খুঁজুন
, ,

নগরকান্দায় ক্যাবের নতুন কমিটির সভাপতি এহসানুল হক, সম্পাদক মশিউর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় ক্যাবের নতুন কমিটির সভাপতি এহসানুল হক, সম্পাদক মশিউর রহমান

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ন্যায্যমূল্যে নিরাপদ পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) নতুন উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে এহসানুল হক মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. মশিউর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নগরকান্দা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে ক্যাবের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। ক্যাব ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ নতুন কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন। এ সময় ক্যাবের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান ও মনিরুজ্জামান তুহিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কামরুজ্জামান মোল্যা, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ফয়সাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক হিসেবে সুলতানা ইসলাম, আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট জাকারিয়া এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রোজিনা আক্তারের নাম ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সাইয়্যাদুর রহমান বাবলু, শামছুল হুদা হুদু, এ এফ এম সিদ্দিকুল আলম বাবলু, শওকত আলী শরীফ, মিজানুর রহমান মুকুল, আসলাম হোসেন নাহিদ, মাহফুজুর রহমান, বলরাম কর্মকার, মুফতী হেদায়েত উল্লাহ, মো. কামাল হোসেন (পলাশ) ও মোশাররফের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য, ওজনে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি এবং ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার মতো বিষয়গুলো প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে ক্যাবের উপজেলা পর্যায়ের কমিটি ভোক্তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উল্লেখ্য, Consumers Association of Bangladesh—সংক্ষেপে ক্যাব—বাংলাদেশের ভোক্তা অধিকারভিত্তিক একটি বেসরকারি, অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী নাগরিক সংগঠন। সংগঠনটি ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক ধরে সংগঠনটি ভোক্তার অধিকার, নিরাপদ পণ্য ও সেবা, ন্যায্যমূল্য, বাজারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে আসছে।

নগরকান্দায় নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বাজারে অনিয়ম ও ভোক্তাদের হয়রানি কমাতে জনসচেতনতা তৈরিতে কমিটিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদ প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসলো পৌরসভা, ফরিদপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান শুরু

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসলো পৌরসভা, ফরিদপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান শুরু

দীর্ঘদিনের ফুটপাত দখল ও অবৈধ স্থাপনা নিয়ে ভোগান্তির খবর প্রকাশের পর এবার ফরিদপুর শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে পৌরসভা।

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে পৌর সুপার মার্কেটের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়। এতে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানের ফলে বেশ কিছু এলাকায় পথচারীদের চলাচলের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন পর ফুটপাত ফিরে পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। তবে উচ্ছেদের পর আবারও যেন ফুটপাত দখল না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এর আগে গত ২৫ জুলাই ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ফুটপাত দখল করে দোকানপাট, ভাসমান ব্যবসা ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় পথচারীদের দুর্ভোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, জনতা ব্যাংক মোড়, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারসংলগ্ন সড়ক, থানা মোড়, গোয়ালচামট, রাজবাড়ী রাস্তার মোড় ও টেপাখোলা সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখলের কারণে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

ওই প্রতিবেদনে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় ব্যস্ত সড়ক দিয়ে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন পথচারীরা। এতে একদিকে যেমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। ব্যবসায়ীরা অবশ্য জীবিকার তাগিদে ফুটপাতে বসার কথা জানিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, রোববারের অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জাকী। অভিযানে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান, উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শরিফুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) লাইজিং হোসেন রাজুসহ পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

অভিযানকালে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে নতুন করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

ফরিদপুর পৌরসভার কর্মকর্তারা জানান, শহরের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখল করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুর সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সাংবাদিক হাসানউজ্জামান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, শুধু একদিনের অভিযানেই সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিত মনিটরিং ও উচ্ছেদ কার্যক্রম চালু রাখা প্রয়োজন। এটা যেন লোকদেখানো অভিযান না হয়। পাশাপাশি জীবিকার প্রয়োজনে ফুটপাতে বসা ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা হলে একদিকে যেমন তাদের জীবিকা রক্ষা হবে, অন্যদিকে পথচারীরাও ফিরে পাবেন নিরাপদে হাঁটার অধিকার।

ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে পৌরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নগরবাসী। তাদের মতে, উচ্ছেদ অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেই ফরিদপুর শহরের ফুটপাতগুলো স্থায়ীভাবে পথচারীবান্ধব হয়ে উঠবে।

এর আগে গত ২৬ জুলাই ‘ফরিদপুরে ফুটপাত দখলে নাকাল পথচারী, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে হাঁটছেন নগরবাসী‘ এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ফরিদপুর প্রতিদিন। এর পরই অভিযানে নামলো ফরিদপুর পৌরসভা।

ফরিদপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের একটি মামলায় সিদ্দিক মাতুব্বর (৬০) নামে এক আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (০৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ফরিদপুর শহরের কোর্টপাড় এলাকা থেকে ওই আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিদ্দিক মাতুব্বর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া গ্রামের জহুর মাতুব্বরের ছেলে। এছাড়া সে একই উপজেলার পরমেশ্বরী ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক।

গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, বৈষম্যেবিরোধী আন্দোলনের একটি মামলায় সিদ্দিক মাতুব্বরকে ফরিদপুরের কোর্টপাড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।

যে ৯ পাপের শাস্তি দুনিয়াতে না পেয়ে কারও মৃত্যু হবে না?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
যে ৯ পাপের শাস্তি দুনিয়াতে না পেয়ে কারও মৃত্যু হবে না?

মানুষের জীবনে এমন কিছু পাপ রয়েছে, যেগুলোর শাস্তি কেবল পরকালের জন্য স্থগিত থাকে না; বরং দুনিয়াতেই তার প্রতিফলন দেখা যায়। কখনো তা আসে পারিবারিক অশান্তি হিসেবে, কখনো সামাজিক অপমান, আবার কখনো জীবনের বরকত ও শান্তি হারানোর মধ্য দিয়ে।

সমসাময়িক সমাজ বাস্তবতায় দেখা যায়, প্রযুক্তির বিস্তার ও ভোগবাদী জীবনের চাপে অনেকেই অজান্তে কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে এসব গুরুতর পাপে জড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু এর ভয়াবহতা অনুধাবন করতে না পারায় তারা দুনিয়াতেই নানা ধরনের সংকট, অস্থিরতা ও বিপদের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ বাস্তবতাকে সামনে এনে জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ ইউটিউবে এক আলোচনায় কোরআন-হাদিসের আলোকে এমন ৯টি পাপের কথা তুলে ধরেছেন, যেগুলোর শাস্তি দুনিয়াতে ভোগ করানো ছাড়া আল্লাহ কাউকে মৃত্যু দেবেন না।

নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সেই ১০টি ভয়াবহ পাপ তুলে ধরা হলো—

১. মা-বাবার অবাধ্যতা

মা-বাবার সাথে বেয়াদবি, তাদের অশ্রদ্ধা করা বা তাদের অধিকার খর্ব করা এমন এক অপরাধ, যার শাস্তি আল্লাহ দুনিয়াতেই দিয়ে থাকেন। হাদিস অনুযায়ী, মা-বাবার নাফরমান সন্তানের প্রায়শ্চিত্ত দুনিয়াতে ভোগ করা ছাড়া মৃত্যু হয় না। এই পাপ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো মা-বাবার কাছে সরাসরি ক্ষমা চাওয়া এবং তাদের সন্তুষ্ট করা।

২. জুলুম

কারো ওপর গায়ের জোর খাটানো বা মাস্তানি করা এমন এক জঘন্য পাপ, যার শাস্তি আল্লাহ দুনিয়াতে নগদ দেন। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো জালেমই জুলুম করে পার পায়নি। এমনকি পশুপাখিও যদি একে অন্যের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার বিচার করবেন। মাজলুম ব্যক্তি যদি অন্য ধর্মেরও হয়, তবুও আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দেন এবং জালেমকে পাকড়াও করেন।

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা

রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা একটি ভয়াবহ অপরাধ। অনেক সময় মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ‘কাগুজে বন্ধু’দের নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নিজের আপন ফুফু, চাচা বা ভাই-বোনের খবর রাখে না। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, আল্লাহ তার সাথে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

৪. কথায় কথায় মিথ্যা বলা এবং আমানতের খেয়ানত করা

মিথ্যা সব পাপের মূল। যারা কথায় কথায় মিথ্যা বলে এবং আমানতের খেয়ানত করে, তাদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হয়। মিথ্যাবাদী ও আমানতের খেয়ানতকারীদে জীবনে আল্লাহ কখনোই বরকত দান করেন না এবং দুনিয়াতেই তাদের লাঞ্ছিত হতে হয়।

৫. মানুষকে অপমান ও অপদস্ত করা

আজকাল বন্ধু-বান্ধব মিলে কাউকে নিয়ে ট্রল করা বা ‘রেগিং’ করাকে বিনোদনের অংশ মনে করা হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, যে ব্যক্তি অন্যকে অপমান করে, সে নিজেও কোনো না কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের কাছে অপমানিত হবেই—এটি আল্লাহর নিয়ম।

৬. লোকদেখানো ইবাদত

মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য বা ফেসবুকে লাইক-কমেন্ট পাওয়ার আশায় কোনো ভালো কাজ করা লৌকিকতা। যারা মানুষকে দেখানোর জন্য দান-সদকা বা ইবাদত করে, তাদের আমলের কোনো সওয়াব তো থাকেই না, উল্টো দুনিয়াতে তাদের জন্য লাঞ্ছনা অপেক্ষা করে।

৭. নেয়ামতের অকৃতজ্ঞতা

আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত ভোগ করে যদি কেউ তার শোকর আদায় না করে কিংবা যে মানুষটি তার উপকার করেছে তার প্রতি কৃতজ্ঞ না হয়, তবে আল্লাহ সেই নেয়ামত ছিনিয়ে নেন। অকৃতজ্ঞ ব্যক্তির জীবনে অভাব-অনটন ও ভয় গ্রাস করে।

৮. ব্যবসায় প্রতারণা ও ওজনে কম দেওয়া

মাপে কম দেওয়া বা ভালো মালের নিচে পচা মাল লুকিয়ে রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। কোনো বিক্রেতা যদি কাস্টমারের সাথে প্রতারণা করে, তবে সে রাসুলের (সা.) উম্মত হিসেবে দাবি করার যোগ্যতা হারায়। এই ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা পার্থিব সম্পদে বরকত পায় না এবং অশান্তিতে ভোগে।

৯. আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস ও অবাধ্যতা

যে কোনো ধরনের পাপ বা আল্লাহর বিধানের অবাধ্যতার একটি বড় শাস্তি হলো মানসিক অশান্তি ও ডিপ্রেশন। দেখা যায়, সব ধরনের ভোগ-বিলাসের উপকরণ থাকা সত্ত্বেও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির মনে শান্তি থাকে না, যা অনেক সময় তাদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়।