নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজে ছাত্রদলের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
প্রতিটি মানুষেরই কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য থাকে, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। কারও চিন্তাভাবনা, কারও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধরন, আবার কারও জীবন পরিচালনার কৌশলে ফুটে ওঠে ব্যক্তিত্বের গভীরতা।নারীদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়।
একজন বুদ্ধিমান নারী কেবল জ্ঞান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় এগিয়ে থাকেন না, বরং তার চিন্তাভাবনা, আত্মবিশ্বাস, সম্পর্কের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতাও তাকে আলাদা করে তোলে।মনোবিজ্ঞানের বিভিন্ন আলোচনায় মানুষের আচরণ ও পছন্দকে তার চিন্তাভাবনা এবং ব্যক্তিত্ব বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে একজন বুদ্ধিমান নারীর মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়।
চলুন, জেনে নেওয়া যাক এমন পাঁচটি বৈশিষ্ট্য
অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেন
একজন বুদ্ধিমান নারী নিজের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি অন্যের দৃষ্টিভঙ্গিকেও সম্মান করেন।
কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা, চারপাশের মানুষের মতামত এবং পরিস্থিতির নানা দিক বিবেচনা করেন। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিলেও নিজের চিন্তাভাবনা বা বিশ্বাস থেকে সহজে সরে আসেন না। বরং যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে নিজের অবস্থান নির্ধারণ করেন। ভুল হলে তা স্বীকার করার মানসিকতাও তার মধ্যে থাকে।
বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বেছে চলেন
বুদ্ধিমান নারীরা সাধারণত সম্পর্কের সংখ্যার চেয়ে গুণগত মানকে বেশি গুরুত্ব দেন। সবার সঙ্গে পরিচিত হওয়া বা অনেক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করাই তাদের কাছে বন্ধুত্বের মূল বিষয় নয়। বরং যাদের সঙ্গে বিশ্বাস, সম্মান ও মানসিক বোঝাপড়া তৈরি হয়, তাদেরই কাছের মানুষ হিসেবে বেছে নেন। তারা সহজে কাউকে ব্যক্তিগত জীবনে জায়গা দেন না। তবে একবার কাউকে আপন করে নিলে সেই সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল থাকেন।
সময়ের সঠিক ব্যবহার জানেন
সময় ব্যবস্থাপনা একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও কর্মদক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ দিক। একজন বুদ্ধিমান নারী নিজের ব্যক্তিগত জীবন, পেশাগত দায়িত্ব এবং সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেন। কোন কাজটি আগে করা প্রয়োজন, কোনটির জন্য কতটা সময় দেওয়া উচিত, এসব বিষয়ে তার পরিকল্পনা থাকে। অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট না করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেন। ফলে ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন।
নিজের সিদ্ধান্তের প্রতি আত্মবিশ্বাসী
নিজের ওপর আস্থা রাখা বুদ্ধিমান নারীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তারা জানেন, জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সবার পছন্দ হবে না। তাই অন্যের সমালোচনা বা নেতিবাচক মন্তব্যে সহজে বিচলিত হন না। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালো-মন্দ বিবেচনা করেন এবং সিদ্ধান্তের দায়িত্ব নিতেও প্রস্তুত থাকেন। চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লে ভয় পেয়ে পিছিয়ে না গিয়ে পরিস্থিতি বুঝে সমাধানের চেষ্টা করেন। একইসঙ্গে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন।
ধৈর্য ধরে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান
সাফল্য অর্জনের জন্য শুধু মেধা বা যোগ্যতাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ধৈর্য ও অধ্যবসায়। একজন বুদ্ধিমান নারী জানেন, জীবনে সবকিছু চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায় না। তাই সাময়িক ব্যর্থতা বা বাধাকে তিনি চূড়ান্ত পরাজয় হিসেবে দেখেন না। বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শান্ত থাকার চেষ্টা করেন এবং নিজের লক্ষ্য থেকে সহজে সরে আসেন না।
বুদ্ধিমত্তা শুধু মেধায় নয়, আচরণেও
একজন নারীর বুদ্ধিমত্তা শুধু তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কথাবার্তা কিংবা জ্ঞান দিয়ে বিচার করা যায় না। বরং তিনি কীভাবে চিন্তা করেন, অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন, সময়ের ব্যবহার করেন এবং জীবনের কঠিন পরিস্থিতি সামাল দেন, এসবের মধ্যেও তার বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ ঘটে।
এই বৈশিষ্ট্যগুলো কোনো নারীর বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের চূড়ান্ত মাপকাঠি নয়। মানুষের ব্যক্তিত্ব ও সক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। বুদ্ধিমত্তার সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ তখনই ঘটে, যখন জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস, বিবেচনাবোধ ও মানবিকতা একসঙ্গে কাজ করে।
ফরিদপুরে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এ উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সোহরাব হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুস্মিতা সাহা, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ প্রতীম মন্ডল এবং ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম কাইউম জঙ্গী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা।
সভায় বক্তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহনশীলতা ও ঐক্য বজায় রেখে এগিয়ে আসতে হবে।
একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়।
‘কাল বিকেলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’ মুঠোফোনে মাকে বলা ছেলের শেষ কথাগুলো এখন বারবার মনে পড়ছে রেখা বেগমের। অভিযানে যাওয়ার আগে মায়ের কাছে দোয়া চেয়েছিলেন সেনাসদস্য তিতাস শেখ (২৮)। তবে সেই অভিযান থেকে আর ফেরা হয়নি তাঁর।
কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তিতাসের মরদেহ আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৪.৪০ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে ফরিদপুরের নগরকান্দায় আনা হয়। সন্ধ্যায় লস্করদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে গ্রামের স্থানীয় গোরস্থানে নানীর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
তিতাসের মরদেহ বহনকারী সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারটি শুক্রবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে নগরকান্দা সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে অবতরণ করে। সেখানে পদ্মা সেনানিবাসের ১৫ আর-ই রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের মেজর সোহেলের নেতৃত্বে সেনাসদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করেন। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের বাড়িতে। মরদেহ পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়িতে ভিড় করেন। এ সময় মা রেখা বেগম, বাবা আফজাল শেখ ও স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারসহ স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লস্করদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাদ মাগরিব তিতাসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে সেখানে উপস্থিত হয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এ সময় তিতাসের ইউনিটের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন সাজিদসহ সেনাবাহিনীর সদস্য, পরিবারের লোকজন, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় লস্করদিয়া স্থানীয় গোরস্থানে। সেখানে নানীর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর ক্যাপ্টেন সাজিদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তিতাসের কবরে সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সামরিক আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে সেনাসদস্যরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি আকাশের দিকে ছোড়েন। এভাবেই রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয় টেকনাফে দায়িত্ব পালনকালে নিহত এই সেনাসদস্য তিতাস শেখকে।
তিতাসের মৃত্যুর পর থেকে শোকে ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা রেখা বেগম। গত বুধবার রাতে মুঠোফোনে মাকে অভিযানে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিতাস। বলেছিলেন, ‘আগামীকাল বিকেলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’ ছেলের এমন কথায় দোয়া করেছিলেন মা। কিন্তু সেটিই যে তাঁদের শেষ কথা হবে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে ছেলের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর থেকে কান্নায় থামছে না তাঁর।
অন্যদিকে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। চার বছর আগে পাশের গ্রামের সুমাইয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তিতাসের। তাঁদের সংসারে কোনো সন্তান এখনো আসেনি। আগামী ডিসেম্বর মাসে স্ত্রীকে নিজের কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। সেই অপেক্ষায় ছিলেন সুমাইয়া। কিন্তু ডিসেম্বর আসার আগেই স্বামীকে হারাতে হলো। আর সন্তান হারানোর শোকে নির্বাক হয়ে পড়েছেন বাবা আফজাল শেখ।
তিতাসের পরিবারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর বাবা আফজাল শেখ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। বাবার পথ অনুসরণ করে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন তিতাস। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তাঁর ছোট ভাই আকরাম হোসেনও বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত। পরিবারের তিন সদস্যের সেনাবাহিনীতে যুক্ত থাকার মধ্যে তিতাসের এমন মৃত্যুতে স্বজনদের শোকের পাশাপাশি এলাকায়ও শোকের মাতম তৈরি হয়েছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছিল। এ সময় পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলি তিতাসের বুকের বাঁ পাশের ওপরের অংশে লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসামরিক অ্যাম্বুলেন্সে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিতাস সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য ছিলেন। তিনি টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে অভিযানে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর মরদেহ রামু সিএমএইচে রাখা হয়। সামরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার হেলিকপ্টারে করে নিজ এলাকায় পাঠানো হয় তাঁকে।
নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার বিকেলে হেলিকপ্টারে করে তিতাসের মরদেহ নগরকান্দায় পৌঁছায়। পরে গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থানীয় গোরস্থানে নানীর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন