খুঁজুন
, ,

আয়কর আদায়ে সরকার পুরোনো পথে হাঁটছে কেন?

আনোয়ার ফারুক তালুকদার
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
আয়কর আদায়ে সরকার পুরোনো পথে হাঁটছে কেন?

টেলিভিশনের একটি বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, মাটি যতই চাপ দিক না কেন, তাদের পণ্যটি ১২৫০ ফুট গভীরে যেয়েও সেই চাপ নিতে পারবে। আমাদের দেশের কেউ কেউ করদাতাদেরও ওই পণ্য মনে করেন। অর্থাৎ আপনাকে যতই চাপ দেওয়া হোক, আপনি সেই চাপ নিতে পারবেন। আপনি তা নিতে বাধ্য। আপনার কাছে কোনো উপায় নেই। কারণ আপনার বেতনদাতা বেতন দেওয়ার সময়ই আপনার কাছ থেকে কর কেটে রাখে। এটা আমাদের কর কর্তৃপক্ষের কাছে কর আদায়ের অনেক সহজ সমাধান। বাড়তি কর দরকার– করের হার বাড়িয়ে দাও। তাতে আপনার আয় কত কমলো, সে জন্য তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। এত সহজভাবে সরকারের আয় বাড়ানোর উপায় বোধ হয় এই দুনিয়ায় আর কোথাও নেই। যারা ব্যক্তি করদাতা বিশেষ করে বেসরকারি চাকরিজীবী, তাদের কপালে বছর ঘুরলেই নেমে আসে বাড়তি করের এ খড়্গ। 

প্রতিবছর বাজেট আসে; আর করদাতারা আশায় বুক বাঁধেন, কিছুটা বুঝি করের বোঝা কমবে। বাস্তবে দিন দিন এই বোঝা বেড়েই চলেছে। এদিকে নজর দেওয়ার যেন কেউ নেই। বিগত সরকার গণবিরোধী বলে পরিচিত ছিল। তাই গণআন্দোলনের মুখে সরকারটি চলে যাওয়ার পর বেসরকারি চাকরিজীবী এবং নিয়মিত করদাতারা ভেবেছিলেন, এবার হয়তো সেই দুঃখের দিনের অবসান ঘটবে। অন্তত তাদের জন্য ভালো কিছু একটা হয়তো আসবে।

এখন যিনি সরকারপ্রধান তিনি বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি, অর্থনীতিরও শিক্ষক। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে যারা আছেন তাদেরও অনেকে স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদ। তারা সব সময় দেশের মানুষ, অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে আসছেন। তাদের কাছে ন্যায়পরায়ণতা ও জনহিতৈষী পদক্ষেপ আশা করা খুব বেশি কিছু ছিল না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, বাজেটে এ নিয়ে সদর্থক চিন্তা-চেতনার প্রতিফলন ঘটেনি। মানুষ হতাশ বললে অতিরঞ্জন হবে না।
আরও হতাশার বিষয়, পূর্বের ধারাবাহিকতায় এসেছে গতানুগতিক এক বাজেট। যেখানে সহজ পন্থায় রাজস্ব বাড়ানোর চিরাচরিত পথেই হেঁটেছে বর্তমান সরকার। যারা নিয়মিত কর দেন তাদের করের বোঝা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। করের হার ও ধাপ বাড়িয়ে এ অপকর্মটি করা হয়েছে। আগের আয়ে যে কর আসত, নতুন নিয়মে অর্থাৎ ২০২৫-২৬ করবর্ষে তার চেয়ে ৯ শতাংশ হারে করের বোঝা বেড়ে গেছে অনেক করদাতার। আর ২০২৬-২৭ করবর্ষে কারও বার্ষিক করযোগ্য আয় (৫০ হাজার প্রতি মাসে) যদি হয়, তাঁর আয়কর বাড়বে ১২ দশমিক পাঁচ শতাংশ। এভাবে আসলে সবার করই বেড়ে গেল। তার মানে, চলমান অর্থবছর থেকে আপনার বেতন কমে গেল। এ দুঃসংবাদটা এমন সময়ে এসেছে যখন মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ব্যয়যোগ্য আয় কমে গেছে। অর্থাৎ কর বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ দ্বিগুণ হারে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। একদিকে দেখানো হয়েছে, আপনার কর রেয়াত বেড়েছে। অন্যদিকে করহার বাড়িয়ে যা রেয়াত দেওয়া হয়েছে, তার চেয়ে অধিক পরিমাণে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। এটাকে শুভঙ্করের ফাঁকি বললেও কম বলা হয়।

এভাবে কিন্তু খুব বেশি আয়কর সরকার পায়, তা নয়। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে এমন পরিস্থিতিতে ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। এই যে বছরে যে পরিমাণ রিটার্ন জমা পড়ে, তার ধারকদের কিয়দংশও আয়কর দেয় না। তার কারণ বের করতে হলেও আলোচ্য বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে আমাদের নীতিনির্ধারকদের।
আমাদের সুস্পষ্ট প্রস্তাব হচ্ছে; করের আওতা বাড়িয়ে কর আদায় বাড়ানো হোক। করমুক্ত আয়সীমা পাঁচ লাখ টাকায় উন্নীত করার কথাও অনেক দিন যাবৎ বলা হচ্ছে। করের ধাপগুলো সমন্বয় করার গুরুত্বও উপলব্ধি করা দরকার। আমরা বলেছি, পাঁচ লাখের পরবর্তী ১,০০,০০০ পর্যন্ত ৫ শতাংশ,  পরবর্তী চার লাখ ১০ শতাংশ, পরবর্তী পাঁচ লাখ ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ছয় লাখ ২০ শতাংশ, পরবর্তী ৩০ লাখ ২৫ শতাংশ, এর পর ৩০ শতাংশ হতে পারে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মধ্যে যারা কর দিচ্ছেন, তাদের করের টাকা থেকে একটা অংশ পেনশন স্কিমে রেখে করদাতাদের জন্য আজীবন পেনশনের ব্যবস্থা করা যায়। কর থেকে সবার জন্য পেনশন স্কিমের সঙ্গে সঙ্গে হেলথ ইন্স্যুরেন্সেরও ব্যবস্থা করা কঠিন কিছু না। সহনীয় মাত্রায় কর আরোপ হলে এবং করদাতার জন্য ভবিষ্যৎ পেনশনের ব্যবস্থা করলে অধিক সংখ্যক মানুষ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কর প্রদান করবেন– এ কথাও জোর গলায় বলা যায়।

আনোয়ার ফারুক তালুকদার: অর্থনীতি বিশ্লেষক

 

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”