খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

সারাদেশে অব্যাহত নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু সহিংসতার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপিকা শিপ্রা রায়ের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হোসনে আরা বেগমের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনটির নেত্রী রুমা খন্দকার, প্রীতি কনা রাহা, সুফিয়া ইয়াসমিন লিপি, ডিউবি শিকদার, রুবিয়া মিল্লাত, রুমা সাহা ও আসমা আক্তার মুক্তা।

​সমাবেশে বক্তারা সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, দিন দিন এসব অপরাধ বেড়েই চলেছে, অথচ কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো প্রতিকার দেখা যাচ্ছে না। শিশু থেকে বৃদ্ধা—কেউই আজ নিরাপদ নয়।

​নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করার দাবি জানানো হয় সমাবেশ থেকে। এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নির্মূলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

‘আলফাডাঙ্গায় জেলেদের ভিজিএফ কার্ড না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক’: ইলিয়াস মোল্লা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
‘আলফাডাঙ্গায় জেলেদের ভিজিএফ কার্ড না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক’: ইলিয়াস মোল্লা

মাছের প্রজনন ও পোনা সুরক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের আয়ের বিকল্প পথ বন্ধ থাকে। অথচ এমন সংকটের মুখেও আলফাডাঙ্গার জেলেদের জন্য ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্লা।

​রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা বলেন, “মা মাছ ও পোনা রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলাই নিবন্ধিত জেলেদের প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার সময় অন্তত তাদের দুই বেলা খাবারের নিশ্চয়তা দেওয়া রাষ্ট্রের কর্তব্য। জেলে পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দের ডিও পাঠাতে আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিচ্ছি।”

​প্রয়োজনে নিজে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জেলেদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে আনার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ফরিদপুর-১ আসনের এই জনপ্রতিনিধি।

​আলফাডাঙ্গা উপজেলার মৎস্য খাতের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এ উপজেলায় উৎপাদিত মাছের পরিমাণ স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরে পাঠানোর মতো। সরকার ঘোষিত ‘যার জাল, তার জলাধার’ নীতি মাঠপর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করে সরকারি জলাশয়গুলো উন্মুক্ত করা গেলে এ অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এতে জাতীয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনও বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।”

​দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য ও কৃষিবিদদের অবদানের প্রশংসা করে তিনি গবেষণানির্ভর আধুনিক মৎস্য চাষের ওপর তাগিদ দেন। একইসঙ্গে নতুন গবেষক তৈরি এবং জাতীয়পর্যায়ে মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

​উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— ​এগ্রিকালচারালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের মহাসচিব কৃষিবিদ শেখ মোহাম্মদ মাসউদ,​আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আল-আমিন,​উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন,​উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কামাল হোসাইন ও সেক্রেটারি এস এম হাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

​এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদের পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন অতিথিরা। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উপজেলার তিনজন সফল মৎস্যচাষীকে সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ভাঙ্গায় পেঁয়াজ বীজ, এয়ারফ্লো মেশিন ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ করলেন এমপি বাবুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় পেঁয়াজ বীজ, এয়ারফ্লো মেশিন ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ করলেন এমপি বাবুল

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ২০২৪–২৫ অর্থ বছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ, সার, পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ারফ্লো (Air Flow) মেশিন এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে পোশাক ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

​রোববার (১৬ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব প্রণোদনা ও সরকারি সহায়তার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: শহিদুল ইসলাম বাবুল স্থানীয় সুবিধাভোগী কৃষক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেন।

​বিতরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মো: শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, “উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে ২০০ জন কৃষককে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য ৪০০টি এয়ারফ্লো (Air Flow) মেশিন বিতরণ করা হচ্ছে। এই এয়ারফ্লো মেশিনগুলো ভালো পরিবার ও কৃষকরা পেলে তাদের পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য একটি ভালো ব্যবস্থা হবে। পর্যায়ক্রমে আমরা এলাকার সকল কৃষকের মাঝে এই সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করব।”

​সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্য সুবিধাভোগী একাধিক স্থানীয় নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং এই সরকারি প্রণোদনা ও ঢেউ টিন পেতে কারো কোনো অর্থ বা ঘুষ দেওয়া লেগেছে কি না তা সরাসরি জিজ্ঞেস করেন। সুবিধাভোগীরা কোনো বাড়তি টাকা না দেওয়ার কথা জানালে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

​চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এমপি বাবুল বলেন, “বৃষ্টি ও জমে থাকা পানির কারণে শহর থেকে গ্রামে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ডেঙ্গুর এই ভয়াবহ প্রকোপ রোধে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ইউনিফর্ম এবং দরকারি পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী দেওয়া হলো। আশা করি, তারা ভাঙ্গা পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।”

​এছাড়া কর্মসূচি অংশ হিসেবে জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য ক্রীড়া সামগ্রী (ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট ব্যাট ইত্যাদি) বিতরণ করা হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা ও ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সাফল্যের উচ্ছ্বাসে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সংবর্ধিত ১৮২ কৃতি শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
সাফল্যের উচ্ছ্বাসে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সংবর্ধিত ১৮২ কৃতি শিক্ষার্থী

ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১৮২ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। কৃতি শিক্ষার্থীদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে আরও বড় সাফল্য অর্জনের জন্য উৎসাহিত করেন অতিথিরা।

রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৩টায় ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের ড্রিলশেডে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সংবর্ধনা পাওয়া ১৮২ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩৬ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৯ জন এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৯৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাদের ধারাবাহিক এই সাফল্যে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়।

ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল কায়ূম শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র শিক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি ও পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), ফরিদপুরের সভানেত্রী শায়লা শারমীন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের সহযোগী অধ্যাপক নুরুল কাদের পারভেজ, সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য শুধু পরীক্ষার ফলাফল কিংবা জিপিএ-৫ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল লক্ষ্য। কৃতি শিক্ষার্থীদের এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল ও ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৎ, দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা জরুরি। এজন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে তাদের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অর্জিত সাফল্যকে ভবিষ্যতের আরও বড় অর্জনের ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। দেশ ও সমাজের জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, একটি ভালো ফলাফল একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সততা, পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল ও ক্রেস্ট তুলে দিয়ে তাদের সম্মাননা জানান। ক্রেস্ট হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস। শিক্ষক ও অভিভাবকরাও সন্তানদের এমন অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের এ আয়োজন শুধু কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্যের পথে আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রত্যাশা—এই কৃতি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে সাফল্যের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।