খুঁজুন
, ,

ভাঙনের কান্না থামিয়ে ফরিদপুরের মধুমতি নদীতে স্বপ্নের বাঁধ, হাসছে নদীপাড়ের মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
ভাঙনের কান্না থামিয়ে ফরিদপুরের মধুমতি নদীতে স্বপ্নের বাঁধ, হাসছে নদীপাড়ের মানুষ

একসময় বর্ষা আর ঈদ মানেই ছিল আতঙ্ক। কখন ঘরবাড়ি, ফসলি জমি কিংবা বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়— সেই শঙ্কায় দিন কাটাতেন ফরিদপুরের মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার মধুমতি নদীপাড়ের মানুষ। তবে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর সেই নদীভাঙনের ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তির আশা দেখছেন হাজারো মানুষ।

মধুমতি নদীর ভয়াল ভাঙন রোধে নির্মিত হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ। ঈদের আগেই প্রকল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় নদীপাড়জুড়ে এখন স্বস্তি, আনন্দ আর নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন।

দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে মধুমতি নদীর ভাঙনে মধুখালী ও আলফাডাঙ্গার বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। অনেক পরিবার হারিয়েছে তাদের শেষ সম্বলটুকুও।

এ অবস্থায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে প্রায় ৪৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই উপজেলার ৮টি ভাঙনপ্রবণ পয়েন্টে স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১ জুলাই শুরু হওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় নদীতীর সংরক্ষণ, ব্লক স্থাপন, ড্রেজিং এবং নদীর নাব্যতা রক্ষাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে ভাঙন রোধের পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, একসময় মধুমতি ছিল আতঙ্কের আরেক নাম। বর্ষা মৌসুম এলেই রাত জেগে কাটাতে হতো নদীভাঙনের শঙ্কায়। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করেছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দা রাবেয়া বেগম বলেন,“প্রতিবছর বর্ষা আর ঈদের সময় আতঙ্কে থাকতে হতো। কখন ঘর নদীতে চলে যায় সেই ভয় ছিল। এখন বাঁধ হওয়ায় অনেক শান্তিতে আছি।”

স্থানীয় কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, “আমাদের অনেক জমি নদীতে গেছে। এবার বাঁধ হওয়ায় অন্তত বাকি জমিগুলো রক্ষা পাবে। আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।”

মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইরান চৌধুরী বলেন, নদীর তীর সংরক্ষণমূলক কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে। পাশাপাশি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা বজায় থাকবে।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আবজাল হোসেন খান পলাশ বলেন,“এই প্রকল্পের মাধ্যমে মধুখালী ও আলফাডাঙ্গার অন্তর্গত ৮টি ভাঙনকবলিত এলাকায় সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর, সংযোগ সড়ক, স্বপ্ননগর আশ্রয়ণ প্রকল্প, বিদ্যালয়, হাট-বাজার, কমিউনিটি ক্লিনিক, ধর্মীয় উপাসনালয় ও হাজারো মানুষের বসতভিটা রক্ষা পাবে।”

তিনি আরও বলেন,“মধুমতির তীরবর্তী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন হওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, “মধুমতি নদীর ভাঙন রোধে এটি একটি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। বাঁধ নির্মাণের ফলে হাজারো পরিবার, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা পাবে। পাশাপাশি এলাকাটিকে দৃষ্টিনন্দন করতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি জানান, নদীপাড়কে আকর্ষণীয় করে তুলতে সেখানে স্থায়ী বেঞ্চ, ছাতা ও বসার স্থান নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেখানে ঘুরতে আসছেন। ধীরে ধীরে এটি স্থানীয়দের জন্য একটি বিনোদন কেন্দ্রেও পরিণত হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষায়, “যে নদী একসময় কেড়ে নিয়েছে সবকিছু, আজ সেই নদীর পাড়েই মানুষ নতুন স্বপ্ন দেখছে।”

আসন্ন বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে এখন আর নদীভাঙনের ভয় নয়, বরং নিরাপদ ভবিষ্যতের আশাতেই বুক বাঁধছেন মধুমতি তীরের মানুষ।

ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের দায়ে ফরহাদ হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবককে ধর্ষণ ও অপহরণ—এই দুটি ধারায় পৃথক দণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া অপহরণের ঘটনায় তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

তবে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি একই সঙ্গে দুটি দণ্ড ভোগ করতে পারবেন। সে হিসেবে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করলেই চলবে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি প্রশান্ত কুমার মণ্ডলকে (৩৬) বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর আদালত তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামের আশরাফ হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রলারযোগে ভাঙ্গা উপজেলার কুমার নদের তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় বালি বিক্রি করত ফরহাদ। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার একটি মুদি দোকান ছিল। ওই কিশোরী তার বাবাকে দোকানে সকাল ও দুপুরের খাবার দিয়ে যেত।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল আটটার দিকে ওই কিশোরী তার বাবার জন্য সকালের খাবার নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ওই কিশোরী বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আর বাড়ি ফিরে যায়নি। এর ১৯ দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় ওই দুই ব্যক্তিকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৌমেন মৈত্র ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি ওই দুই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভুইয়া বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর ফলে সমাজে এ জাতীয় অপরাধের প্রবণতা কমে আসবে।

ভাঙ্গার চাঞ্চল্যকর সুমন হত্যা: চার আসামি গ্রেফতার, চলছে অভিযান

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গার চাঞ্চল্যকর সুমন হত্যা: চার আসামি গ্রেফতার, চলছে অভিযান

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চাঞ্চল্যকর সুমন শেখ হত্যা মামলার চারজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ভাঙ্গা পৌরসভার হাসামদিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার মোল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪০), একই গ্রামের বেলায়েত মাতুব্বরের ছেলে রবিউল মাতুব্বর (৩০), আবুল কাসেম সর্দারের ছেলে তানজির (৩২) এবং ঘারুয়া ইউনিয়নের বামনকান্দা গ্রামের শহর আলীর ছেলে নাসির আলী (৩০)।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন শেখ নামে এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মিলন শেখ বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত চারজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের ইসমাইল মুন্সির ভাগনে এবাদুলসহ কয়েকজন যুবককে ধরে এনে পৌরসভার সামনে মারধরের একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আসামদিয়া গ্রামের ফয়সাল সর্দারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা হলেও দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জের থেকেই উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে কয়েকটি গ্রামের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন সুমন শেখ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সদরপুরে গোসলখানায় ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
সদরপুরে গোসলখানায় ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে শরজীদ শাহ (৪২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাড়ে সাতরশি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত শরজীদ শাহ ওই গ্রামের মৃত মধুসুদন শাহের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন শরজীদ শাহ। এরপর থেকে তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে স্বজনরা জানান।

মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে তিনি নিজ বাড়ির গোসলখানার টিনের আড়ার সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

পরে তার স্ত্রী শশী রান্নার কাজে গোসলখানায় পানি আনতে গিয়ে স্বামীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও নিহতের ভাই রাজীব কুমার শাহ ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত আটরশির বিশ্ব জাকের মঞ্জিল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে সদরপুর থানার এসআই (নি.) মো. মেহেদী হাসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।

এ বিষয়ে এসআই (নি.) মো. মেহেদী হাসান জানান, মরদেহের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।