খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের শৈলমারী গ্রামে সুমাইয়া শিমু (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, সুমাইয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে স্বামীর পরিবার এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেছে।

শনিবার (০১ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যার আগে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত সুমাইয়া শিমু শৈলমারী গ্রামের মোস্তফা শেখের মেয়ে এবং একই গ্রামের কাঠমিস্ত্রি জসিম কাজীর স্ত্রী। তাদের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে জসিম কাজী ও সুমাইয়া পালিয়ে বিয়ে করেন। সে সময় সুমাইয়ার পরিবার অপহরণের অভিযোগে মামলা করলেও প্রায় দুই বছর আগে উভয় পরিবার তাদের সংসার মেনে নেয়। তবে স্বামীর নেশা করা, অনিয়মিত কাজ করা এবং সংসারে আর্থিক টানাপোড়েন নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে বিরোধ লেগে থাকত।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার প্রতিবেশীর একটি অনুষ্ঠানে যাওয়াকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়। দুপুরে সুমাইয়া তার ছেলে মাহিরকে বড় বোনের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বড় বোন শাহিনুর জসিমকে ফোন করলে তিনি খারাপ আচরণ করেন এবং সুমাইয়াকে হত্যার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেন। সন্ধ্যার আগে জসিম নিজেই ফোন করে জানান, সুমাইয়া আত্মহত্যা করেছেন।

সুমাইয়ার বোন শাহিনুর ও সুরাইয়া দাবি করেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখেন মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। তাদের ভাষ্য, ঘরের আড়ার উচ্চতা বিবেচনায় সুমাইয়ার পক্ষে ওইভাবে ফাঁস নেওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া ঘটনার পর জসিম ঘর তালাবদ্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান বলেও অভিযোগ করেন তারা।

অন্যদিকে জসিমের মা ছিয়ারন বেগম বলেন, “ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। পরে শুনেছি আমার ছেলের স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়েছে। আমার ছেলে এমন কাজ করতে পারে না, সে নির্দোষ।”

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আল-আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অভিযোগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন চেনার ৫ উপায়, এক নজরে দেখে নিন

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ
ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন চেনার ৫ উপায়, এক নজরে দেখে নিন

চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে প্রতারণার কৌশলও। বিশেষ করে অনলাইন জব পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং মেসেজিং অ্যাপকে ব্যবহার করে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রতারকচক্র। আকর্ষণীয় বেতন, ঘরে বসে কাজ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই মোটা অঙ্কের আয় কিংবা দ্রুত নিয়োগের মতো প্রলোভন দেখিয়ে তারা চাকরিপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী ব্যবসাবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন শনাক্ত করার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় তুলে ধরেছে। চাকরির আবেদন করার আগে এসব বিষয় জানা থাকলে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

১. অবিশ্বাস্য বেতন, কিন্তু কাজের বর্ণনা অস্পষ্ট

যে কোনো বৈধ চাকরির বিজ্ঞাপনে দায়িত্ব, যোগ্যতা, কাজের ধরন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। কিন্তু ভুয়া বিজ্ঞাপনে সাধারণত অস্পষ্ট ভাষা ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে অল্প কাজ, কম অভিজ্ঞতা এবং অস্বাভাবিক বেশি বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, কোনো চাকরির অফার যদি বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়, তাহলে সেটি যাচাই না করে বিশ্বাস করা উচিত নয়। ‘ঘরে বসে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয়’ বা ‘অভিজ্ঞতা ছাড়াই উচ্চ বেতন’ ধরনের দাবি সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।

২. প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বা ঠিকানায় অসংগতি

বর্তমানে অনেক প্রতারক আসল প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে দেখতে প্রায় একই রকম ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে। অনেক সময় শুধু একটি অক্ষর বা বানানের সামান্য পরিবর্তন থাকে, যা সহজে চোখে পড়ে না।

তাই আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ডোমেইন, লিংকডইন পেজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি যাচাই করা উচিত। প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি একে অপরের সঙ্গে মিলছে কি না, সেটিও দেখা জরুরি।

৩. অস্বাভাবিক যোগাযোগ পদ্ধতি

কোনো সাক্ষাৎকার ছাড়াই শুধু হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম বা ব্যক্তিগত ইমেইলের মাধ্যমে চাকরি নিশ্চিত করার প্রস্তাব এলে সতর্ক হতে হবে।

বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান সাধারণত অফিসিয়াল ইমেইল ব্যবহার করে এবং ফোন, ভিডিও কল বা সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রার্থী যাচাই করে। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনে অতিরিক্ত বানান ভুল, দুর্বল ভাষা বা অপেশাদার উপস্থাপনাও ভুয়া হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

৪. আবেদন ছাড়াই চাকরির অফার

হঠাৎ কোনো দিন একটি মেসেজ বা ইমেইল এলো, যেখানে বলা হলো আপনি একটি চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ আপনি সেই প্রতিষ্ঠানে কখনো আবেদনই করেননি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে উত্তেজিত না হয়ে আগে প্রতিষ্ঠানের পরিচয় যাচাই করা উচিত। বর্তমানে অনেক প্রতারক পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম, এমনকি প্রকৃত রিক্রুটারের পরিচয়ও ব্যবহার করছে বিশ্বাস অর্জনের জন্য। তাই আবেদন না করেও চাকরির অফার পেলে সেটিকে সন্দেহের চোখে দেখা উচিত।

৫. চাকরি দেওয়ার আগে অর্থ বা ব্যাংক তথ্য চাওয়া

এটি সবচেয়ে বড় সতর্কসংকেতগুলোর একটি। প্রতারকরা কখনো প্রশিক্ষণ ফি, কখনো সফটওয়্যার, কখনো ল্যাপটপ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম কিট’ কেনার কথা বলে অর্থ দাবি করে। আবার কেউ কেউ নিয়োগের শুরুতেই ব্যাংক হিসাব, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধ কোনো প্রতিষ্ঠান চাকরি দেওয়ার আগে আবেদনকারীর কাছ থেকে অর্থ নেয় না। একইভাবে নিয়োগের প্রাথমিক ধাপে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেওয়ারও প্রয়োজন পড়ে না। এমন দাবি এলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হওয়া উচিত।

প্রতারণা এড়াতে যা করবেন

প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনটি মিলিয়ে দেখুন।

প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে ‘scam’, ‘review’ বা ‘complaint’ লিখে অনলাইনে খুঁজে দেখুন।

কোনো অর্থ বা ফি দেওয়ার আগে একাধিকবার যাচাই করুন।

অফিসিয়াল ইমেইল ছাড়া অন্য মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না।

তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। সন্দেহ হলে অফারটি প্রত্যাখ্যান করুন।

শেষ কথা

চাকরি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। কিন্তু সেই স্বপ্নকে পুঁজি করে প্রতারকরাও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। তাই আকর্ষণীয় বেতন বা দ্রুত নিয়োগের প্রতিশ্রুতির চেয়ে প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, সত্যিকারের নিয়োগদাতা আপনাকে চাকরি দেওয়ার জন্য অর্থ চাইবে না; বরং আপনার যোগ্যতা যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেবে। সচেতন থাকলে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপনের ফাঁদ এড়িয়ে নিরাপদে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

তথ্যসূত্র: ফোর্বস

সকালে ঘুম থেকে উঠেই যে ৫ অভ্যাস এড়িয়ে চলা উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
সকালে ঘুম থেকে উঠেই যে ৫ অভ্যাস এড়িয়ে চলা উচিত?

সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমরা দিনের শুরুটা যেভাবে করি, তার ওপর নির্ভর করে আমাদের সারাদিনের শক্তি, কর্মদক্ষতা এবং মানসিক প্রশান্তি। একটি সুন্দর সকালের রুটিন হলো নিজের যত্নে নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি।

তবে অনেক সময় অনিচ্ছাসত্ত্বেও আমরা এমন কিছু অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি, যা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ব্যস্ততার মাঝে আমরা অধিকাংশ সময়ই সঠিক রুটিন ভুলে ভুল কিছু অভ্যাসের ওপর নির্ভর করতে শুরু করি।

মার্কিন গণমাধ্যম হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সকালে এমন কিছু কাজ আমরা করি যা আমাদের সারাদিনকে আনন্দহীন এবং ক্লান্তিকর করে তুলতে পারে। জীবনযাপনে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন এনে কীভাবে আমরা আরও সুস্থ ও প্রাণবন্ত সকাল পেতে পারি, তা নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের এই ফিচার। চলুন তাহলে জেনে নিই সকালে ঘুম থেকে উঠেই যে ৫টি অভ্যাস আপনার এড়িয়ে চলা উচিত:

১. স্নুজ বাটন বারবার চাপা

সকালে অ্যালার্ম বাজার পর ‘আর মাত্র ৫ মিনিট’ ভেবে স্নুজ বাটন টেপার অভ্যাস অনেকেরই আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্নুজ করার পর যে বাড়তি কয়েক মিনিট আমরা ঘুমাই, তা আসলে শরীরের জন্য মোটেও আরামদায়ক বা পুনরুদ্ধারকারী নয়। বরং এটি সকালের গভীর ঘুমের পর্যায়কে ব্যাহত করে, যা মানসিক অবসাদ এবং দীর্ঘমেয়াদে বিপাকীয় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এর পরিবর্তে বিশেষজ্ঞ নিকেত সোনপাল পরামর্শ দেন, অ্যালার্মের সময় অন্তত ১৫ মিনিট পিছিয়ে দিয়ে সেটি বাজার সাথে সাথেই বিছানা ছাড়ার অভ্যাস করতে।

২. দিন শুরু করা ফোনের স্ক্রিন দেখে

ঘুম থেকে চোখ মেলতেই হাতে ফোন নেওয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইল চেক করা অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি অভ্যাস। চিকিৎসক নাওমি প্যারেলা জানান, দিনের শুরুতেই বাইরের জগতের খবর বা ইমেইল চেক করার অর্থ হলো আপনার নিজের চিন্তা ও অনুভূতির নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দেওয়া। এর ফলে দিনের শুরুতেই আপনি অহেতুক দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপের শিকার হতে পারেন। ফোনের বদলে সকালের শুরুটা করুন দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে, হালকা স্ট্রেচিং করে অথবা এক গ্লাস পানি খেয়ে।

৩. সকালের নাস্তায় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার

সকালের নাস্তায় মিষ্টি জাতীয় খাবার, চিনিযুক্ত কফি বা সিরিয়াল খাওয়ার ফলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এটি আপনাকে সাময়িকভাবে শক্তি দিলেও দ্রুতই রক্তের শর্করা কমিয়ে দেয়, যার ফলে আপনি মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা দ্রুত ক্ষুধার্ত বোধ করার মতো সমস্যার সম্মুখীন হন। বিশেষজ্ঞরা সকালে চিনি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। যদি চিনিযুক্ত কিছু খেয়েও ফেলেন, তবে তার পরপরই কিছুটা শারীরিক কসরত বা হাঁটাহাঁটি করার চেষ্টা করুন।

৪. সঠিক পদ্ধতিতে মুখ পরিষ্কার না করা ও সানস্ক্রিন এড়িয়ে যাওয়া

অনেকেই মনে করেন রাতে মুখ ধুয়ে ঘুমানোর পর সকালে আর মুখ পরিষ্কারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু রাতে বালিশের ময়লা বা ধুলোবালি ত্বকে লেগে থাকতে পারে। তাই সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ঘরের বাইরে বের হন বা না হন, ত্বকের সুরক্ষায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন (SPF) ব্যবহার করা উচিত। ঘাড় এবং বুকের ত্বকেও এটি লাগানো প্রয়োজন।

৫. মানসিক সুস্বাস্থ্যের দিকে নজর না দেওয়া

সকালের ব্যস্ততায় আমরা অনেক সময় নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভুলে যাই। দিনের শুরুটা যদি ভালো না হয়, তবে সারাদিন একটি বিষণ্ণ ভাব মনের মধ্যে থেকে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, সকালে জানালার পর্দা সরিয়ে ঘরে প্রাকৃতিক আলো ঢুকতে দিন এবং অন্তত কয়েক মিনিট মেডিটেশন বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার অভ্যাস করুন। সামান্য এই সময়টুকু আপনাকে সারাদিনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ও প্রাণবন্ত রাখবে।

সকালের এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি নিজের জীবনকে আরও সুশৃঙ্খল এবং কর্মক্ষম করে তুলতে পারেন।

তথ্যসূত্র: হাফিংটন পোস্ট

সদরপুরে দুটি ভাঙা সড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সদরপুরে দুটি ভাঙা সড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার গাবতলা ও সতের রশি এলাকার পৃথক দুটি ভাঙা সড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

রবিবার (০২ আগস্ট) নির্মাণাধীন সড়ক দুটি পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ও এলাকাবাসীর ‌সঙ্গে কথা বলেন।

এসময় ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, দ্রুত এবং টেকসই ভাবে শুধু এই দুটি নয় সকল রাস্তার নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর আগামীতে এরচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করা হবে । এই এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের জনভোগান্তি দূর করতে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হবে।

এছাড়া,জনগণের দুর্ভোগ লাঘব ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে তদারকি ও কার্যকর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এমনটি প্রত্যাশা করেন তিনি।

পরিদর্শন কালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও সদরপুর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।