয়ে কথা শুনবেন, তখন আপনার নিজের প্রতিটি শব্দের গুরুত্ব বা ওজন অনেক বেড়ে যাবে।

৫. সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা: দেরি করে পৌঁছানো আপনাকে ব্যস্ত প্রমাণ করে না, বরং এটি আপনাকে অগোছালো এবং আত্মকেন্দ্রিক হিসেবে তুলে ধরে। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া মানে আপনি অন্যের সময়েরও মূল্য দেন। এটি একটি তাত্ক্ষণিক আস্থা তৈরি করে এবং আপনাকে একজন পেশাদার মানুষ হিসেবে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।

৬. নিজের ভুল স্বীকার করা: ভুল ঢাকতে অজুহাত তৈরি না করে সরাসরি তা স্বীকার করুন এবং ক্ষমা চান। নিজের ইগো রক্ষা করার চেয়ে দায়িত্বশীল হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক। এটি প্রমাণ করে যে আপনি যে কোনো ব্যর্থতা সামলানোর মতো যথেষ্ট পরিপক্ব ।

৭. সংকটে অবিচল থাকা: যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে বা সংকটের সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকাই নেতৃত্বের বড় গুণ। যখন সবাই দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন আপনি যদি মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে সমাধানের দিকে মনোযোগ দেন, তবে মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ওপর নির্ভর করবে এবং আপনার দিকনির্দেশনা খুঁজবে।

৮. ধারাবাহিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া: মাঝে মাঝে দুর্দান্ত কাজ করার চেয়ে প্রতিদিন পরিমিত কিন্তু মানসম্মত কাজ করা অনেক বেশি কার্যকর। আপনার নির্ভরযোগ্যতা যখন একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হবে, তখন সবার চোখে আপনার মূল্য এবং গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যাবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে