খুঁজুন
রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২২ চৈত্র, ১৪৩২

পরকালে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?

নিজামুল ইসলাম
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
পরকালে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?

মানুষ দুনিয়ার জীবনে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধনসম্পদ, পদমর্যাদা, চাকরি-বাকরি কিংবা প্রিয়জনকে হারিয়ে মানুষ সাময়িক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। মানুষের এসব ক্ষতি চিরস্থায়ী নয়, সাময়িক। মানুষের স্থায়ী ক্ষতি হচ্ছে পরকালীন ক্ষতি। পরকালীন জীবনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিভিন্ন স্তর রয়েছে। কেউ তার ক্ষতির পরিণাম ফল ভোগ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পরে শান্তি পাবে; জান্নাতে যেতে পারবে। কিন্তু কেউ কেউ তার ক্ষতির পরিণাম ফল ভোগ করবে অনন্তকাল।

পরকালীন ক্ষতি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে কোরআনের অনেক আয়াত নাজিল হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, এক. ‘ধ্বংস প্রত্যেক মিথ্যাবাদী পাপাচারীর জন্য।’ (সুরা জাসিয়াহ : ৭)। দুই. ‘ধ্বংস তার জন্য, যে মানুষের পেছনে অপবাদ রটায় এবং মানুষকে অপমানিত করে।’ (সুরা হুমাযাহ : ১)। তিন. ‘ধ্বংস তার জন্য, যে (জাকাত দেওয়া ব্যতীত) সম্পদ জমা করে এবং তা গণনা করতে থাকে।’ (সুরা হুমাযা : ২)। চার. ‘ধ্বংস সে সব নামাজির, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন থাকে।’ (সুরা মাউন : ৪)। পাঁচ. ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা ক্রয়-বিক্রয়ের সময়ে ওজনে কম দেয়।’ (সুরা মুতাফফিফিন : ১)। ছয়. ‘ধ্বংস ওইসব মিথ্যারোপকারীর জন্য, যারা কেয়ামত দিবসকে অস্বীকার করে।’ (সুরা মুতাফফিফিন : ১০-১১)। সাত. ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা নিজ হাতে (আসমানি) কিতাব রচনা করে এবং সামান্য মূল্য লাভের জন্য বলেÑ এটা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ।’ (সুরা বাকারা : ৭৯)। আট. ‘ধ্বংস ও কঠিন শাস্তি ওইসব কাফেরের জন্য, যারা পরকালের তুলনায় দুনিয়াকে অগ্রাধিকার দেয় এবং আল্লাহর পথ হতে লোকদের বাধা প্রদান করে।’ (সুরা ইবরাহিম : ২-৩)। নয়. ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা মহান দিবসের উপস্থিতিকে অস্বীকার করে।’ (সুরা মারইয়াম : ৩৮)। দশ. ‘ধ্বংস ওইসব লোকের, যারা আল্লাহ সম্পর্কে অযথা মিথ্যা কথা বানায়।’ (সুরা আম্বিয়া : ১৮)। এগারো. ‘ধ্বংস ওইসব কাফেরের জন্য, যারা ধারণা করে আসমান, জমিন ও এর মাঝে যা কিছু আছে আল্লাহ সেগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা সোয়াদ : ২৭)। বারো. ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণ থেকে কঠোর হয়ে গেছে।’ (সুরা যুমার : ২২)। তেরো. ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা আল্লাহর সঙ্গে শরিক করে।’ (সুরা হামিম সাজদা : ৬)

এই শ্রেণির লোকজন ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত। এদের মধ্যে মুনাফেকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, তারা বাহ্যিকভাবে মুসলমানদের সঙ্গে মিশে নামাজ-রোজা করলেও জাহান্নামের সবচেয়ে নিচের স্তরে থাকবে তারা। এসব ব্যক্তি চিরকালের জন্য জাহান্নামি হবে। আরেক শ্রেণির লোক আছে, যারা আল্লাহর ক্ষমা ও দয়া এবং অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত। ওই সব লোক হলো—যারা বিভিন্ন অন্যায়-অপরাধের মধ্যে ডুবে থাকে, অন্যের প্রতি জুলুম-অত্যাচার করে, আর ভাবে, অপরাধী ও জালেমদের যে ভয়াবহ পরিণতির কথা কোরআন ও হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে, তা কোথায়? আমরা তো অনেক অন্যায়-অপরাধ ও জুলুম-অত্যাচার করে বেড়াচ্ছি, কিন্তু আমাদের তো কিছুই হচ্ছে না! এ শ্রেণির লোকদের সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তারা কি আল্লাহর পাকড়াওয়ের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে? বস্তুত আল্লাহর পাকড়াও থেকে তারাই নিশ্চিন্ত হয়, যাদের ধ্বংস ঘনিয়ে আসে।’ (সুরা আরাফ : ৯৯)

আরেক শ্রেণির ক্ষতিগ্রস্ত লোক আছে, যারা ইমান এনেছে বলে দাবি করে, সেইসঙ্গে তারা ইবাদত-বন্দেগিও করে। কিন্তু তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বের সঙ্গে ইবাদত-বন্দেগি করে, যদি তাদের কোনো কল্যাণ অর্জিত হয়, তাহলে তারা ইবাদত-বন্দেগি করে, আর যদি তাদের কোনো বিপদ আক্রান্ত করে, তাহলে তারা দ্বীন ইসলামের সত্যতার ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়ে। তারা ভাবে, দ্বীন ইসলাম যদি সত্য হয়; তাহলে আমরা কেন এসব বিপদাপদে আক্রান্ত হচ্ছি? তাদের সম্পর্কে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘মানুষের মধ্যে কেউ কেউ দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করে। যদি তার কোনো কল্যাণ লাভ হয়, তাহলে সে ইবাদত-বন্দেগির ওপর কায়েম থাকে। আর যদি তাকে কোনো বিপদ আক্রান্ত করে, তাহলে সে পূর্বাবস্থায় কুফরির দিকে ফিরে যায়। সে ইহকালে ও পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত। এটাই প্রকাশ্য ক্ষতি।’ (সুরা হজ : ১১)

লেখক: মাদ্রাসা শিক্ষক

ফরিদপুরে লিজের জমি না ছাড়ায় পানের বরজে আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লিজের জমি না ছাড়ায় পানের বরজে আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে লিজের জমি না ছাড়াকে কেন্দ্র করে পানের বরজে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত দুই পানচাষী। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান আতু শেখ (৬০) ও তার ছেলে সুজন শেখ (৩০) পলাতক রয়েছেন। গত ৩০ মার্চ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ডহরনগর গ্রামে।

এ ঘটনায় তপন গুহ ও আকরাম শেখ রবিবার (৫ এপ্রিল) ফরিদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ডহরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এদিকে সব হারিয়ে হতাশায় ভুগছেন পানচাষী তপন গুহ ও আকরাম শেখ। তারা বলেন, “মাথার উপর যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে।”

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ডহরনগর গ্রামের তপন গুহ ও আকরাম শেখ। তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে লিজ নেওয়া জমিতে পান চাষ করে আসছিলাম। কিন্তু একই এলাকার আতু শেখ বারবার জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন। তারা লিজ বাতিল না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে পানের বরজে আগুন দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ এলাকার পানের বরজ সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া বাঁশের খুঁটি, শুকিয়ে যাওয়া পানগাছ এবং ছাইয়ের স্তূপ এখন ধ্বংসস্তপে পরিনত হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এটি ছিল এলাকার অন্যতম বড় পানের বরজ, যেখানে নিয়মিত ১০-১২ জন শ্রমিক কাজ করতেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ দুপুরের দিকে হঠাৎ আগুন লেগে পুরো পানের বরজে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ। আগুনের ঘটনায় পুরো বরজ পুড়ে যাওয়ায় তাদের জীবিকার প্রধান উৎস ধ্বংস হয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তপন গুহ বলেন, এই বরজটাই ছিল আমার একমাত্র সম্বল। এখন পান ভাঙার মৌসুম চলছে। সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি। শুধু আমি না, আমার সঙ্গে কাজ করা শ্রমিকরাও এখন বিপদে পড়েছে।

অন্য কৃষক আকরাম শেখ বলেন, আমাদের দুই পরিবারের ১০০ শতাংশ বরজ পুড়ে গেছে। কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবো, তা বুঝতে পারছি না। আমরা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ শেখসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, আগুনের ঘটনার পর বিষয়টি আপস-মীমাংসার আলোচনা চলছিল। তবে এরই মধ্যে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, ফলে সমাধান হয়নি।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পানের বরজে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা শুধু দুইটি পরিবারের ক্ষতিই নয়, পুরো এলাকার কৃষি অর্থনীতির ওপর বড় আঘাত। এ সময় দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

এ ঘটনায় তপন গুহ ও আকরাম শেখ রবিবার ফরিদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ডহরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বোয়ালমারী থানার ডহরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মধুসূদন পান্ডে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

র‌্যালি-আলোচনায় মুখর ফরিদপুর, উদযাপিত হলো যমুনা টিভির এক যুগ পূর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
র‌্যালি-আলোচনায় মুখর ফরিদপুর, উদযাপিত হলো যমুনা টিভির এক যুগ পূর্তি

দেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম যমুনা টেলিভিশন-এর এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দিনব্যাপী এই আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি আনন্দঘন র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‌্যালি শেষে প্রেসক্লাবের অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন মোল্যা মিলনায়তনে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ফরিদপুরে যমুনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম হিমেলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন পিয়াল, প্রথম আলো-এর নিজস্ব প্রতিবেদক পান্না বালা, এটিএন বাংলা-এর প্রতিনিধি কামরুজ্জামান সোহেল, ছাত্রনেতা আবরার নাদিম ইতুসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, যমুনা টেলিভিশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে বিশেষ অবস্থান তৈরি করেছে। নানা প্রতিকূলতা ও চাপ উপেক্ষা করে সত্য প্রকাশের ধারাবাহিকতা বজায় রাখায় প্রতিষ্ঠানটি মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতেও যমুনা টেলিভিশন যেন নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে এবং গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখে—সেই প্রত্যাশাই সবার।

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

ফরিদপুরের বড় কাজুলী গ্রামে সন্ত্রাস, হামলা ও চুরির প্রতিবাদ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের বড় কাজুলী গ্রামে সন্ত্রাস, হামলা ও চুরির প্রতিবাদ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামে চলমান সন্ত্রাস, হামলা ও চুরির ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৫ এপ্রিল) দুপুরে গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলামের নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বড় কাজুলী গ্রামের স্থানীয় গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানোয়ার মোল্লা, ওবায়দুর মোল্লা ও আলী হোসেন,কামরান, নাজিম,মস্তো সহ একটি প্রভাবশালী মহল গ্রামের সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের নির্যাতন, হামলা ও মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে। এর ফলে গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, সম্প্রতি গ্রামে চুরি ও হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীরা অবিলম্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।