খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

তহবিলে ২০ হাজার কোটি টাকা গ্রাহকের মিলছে না কানাকড়ি!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:২২ এএম
তহবিলে ২০ হাজার কোটি টাকা গ্রাহকের মিলছে না কানাকড়ি!
ব্যাংকের তহবিলে টাকার ঘাটতি নেই। কিন্তু ডেটা স্থানান্তরের জটিলতায় আপাতত আমানতকারীরা হাতে টাকা পাচ্ছেন না। এই চিত্র নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে এরই মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা জমা হলেও একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের সব গ্রাহকের তথ্য এখনো একক ডেটাবেইসে পুরোপুরি স্থানান্তর না হওয়ায় অর্থ ছাড় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে কোন গ্রাহক কত টাকা পাবেন—তা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা ঝুঁকিপূর্ণ। 

ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ূব মিয়া জানিয়েছেন, ডেটা ট্রান্সফারের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ হবে। এরপর জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে সাধারণ আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। চেয়ারম্যান বলেন, আইন বিভাগ ও আইটি বিভাগ একসঙ্গে কাজ করছে, যেন ভবিষ্যতে কোনো আইনি বা হিসাবগত জটিলতা না তৈরি হয়।

একই সঙ্গে ব্যাংকের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত এমডি খোঁজার কাজ চলছে। শিগগিরই এই নিয়োগ সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে। জানুয়ারি থেকে ব্যাংকটি পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান।

ডেটা স্থানান্তরের পাশাপাশি ব্যাংকিং কাঠামো পুনর্গঠনের কাজও চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে থাকা পুরনো অ্যাকাউন্ট বাতিল করে নতুন করে একীভূত ব্যাংকের নামে একাধিক কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে; যেমন—সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক এক্সিম, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ইউনিয়ন এ রকম। তবে আমানতকারীদের জন্য স্বস্তির বিষয় হলো—নতুন কোনো অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজন নেই এবং তাঁরা পুরনো চেক ব্যবহার করেই টাকা তুলতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আমানতকারীদের টাকা পরিশোধে মোট ব্যয় হবে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং আমানত বীমা তহবিল থেকে দেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা।

ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা। সরকারের অংশের ২০ হাজার কোটি টাকা এরই মধ্যে ছাড় করা হয়েছে এবং বাকি অর্থ ধাপে ধাপে মূলধন হিসেবে যুক্ত হবে।

নতুন ব্যাংকের ভিত্তি শক্ত করতে নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ শীর্ষ পর্যায়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও সৎ কর্মকর্তা নিয়োগ, পরিচালন নীতিমালাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং গ্রাহক আস্থা পুনর্গঠন। রাজধানীর মতিঝিলের সেনা কল্যাণ ভবনে এরই মধ্যে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় চালু হয়েছে। সরকার চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদও নিয়োগ দিয়েছে, যেখানে সাবেক ও বর্তমান আমলারা রয়েছেন। ভবিষ্যতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে পর্ষদকে আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ডেটা স্থানান্তরের কাজ শেষ হলেই আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাবেন। পুরনো সব গ্রাহককেই নতুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আইটি ও এইচআর কাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলমান এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইটি টিম সহায়তা দেবে বলেও জানান তিনি।

নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করার ব্যাখ্যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করলে সেদিন পাঁচ ব্যাংকের সব শাখায় একসঙ্গে অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হতে পারে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সে কারণে ধাপে ধাপে টাকা ফেরত দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘যাঁদের খুব প্রয়োজন, তাঁরা টাকা তুলবেন। তবে অপ্রয়োজনে শুধু অন্য ব্যাংকে সরানোর উদ্দেশ্যে টাকা তুললে নতুন ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হারাবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকে বর্তমানে প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর মোট জমা রয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে এসব ব্যাংকের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার বড় অংশ এরই মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এই বাস্তবতায় নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য হবে আমানতকারীদের আস্থা পুনর্গঠন এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।

সরকারি মালিকানায় ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হওয়াকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ূব মিয়া বলেন, ‘আমাদের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হলো—আমানতকারীদের টাকা নিরাপদ রাখা এবং তাঁদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। ডেটা স্থানান্তরের কাজ শেষ হলে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে; এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।’ 

সূত্র: কালের কণ্ঠ

ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম
ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানবসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। দক্ষ ও মানবিক মনোভাবসম্পন্ন সেবাকর্মী তৈরি করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাও প্রয়োজন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।

ইফতার মাহফিলে হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রমজানের তাৎপর্য, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত অতিথিরা।

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং হাসপাতালের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কল্যাণ এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। একই সঙ্গে রমজানের পবিত্রতা ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে নতুন করে অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করে।

সর্বশেষে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

‘দৃষ্টির চশমা’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
‘দৃষ্টির চশমা’

নিশুতি রাত, থমথমে ভাব, পুকুর ঘাটের পাড়ে,
দুইটি মানুষ বসলো এসে খুব সাবধানে আড়ে।
এক পাড়ে এক পাকা চোর, অন্য পাড়ে মুমিন,
দুজনারই ব্যস্ততা আজ বেড়েছে অন্তহীন।

​চোর বেচারা হাত ধুয়ে নেয়, পোটলাটি তার পাশে,
ওপার পানে তাকিয়ে সে মুচকি মনে হাসে।
ভাবছে, “আহা! ওই বেটা তো মস্ত বড় চোর,
নিশ্চয় সেও সিঁধ কেটেছে ওস্তাদ বড় জোর!”

​মনেহয় সে কোনো বাড়ির সিন্দুক করেছে ফাঁকা,
আমার চেয়েও বেশি হয়তো মাল রয়েছে রাখা!
বড্ড সেয়ানা চোর তো ওটা, বসলো জলের ধারে,
কাজ সেরে আজ ফুরফুরে সে, শান্তি খোঁজে পাড়ে।

​ওপার পাড়ে ধার্মিক জন করছে ওযু ধীর,
ভাবছে, “আহা! ওই পাড়ে কে? বড্ড খোদাভীর!
আমার চেয়েও মস্ত বড় বুজুর্গ এক পীর,
ইবাদতে মত্ত হতে তাই তো হলেন স্থির।”

​তাহাজ্জুদের এই বেলাতে আমার সাথে জাগে,
খোদার প্রেমে মশগুল সে, মরণ কিসের আগে?
আহা! কপাল আমার ভালো, এমন সাথী পেলাম,
দূর থেকেই সেই বুজুর্গে জানাই হাজার সালাম!

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বরগুনা সরকারি কলেজ

ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রামানন্দ পালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফরিদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা সভায় বলেন, ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের সময় হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ জরুরি সেবাগুলো চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।