খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে কাঁচা রাস্তায় ৬ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ২:১১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কাঁচা রাস্তায় ৬ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

দেখে বোঝার উপায় নেই, এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন ৬ গ্রামের মানুষ। দেখে মনে হবে ধান চাষাবাদের জন্য কোনো কৃষক তার জমি হালচাষ করে রেখেছেন। আসলে এটা হালচাষের কোনো জমি নয়। এটা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের টিটা গ্রামের একটি রাস্তা। এ রাস্তা দিয়ে টিটা, টিটা পানাইল, ইকড়াইল, শিকারপুর, মালা ও বড়ভাগসহ অনেক গামের কৃষকরা তাদের ফসলা আনা-নেওয়া করে গ্রামীণ এই রাস্তা দিয়ে। এ সমস্য দীর্ঘদিনের।

বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিরা রাস্তায় কিছু অংশ ইটের সলিং দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলেও অবশিষ্ট ৫০০ মিটার রাস্তা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও কয়েক বছরে পাকা হয়নি এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। এ জন্য দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ। রাস্তাটি দ্রুত পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

প্রায় ১৩ বছর আগের ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে রাস্তাটি হলেও এখনও পাকাকরণ হয়নি। বৃষ্টির মৌসুমে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। টিটা চরাঞ্চলের একমাত্র যাতায়াতের সড়ক এটি। এই সড়ক দিয়ে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষ।

আশপাশের অনন্ত ৬ গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক এই সড়ক দিয়ে তাদের ফসল আনা-নেওয়া করে। এখন চলছে পাট কাটার মৌসুম। সড়ক বেহাল হওয়ার জন্য অনেক কৃষক ক্ষেত থেকে পাট কাটতে পারছে না। সামান্য বৃষ্টি হলে কাদাপানিতে রাস্তা একাকার হয়ে যায়। পানিবন্ধতায় কোথাও কোথাও রাস্তা তলিয়ে কাদায় ভাগাড়ে পরিণত হয়।

টিটা গ্রামের গৃহিনী সেলিনা বেগম জানান, কয়েক দিন রান্না করার গ্যাস ফুরিয়ে গেছে, চাল ও প্রায় শেষের দিকে। এ রাস্তা দিয়ে কোনো ভ্যান চলাচল করতে পারে না। এমনকি পায়ে হেঁটে মানুষ যাতায়াত করতে পারে না। এ জন্য গ্যাসের সিলিন্ডার ক্রয় করতে পারছি না। নানাবিধ সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয় টিটা শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাব্বানী মিয়া জানান, এ বছর বৃষ্টি শুরুতে কাঁচা সড়কটিতে ছোট-বড় গর্ত আর খানাখন্দ হওয়ার পর স্কুলে যেতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেয়েছি। এরপর আর এ সড়ক দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সাহস পাচ্ছি না। এদিকে আমার পাইভেট পড়া বন্ধ রয়েছে। রাব্বানীর মত এমন অনেক ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী রয়েছে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় করে।

টিটা গ্রামের কৃষক নাছির মিয়ার প্রায় তিন একর জমিতে রয়েছে পাট। তার ভাষ্য পাট কাটার উপযোগী হয়ে পড়েছে তবে রাস্তার সমস্যার জন্য পাট কাটতে ভয় পাচ্ছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সাইদে পটু মিয়া বলেন, টিটা ভাসমান সেতু পাড় থেকে টিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কটি ইট বিছিয়ে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। অবশিষ্ট যে অংশ এখনও কাঁচা রয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। তারা ইট বিছিয়ে রাস্তা করে দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান একই কথা বলেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাগত হোসেন সৈকত বলেন, বৃষ্টি মৌসুমে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে সরেজমিন গিয়ে দেখে রাস্তাটি সংস্কার করে পাকাকরণের ব্যবস্থা করা হবে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল জানিয়েছেন সরেজমিন গিয়ে সংশ্লিষ্ট লোকজনের সাথে কথা বলে রাস্তাটি সংস্কার করা হবে।

ফরিদপুরে চুরির বেঞ্চ বিক্রি করতে গিয়ে ধরা, যুবকের চুল-গোঁফ কেটে দিল জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চুরির বেঞ্চ বিক্রি করতে গিয়ে ধরা, যুবকের চুল-গোঁফ কেটে দিল জনতা

ফরিদপুর সদর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চুরি হওয়া বেঞ্চের লোহার ফ্রেম ও সাইনবোর্ড বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন সাব্বির খান (২৫) নামের এক যুবক। পরে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আটকে রেখে তাঁর মাথার চুল ও গোঁফ কেটে দিয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাব্বির ওই এলাকার আবুল খানের ছেলে এবং বিদ্যালয়টির প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

​স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার স্কুল বন্ধ হওয়ার পর সুযোগ বুঝে বিদ্যালয়ের চারটি বেঞ্চের লোহার ফ্রেম, স্টিলের সাইনবোর্ড ও লোহার গ্রিল চুরি করে সাব্বির। বৃহস্পতিবার সকালে এসব মালামাল কানাইপুর বাজারের একটি ভাঙাড়ির দোকানে বিক্রি করতে যান তিনি। সেখানে বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাঁরা দ্রুত প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের খবর দেন।

​পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকরা এসে মালামালসহ সাব্বিরকে হাতেনাতে আটক করেন। সেখান থেকে একটি নছিমন গাড়িতে করে তাঁকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সাব্বিরকে বসিয়ে ব্লেড দিয়ে তাঁর চুল ও গোঁফ কেটে দেয়। এ সংক্রান্ত কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

​খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আটক ঘর থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ওই যুবক।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বাসন্তী দত্ত বলেন, “বন্ধের সুযোগে মালামালগুলো চুরি হয়েছিল। আমরা সকালে চুরির বিষয়টি জানতে পারি। পরে স্থানীয়রা চোরকে আটক করলে তাঁকে এনে একটি কক্ষে আটকে রেখে ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ আসার আগেই তিনি পালিয়ে যান। তবে এর মাঝে এলাকার কিছু লোক তাঁর চুল ও গোঁফ কেটে দেয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।”

​ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়। লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ কারখানায় সাজা, এনসিপি থেকে স্থায়ী বহিষ্কার বায়েজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ কারখানায় সাজা, এনসিপি থেকে স্থায়ী বহিষ্কার বায়েজিদ

অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সিদ্ধান্তে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলটির সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

​জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদের মালিকানাধীন ‘মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ’ নামের কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। অভিযানে অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ উপায়ে শিশুদের বেবি জেল এবং প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন উত্তেজক আয়ুর্বেদিক ওষুধসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

​অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ইনসানা তানজীন ইকো। ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬/১ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডাদেশ ঘোষণার পরপরই তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই কারখানাটি অবৈধভাবে পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি।

​এদিকে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পরপরই কেন্দ্রীয়ভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে এনসিপি। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক: এনসিপি/কেন্দ্র/শোকজ/২০২৫-২০২৬/৬৩) বায়েজিদ হোসেনকে স্থায়ী বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বায়েজিদ হোসেনকে অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার শর্তে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।

​এর আগে ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সাইফ হাসান খাঁন জানিয়েছিলেন, অন্যায়ের সঙ্গে দলের কোনো আপস নেই এবং ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা কেন্দ্রে জানানো হয়েছে।

​দণ্ডপ্রাপ্ত মো. বায়েজিদ হোসেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে শহরের গোয়ালচামট এলাকায় বসবাস করছেন।

শিশু একাডেমির ফরিদপুর জেলা পরিচালনা কমিটিতে নিরব ইমতিয়াজ শান্ত

শরিফুল ইসলাম, ফরিদপুর
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
শিশু একাডেমির ফরিদপুর জেলা পরিচালনা কমিটিতে নিরব ইমতিয়াজ শান্ত

ফরিদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা ও সংগঠক হিসেবে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ফরিদপুর জেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তরুণ সাংস্কৃতিক সংগঠক নিরব ইমতিয়াজ শান্ত।

কিশোর বয়স থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নিরব ইমতিয়াজ শান্ত অভিনয়, আবৃত্তি, নাট্যচর্চা, নাট্যরচনা ও নির্দেশনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সংগঠন পরিচালনায়ও যুক্ত রয়েছেন। শিশু-কিশোর ও তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগে কাজ করে আসছেন তিনি।

বর্তমানে তিনি ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নাট্যকুঞ্জ, ফরিদপুরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠন দুটির বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও নিয়মিত সম্পৃক্ত রয়েছেন।

নাট্যচর্চার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার পথচলা শুরু হয়। মঞ্চে অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক লেখা ও নির্দেশনার সঙ্গেও যুক্ত হন তিনি। তার নেতৃত্বে নাট্যকুঞ্জ শিশু-কিশোর ও তরুণদের নিয়ে নাট্যচর্চা, সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।

নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে নিরব ইমতিয়াজ শান্ত বলেন, তরুণ বয়সে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জেলা পরিচালনা কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়াটা তার জন্য সম্মানের। এ দায়িত্বের জন্য তিনি ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, তার ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে, সেই আস্থার মর্যাদা রাখার চেষ্টা করবেন। শিশুদের সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নিজের অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজ করতে চান তিনি।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কিশোর বয়সে পথচলা শুরু করে ধীরে ধীরে সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নিরব ইমতিয়াজ শান্তর নতুন এই দায়িত্বকে শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করার একটি নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।