খুঁজুন
, ,

ভাঙ্গায় কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা, ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধের পথে

আব্দুল মান্নান, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা, ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধের পথে

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আলগী ইউনিয়নে বড়দিয়া গ্রামে কাদা-পানির রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসী মানববন্ধন করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কাদা-মাটি ও জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী।

প্রতিদিন চলাচলে অনুপোযোগী রাস্তা দিয়ে বড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়দিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও বড়দিয়া কাওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং পাকা মসজিদের যাতায়াতে ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েন। ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বড়দিয়া গ্রামে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়দিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রড়দিয়া কাওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাসে পাকা মসজিদ এবং কবরস্থান রয়েছে। কয়েক গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসীদের এই জরাজীর্ণ কাদামাটি রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনুপযোগী রাস্তার কারণে কয়েক গ্রামের
কয়েকশত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, গ্রামের প্রধান রাস্তাটি টাকুর মোড় থেকে কাজী বাড়ির মোড় হয়ে বড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলিয়া মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠ হয়ে বাবু মাাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সমান্য বৃষ্টি হলেই কাঁদা পানি সৃষ্টি হয়ে যাতায়াতে অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। কাঁচা পানির জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ে গিয়ে বই খাতা নষ্ট হয়। যে কারণে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া আসা বন্ধ করে দিয়েছে।

এ বিষয় ঐতিহ্যবাহী হরিরহাট বাজার কমিটির সভাপতি মো. মোস্তফা মাতুব্বরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বড়দিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার এবিএম মহিউদ্দিন, মাদরাসার শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান, মেরিনা আক্তার সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ও ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, বৃষ্টির ফলে কাঁচা রাস্তাটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন পানি-কাদা পাড়ি দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। বই খাতা ভিজে যাচ্ছে। আমাদের যাতায়াতে প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট সইতে না পেরে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে দেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছেন।

এলাকাবাসীর পক্ষে মোস্তফা মাতুব্বর বলেন, অনেক দিনে ধরে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা এসে পাকা রাস্তা করে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু চলে যাওয়ার পর তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের রাস্তাটির উপর নির্ভরশীল। এছাড়া বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রে যাতায়াতে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। আমরা অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কারের জোর দাবি জানাই।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের কাঁচা রাস্তাটি সংস্কারের জন্য একটা আবেদন পেয়েছি। প্রতি বছর অতি বর্ষণের ফলে সারাদেশে কাঁচা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই চলতি অর্থ বছরে টিআর, কাবিখা সহ সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের যে অর্থ বরাদ্দ থাকে, সেই অর্থ দিয়ে অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী চলাচলের উপযোগী করা হবে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এজাজুল মিয়া (২০) ও স্বাধীন সরকার (২০) নামের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

​সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​নিহত এজাজুল মিয়া ভাঙ্গা পৌরসভার হাজরাহাটি গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এবং স্বাধীন সরকার নগরকান্দা উপজেলার জিয়াকুলি গ্রামের শাহাদাৎ সরকারের ছেলে।

​আহতরা হলেন—নগরকান্দার জিয়াকুলি গ্রামের রহমান মাতুব্বরের ছেলে নাসিম মাতুব্বর (২০) এবং ভাঙ্গা পৌরসভার ভারইডাঙ্গা গ্রামের শওকত আলীর ছেলে রাজন আলী (২১)। তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় দুটি মোটরসাইকেলে করে চার যুবক বিশ্বরোড গোলচত্বর এলাকায় ঘুরতে বের হন। পথিমধ্যে বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেল চালক নিহত হন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদ আহম্মেদ জানান, ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শিক্ষায় শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার পেলেন অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষায় শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার পেলেন অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান

শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক স্মৃতি’ পুরস্কার পেলেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দীর নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওবায়দুর রহমান। সম্প্রতি ‘স্বাধীনতা সংসদ’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও দক্ষ নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগেও বিভিন্ন পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক মূল্যায়নে তিনি পুরস্কৃত হয়েছেন। সালথা উপজেলায় একাধিকবার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি ফরিদপুর জেলা পর্যায়েও শ্রেষ্ঠ কলেজপ্রধানের স্বীকৃতি অর্জন করেন তিনি।

নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানে উৎসাহিত করা, ঝরে পড়া রোধ এবং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেন ওবায়দুর রহমান। তার নেতৃত্বে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিবেশের উন্নয়নে নানা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অধ্যক্ষের এ পুরস্কার অর্জনের খবরে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় অধ্যক্ষ মো. ওবায়দুর রহমান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, ‘যেকোনো স্বীকৃতি কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠা বাড়িয়ে দেয়। এ সম্মাননা আমার একার নয়; এটি নবকাম পল্লী কলেজ, সহকর্মী শিক্ষক এবং সালথাবাসীর ভালোবাসার ফসল।’

তিনি বলেন, শিক্ষার প্রসার ও সমাজকল্যাণে ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চান। এ জন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

শীতের আগমনী

সোহানুর রহমান
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
শীতের আগমনী

তাপমাত্রা আজ ২৯, আগামীকালও ২৯,আর কয়েকদিন পরেই তা নেমে আসবে ২৩-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ঊষালগ্নে আমাদের বিছানার দক্ষিণ পাশের জানলার থাই গ্লাসে শিমুল তুলার মতো স্বচ্ছ কুয়াশা জমবে,
সাথে বইবে উত্তরের ঝিরিঝিরি বাতাস।

​তোমার কপালের কালো টিপের দিব্যি—
তাতে আমি এতটুকু শিহরিত নই;
বরং আমি তো কল্পনায় বিভোর,
২৩-২৪ তাপমাত্রায় তোমার নিঃশ্বাসের হালকা উষ্ণ বাতাস আমার দাড়ির লোমকূপকে শিহরিত করবে!

​আমাদের বাসার ছাদে গাঁদা, চামেলি, চন্দ্রমল্লিকা ফুটবে,
অফিসের প্রান্তর ভরে উঠবে ক্যালেন্ডিলা, জারবেরা, কসমস আর অ্যাস্টার ফুলে।

​তোমার চোখের কাজলের দিব্যি—
তাতে আমার কোনো আগ্রহ নেই;
বরং আমি তো ভেবেই ব্যাকুল,
২০-২১ তাপমাত্রায় তোমার নিঃশ্বাসের কুয়াশার স্নিগ্ধতা আমার চোখের সুপারসিলিয়াকে ছুঁয়ে যাবে!

​ভেড়ামারা রেলস্টেশন, ফারাকপুর দক্ষিণ রেলগেটসহ অসংখ্য মোড়ে মোড়ে সরিষা বাটা, ধনিয়া পাতার ভর্তা আর চিতই পিঠার সাথে মিলবে গরম কালাই রুটি;

আর ভাপাপিঠা তো কমন!
​তোমার চুলের খোঁপার দিব্যি—
তাতে আমার সামান্য মনোযোগ নেই;
বরং আমি তো পরিকল্পনায় ব্যস্ত,
১৬-১৭ তাপমাত্রায় তোমার মুখের ভাপ ছড়িয়ে তুমি ড্রাগন হবে,
আর আমি হব মনস্টার!