খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

সমাজ থেকে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হচ্ছে না: বৃদ্ধি পাচ্ছে তরুণদের আত্মহত্যার প্রবণতা

ড. এ এস এম আমানুল্লাহ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০৭ এএম
সমাজ থেকে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হচ্ছে না: বৃদ্ধি পাচ্ছে তরুণদের আত্মহত্যার প্রবণতা

আমাদের সমাজ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আর কোনো একটা সমাজ যখন এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় তখন সমাজের ভেতরে এক ধরনের ভাঙন দেখতে পাওয়া যায়। সেই ভাঙনটাই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে আমাদের সমাজে। সারা পৃথিবীতেই এখন এক ধরনের সংকটকালীন সময় অতিবাহিত হচ্ছে। একেক দেশের সংকট একেক ধরনের।

আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশের যাত্রাপথে রয়েছি। সমাজে ব্যাপকভাবে পুঁজির বিকাশ ঘটছে। পুঁজিবাদের রূপটা আস্তে আস্তে বিকাশমান হচ্ছে। আমাদের সমাজে আগে থেকে কোনো স্পষ্ট মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ নেই। ফলে পুঁজির যাত্রাটা ম্যানেজ করা যাচ্ছে না। পুঁজির বিস্তার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্তার ঘটছে। আমরা দ্রুত শিল্পায়ন এবং দ্রুত নগরায়ণের চেষ্টা করছি। কিন্তু এর সাথে সাথে যে সাংস্কৃতিক যাত্রা দরকার সেটা ঘটছে না। মানুষের জীবন ব্যবস্থা, পরিবার, সমাজ, নিজের আর্থিক উন্নয়ন এসব বিষয়ে আমরা নজর দিতে পারিনি বা সময় দিইনি।

দেশে সুশাসনের অভাব রয়েছে এবং সমবণ্টন প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে। পুঁজিপতি ব্যবসায়ী শ্রেণি এমনভাবে ব্যবসা করতে চাচ্ছে যাতে শুধু সেই লাভবান হয়। সমাজের কতটুকু কল্যাণ হচ্ছে, বা আদৌ হচ্ছে কিনা সেটা তাদের চিন্তার বিষয় নয়। এ রকম একটা পরিস্থিতিতে সমাজের সব মানুষ বিশেষ করে তরুণরা বেশি হতাশার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে।

তরুণরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছে তাদের পিতা-মাতারা যে রাষ্ট্র স্বাধীন করেছেন এবং যে রাষ্ট্র তারা তৈরি করেছেন সেই রাষ্ট্রই তাদের পক্ষে নয়। রাষ্ট্র তাদের পক্ষে কোনো কাজ করছে না। তরুণরা দেখছে তাদের কোনো প্রোডাক্টিভিটি নেই, নেই তাদের কোনো ট্রেনিং। তরুণরা এমন কোনো সাবজেক্টে পড়তে পারছে না যেখান থেকে পাশ করে বের হয়ে সে তার প্রোডাক্টিভিটি দেখাতে পারবে। এমন কোনো পন্থা তার সামনে নেই যেখান থেকে সে একটা মোটামুটি নিশ্চিত জীবন কাটাতে পারবে। এভাবে তরুণরা হতাশার মধ্যে নিমজ্জিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রের বেশিরভাগ সুবিধা এবং অর্থ ভোগ করছে রাষ্ট্রের ৫ থেকে ১০ শতাংশ মানুষ। বাকি ৯০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে স্ট্রাগল করছেন। বেকারত্ব, দ্রব্যের উচ্চমূল্য, অর্থনৈতিক সংকট, সুশাসনের অভাব সবকিছুই প্রভাব ফেলছে তরুণদের মানসিকতার ওপর। বিশ্বায়নের চাপ, দ্রুত নগরায়ণের চাপ, দ্রুত শিল্পায়নের চাপ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মারাত্মক ব্যবহার এসব কিছুই তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বায়নের ফলে তরুণরা পৃথিবীর সম্পর্কে অনেক বেশি জানছে এবং তরুণদের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সেই চাহিদার সঙ্গে তাদের পাওয়াটা মিলছে না। এই বিষয়টাই তাকে সব থেকে বেশি হতাশার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। এই হতাশা থেকে অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

চারটি কারণে একজন মানুষ আত্মহত্যা করতে পারে। এই চারটি কারণের প্রথমটি হলো ‘এনোমি’। অর্থাৎ নৈরাজ্যজনক অবস্থা। সুতরাং সে রকম একটি নৈরাজ্যজনক অবস্থা যদি রাষ্ট্রের ভেতরে দেখা যায় তাহলে তার প্রভাবে মানুষের মনের ভেতরেও নৈরাজ্য দেখা দেয়। এই এনোমি দেখা দিলে একজন মানুষ সমাজের কাছে আসলে কি চায় সেটা স্পষ্ট করে বুঝতে পারে না। আবার সমাজ তার কাছে কি চায় সেটাও সে ভালো করে বুঝতে পারে না। এভাবে সমাজ এবং ব্যক্তির চাওয়া-পাওয়ার হিসাবটা যখন অস্পষ্ট থাকে তখন মনের ভেতরে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তি যে কোনো সময় আত্মহত্যা করতে পারে।

মানুষের মানসিক বৈকল্য বা মানসিক অবস্থাটা মূলত তৈরি হয় সমাজ বা রাষ্ট্রের ভেতরে এবং সমাজ বা রাষ্ট্রের প্রভাবে। এই সমাজ বা রাষ্ট্রই মানুষকে পরিচালিত করে। তরুণদের এই হতাশাচ্ছন্ন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একটিই পথ, আর সেই পথ হলো- গণতন্ত্র এবং সুশাসন।

আমাদের সমাজে একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব দরকার। সাংস্কৃতিক বিপ্লব করতে হবে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে। দরকার সাংস্কৃতিক অগ্রগতি। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে দেশব্যাপী পরিকল্পনা করে একটি সমন্বিত প্রক্রিয়ায় সামনে এগোতে হবে। দেশের প্রায় চার কোটি তরুণ-তরুণী কোনো কাজের মধ্যে নেই এমনকি লেখাপড়ার মধ্যেও নেই। তাদেরকে কীভাবে সক্রিয় করা যায় সেই পরিকল্পনাটাই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানব উন্নয়ন প্রজেক্টটাকে সবচেয়ে বড় মেগা প্রজেক্ট হিসেবে ধরে যদি এগুনো যায় তাহলে আগামী ১০ বা ১৫ বছর পর বাংলাদেশ এর সুফল দেখতে পাবে।

ড. এ এস এম আমানুল্লাহ: অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঈদের নামাজ শেষে দুই দল গ্রামবাসী মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৫/২০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় বলে জানা গেছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে এ সংঘর্ষ। দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে বারটার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১২ জন আহত হন। এর জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৭ সালের ২১ মার্চ ঢাকা অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

কেএম ওবায়দুর রহমান ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন ও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৯৬২-৬৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৩ থেকে ৬৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের কোতোয়ালি ও নগরকান্দা থানা নিয়ে গঠিত আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার  পরে ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও সরকারের প্রতিমন্ত্রী হন। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও সরকারের মন্ত্রী হন। এরপর তিনি বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের ৭ম জাতীয় সংসদ ও ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর -২ (নগরকান্দা ও সালথা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তাঁর ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশে মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমান একজন গণসম্পৃক্ত জাতীয় নেতা হিসেবে সবার নিকট সমাদৃত ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু পরবর্তীতে জাতীয় রাজনৈতিক জীবনে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র তথা সকল আন্দোলন -সংগ্রামে সোচ্চার থেকে তিনি আজীবন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। ‘

কেএম ওবায়দুর রহমানের একমাত্র সন্তান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, ন্যায় ও গণতন্ত্রের নির্ভীক সৈনিক। তার আদর্শ, সততা মানুষের জন্য কাজ আমাদের পথচলার প্রেরণা হয়ে আছে এবং থাকবে।

কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা বিএনপি, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকাল ৩ টায় নগরকান্দার লস্করদিয়ায় কে এম ওবায়দুর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা অর্পণ ও আগামী ২৩ মার্চ বিকালে নগরকান্দা সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন