খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৩ মাঘ, ১৪৩২

ফরিদপুরে কুমার নদের তীর রক্ষায় নেই উদ্যোগ, ধসের হুমকিতে বাড়ি-সেতু

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:২৯ পিএম
ফরিদপুরে কুমার নদের তীর রক্ষায় নেই উদ্যোগ, ধসের হুমকিতে বাড়ি-সেতু

ফরিদপুর শহরের কুমার নদের তীর সংরক্ষণ কাজের কোন উদ্যোগ নেই। তাইতো ৬ কোটি টাকার ব্রীজসহ তিনশত বাড়ি-ঘর ভয়াবহ মাটি ধসের হুমকিতে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) একাধিকবার জানানো হলেও বিষয়টি বারবার এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

‘শুকিয়ে গেছে কুমার নদের পানি। সকাল বিকেল সন্ধ্যায় নদের পানির স্তর কমছেই। একদিকে নদের তলদেশে শুকিয়ে যাচ্ছে, পাশাপাশি বড় বড় মাটির চাপ ধসে নদের গর্ভে আছড়ে পড়ছে। বাড়ছে মাটি ধসের প্রবণতা। কুমার নদে ভাঙনের বাঁচানোর কেউ কি নেই!’ – এমন কথায় বললেন ভুক্তভোগী মো. কবির হোসেন।

কবির হোসেনের অভিযোগ, ‘পাউবো কর্তৃপক্ষ কুমার নদের তীর সংরক্ষণের কাজ করার কথা বললেও তীর সংরক্ষণ কাজের কোন উদ্যোগ নেই। তাদের মুখে একটি কথাই ঘুরে-ফিরে শোনা যাচ্ছে ‘বাজেট নেই’। ফরিদপুর কুমার নদের ভাঙনের হাত থেকে বাঁচানোর কেউ কি নাই!

জানা যায়, ফরিদপুর পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের চুনাঘাটা এলাকাটি কুমার নদের ভাঙনের ভয়াল চিত্র নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ পরিবেশন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপতকালীন অবস্থায় সামান্য কাজ করে ২০২৪ সালে। তবে, স্থায়ীভাবে তীর সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ নেইনি আজও। তাইতো এই কাজ কোন উপকারে আসেনি নদের পাশে মাটি ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কোন পরিবারের। এমনই দাবি ভুক্তভোগী কমপক্ষে শতখানেক পরিবারের।

এলাকাবাসীর দাবি, ‘ওই ওয়ার্ডের শতাধিক পরিবারের বাসা-বাড়ি রক্ষা করতে চুনাঘাটা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা হতে বসার মিয়ার বাড়ী সড়কের নদীর পাড় পর্যন্ত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ দিয়ে দ্রুতই সিসি ব্লকের মাধ্যমে প্যালাসাইডিং প্লেসিং এবং কমপক্ষে ২০-২৫ টি গভীরের পাকা সিটু পাইলিং খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।’

অন্যথায়, এলজিআরডি অর্থায়নে পাশের কুমার নদের উপর নির্মিত প্রায় ৬ কোটি টাকার ব্রীজটিও ধসে পড়তে পারে। ইতোমধ্যেই, ব্রীজের চার নম্বর পিলারে গোড়া থেকে মাটি ফেঁটে নদের মধ্যে ধসে পড়তে শুরু করছে। পাশাপাশি দুই-তিনটি পিলার জুড়ে বড় বড় মাটির চাপ ফাঁটল ধরে নদের মধ্যে পড়ে যাবার উপক্রম হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৩-২৪ সালে ভরা বর্ষা মৌসুমে পুরো এলাকাটির কয়েক শত বিঘা জমি, ফলদ ও মূল্যবান গাছ-গাছালি আঁছড়ে পড়ে নদে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে যদি ওই এলাকার নদীভাঙ্গনের কাজ দ্রত শেষ করা না হয়, চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্তের সম্মুখীন হবে নদী পাড়ের মানুষ। ভেঙ্গে পড়তে পারে চারটি ইউনিয়ন ও দুটি উপজেলার একমাত্র সংযোগ সড়কের উপর নির্মিত মূল্যবান ব্রীজটিও।

এই বিষয়ে স্থানীয় একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, ‘বাংলাদেশের পুরাতন জেলা ফরিদপুর। শহরের গুহলক্ষ্মী ও ভাটিলক্ষীপুর এলাকা দুটি তথা ১৭-১৮ নং ওয়ার্ড দুটি প্রায় ৪’শ বছরের পুরানো, কিন্তু তবুও অবহেলিত। সম্প্রতি পদ্মার ভয়াল ভাঙনের থাবার কবলে পড়েছে পদ্মার প্রধান শাখা নদ কুমার। ১৭ নং ওয়ার্ডের কমপক্ষে ৭০-৮০টি বাড়ী ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। নতুন করে নদে আঁচড়ে পড়ছে কমপক্ষে ৮-১০টি বাড়ীসহ বিল্ডিং ভবনও।’

অভিযোগ রয়েছে, বিগত আ.লীগ সরকার এই পুরানো কুমার নদকে নতুন করে খনন করার নামে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করার পর কুমার নদের খনন হওয়া মাটি লুট করার কারণে নদের পাড় দেবে ও ধসে যায়।

তবে, দীর্ঘদিন যাবৎ পাড় ধসে পড়ার রক্ষায় কোন পদক্ষেপ নেয়নি সরকার। নদ খননের নামে হয়েছে প্রায় দুইশত কোটি টাকা লোপাট এমনটাই গুঞ্জন আছে আজও।

বর্তমানে গুহলক্ষীপুর ও ভাটীলক্ষীপুর এলাকা দুটির নদের এপার-ওপার মিলে প্রায় চার কিলোমিটার করে মোট ৮ কিলোমিটার। ওই এলাকায় তথা নদের দুই পাশে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ বসবাস করছে। নতুন করে নদে ভাঙন, পাড় ধসে বড় বড় মাটির চাপ পড়ে দেবে যাওয়া অব্যাহত থাকায় ওইসব পরিবারগুলো চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

এলাকাবাসী বলছেন, ‘ভাঙনের হাত থেকে বাঁচাতে দরকার বড় বাজেট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পরপর দুইবার সামান্য বাঁশ ও বালির ব্যাগ দিয়ে পানির চাপ ও মাটি ধসে যাওয়া ফেরানোর চেষ্টা করলেও প্রকৃতির রূপ ভিন্ন। উপরন্ত আগের চেয়ে ১০ গুন ভয়ঙ্করী রূপ নিয়েছে মাটি ধস ও ভাঙন।

এখনই যদি চুনাঘাটা ব্রীজ হতে স্লুইসগেট পর্যন্ত নদের দুই পাশে সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ দিয়ে পাড় সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে এসব পরিবারগুলোও নদী ভাঙনে তাদের ভিটা-মাটি সহ সবই হারাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এব্যাপারে বক্তব্য জানতে ফরিদপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেনের মুঠোফোনে দু’দফায় একাধিকবার যোগাযোগ করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এব্যাপারে ফরিদপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) সাজু শিকদার ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘কে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি। অতিশ্রীঘ্রই এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।’

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ প্রাণ গেল দু’জনের

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৪ পিএম
ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ প্রাণ গেল দু’জনের

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক ছাত্রদল নেতাসহ দুইজনের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।

নিহত ছাত্রদল নেতার নাম আবিদ হাসান মুন্না (২০)। তিনি সরকারি আইনউদ্দিন কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুন্না মধুখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গাড়াখোলা এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী আরিফ বিশ্বাসের একমাত্র সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফরিদপুর চিনিকলের সামনে মোটরসাইকেলযোগে চলাচলের সময় দুর্ঘটনার শিকার হন মুন্না। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ দুর্ঘটনায় আরও দুইজন আহত হন।

এর আগে একই দিন সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের মধুখালী উপজেলার ব্রাহ্মণকান্দা বাজার এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় জয়নাল মোল্লা (৬৫) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জয়নাল মোল্লা রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব লুৎফর মোল্লার পিতা।

করিমপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

“ফরিদপুর-১ এ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধের আশঙ্কা, সংবাদ সম্মেলনে দোলনের অভিযোগ”

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
“ফরিদপুর-১ এ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধের আশঙ্কা, সংবাদ সম্মেলনে দোলনের অভিযোগ”

সংবিধান, প্রচলিত আইন ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) লঙ্ঘন করে ফরিদপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাজ প্রতীকের মোহাম্মদ আরিফুর রহমান দোলনকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামারগ্রাম এলাকার নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আরিফুর রহমান দোলন অভিযোগ করে বলেন, তিনি সংবিধান ও নির্বাচনী আইনের সকল শর্ত পূরণ করেও একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন। ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস না পেয়ে একটি মহল আদালত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে তাকে নির্বাচনী ময়দান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে সুবিধা দিতেই তার বিরুদ্ধে এই বেআইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে ফরিদপুর-১ আসনে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য মাঠ ফাঁকা করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

দোলন বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (RPO) কোথাও উল্লেখ নেই যে অতীতে কেউ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। তারপরও সেই অতীত রাজনৈতিক পরিচয়কে অজুহাত বানিয়ে তার প্রার্থিতা আটকে দেওয়া হচ্ছে, যা স্পষ্টতই আইনের অপব্যবহার। তিনি বলেন, যেখানে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীরাও উচ্চ আদালতের মাধ্যমে নির্বিঘ্নে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, সেখানে সব ধরনের বৈধ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে বাধা দেওয়া চরম বৈষম্য।

তিনি আরও বলেন, অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশের লিখিত কপি দ্রুত সরবরাহ করা হলেও তার ক্ষেত্রে সেই কাগজ ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে ফরিদপুর-১ আসনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার উৎসাহ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

দোলনের দাবি, প্রার্থিতা স্থগিত রেখে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সাজানো ও প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ তৈরি করা হচ্ছে ফরিদপুর-১ আসনে। এতে নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আইনগত লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সব চক্রান্ত মোকাবিলা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, যেন বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক কর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুর-৪ আসনে নিক্সন চৌধুরীর কালো টাকা ছাড়ানোর অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

হাসানউজ্জামান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৭ পিএম
ফরিদপুর-৪ আসনে নিক্সন চৌধুরীর কালো টাকা ছাড়ানোর অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-৪ আসনে সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরীর প্রভাব বিস্তার নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বাবুল দাবি করেন, ‘নিক্সন চৌধুরী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার ঘনিষ্ঠ সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগকে ‘ছায়া প্রার্থী’ হিসেবে ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে কালো টাকা ছড়িয়ে নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, এভাবে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রও চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এসময় নিক্সন চৌধুরীর সমর্থক যারা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান শহিদুল ইসলাম বাবুল। এসব ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের মুজাহিদ বেগ বাবুলের এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপি প্রার্থী বাবুল নিজেই ফরিদপুরে-৪ আসনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাদের পুনর্বাসিত করছেন।