খুঁজুন
, ,

বদনজর ও কালো জাদুর ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত থাকার ৫ আমল

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
বদনজর ও কালো জাদুর ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত থাকার ৫ আমল

আদম সন্তানদের দুনিয়ার জীবনে নানা রকম পরীক্ষার মুখোমুখী হতে হয়। কখনো শরীরের অসুস্থতা দিয়ে, কখনো জীবনের সংকট বা সম্পদের ক্ষতি দিয়ে রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দাকে পরীক্ষা করেন। একজন মুমিন হিসেবে এসব পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে আল্লাহর হুকুম মেনে চলা এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পথ অনুসরণ করাই হলো প্রকৃত সফলতার উপায়।

তবে, বাস্তব জীবনে আমরা অনেক সময় এমন কিছু অদৃশ্য সমস্যার মুখোমুখি হই, যা চিকিৎসা বা দুনিয়াবি উপায়ে সহজে ব্যাখ্যা করা যায় না। এর মধ্যে অন্যতম হলো বদনজর এবং কালো জাদু। হিংসা-ঈর্ষা থেকে মানুষের দৃষ্টির আঘাত বা বদনজর যেমন বাস্তব, তেমনি কারও ক্ষতি সাধনে কালো জাদু করার বিষয়টিও সত্য এবং তা ইসলামে গুরুতর গোনাহের অন্তর্ভুক্ত।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) বলেছেন, বদনজর লাগা সত্য (আবু দাউদ: ৩৮৭৯)

অন্যদিকে খোদ নবীজি (সা.) জাদু করার মতো ধ্বংসকারী কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। বোখারি শরিফের এক হাদিসে বলা হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ৭টি ধ্বংসকারী বিষয় থেকে তোমরা বিরত থাকবে। এ কথা শুনে সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসুল! সেগুলো কী? তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে শরিক করা, জাদু, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে কাউকে হত্যা করা (যা আল্লাহ হারাম করেছেন), সুদ খাওয়া, এতিমের মাল ভক্ষণ করা এবং সরল প্রকৃতির সতী মুমিন নারীদের অপবাদ দেওয়া। (বোখারি : ২৫৭৮)

তবে কেউ যদি জাদুটোনা অথবা বদনজরের শিকার হয় কিংবা এর থেকে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তবে এসবের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার আমলের কথাও হাদিসে এসেছে।

চলুন, জেনে নিই বদনজর ও কালো জাদুর ক্ষতি থেকে বাঁচার ৫ আমল—

এক. উসমান ইবনে আফফান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় যে ব্যক্তি তিনবার নিচের দোয়াটি পাঠ করবে, কোনোকিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। দোয়াটি হলো, بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা-ইয়াদুররু মাআস্‌মিহি শাইয়্যিন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস-সামায়ি ওয়া-হুয়াস-সামিউল আলিম।

অর্থ : আমি আল্লাহর নাম নিচ্ছি। জমিন ও আসমানের কোনোকিছুই যাঁর নামের বরকতে ক্ষতি সাধন করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। (তিরমিজি: ৩৩৮৮)

দুই. সকাল সন্ধ্যার আরেকটি দোয়া أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণ : আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিনশাররি মা খালাকা।

অর্থ : আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর অসিলায় তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার মন্দ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এই দোয়াটি সন্ধ্যার সময় পড়লে ওই রাতে কোনো সাপ-বিচ্ছু ইত্যাদি কষ্ট দিতে পারে না। (তিরমিজি: ৩৪৩৭)

তিন. জাদু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে জিবরাইল আলাইহিস সালাম নবীজিকে (সা.) এই দোয়া পড়ে ফুঁ দিয়েছিলেন। بِاسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَىْءٍ يُؤْذِيكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اللَّهُ يَشْفِيكَ بِاسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আরক্বিকা মিন কুল্লি শাইয়্যিন ইয়্যুজিকা মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনিন হা-সিদিন, আল্লাহু ইয়াশফিকা বিসমিল্লাহি আরক্বিকা।

অর্থ: আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি, সকল কষ্টদায়ক বিষয় থেকে। প্রত্যেক আত্মা ও ঈর্ষাপরায়ণ চক্ষুর অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য করুন। আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি। (মুসলিম: ২১৮৬, তিরমিজি: ৯৭২)

চার. সুরা ফালাক ও নাস এক্ষেত্রে অনেক বেশি উপকারী বলে জানিয়েছেন ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার। তিনি সকাল-সন্ধ্যা সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস প্রতিটি তিন বার করে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

পাঁচ. সুরা ফাতেহার অপর নাম হলো সুরা শিফা অর্থাৎ আরোগ্য লাভের সুরা। বদনজর ও কালো জাদুর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকতে এই সুরাও পড়া যেতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন মুফতি আবরার।

ফরিদপুরে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে পুলিশের প্রশিক্ষণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে পুলিশের প্রশিক্ষণ শুরু

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে দুই দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হয়েছে।

​বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ফরিদপুর পুলিশ লাইনসের শহীদ ছালাম সভাকক্ষে প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রথম ব্যাচের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম।

​উদ্বোধনী বক্তব্যে ফাতেমা ইসলাম বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ফরিদপুর জেলা পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনি দায়িত্বে সততা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার বিকল্প নেই। এ ধরনের প্রশিক্ষণ সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

​প্রথম ব্যাচে জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিট থেকে আসা ৫০ জন পুলিশ সদস্য অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, আইন প্রয়োগে মানবিক হওয়া, জনগণের আস্থা অর্জন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যায় মামলা, আসামি ৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যায় মামলা, আসামি ৪৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় চা দোকানি রবিউল ইসলাম শেখ রবি (৫৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

​বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

​এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রবিউলের ভাতিজা নাজমুল শেখ বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

​থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়বাগ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখের ছেলে মো. হোসাইন শেখকে এই হত্যাকাণ্ডের মূল নির্দেশদাতা (হুকুমের আসামি) করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্য আসামিরাও একই এলাকার বাসিন্দা।

​মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল বড়ভাগ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা সদর বাজারে চা বিক্রি করতেন। ঘটনার রাতে দোকান বন্ধ করে নিজ গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে হোসাইন শেখের নেতৃত্বে একদল হামলাকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রবিউলের মৃত্যু হয় এবং সঙ্গে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন।

​আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার জানান, নিহতের ভাতিজার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

​উল্লেখ্য, বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে গত ২৬ জুন সুমন শেখ (৩০) নামে এক যুবক খুন হন। নিহত রবিউল ছিলেন সুমনের চাচা। ওই সুমন হত্যা মামলারও প্রধান হুকুমের আসামি ছিলেন হোসাইন শেখ। পূর্বের মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এলাকায় আসার পরই এ নতুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অবশেষে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন পদে মঞ্জুর এ এলাহীর পদায়ন বাতিল

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ
অবশেষে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন পদে মঞ্জুর এ এলাহীর পদায়ন বাতিল

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীর বদলি ও পদায়নের আদেশ বাতিল করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর পদায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অংশ বাতিল করা হয়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর জারি করা স্মারকমূলে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীকে ওএসডি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা থেকে সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব), ফরিদপুর হিসেবে বদলি/পদায়নের ক্ষেত্রে তাঁর জন্য প্রযোজ্য অংশ নির্দেশক্রমে বাতিল করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন বাতিলের দাবিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন ছাত্র সমাজ। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষোভকারীরা ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ তুলে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁকে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে না রাখার দাবি করেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ওই সময় নবনিযুক্ত সিভিল সার্জনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের উপস্থিতিও দেখা যায়। পরে আপাতত অবরোধ স্থগিত করে আন্দোলনকারীরা পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে সতর্ক করেন।

এর দুই দিন পরই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে বদলি/পদায়নের আদেশ বাতিলের কথা জানানো হলো।

প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), ফরিদপুরের সিভিল সার্জন/সহকারী পরিচালক এবং জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।