খুঁজুন
, ,

তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ পূর্বাহ্ণ
তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

তাসকিন আহমেদ এবং সৈয়দা নাইমা রাবেয়া পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ২০১৭ সালে। দুজনের একসাথে পথচলা অবশ্য আরও আগেই শুরু হয়েছিল। একসাথে স্কুলে পড়া থেকে এখন জীবনের পথেও একসাথে এগোচ্ছেন তাসকিন-নাইমা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুজনের একসাথে পথচলার পুরো গল্পটা শেয়ার করেছেন তারা। তাসকিনের ছোট বোন রাজার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ২০১০ সাল থেকে নাইমার প্রতি ভালো লাগা শুরু তাসকিনের। যা পূর্ণতা পেয়েছে ২০১৭ সালে এসে।

নিজেদের চেনা জানার ব্যাপারে তাসকিন বলেন, ‘আমরা একসাথে স্কুলে পড়তাম। ভালো লাগা শুরু হয়েছে আমার ছোট বোন রোজার জন্মদিনে বোরকা ছাড়া প্রথম দেখার পর। তখন মনে হল এখন তো সুন্দর লাগতেছে। আমি তখন অনেক ব্যস্ত ছিলাম, যেহেতু একমাত্র ছেলে। যদিও তখনও অনেক ছোট, অনূর্ধ্ব-১৯ খেলতাম। এরপর থেকে ফোনে কথা শুরু। আমি যেহেতু ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, পড়া নেওয়া, সিলেবাস নেওয়া (এসব নিয়ে কথা হত)।’

তাসকিন আরও বলেন, ‘শুকরিয়া যে সৎ একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছি। ২০১৪ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে ভালো সময় যাচ্ছিল ২০১৫ সালে বিশ্বকাপে ভালো করলাম। ২ বছরের মধ্যে ১৫-১৬টা এন্ডোরসমেন্ট পেয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল ‘ওয়াট এ লাইফ!’

এরপর নাইমা বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে যখন স্যুট দেয়, তখন সে বাসার নিচে গিয়েছিল মিট করতে, দেখা করতে, যে দেখো।’ তাসকিনের প্রতি নারী ভক্তদের ভালো লাগার ব্যাপারটিও ভালোই জানেন নাইমা। এ ব্যাপারে নাইমা বলেন, ‘একটা সময় অনেক (নারী ভক্তকে ফেসবুক থেকে) ব্লক করতে হয়েছে। ২০ জনের বেশি (নারীভক্তকে) ব্লক করা হয়েছে একদিন।’

ফরিদপুরে মধুখালীতে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মধুখালীতে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার হাটঘাটা গ্রামের একটি প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের দুঃসাহসিক হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। 

গভীর রাতে ১৩ থেকে ১৪ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়ির দরজা ভেঙে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

রবিবার (২১ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার হাটঘাটা গ্রামের হাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ, ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির মালিক মো. খাইরুল ইসলাম মোল্লা প্রতিদিনের মতো পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে দরজায় শব্দ শুনে তিনি ও তার স্ত্রী এগিয়ে গেলে একদল মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে।

ডাকাতরা প্রথমেই পরিবারের ১৫ বছর বয়সী ছেলে মাহিকে বেঁধে ফেলে। পরে খাইরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে রাখে। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে ঘরের বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি চালিয়ে নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নতুন কাপড়চোপড় এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা বলে দাবি করেছে পরিবারটি।

স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় চুরি ও ডাকাতির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় ডাকাতরা পাশের আরও কয়েকটি বাড়িতে হানা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং দরজায় আঘাত করে পালিয়ে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার (২২ জুন) সকালে মধুখালী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে সোমবার সকালে মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আজম খান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত ডাকাতির ঘটনা। সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান মালামাল লুট করেছে। আমিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

এদিকে ঘটনার পর হাটঘাটা ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাতের নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত পুলিশ টহল বৃদ্ধি এবং দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

ফরিদপুরে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ইউপি সচিব নিহত, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ইউপি সচিব নিহত, আহত ৫

ফরিদপুরে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. রিবুল হোসেন (৪২) নামে এক ইউপি সচিব নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসের অন্তত পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছেন। 

সোমবার (২২ জুন) সকালে সদর উপজেলার করিমপুর এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি সদরের ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও পাশের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের আমগাছিয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাগুরা থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী একটি লোকাল বাস করিমপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। একই সঙ্গে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. রিবুল হোসেন গুরুতর আহত হন। এছাড়া বাসে থাকা অন্তত পাঁচজন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। পরে আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিবুল হোসেন মারা যান।

নিহত রিবুল হোসেন বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের আমগাছিয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত কয়েক মাস আগে বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বদলি হয়ে ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও করিমপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল হক জানান, এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রিবুল নামে একজন মারা যায়। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? জেনে নিন কখন এটি বিপদ সংকেত

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? জেনে নিন কখন এটি বিপদ সংকেত

আপনি হয়তো সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছেন এবং হঠাৎ অনুভব করলেন আপনি খুব বেশি হাঁপিয়ে উঠেছেন; শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কিছুক্ষণ থেমে জিরিয়ে নেওয়ার পর ভাবলেন, হয়তো ক্লান্ত ছিলেন বা শরীরের ফিটনেস কিছুটা কমে গেছে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই দৈনন্দিন কাজের সময় এই ধরণের শ্বাসকষ্ট বা অল্পতে হাঁপিয়ে ওঠাকে সাধারণ ক্লান্তি, কাজের চাপ, বয়স বেড়ে যাওয়া বা ওজন বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ধরে নেন এবং এড়িয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সাধারণ অবহেলাই হতে পারে মারাত্মক হৃদরোগের পূর্বাভাস ।

নীরবে কমে আসা সক্ষমতা

ভারতীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাজেশ রজনীর মতে, শ্বাসকষ্টের সমস্যাটি খুব ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে, যা আমরা অনেক সময় টেরও পাই না। আগে হয়তো আপনি অনায়াসেই সিঁড়ি দিয়ে উঠতে পারতেন, কিন্তু এখন অবচেতনভাবেই লিফট খুঁজছেন। অথবা আগে যতটুকু পথ হাঁটলে আপনার কষ্ট হতো না, এখন তার চেয়ে কম পথ হাঁটলেই দম ফুরিয়ে আসছে। এই ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তনগুলো আসলে আপনার হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের মাধ্যমে দেওয়া বিপদ সংকেত হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শ্বাসকষ্ট বা ‘ডিসপনিয়া’ আছে, তাদের হৃদরোগ বা ফুসফুসজনিত রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ২ থেকে ৯ গুণ বেশি।

পেছনের কারণ

যখন হৃদরোগ শ্বাসকষ্টের পেছনে হৃদযন্ত্রের বেশ কিছু জটিল অবস্থা দায়ী থাকতে পারে:

ধমনীতে ব্লক: হৃদপিণ্ডের ধমনীতে চর্বি জমে সরু হয়ে গেলে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে শারীরিক পরিশ্রমের সময় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না পেয়ে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

হার্ট ভালভের সমস্যা: হার্টের ভালভ ঠিকমতো কাজ না করলে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে, যার ফলে অবসাদ ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

হৃদস্পন্দনের অনিয়ম: অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যায়।

হৃদপেশির দুর্বলতা: হার্টের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে গেলে এটি শরীরকে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করতে পারে না, যা শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ।

নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা

হৃদরোগের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীদের উপসর্গে ভিন্নতা থাকতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় বুকে ব্যথার চেয়েও শ্বাসকষ্ট এবং বমি বমি ভাব হৃদরোগের প্রধান উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে। তাই মৃদু উপসর্গের ক্ষেত্রেও অবহেলা করা ঠিক নয়।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?

যদি নিয়মিত কাজের সময় আপনি ক্রমবর্ধমান শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে তাৎক্ষণিক জরুরি বিভাগে যেতে হবে:

হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়া।

রাতে ঘুমের মধ্যে দমবন্ধ হয়ে আসা বা হাঁপিয়ে জেগে ওঠা।

শুয়ে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

নখ বা ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

ডা. রজনীর মতে, উপসর্গগুলো শুরুতে শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরণের বিপদ এড়ানো এবং সঠিক চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব। শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তনগুলোকে বয়সের দোষ দিয়ে এড়িয়ে না গিয়ে সময়মতো মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। আপনার শ্বাসকষ্ট আসলে আপনার হৃদযন্ত্রের কথা বলার চেষ্টা হতে পারে—তাই এই সংকেতটি শুনতে শিখুন।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া