খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে পাট শুকানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পাট শুকানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চলাচলের সড়কে পাট শুকানোর বাঁশপুতাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (০৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বাজিদাদপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ৭ জনকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে উত্তম সরকার (৩০) নামে একজনকে আশঙ্কজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গুরুতর আহতরা হলেন, বাজিদাদপুর গ্রামের বিশ্বাস গ্রুপের জগদীশ বিশ্বাস (৬০), জয়ন্ত বিশ্বাস (২৬) ও অপূর্ব বিশ্বাস (৩৫) এবং বালা গ্রুপের শিবু বালা (৬০), রতন বালা (৪০) ও সুজন সরকার (২৫)। তারা সকলেই ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া জগদীশের স্ত্রী ইতি বিশ্বাস (৫২), সুশান্ত বিশ্বাস (৩০), রবিন বিশ্বাস (৫০), সমীর বিশ্বাস (৪০), সুজন সরকার (৩০), শুক্লা বিশ্বাস (৩৩)সহ বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বাজিদাদপুর গ্রামের নীতিশ কুমার বালা (৫৫) ও জগদ্বীশ কুমার বিশ্বাসের (৬০) মধ্যে বাড়ির সামনে রাস্তা সংলগ্ন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক বসে। সম্প্রতি শালিশ মিমাংসা করে সীমানা নির্ধারণ পিলার বসিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালের দিকে জগদিশ বিশ্বাসরা সড়কের ওপর পাট শুকানো বাঁশ পুঁততে গেলে প্রতিপক্ষ নীতিশ কুমার বালার লোকজন বাঁধা দেয়। এ সময় বাঁশ সরানো নিয়ে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উভয়পক্ষের ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী শেখর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাইদ (পান্নু) জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইপক্ষকে নিবৃত করার চেষ্টা করি। সংঘর্ষ থেমে যাওয়ার খবর পেয়ে টহল পুলিশ অর্ধেক পথ থেকে ফিরে গেছেন।

বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা হক রুম্পা জানান, একটি মারামারির ঘটনায় ১৭ জন হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে ৭জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যে ৫ অভ্যাস নীরবে হাড় দুর্বল করে?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ
যে ৫ অভ্যাস নীরবে হাড় দুর্বল করে?

হাড়ের দুর্বলতা বা ভঙ্গুরতা যেকোনো বয়সেই দেখা দিতে পারে। এর পেছনে ভিটামিন বা মিনারেলের অভাব কিংবা আমাদের জীবনযাত্রার ধরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের আয়তন ও ঘনত্ব কমতে থাকে, যা বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে একটি অতি সাধারণ সমস্যা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি ২ জন নারীর মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ৪ জন পুরুষের মধ্যে ১ জন এই সমস্যায় আক্রান্ত হন। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কিছু সাধারণ অভ্যাস হাড়কে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে। নিচে এমন ৫টি অভ্যাস ও তার প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হলো:

১. খাবারে লবণের অতিরিক্ত ব্যবহার

খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। শরীরে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যার ফলে হাড় ধীরে ধীরে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। হাড়কে মজবুত রাখতে খাবারে লবণের ব্যবহার সীমিত করা জরুরি।

২. দীর্ঘ সময় বসে থাকা

৪০ বছর বয়সের পর হাড়ের ঘনত্ব প্রাকৃতিক নিয়মেই কমতে শুরু করে। বর্তমানে আমাদের কর্মঘণ্টার বেশিভাগ সময় বসে কাটে। শারীরিক সক্রিয়তা কম হওয়ায় হাড়ের গঠনগত শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাড়কে দীর্ঘকাল সুস্থ রাখতে নিয়মিত হাঁটাচলা, জগিং কিংবা ওজন তোলার মতো ব্যায়াম করা উচিত, যা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৩. সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা

সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখে, যা হাড়ের জন্য অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। ভিটামিন ডি ছাড়া শরীর ক্যালসিয়াম শোষণ করতে পারে না। ফলে শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম থাকলেও ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ২৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি প্রয়োজন, যা সূর্যের আলো ছাড়াও মাছ, দুধ, ডিম এবং গরুর কলিজা থেকে পাওয়া সম্ভব।

৪. মিষ্টি পানীয় বা সফট ড্রিংকস

অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় বা সফট ড্রিংকস পানের অভ্যাস হাড়ের ব্যাপক ক্ষতি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের পানীয় হাড়ের ঘনত্ব কমিয়ে সেগুলোকে দুর্বল করে দেয়।

৫. অতিরিক্ত চা বা কফি পান

যদি আপনি চা বা কফির প্রতি আসক্ত হন, তবে সাবধান! গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অত্যধিক পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে তা হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বোনাস টিপস

ধূমপান ত্যাগ করুন। কারণ, এটি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো হাড়ের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। যারা নিয়মিত ধূমপান করেন, তাদের হাড় ভাঙার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে এবং কোনো কারণে হাড় ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগতেও দীর্ঘ সময় লাগে। সুস্থ ও সবল হাড় পেতে আজই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করে একটি সক্রিয় জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত হোন।

তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই, প্রতিটি ইউনিয়নে হবে খেলার মাঠ’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই, প্রতিটি ইউনিয়নে হবে খেলার মাঠ’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

“মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে হবে।”— এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে তোলার এমন উদ্যোগ অতীতে কোনো সরকার নেয়নি।”

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের হলরুমে নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নগরকান্দা উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যৌথভাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপির অর্থায়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, “নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। সেলাই মেশিন বিতরণের মাধ্যমে অনেক নারী স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন। পর্যায়ক্রমে এ ধরনের কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা হবে।”

তিনি বলেন, “একদিকে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এ দুটি উদ্যোগই একটি সুস্থ, দক্ষ ও উৎপাদনশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধায় ফরিদপুরে আলোচনা সভা, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানার আহ্বান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধায় ফরিদপুরে আলোচনা সভা, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানার আহ্বান

জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, তাদের আত্মদান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম।

সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার (এসপি) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ফাতেমা ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা কাজী দেলোয়ার হোসেন, এনসিপি ফরিদপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব মো. সাঈফ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এনামুল চৌধুরী, মুখপাত্র জেবা তাওসীন এবং সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী ও জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী সানজিদা রহমান সমতা।

এছাড়া অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী, শহিদ পরিবারের সদস্য, আহত আন্দোলনকারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদরা দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং শহিদদের আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, শহিদদের রক্তের ঋণ শোধ করার একমাত্র উপায় হলো একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।