খুঁজুন
, ,

‘বৃষ্টিভেজা দুপুরে ফমেক হাসপাতালে তিক্ত সাংবাদিকতা’

হারুন আনসারী
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
‘বৃষ্টিভেজা দুপুরে ফমেক হাসপাতালে তিক্ত সাংবাদিকতা’

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ডক্টরস রুম, পঞ্চম তলা। সামনে বসে থাকা এক তরুণী ইন্টার্ন চিকিৎসককে ঘিরে পরিচিত-অপরিচিত সবার উপস্থিতিতেই তাচ্ছিল্যভরা ভঙ্গিতে দীর্ঘক্ষণ জবাবদিহি করাচ্ছিলেন এক চিকিৎসক। পরে জানতে পারলাম, তার নাম জালাল। নিজের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি শুধু এতটুকুই বলেছিলেন—”আমার নাম জালাল।”

সেদিন আমরা চারজন সাংবাদিক একটি গুরুত্বপূর্ণ রোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য নিতে সেখানে গিয়েছিলাম। অনুমতি নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করার পরও প্রায় দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। দু’বার সালাম দিলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। আমাদের উপস্থিতিকে যেন তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই উপেক্ষা করছিলেন।

তিনি তখন ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে একই বিষয় নিয়ে বারবার প্রশ্ন করছিলেন। মনে হচ্ছিল, অসুস্থতার কারণে কোনো দিন অনুপস্থিত থাকার ব্যাখ্যা চাইছেন। মেয়েটি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছিলেন, তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং ব্যক্তিগত অসুস্থতার কথা অন্যের কাছে বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। কিন্তু তার ব্যাখ্যা যেন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হচ্ছিল না। বরং একই প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তাকে সবার সামনে বিব্রত করা হচ্ছিল।

অবশেষে ইন্টার্ন চিকিৎসক উঠে চলে গেলেন। এরপরও কয়েক মুহূর্ত তিনি নির্বিকার হয়ে বসে রইলেন। তখন আবার সালাম দিয়ে নিজেদের পরিচয় ও আসার উদ্দেশ্য জানাই। তবুও তিনি কোনো সৌজন্য দেখালেন না, বসতেও বললেন না।

রোগীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বললেন, হাসপাতালের পরিচালকের অনুমতি ছাড়া কিছুই বলা যাবে না। এ সময় সহকর্মী সজল পরিচালককে ফোনে সংযুক্ত করে তার হাতে মোবাইলটি দেন। কিন্তু তিনি পরিচালকের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, “স্যার, এই সাংবাদিকেরা রুমে ঢুকে ক্যামেরায় সাক্ষাৎকার নিচ্ছে।”

অথচ তখন পর্যন্ত আমরা কোনো সাক্ষাৎকারই শুরু করিনি।

আমি তাকে বললাম, “আমরা তো আপনার সাক্ষাৎকার নিচ্ছি না। তাহলে এমন কথা বললেন কেন?”

সজলও বিনয়ের সঙ্গে বোঝানোর চেষ্টা করলেন, আমাদের শুধু রোগীর অবস্থা জানতে হবে—কেন ভর্তি হয়েছেন, বর্তমান শারীরিক অবস্থা কী, চিকিৎসা কী চলছে।

জবাবে তিনি বলেন, “আমরা এসব সাক্ষাৎকার দিই না। পুলিশ কেস। যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করলে সার্টিফিকেট লিখে দেব।”
আমি তখন অনুরোধ করলাম, ক্যামেরার সামনে নয়, অন্তত অনানুষ্ঠানিকভাবে রোগীর অবস্থা জানাতে। কিন্তু তিনি কোনো ধরনের সহযোগিতা করলেন না।

এরপর আমরা নিচে নেমে হাসপাতালের পরিচালক ডা. এনামুল হককে বিষয়টি জানাই এবং সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের কাজে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার অনুরোধ করি।
এই অভিজ্ঞতা নতুন নয়। নব্বইয়ের দশক থেকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বহু সাংবাদিক একই ধরনের অসহযোগিতা ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন। তখন মোবাইল ফোনও ছিল না। জরুরি বিভাগের ল্যান্ডফোনে অনেক কষ্টে যোগাযোগ করা গেলেও সাংবাদিক পরিচয় জানার পর অনেকেই তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করতেন, কখনো ফোন কেটে দিতেন, কখনো দুর্ব্যবহার করতেন।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এই হাসপাতালের কিছু চিকিৎসক সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি দেখলেই অস্বস্তি বোধ করেন। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় রূঢ় আচরণ করেন। বিষয়টি বহুবার কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন খুব একটা চোখে পড়ে না।

সেদিনও প্রবল বৃষ্টি ছিল। দুপুরের খাবার খাওয়ার সুযোগ হয়নি। টানা বৃষ্টিতে বাসায় ফিরতে না পেরে দুই দিন গোসলও করা হয়নি। তারপরও সংবাদটির গুরুত্ব বিবেচনায় প্রেসক্লাব থেকে ইজিবাইকে করে আমি, সময় টিভির সজল ভাই, আনন্দ টিভির মনির ভাই এবং সঞ্জয় হেচলার ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যাই চরভদ্রাসনের ফাস্টফুড ব্যবসায়ী রব মোল্লার খবর সংগ্রহ করতে।

শেষে শুধু একটি কথাই বলতে চাই—একজন মানুষের পরিচয় শুধু নাম দিয়ে শেষ হয় না। কিন্তু তার চেয়েও বড় পরিচয় হলো তার ব্যবহার। চিকিৎসকের পেশা শুধু চিকিৎসা দেওয়ার নয়; রোগী, স্বজন এবং পেশাগত দায়িত্বে আসা মানুষের প্রতিও ন্যূনতম সৌজন্য ও সম্মান প্রদর্শন করা সেই পেশারই অংশ।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি আচরণগত সৌজন্য ও জনসেবামূলক মানসিকতার ওপরও আরও গুরুত্ব দেওয়া হোক। কারণ, একটি হাসপাতালের সেবার মান শুধু চিকিৎসা নয়, মানুষের সঙ্গে তার আচরণেও প্রতিফলিত হয়।

পুনশ্চ: এই লেখাটি ২০২৩ সালের ১০ আগস্টের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরদিন ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়েছিল। ফরিদপুরের সরকারি স্বাস্থ্যসেবার বাস্তবতা আজও অনেকাংশে প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় পাঠকদের জন্য এটি পুনরায় প্রকাশ করা হলো।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডিবির অভিযানে চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৩

ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে একটি আন্তঃজেলা ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সাবেক (চাকরিচ্যুত) দুই সদস্য রয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ডাকাতি হওয়া একটি ১৫০ সিসি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

​বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

​পুলিশ জানায়, সম্প্রতি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ভাড়া করার ছলে ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনার তদন্তে নেমে চক্রটির সন্ধান পায় গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযানের একপর্যায়ে চক্রের মূল হোতা সাবেক পুলিশ সদস্য মো. লিমন মিয়া (৩৪) ও তার সহযোগী মো. সাখাওয়াত মুন্সি ওরফে সাকাকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার লিমন ও সাকার বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাসাবাদে লিমন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাই করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ছিনতাই করা ইজিবাইকগুলো মুকসুদপুরের মন্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হতো। লিমনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, অস্ত্র ও মাদকসহ অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে।

​পরে লিমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবেক সেনা সদস্য মো. ইমদাদুল হক ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৫৫) গ্রেফতার করে ডিবি। খুলনা সদর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বর্তমানে রঘুনন্দনপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

​অভিযানে তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় রূপগঞ্জে ডাকাতি হওয়া মোটরসাইকেলটি। পুলিশের দাবি, জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বড় ধরনের ডাকাতি সংঘটিত করে নগদ ২৪ লাখ টাকাসহ প্রায় ৬৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. শাহারিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জানান, গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রিজিকে বরকত চান? পড়ুন এই দোয়া

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
রিজিকে বরকত চান? পড়ুন এই দোয়া

মানুষের জীবনে সচ্ছলতা, প্রশান্তি ও কল্যাণের অন্যতম চাবিকাঠি হলো আল্লাহর কাছে দোয়া করা। শুধু বেশি সম্পদ অর্জন নয়, বরং গুনাহ থেকে মুক্তি, সুন্দর আবাসস্থল এবং উপার্জনে বরকত লাভ করাও মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ চাওয়া ।রাসুলুল্লাহ (সা.) এমন একটি সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ দোয়া পড়তেন, যাতে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের প্রার্থনা রয়েছে।
দোয়াটি হলো:

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي، وَوَسِّعْ لِي فِي دَارِي، وَبَارِكْ لِي فِي رِزْقِي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি যাম্বি, ওয়া ওয়াসসি‘ লি ফি দারি, ওয়া বারিক লি ফি রিজকি।অর্থ: হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন, আমার ঘর প্রশস্ত করে দিন এবং আমার রিজিকে বরকত দান করুন।

যে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে দোয়াটি

আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অজুর পানি নিয়ে এলেন।

নবীজি (সা.) অজু করার পর একটি দোয়া পড়লেন। আবু মুসা আশআরি (রা.) দোয়াটি শুনে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনাকে এই এই দোয়া করতে শুনেছি।
তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘এই দোয়ার মাধ্যমে কি কোনো কল্যাণের বিষয় বাদ পড়েছে?’
দোয়াটি মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবায় বর্ণিত হয়েছে।

দোয়াটির অর্থ ও তাৎপর্য

ছোট্ট এই দোয়ায় মানুষের পার্থিব জীবন ও পরকালীন কল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় উঠে এসেছে। এর প্রতিটি অংশের রয়েছে গভীর তাৎপর্য।

১. গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা

দোয়ার শুরুতেই আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহ ক্ষমার আবেদন জানানো হয়েছে। মানুষের জীবনে ভুল ও পাপ থাকতেই পারে। কিন্তু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তওবার মাধ্যমে নিজেকে সংশোধন করা মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব।

গুনাহ মানুষের আত্মিক প্রশান্তি ও নৈতিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দুনিয়ার স্বচ্ছলতা ও জীবনের কল্যাণ কামনার পাশাপাশি নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা জরুরি। আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভই মুমিনের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

২. ঘরের প্রশস্ততা ও প্রশান্তি কামনা

দোয়ার দ্বিতীয় অংশে নিজের ঘর প্রশস্ত করে দেওয়ার প্রার্থনা রয়েছে। ঘর মানুষের নিরাপত্তা, বিশ্রাম ও পারিবারিক প্রশান্তির জায়গা। একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় আবাসস্থল মানুষের জীবনকে সহজ করে।

এ প্রার্থনার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে সুন্দর ও প্রশস্ত বাসস্থান কামনা করে। পাশাপাশি পরকালীন জীবনে কবরের প্রশস্ততা এবং জান্নাত লাভের প্রত্যাশাও একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা।

৩. রিজিকে বরকত লাভের প্রার্থনা

দোয়ার শেষ অংশে নিজের রিজিকে বরকত কামনা করা হয়েছে। রিজিক বলতে শুধু অর্থ-সম্পদ বোঝায় না; বরং খাদ্য, সুস্থতা, পরিবার, কর্মসংস্থান ও জীবনের প্রয়োজনীয় সব নিয়ামত এর অন্তর্ভুক্ত।

রিজিকে বরকত মানে শুধু উপার্জন বেড়ে যাওয়া নয়। বরং উপার্জন হালাল হওয়া, অল্প সম্পদেও প্রয়োজন পূরণ হওয়া, অভাব থেকে মুক্তি এবং জীবনে তৃপ্তি ও কল্যাণ লাভ করাও বরকতের অংশ।

অনেক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও মানুষের মনে শান্তি নাও থাকতে পারে। আবার অল্প সম্পদেও আল্লাহর রহমতে কেউ পরিতৃপ্ত জীবনযাপন করতে পারেন। তাই বেশি সম্পদের পাশাপাশি সম্পদে বরকত চাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

কখন ও কীভাবে পড়বেন?

মুমিন ব্যক্তি যেকোনো সময় আল্লাহর কাছে এই দোয়া করতে পারেন। দোয়ার অর্থ বুঝে আন্তরিকতার সঙ্গে পড়া এবং পাশাপাশি হালাল উপার্জন, ইবাদত ও সৎকর্মের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত।

আল্লাহর কাছে শুধু সম্পদ নয়, গুনাহের ক্ষমা, সুন্দর আবাসস্থল এবং জীবনের প্রতিটি নিয়ামতে বরকত কামনা করাই এই দোয়ার মূল শিক্ষা।

 

সালথায় কৃষকদলের আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
সালথায় কৃষকদলের আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল আটঘর ইউনিয়ন শাখার আংশিক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) সালথা উপজেলা কৃষকদলের পক্ষ থেকে এই আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়।

​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান (হাফিজ) এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন স্বাক্ষরিত প্যাডে এই কমিটি অনুমোদিত হয়েছে।

​অনুমোদিত কমিটিতে মো. আতিকুর রহমান মোল্যাকে সভাপতি এবং মো. শফিকুল ইসলাম (সুফিকে) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

​কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন— ​সিনিয়র সহ-সভাপতি: মো. ইউসুফ মাতুব্বর,​সহ-সভাপতিগণ মো. নাসির হায়দার দরজী, মো. মাহফুজুল রহমান, মো. লাল মিয়া খান, মো. হাফিজুর রহমান, মো. জাহিদ ফকির ও মো. বকুল খান

​সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: মো. ইউসুফ মোল্লা,​যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
​যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসান মন্ডল ও মো. লাভলু শেখ। ​সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ফজর আলী মাতুব্বর, মো. ছমির মোল্লা ও মো. এনায়েত মোল্লা,​সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গাউস হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকমো. রবিউল মাতুব্বর ও মো. রোকন মাতুব্বর।

​দপ্তর সম্পাদক মো. রাজিবুল ইসলাম সুমন, ​সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. শাকিল মোল্লা, ​প্রচার সম্পাদক মো. লিটন সরকার, ​প্রকাশনা সম্পাদক মো. রাজিব খান,​শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. রকিবউদ্দিন মোল্যা (মঞ্জুর), ​স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম,​কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. বিল্লাল শিকদার।

​এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মো. আসাদ মিয়া, মো. ইউনুস মোল্যা, মো. সেকেন মাতুব্বর, মো. জামাল শেখ, মো. ইলিয়াছ শেখ, মো. আব্দুল করিম, মো. জসিম মাতুব্বর, মো. উজ্জ্বল মোল্যা ও মো. শাকিল মৃধাকে।

​সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটি স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন উপজেলা নেতৃবৃন্দ।