খুঁজুন
রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

সার্বিক পুলিশিং কার্যক্রম বিবেচনায় ফরিদপুর জেলার পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান। তিনি জেলার নগরকান্দা সার্কেল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে সেরা সার্কেল ঘোষণা করে পুরস্কার তুলে দেন এসপি মো. নজরুল ইসলাম।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাহমুদুল হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন ক্লুলেস হত্যা, চুরির মামলা উদঘাটন ও দায়িত্বাধীন থানাগুলোর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

সার্কেল অফিস ও থানাগুলোর অভিযোগ অনুসন্ধান, মাদক জব্দ, ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তিসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবদান রাখায় মাহমুদুল হাসানকে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সেরা সার্কেল অফিসার নির্বাচন করা হয়।

শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে জোর—ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৮ পিএম
শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে জোর—ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইনস্ মাঠে শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের অনুশীলনে জেলা পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে আয়োজিত এ প্যারেডে জেলার বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

প্যারেডে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন। প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। এ সময় তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং সদস্যদের সালাম গ্রহণ করেন।

প্যারেড শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও পেশাদার, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনই পুলিশের মূল শক্তি।” তিনি সকল সদস্যকে সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনগণের জানমাল রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেন।

মাস্টার প্যারেডে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রায়হান গফুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দিপু, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মো. রোকুনুজ্জামান এবং সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) আজিজুর রহমান খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এছাড়াও বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য প্যারেডে অংশ নেন। পুরো আয়োজনে ছিল শৃঙ্খলার দৃঢ় প্রতিফলন ও বাহিনীর সক্ষমতার প্রদর্শন।

জেলা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের মাস্টার প্যারেড সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বয় সাধন এবং দায়িত্ব পালনে মানসিক প্রস্তুতি জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

নতুন ছবিতে যে চমক দিতে আসছেন সালমান খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম
নতুন ছবিতে যে চমক দিতে আসছেন সালমান খান

বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খানের ভক্তদের জন্য সুখবর। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘মাতৃভূমি’ মুক্তির অপেক্ষার মধ্যেই নতুন প্রজেক্টে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন এই তারকা। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণী প্রযোজক দিল রাজু এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক বংশী পাইডিপল্লীর বিগ বাজেট অ্যাকশন সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে আগামী ১৪ এপ্রিল।

জানা গেছে, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁও এসআরপিএফ গ্রাউন্ডে বড় পরিসরে শুরু হবে সিনেমাটির প্রথম ধাপের কাজ।

সূত্র বলছে, এই সিনেমার জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিশাল একটি ‘মিনি সিটি’। সেটটি এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে একটি ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের আবহ ফুটে ওঠে। ছবির প্রয়োজনে সেখানে বড় পরিসরের অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সেট নির্মাণ, অ্যাকশন কোরিওগ্রাফি ও কাস্টিং—সবকিছুই প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।

এই উচ্চাভিলাষী প্রজেক্টে পরিচালক বংশী পাইডিপল্লী সালমান খানকে নতুন এক লুকে দর্শকদের সামনে হাজির করতে যাচ্ছেন।
নাম চূড়ান্ত না হওয়া সিনেমাটিতে বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকাদের উপস্থিতি থাকবে বলে আভাস মিলেছে। একটি শক্তিশালী অ্যাকশন থ্রিলার গল্পই সালমানকে এই প্রজেক্টে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানা গেছে।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ২০২৭ সালে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা করছে।

সালমানের বাণিজ্যিক ধারা এবং দক্ষিণী নির্মাণশৈলীর মিশেলে তৈরি এই ছবি বক্স অফিসে সাড়া ফেলবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

ফরিদপুরে পৌরসভার নির্দেশ অমান্য করেই পুরনো ভবনে উঠছে অবৈধ তিনতলা, আতঙ্কে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম
ফরিদপুরে পৌরসভার নির্দেশ অমান্য করেই পুরনো ভবনে উঠছে অবৈধ তিনতলা, আতঙ্কে মানুষ

ফরিদপুর শহরের ব্যস্ত কাঠপট্টি এলাকায় পৌরসভার মৌখিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই ঝুঁকিপূর্ণ একটি ভবনের ওপর তৃতীয় তলার বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলছে। এতে করে জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং পৌর কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্টদের মৌখিক নির্দেশ দেয়। নির্দেশনার পর কিছু সময় কাজ বন্ধ থাকলেও দুপুরের দিকে আবারও নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রমিকরা পুনরায় কাজ শুরু করে এবং তিনতলার দেয়ালের ওপর টিনশেড দিয়ে চাল তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটির সুযোগে গোপনে এই নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর কোনো প্রকার আধুনিক প্রকৌশল অনুমোদন ছাড়াই প্রথমে একতলা, পরে দোতলা এবং বর্তমানে তিনতলা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

এদিকে, নির্মাণ শ্রমিকরা জানান, সকালে পৌরসভার লোকজন এসে কাজ বন্ধ করতে বললে তারা কাজ বন্ধ রাখেন। তবে পরে দোকান মালিকদের নির্দেশে আবার কাজ শুরু করেন তারা। এতে বোঝা যাচ্ছে, প্রশাসনিক নির্দেশ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই মার্কেট নির্মাণের পেছনে দীর্ঘদিনের একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। আশির দশকে জাতীয় পার্টির আমলে রাতারাতি কিছু অবৈধ দোকান নির্মাণের মাধ্যমে এর সূচনা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মার্কেটের জায়গা ভাগবাটোয়ারা করা হয় এবং বিপুল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা এসব পজিশন বরাদ্দ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরে পৌরসভার বিভিন্ন মেয়াদের সময় দোতলা ও তিনতলার অংশবিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। সর্বশেষ কিছুদিন আগে তিনতলার নতুন করে পজিশন বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হলে স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা স্থগিত হয়। তবে সম্প্রতি আবারও সেই নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

মার্কেটের দোতলায় চেম্বার থাকা অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা বলেন, “এই ধরনের অনুমোদনহীন ও দুর্বল ভিত্তির ওপর নির্মাণ অত্যন্ত বিপজ্জনক। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা সাধারণ মানুষের প্রাণহানির কারণ হতে পারে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার অফিস এই মার্কেটের সামনে। প্রতিদিন এখানে যাতায়াত করি। যদি ভবন ধসে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তার দায় পৌর কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় বিপদ ঘটতে পারে।”

অন্যদিকে, অ্যাডভোকেট মেহেরুণ নেসা স্বপ্না বলেন, “এটি সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী এবং বেআইনি কাজ। আমরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একই সঙ্গে সচেতন নাগরিকদের এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে ফরিদপুর পৌরসভার সচিব মো. তানজিলুর রহমান জানান, “রোববার সকালে আমরা নির্মাণকাজ বন্ধের জন্য মৌখিক নির্দেশ দিয়েছি। বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে।”

তবে স্থানীয়দের মতে, শুধু মৌখিক নির্দেশ নয়, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণই এখন সময়ের দাবি। তারা দ্রুত তদন্ত করে ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণকাজ বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।