খুঁজুন
, ,

রোজ এক গ্লাস কমলার রস খাওয়ার যত উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
রোজ এক গ্লাস কমলার রস খাওয়ার যত উপকারিতা

সকালের নাশতায় কি আপনার কমলার রস পছন্দ? অনেকেরই এই অভ্যাস আছে, তবে বছরের কিছু সময় ধরে কমলার রসকে ‘মিষ্টি’ বলে সতর্ক করা হয়। আসলে কমলার রসে থাকা চিনি দ্রুত রক্তে যায়, যা দীর্ঘ মেয়াদে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা ওবেসিটির ঝুঁকি বাড়াতে পারে—এটাই সাধারণ ধারণা।

কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা দেখাচ্ছে, যদিও এতে চিনি থাকে, সাপ্তাহিক বা দৈনন্দিন একটি গ্লাস কমলার রস শরীরের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে।

কমলার রস নিয়ে ভুল ধারণা
গবেষকরা লক্ষ করেছেন, যারা প্রচুর সাইট্রাস ফল খায়, তারা হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে কম থাকে। কিন্তু এই গবেষণাগুলো ফল খাওয়ার ওপর ভিত্তি করে করা, রস খাওয়ার নয়।

ফল খাওয়া এবং রস খাওয়ার প্রভাব আলাদা। যেমন, দু-তিনটি কমলা খেতে সময় লাগে—চিবানো, গিলে ফেলা; কিন্তু সেই একই পরিমাণ কমলার রস মাত্র কয়েক সেকেন্ডে শেষ হয়ে যায়। ফলে রসের চিনি দ্রুত রক্তে চলে যায়, যেখানে পুরো কমলা খেলে চিনি ধীরে ধীরে শোষিত হয়।

ফলে, স্বাভাবিকভাবে সুস্থ মানুষের জন্য এটি বড় সমস্যা নয়, কারণ শরীর ইনসুলিন ছাড়ে এবং রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য হয়তো বেশি উপকারী নাও হতে পারে।

হৃদযন্ত্র এবং মস্তিষ্কের জন্য উপকারিতা
একটি গবেষণা দেখিয়েছে, প্রতিদিন ৫০০ মিলিলিটার কমলার রস পান করলে রক্তের শর্করার মাত্রা কমে, ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ কমে—সবই হৃদরোগ কমানোর জন্য সহায়ক।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, দৈনন্দিন একটি গ্লাস কমলার রস পান করলে রক্তচাপ কমে এবং ‘ভালো কোলেস্টেরল’ বেড়ে।

কমলার রস শুধু হৃদরোগের জন্য নয়, মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী। এক গবেষণায় ৩০-৪৫ বছরের ২৪ জন পুরুষকে ২৪০ মিলিলিটার কমলার রস খাওয়ানো হয়। পরীক্ষার ফল দেখিয়েছে, কমলার রস খাওয়ার পর তাদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে চিনিযুক্ত পানীয় খাওয়ার পর হ্রাস পেয়েছিল।

বয়স্কদের ক্ষেত্রেও কমলার রস মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। ৬০-৮১ বছর বয়সী ৩৭ জনের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দুই গ্লাস কমলার রস খাওয়ার পর তাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কমলার রসের পুষ্টিগুণ
কমলায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, লোহিত রক্তকণিকা তৈরি এবং ত্বকের কলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। এছাড়া এতে ফোলেট, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন বি১ রয়েছে।

কমলার রসের স্বাস্থ্যগুণের পিছনে মূলত ফ্ল্যাভোনয়েড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো রক্তের প্রবাহ ভালো রাখে, প্রদাহ কমায় এবং কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। বিশেষ করে কমলায় থাকা হেসপেরিডিন নামক ফ্ল্যাভোনয়েড রক্তচাপ কমাতে এবং রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক যারা প্রতিদিন ৫০০ মিলিলিটার কমলার রস পান করেছিল, তাদের রক্তের জিনগুলোর কার্যকারিতা কমে গেছে, যা প্রদাহ এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক।

কোন কমলার রস স্বাস্থ্যকর?
পুরো কমলা খাওয়া সর্বোত্তম। এতে ফাইবার এবং ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে যা রসের চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে রসই যদি পান করতে হয়, তাহলে তাজা কমলার রস, যা নিজে বা রেস্টুরেন্টে তৈরি, বেশি উপকারী। দোকানে পাওয়া শিল্পজাত রসের তুলনায় তাজা রসের পুষ্টিগুণ বেশি থাকে।

ডাক্তাররা বলছেন, ১০০% কমলার রস (যেখানে অতিরিক্ত চিনি যোগ নেই) সপ্তাহে তিন-চারবার খাওয়া স্বাভাবিক মানুষের জন্য নিরাপদ।

এক গ্লাস কমলার রস শুধু স্বাদই বাড়ায় না, স্বাস্থ্যেও চমকপ্রদ প্রভাব ফেলে। এটি হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, রক্তচাপ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যদিও পুরো কমলা সবচেয়ে ভালো, তাজা কমলার রসও নিয়মিত এবং সীমিত পরিমাণে পান করলে আপনাকে সুস্থ রাখবে এবং সকালের নাশতায় আনন্দ যোগ করবে।

সূত্র : বিবিসি

ফরিদপুরে তিন বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে তিন বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ

ফরিদপুরে তিন বছর বয়সী শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক কিশোরের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কিশোর আব্দুর রহমানকে (১৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে ওই শিশুকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় শিশুটির পিতা বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, সোমবার (২২ জুন) দুুপুরে শহরের আলীপুর এলাকায় বাড়ির সামনে শিশুকন্যাটি দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় প্রতিবেশী কিশোর আব্দুর রহমান (১৪) শিশুটিকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে আমি নিজে ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারি। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুর রহমান নামের কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ওই শিশুটির পিতা বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ফরিদপুরে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের পাশাপাশি মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী

হাসানউজ্জামান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের পাশাপাশি মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্ভাব্য  অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ঠেকাতে ফরিদপুরে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা দিতে তারা সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় ফরিদপুর  পৌঁছেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকে ফরিদপুর শহর ও মহাসড়কে পুলিশ- র‌্যাবের পাশাপাশি তাদের টহল দিতে দেখা যায়। তবে এখনো পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, উল্লেখযোগ্য কোনো গ্রেপ্তারের ঘটনা নেই। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ বা কোনো অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোন কর্মসূচী বা তৎপরতা  দেখা যায়নি।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্বাভাবিক যে কার্যক্রম তা অব্যাহত আছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট ও মহাসড়কে আমরা নজর রাখছি যাতে কেউ সাধারণ মানুষের শান্তি শৃঙ্খলায় বিঘ্ন না ঘটাতে পারে। সেনাবাহিনী পুলিশকে সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবে অথবা আমরা তাদের সাথে সমন্বয় করব।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, ভাঙ্গা রাস্তার মোড়, থানার মোড়, জনতার মোড়, ডিসি অফিস চত্বর, টেপাখোলা মোড়, বাইপাস সড়ক ও বিভিন্ন মহাসড়কে সকাল থেকে যানবাহন চলাচল রয়েছে স্বাভাবিক। শান্তিপূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসব পয়েন্ট গুলোতে টহল দিচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে ১৫ আরই ব্যাটালিয়নের ১২৫ জন সেনা সদস্য ফরিদপুরে মোতায়েন করা হয়েছে। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আজ ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে ছয়টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ফরিদপুরে সেনাসদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুস্মিতা সাহা জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় ৯ দিনের জন্য এ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এ সময় সেনাবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

ফরিদপুরে মাদক কারবারী সন্দেহে গণপিটুনি ও প্রাইভেটকারে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদক কারবারী সন্দেহে গণপিটুনি ও প্রাইভেটকারে আগুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদক ব্যবসায়ী সন্দেহে মামুন মোল্লা (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি ও তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারে আগুন দেওয়ার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে ঘটনার পর পুলিশি তল্লাশিতে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার না হওয়ায় পুরো ঘটনাকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

‎সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের মালিখালী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অপরদিকে তার পরিবারের দাবি, অতীতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হামলার শিকার করা হয়েছেন।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যার দিকে মামুন মোল্লা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে এলাকায় আসলে কয়েকজন তাকে মাদক ব্যবসায়ী বলে চিহ্নিত করে। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে তাকে মারধর করে। পরে উত্তেজিত জনতা তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত মামুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

‎মামুনের বাবা মানিক মোল্লা বলেন, আমার ছেলে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলার হাজিরা দিয়ে বাড়িতে এসেছিল। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকায় যাওয়ার জন্য আত্মীয়ের প্রাইভেটকার নিয়ে বের হয়। পথে তাকে আটক করে মারধর করা হয় এবং গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। অথচ তার কাছে কোনো মাদক ছিল না।

‎তিনি দাবি করেন, তার ছেলে অতীতে মাদকাসক্ত থাকলেও অনেক আগেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তিকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শাস্তি দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়।

‎বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামুনের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে তার কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার হয়নি। গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।