খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

খেলাফত মজলিসে যোগ দিলেন নগরকান্দার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:২৯ পিএম
খেলাফত মজলিসে যোগ দিলেন নগরকান্দার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান

আল্লামা মামুনুল হকের হাতে হাত রেখে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকার জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরা অধিবেশনে তার যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফরিদপুর জেলা শাখার পক্ষ থেকে মুফতি মুস্তাফিজুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। জেলা শাখার নেতারা বলেন, মুফতি মুস্তাফিজুর রহমানের যোগদানের ফলে ফরিদপুর অঞ্চলে খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর অঞ্চলের এমপি প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী ধলা হুজুরের নেতৃত্বে দলীয় জনসমর্থন আরও সুসংহত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত। স্থানীয় পর্যায়ে তার ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তার যোগদানে নগরকান্দা উপজেলার আলেম-উলামা, তৌহিদী জনতা ও দলীয় কর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে মুফতি মুস্তাফিজুর রহমানের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগদানকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন।

নিজ প্রতিক্রিয়ায় মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দ্বীন বিজয়ের মহান লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ব্যানারে কাজ করতে চান। এ পথে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

“গাঁয়ের সেই দিনগুলি”

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০২ এএম
“গাঁয়ের সেই দিনগুলি”

মাঠের আল ধরে হাঁটতাম আমরা,
সবুজ ধানের গন্ধে ভরে উঠত মন।
খালি পায়ে মাটির ছোঁয়া,
ছিলো জীবনের প্রথম স্পন্দন।

দিগন্তজোড়া আকাশের নিচে,
স্বপ্নগুলো উড়ত পাখির মতো,
সূর্য ডোবার আগের আলোয়,
হাসির রঙ ছিলো কত!

বন্ধুদের সাথে দৌড়ঝাঁপ,
বুক ভরা আনন্দের ঢেউ,
কোনো চিন্তা ছিল না তখন,
সময় যেন থেমে রইল নেউ।

পথের ধুলায় গল্প লিখতাম,
হাসির শব্দ ভাসতো হাওয়ায়,
সেই সরল সুখের দিনগুলো,
আজও হৃদয়ে গোপনে গায়।

ধানক্ষেতে বাতাস এলে,
মনে হতো কেউ ডাকছে নাম,
সেই ডাকেই ছুটে যেতাম,
ভুলে যেতাম সব অবসান।

বাঁশির সুরে সন্ধ্যা নামত,
গ্রামের পথ হত নিঃশব্দ,
তবুও কোথাও লুকিয়ে থাকত,
শৈশবের মধুর শব্দ।

মাটির ঘ্রাণে মিশে ছিল,
মায়ার অদৃশ্য এক বন্ধন,
সেই টানে আজও ফিরে যেতে,
মন করে নিরন্তর স্পন্দন।

কতদিন আর ফিরে পাবো,
সেই হারানো বিকেলগুলো?
বন্ধুরা আজ দূরে কোথায়,
কোথায় সেই খেলার ছলগুলো?

তবুও স্মৃতির পাতায় ভেসে,
ছেলেবেলার ছবি আঁকি,
গাঁয়ের সেই দিনগুলোর কথা,
চোখে আনে জল ঝরাকি।

যদি পারতাম ফিরে যেতে,
সেই আলপথের ঠিকানায়,
আবার হাঁটতাম খালি পায়ে,
শৈশবের সেই গানে।

হঠাৎ বৈঠক! তারেক রহমানের সঙ্গে কী ঠিক হলো এনসিপির?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৪ এএম
হঠাৎ বৈঠক! তারেক রহমানের সঙ্গে কী ঠিক হলো এনসিপির?

হঠাৎ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও। নাহিদের বাসায় কিছুক্ষণ অবস্থান করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এ সময় এনসিপি নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন তারেক রহমান।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যেগুলো প্রশ্ন ছিল ও সহিংসতা হচ্ছে সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়ে তিনি এসেছেন এ জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাই। সামনে যাতে একসাথে কাজ করতে পারি সেই ব্যাপারে ও সংস্কার ও বিচারের ব্যাপারে কথা হয়েছে। এমন শুভেচ্ছা বিনিময় রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের আভাস দেয়।

এদিকে নাহিদ-সারজিসকে বুকে টেনে নিয়েছেন তারেক রহমান। নাহিদের বাসার সামনে গাড়ি থেকে নামেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সেখানে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত হন নাহিদ ইসলাম ও পঞ্চগড়-১ আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পরাজিত প্রার্থী সারজিস আলম। গাড়ি থেকে নেমেই তাদের দেখে বুকে টেনে নেন তারেক রহমান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক ভিডিও পোস্টে এমনটা দেখা গেছে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডে নাহিদের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় বাসার সামনে এগিয়ে এসে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান নাহিদ।

তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুর-২ থেকে জয়ের পর মন্ত্রী হচ্ছেন শামা ওবায়েদ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৬ এএম
ফরিদপুর-২ থেকে জয়ের পর মন্ত্রী হচ্ছেন শামা ওবায়েদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শামা ওবায়েদ রিংকু বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি মোট ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফতে মজলিশের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মো. আকরাম আলীকে ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় আনন্দ-উৎসব শুরু হয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শামা ওবায়েদ রিংকুর এই বিজয়কে দলটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ফরিদপুর অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক শক্তি পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মন্ত্রিসভা আকারে তুলনামূলক ছোট রাখা হতে পারে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই তালিকায় জোরালোভাবে উঠে এসেছে শামা ওবায়েদের নাম।

বিশেষ করে নারী নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শামা ওবায়েদকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকা তাকে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাসসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির আলোচনায় রয়েছে।

এছাড়া তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে নবনির্বাচিত কয়েকজন এমপিকেও প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

তবে নতুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত তালিকা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবুও ফরিদপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ রিংকুর সম্ভাব্য মন্ত্রীত্ব নিয়ে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।