খুঁজুন
, ,

আল্লাহর একত্ববাদ ইসলামের প্রধান ও মূল স্তম্ভ

উম্মে আহমাদ ফারজানা
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ
আল্লাহর একত্ববাদ ইসলামের প্রধান ও মূল স্তম্ভ

আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদত করার জন্য; আর এই ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো তাওহিদ তথা একত্ববাদ। একত্ববাদ মানে শুধু আল্লাহকে উপাসনা করা নয়; বরং তাঁর সঙ্গে কাউকে বা কিছুকেই শরিক না করা এবং একমাত্র আল্লাহকে প্রভু, স্রষ্টা ও উপাস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। তাই নবী করিম (সা.) মানুষকে আল্লাহর একত্ববাদের পথে আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতে সফলকাম হতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন : ‘আর আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি, কেবলমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।

’ (সুরা : জারিয়াত, আয়াত : ৫৬)
মানবজাতির প্রথম ও মূল দায়িত্ব হলো তাওহিদ তথা একত্ববাদ। কেননা আল্লাহ ছাড়া কোনো স্রষ্টা বা রিজিকদাতা নেই, এবং তাঁর তুল্য বা সমতুল্য কেউ নেই। যেমনটা আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেন, ‘তাঁর কোনো সমতুল্য নেই, এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (সুরা : শুরা, আয়াত : ১১)
এই একত্ববাদই হলো ইসলামের মূল ভিত্তি

নবী করিম (সা.) মক্কায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষকে একত্ববাদের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি প্রথমে মানুষকে আল্লাহ ছাড়া কাউকে উপাসনা না করার প্রতি উৎসাহিত করেছিলেন, তারপর নামাজ, রোজা এবং অন্যান্য ইবাদত ফরজ করেছিলেন। যখন নবী করিম (সা.) মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.)-কে ইয়েমেনে প্রেরণ করেছিলেন, তিনি তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘তোমরা প্রথমেই তাদের আল্লাহর একত্ববাদের প্রতি আহ্বান জানাও।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৩৭২)
আল্লাহর ডাককে যারা মেনে নেয় এবং একমাত্র তাঁকেই উপাসনা করে, তাদের জন্য আছে জান্নাত; এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির প্রতিশ্রুতি।
নবী (সা.) মুয়াজ (রা.)-কে আরো বলেছিলেন,  ‘হে মুয়াজ, তুমি কি জানো বান্দাদের ওপর আল্লাহর অধিকার কী এবং আল্লাহর ওপর বান্দার অধিকার কী? মুয়াজ (রা.) বললেন, ‘আমি জানি না, শুধু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন।

’ নবী করিম (সা.) বললেন,
‘বান্দাদের ওপর আল্লাহর অধিকার হলো তাঁরা শুধু আল্লাহর ইবাদত করবে এবং কোনো কিছুকে তাঁর সঙ্গে শরিক করবে না। আর আল্লাহর ওপর বান্দাদের অধিকার হলো, যারা আল্লাহর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক করে না, তাদের তিনি শাস্তি দেবেন না।’
(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৩০)
অতএব, প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য হলো একত্ববাদের ভিত্তিতে জীবন যাপন করা, যাতে আল্লাহ তার ঈমানকে দৃঢ় ও শক্তিশালী করেন; বিশেষ করে যখন সে এই জীবনের যাত্রা থেকে বিদায় নেয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যার এই পৃথিবীতে শেষকথা হবে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই’, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।


(আবু দাউদ, হাদিস : ৩১১৬)
আর একত্ববাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করা হলো সবচেয়ে মারাত্মক অপরাধ।

এটি আল্লাহর দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় পাপ। এমনকি কেউ যদি এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই, আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করা ক্ষমা করবেন না, কিন্তু এর চেয়ে কম যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরিক স্থাপন করে, সে নিশ্চয়ই মহাপাপ রচনা করেছে। (সুরা : নিসা, আয়াত : ৪৮)
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীকে ডাকতে গিয়ে মারা যায়, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৪৯৭)
সুতরাং আল্লাহকে ভয় করা এবং তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা একজন মুমিনের একান্ত কর্তব্য। তাহলেই একজন মুমিন দুনিয়া ও আখিরাতে সফলকাম হতে পারবে। সেই কঠিন সময়ে যখন অন্যরা ভয়, দুঃখ-দুর্দশায় জর্জরিত থাকবে। সেদিন একত্ববাদীরা মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবে, যিনি তাদের সরল পথে অবিচল থাকার তাওফিক দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘এবং তারা বলবে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের সঙ্গে করা তাঁর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন এবং আমাদের পৃথিবীর উত্তরাধিকারী করেছেন, যাতে আমরা যেখানে ইচ্ছা জান্নাতে বসবাস করতে পারি। পরিশ্রমকারীদের প্রতিদান কতই না উত্তম!’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৭৪)
অন্যদিকে কাফির ও মুশরিকদের ভাগ্য হবে ভয়ংকর। তাদের ফুটন্ত পানিতে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে। আল্লাহ বলেন, ‘যখন তাদের গলায় থাকবে শিকল, তখন তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে ফুটন্ত পানিতে, তারপর আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হবে।’ (সুরা : গাফির, আয়াত : ৭১-৭২)
তাইতো  নবী করিম (সা.) অনন্ত অসীম জান্নাতের সুসংবাদ দিয়ে এবং চিরস্থায়ী জাহান্নামের সতর্ক করে বলেন, ‘তোমাদের কারোর জন্য জান্নাত তার জুতার ফিতার চেয়েও নিকটবর্তী, এবং জাহান্নামও।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪৮৮)
প্রকৃত মুসলিম হওয়ার জন্য তিনটি ক্ষেত্রে আল্লাহকে এক বলে বিশ্বাস করা আবশ্যক। এই তিনটি বিষয় তাওহিদ তথা একত্ববাদের প্রকার বা শাখাবিশেষ।
১.  (তাওহিদুর রুবুবিয়াহ) তথা রব (স্রষ্টা, পালনকারী, রক্ষণাবেক্ষণকারী ইত্যাদি) হিসেবে আল্লাহকে এক মানা।
২. (তাওহিদুল উলুহিয়াহ/ইবাদত) তথা ইবাদতের ক্ষেত্রে (একমাত্র ইবাদতের যোগ্য) আল্লাহকে এক মানা।
৩. (তাওহিদুল আসমা ওয়াস সিফাত) তথা আল্লাহর নামসমূহ ও গুণাবলির ক্ষেত্রে তাঁকে এক মানা। কেউ উল্লিখিত তিনটি ক্ষেত্রের কোনো একটিতে আল্লাহকে এক না মানলে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কাফিররা শুধু প্রথম ক্ষেত্রে (রুবুবিয়াহ) আল্লাহকে এক বলে বিশ্বাস করে। কিন্তু দ্বিতীয় (ইবাদত) ও তৃতীয় ক্ষেত্রে (আসমা ওয়াস সিফাত) আল্লাহকে এক বলে বিশ্বাস করে না। তাই তারা কাফির বা অস্বীকারকারী।

 

ফরিদপুরে পুলিশের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পুলিশের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ফরিদপুরে পুলিশের দুই দিন মেয়াদী দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রথম ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ফরিদপুর পুলিশ লাইনসের শহীদ ছালাম সভা কক্ষে এ সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, “আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় প্রতিটি সদস্যকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে।”

​কোর্সে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিট থেকে আসা ৫০ জন সদস্য অংশ নেন। প্রশিক্ষণে নির্বাচনি দায়িত্বে পেশাদারিত্ব বজায় রাখা, নিরপেক্ষতা, জনগণের আস্থা অর্জন, আইন প্রয়োগে মানবিকতা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

​সমাপনী অনুষ্ঠানে ফরিদপুর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে মহাসড়কে গুলি চালানো সেই পিস্তল উদ্ধার, গ্রেফতার যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মহাসড়কে গুলি চালানো সেই পিস্তল উদ্ধার, গ্রেফতার যুবক

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে পথচারীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় ব্যবহৃত ২২ বোরের রিভলবারটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মো. হামিদুল গাজী (৪২) নামের ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের (ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা সংলগ্ন) ওপর একটি খয়েরি রঙের প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-১৬-৩০৮৭) থামান হামিদুল গাজী। গাড়িতে তাঁর সঙ্গে শিমু আক্তার তিশা ওরফে ফাতেমা ইসলাম এনি (২৬) নামে এক নারী আরোহী ছিলেন। গাড়ি পার্কিং নিয়ে এক পথচারীর সঙ্গে তর্কাতর্কির জেরে হামিদুল গাজী গাড়িতে বসেই নিজ রিভলবার দিয়ে ওই পথচারীকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন। পরবর্তীতে এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।

​ঘটনাটি নজরে আসার পর ভাঙ্গা থানা পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে আসামির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১০ সেপ্টেম্বর ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত কুমার মন্ডল বাদী হয়ে অস্ত্র আইন ও পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা (মামলা নং-০৬) দায়ের করেন।

​পরবর্তীতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর র‍্যাব-১-এর সহায়তায় ঢাকার বনানী এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি হামিদুল গাজীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে থাকা নারী আরোহী শিমু আক্তার তিশাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ঘটনায় ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত হামিদুলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ৯টি মামলা রয়েছে।

​গ্রেফতারের পর নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে হামিদুল স্বীকার করেন যে, তিনি পিস্তলটি মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে তাঁর নিজ বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম লৌহজং উপজেলার গোয়ালী মান্দ্রা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।

​ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জানান, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মামলার তদন্ত কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

ফরিদপুরে চার মণ ভেজাল কালোজিরা জব্দ, আতঙ্কে পালালো বিক্রেতা

মধুখালী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চার মণ ভেজাল কালোজিরা জব্দ, আতঙ্কে পালালো বিক্রেতা

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা সদরে ভেজাল কালোজিরা বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। কেনাবেচার সময় সন্দেহ হলে পরীক্ষা চালিয়ে ভেজালের প্রাথমিক প্রমাণ পান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেওয়া হলে আনুমানিক চার মণ কালোজিরা ফেলেই সটকে পড়েন কথিত এক বিক্রেতা।

​বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মধুখালী বাজারের চার রাস্তার মোড় সংলগ্ন মন্দির প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে ওই কালোজিরাগুলো বিনষ্ট করেন ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আকু বিশ্বাস, মনিরুল বিশ্বাস, ইমামুল বিশ্বাস ইমাম, ইমরান হোসেন ও তৌফিক বিশ্বাসসহ বাজার কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

​ব্যবসায়ীরা জানান, গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) হাটের দিনে কয়েকজন কথিত কৃষক কালোজিরা বিক্রি করতে মধুখালী বাজারে আসেন। তারা মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম লটাই বিশ্বাসের ভূষিমালের দোকানে এগুলো বিক্রি করতে নিয়ে যান। মান পরীক্ষা করতে গিয়ে এতে ভেজাল উপাদান মেলানোর সন্দেহ হয় লটাই বিশ্বাসের।

​তিনি কৌশলে ওই বিক্রেতাকে দোকানে বসিয়ে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানান। তবে পুলিশ আসার সুযোগ পেয়ে প্রায় চার মণ কালোজিরা রেখে চতুর বিক্রেতা সেখান থেকে পালিয়ে যান।

​পরবর্তীতে ভেজাল কালোজিরা বিনষ্ট করার সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মধুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মাহবুব এলাহী এবং মধুখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুব এলাহী জানান, দৃশ্যমান পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কালোজিরায় ভেজাল উপাদান মেশানোর প্রমাণ মিলেছে। তবে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত নমুনা মসলা গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হবে এবং ল্যাব টেস্টের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।