বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন শেখ হাসিনার বাবুর্চি সালথার মোশারফ : দখল করেছেন জমি!
বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে সরকারের কাজের গতি বাড়াতে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দায়িত্বের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।
ফলে মন্ত্রিসভায় আপাতত কোনো পরিবর্তন না করে নতুন চারজনকে যুক্ত করা হতে পারে। এমনটি জানা গেছে। তবে, এ প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার তারেক রহমানের। তিনি যখন চাইবেন তখনই বাস্তবায়িত হবে।
আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ৬ মাস পূর্ণ হচ্ছে। দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা চলছে। তবে এই পর্যালোচনায় মন্ত্রিসভার পরিবর্তন বা বড় ধরনের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, সরকারের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কাজের চাপ কমানো এবং নীতিনির্ধারণে আরো মনোযোগ দেওয়ার জন্য নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এমপি এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।
এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শামীম কায়সার লিংকন এমপি যুক্ত হতে পারেন বলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নির্ধারিত উপদেষ্টারা এবং বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, সেটি চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
অর্থাৎ প্রথম ধাপে ‘রদবদল’ নয়, বরং ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট’ হতে পারে। এতে বর্তমান মন্ত্রিসভার কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। এরই মধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এসব রিপোর্ট মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এছাড়া একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের কাজের চাপ কমাতে সেসব মন্ত্রণালয়ে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আছে।’
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। আমরা কতটা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করেছি, প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম আছে, গণমাধ্যম আছে-এসবের মাধ্যমে হয়তো খোঁজখবর নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, গত ছয় মাসে উনার যতগুলো কর্মকাণ্ড দেখতে পেয়েছি, যেগুলোর কোথাও কোনো ভুল হয়নি।’
‘মৃত্যু নিশ্চিত’ এ কথা সব ধর্মের মানুষই বিশ্বাস করেন। তবে কোনো মানুষই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু কামনা করেন না। প্রতিটি মুসলিমেরই একান্ত চাওয়া, তার মৃত্যু যেন ইমানি হালতে হয়। ভালো অবস্থায় হয়। কারণ শেষ সময়টাই আল্লাহ তায়ালার নিকট সবিশেষ গ্রহণযোগ্য। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘শেষ আমলই গ্রহণযোগ্য।’ (ইবনে হিব্বান: ৩৪০)
চলুন, জেনে নিই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু থেকে বাঁচার ৫ আমল—
সদকা করা
সদকার মাধ্যমে অপমৃত্যু রোধ হয় এবং সুন্দর মৃত্যু ভাগ্যে জোটে। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সদকা অপমৃত্যু রোধ করে।’ (তিরমিজি: ৬৬৪)
অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একটি সদকা করল এবং এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলো, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২২৮১৩)
মিসওয়াক করা
মিসওয়াক প্রিয় নবীর (সা.) খুবই পছন্দনীয় আমল। এর দ্বারা মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জিত হয়। হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) থেকে বর্ণিত, হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মেসওয়াক মুখের পবিত্রতা এবং আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম’ (নাসায়ি : ০৫)। আর আল্লাহর সন্তুষ্টিই যদি অর্জিত হয়ে যায়, তাহলে সুন্দর মৃত্যু নিশ্চিতভাবেই আশা করা যায়।
ইবনে আবেদিন শামি (রহ.) লেখেন, ‘মেসওয়াকের উপকার ত্রিশের অধিক। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো, তা দ্বারা মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। আর সর্বোচ্চ উপকারিতা হলো মৃত্যুর সময় কালেমা শাহাদাত স্মরণ হয়।’ (ফতোয়ায়ে শামি: ১/২৩৯)
দৃষ্টির হেফাজত করা
মানবজীবনের অধিকাংশ পাপাচার সংঘটিত হয় দৃষ্টির হেফাজত না করার কারণে। এ জন্য আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে নারী-পুরুষের দৃষ্টিকে সংযত রাখতে আদেশ করেছেন। (সুরা নুর : ৩০)
দৃষ্টি সংযত রাখলে ইমানের স্বাদ অনুভব করা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে আমার ভয়ে স্বীয় দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবে, আমি তার মধ্যে এমন ইমান সৃষ্টি করব যে, সে অন্তরে এর স্বাদ অনুভব করবে।’ (তাবরানি: ১০৩৬২)
নামাজের প্রতি গুরুত্বারোপ
ইমানের সঙ্গে নামাজের সম্পর্ক খুবই গভীর। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ‘নামাজ’ বুঝাতে ‘ইমান’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ এমন নন যে তোমাদের ইমান তথা নামাজ নষ্ট করে দেবেন।’ (সুরা বাকারা: ১৪৩)
এ থেকে বোঝা যায় যে, ইমান ও নামাজ পরস্পর আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত। হজরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(মুমিন) বান্দা এবং কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ পরিত্যাগ করা’(মুসলিম : ৮২)। অর্থাৎ মুমিন নামাজ পরিত্যাগ করে না আর কাফের নামাজ আদায় করে না।
সব সময় অজু অবস্থায় থাকা
অজু অবস্থায় কেউ মৃত্যুবরণ করলে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ হয় বলে হাদিস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন তাকে নসিহত করে বলেন, ‘হে ছেলে! সম্ভব হলে সব সময় অজু অবস্থায় থেকো। মৃত্যুর ফেরেশতা অজু অবস্থায় যার রুহ কবজ করবে, তার জন্য শাহাদাতের মর্যাদা লাভ হয়।’ (ইবনে হিব্বান: ২/১৫৪)
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহঃ শাহনুর জামানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেছে স্থানীয় শিক্ষক সমাজের শীর্ষ দুটি সংগঠন। বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে এই শুভেচ্ছা জানান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক আনন্দঘন পরিবেশে সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত ইউএনও’র হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন। এ সময় আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার দৃঢ় ব্যক্ত করা হয়।
সৌজন্য সাক্ষাতকালে উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপজেলা শাখার সভাপতি ও বেজীডাঙ্গা কাজী আমেনা ওয়াহেদ উচ্চ বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক ও পানাইল ইউনাইটেড একাডেমির প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিরগ্রাম শাহাজাদী শিরিন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসীবুজ্জামান শাহিনসহ ঐক্যজোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার পক্ষে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনটির সভাপতি ও ইকড়াইল খাইরুন্নেছা মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ও চরনারানদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলামসহ শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকালে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহঃ শাহনুর জামান শিক্ষকদের এই আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার সার্বিক মান বাড়াতে শিক্ষক সমাজের সক্রিয় সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন। শিক্ষক নেতৃবৃন্দও ইউএনও’র সফল কর্মজীবন কামনা করে সব ধরনের ইতিবাচক পদক্ষেপে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
আপনার মতামত লিখুন
Array