খুঁজুন
, ,

ওজন কমাতে সেরা ৫ খাবার

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমাতে সেরা ৫ খাবার

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রথমেই লক্ষণীয় বিষয় হলো আপনি ক্যালরি কতটা নিচ্ছেন তা খেয়াল করা। বাড়তি ওজন কমাতে হলে শুধু খাদ্যতালিকা থেকে ফ্যাটজাতীয় খাবার বাদ দেওয়াই মূল কথা নয়।

স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যতালিকা তৈরির সময় খেয়াল রাখতে হবে তা যথাযথ ও নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের মধ্যে রয়েছে কিনা। একইসঙ্গে দৈনিক কোন কোন খাদ্য উপাদান শরীরে প্রবেশ করছে এবং তা আপনার সঠিক ওজন ধরে রাখতে কতটুকু সহায়তা করছে, তা জানা জরুরি।

বাড়তি ক্যালরি পোড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আবার যেসব খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) কম, সেগুলো রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্যকারী এসব উপাদান শরীর থেকে চর্বি দূর করে। একবার দেখে নিন, ওজন কমাতে ও ক্যালরি পোড়াতে কোন কোন খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন:

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার
পরিপাক প্রক্রিয়া চলাকালে প্রোটিন এক ধরনের তাপ উৎপন্ন করে।

ফলে শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ ক্যালরি ভেঙে যায়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মাছ, কম ফ্যাট-উচ্চ ফাইবার ও প্রোটিন সমৃদ্ধ মটরশুটি এবং প্রয়োজনীয় চর্বি ও ফাইবারসমৃদ্ধ বাদামে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। এগুলো শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট অপসারণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। অনেকের অজানা তথ্য হলো—ডিমও ক্যালরি পোড়াতে সহায়ক।

শস্যদানা
প্রতিদিনের খাবারে শস্যদানা রাখা প্রয়োজন। ভিটামিন বি, ই, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবারসমৃদ্ধ শস্যদানা চর্বি কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখে। শস্যদানা হিসেবে ওটমিল, জোয়ার, বাজরা, রাগি ইত্যাদি উপকারী। ওটমিলে রয়েছে বিটা গ্লুকেন, যা চর্বি শুষে নেয়। ধীরে হজম হওয়ায় দীর্ঘ সময় ক্ষুধা লাগে না।

আপেল
আপেলে রয়েছে পেকটিন নামক এক ধরনের জেলজাতীয় উপাদান। পানি ও নির্দিষ্ট পরিমাণ ফাইবারের সংমিশ্রণে এটি দীর্ঘসময় ক্ষুধা নিবারণে সহায়ক।

দারুচিনি
দারুচিনি চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। এটি রক্তের শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। সকালে চায়ের কাপে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া অথবা হালকা গরম জলে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে খাওয়া উপকারী।

সবুজ পাতাযুক্ত শাক-সবজি
উচ্চ ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবুজ শাক-সবজি ক্যালরি কমায়। এসব শাক-সবজির জুস শরীরকে শুদ্ধ করে (বডি ক্লিনজিং) এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে চর্বি কমায়।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

ফরিদপুরে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও HPV টিকা নিয়ে সচেতনতা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও HPV টিকা নিয়ে সচেতনতা সভা

জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি (HPV) টিকার গুরুত্ব তুলে ধরে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতামূলক কর্মসূচি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের বেগম রোকেয়া ছাত্রী হোস্টেলের হলরুমে এ সভার আয়োজন করে ‘স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশন, ফরিদপুর’।

​কর্মসূচিতে কলেজের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

​অনুষ্ঠানে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যাপক আব্দুল হালিম মিয়ার সভাপতিত্বে এবং তুহিন বিন আলমগীরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ডা. মো. মিজানুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সাবরিনা গিয়াস।

​মূল প্রবন্ধে ডা. সাবরিনা গিয়াস বলেন, “উচ্চঝুঁকির এইচপিভি সংক্রমণ জরায়ুমুখের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ। কিশোরী বয়সে এই টিকা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।” টিকার পাশাপাশি নির্দিষ্ট বয়সে নিয়মিত জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং করার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত বয়সের কিশোরীদের জন্য বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা প্রদান করছে বলেও উল্লেখ করেন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো ও টিকাদানে উৎসাহিত করা জরুরি। আর্থিক কারণে কেউ যাতে বঞ্চিত না হন, সেজন্য স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশন একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই ফাউন্ডেশনের আওতায় দুটি এইচপিভি টিকা গ্রহণ করলে তৃতীয় টিকাটি বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজেন্দ্র কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ওবায়দুর রহমান, সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর তারেক হোসাইন ও রাজবাড়ী কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল প্রফেসর আব্দুল হামিদ মোল্লা বলেন, ক্যান্সারের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ বড়। তাই পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

​সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল হালিম মিয়া বলেন, এই ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীদের নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকে সচেতন করার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বেগম রোকেয়া ছাত্রী হোস্টেলের হল সুপার, প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মাসুদা বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়।

এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে তার মৃত্যু হয়। মাসুদা বেগম ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার বাসিন্দা। জ্বর নিয়ে তিনি গত ২৬ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাসুদা বেগম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১০৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ফরিদপুরে প্রায় ৭০০ জন ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

নগরকান্দায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

জাকির হোসেন, নগরকান্দা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ৬টি জাতের চারা গাছ বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে চারা গাছগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্যদের (মেম্বার) হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন চেয়ারম্যান মো. কায়মদ্দীন মন্ডল।

​অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান মো. কায়মদ্দীন মন্ডল বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের বিকল্প নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আমাদের বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। নিজ নিজ জায়গা থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।”

​তিনি ইউনিয়নের ফাঁকা রাস্তার পাশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদসহ সুবিধাজনক স্থানে চারাগুলো রোপণের নির্দেশ দেন।

​চেয়ারম্যানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ইউপি সদস্য মো. মুরাদ হোসেন বলেন, “পরিষদের সব সদস্য মিলে নির্দেশিত স্থানে চারাগুলো রোপণ করব। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বাড়ির আশপাশের খালি জায়গায় গাছ লাগানোর আহ্বান জানাচ্ছি।”

​কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।