খুঁজুন
, ,

ফরিদপুর-১ এ মনোনয়ন নিয়ে বিতর্ক: নাসিরের প্রার্থিতা বাতিলের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর-১ এ মনোনয়ন নিয়ে বিতর্ক: নাসিরের প্রার্থিতা বাতিলের শঙ্কা

ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্রকে ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন একই আসনের অপর প্রার্থী শাহ মো. আবু জাফর। আপিলের রায় তার অনুকূলে গেলে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আপিল আবেদন জমা দেন শাহ মো. আবু জাফর। তিনি ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অভিযোগের বিস্তারিত সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় খন্দকার নাসিরুল ইসলামের দাখিল করা কাগজপত্রে একাধিক গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বিশেষ করে তার জমা দেওয়া আয়কর সনদ প্রার্থীর নিজ নামে ইস্যুকৃত নয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আয়কর নথিতে উল্লিখিত তথ্যের সঙ্গে হলফনামায় প্রদত্ত তথ্যের সুস্পষ্ট অমিল লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত আরও কয়েকটি দলিল আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে।

নির্বাচনী আইন ও বিধি অনুযায়ী, এমন অনিয়ম থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলযোগ্য। তবে অভিযোগ রয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা ওই মনোনয়নপত্র তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল না করে স্থগিত রাখেন এবং বিকেল চারটা পর্যন্ত সংশোধনের সুযোগ প্রদান করেন।

এ নিয়ে অন্যান্য প্রার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন, একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীকে এভাবে অতিরিক্ত সুযোগ দেওয়া নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী এবং এতে নির্বাচনের সমান মাঠ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের মতে, এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

এসব বিষয় উল্লেখ করে শাহ মো. আবু জাফর নির্বাচন কমিশনের কাছে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানান। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান তিনি।

শাহ মো. আবু জাফর বলেন, “একজন প্রার্থীকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে নির্বাচনে টিকিয়ে রাখলে পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়। আমি ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছি।”

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৭ জানুয়ারি দুপুরে আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিনের রায়ের ওপর নির্ভর করছে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের প্রার্থিতার ভবিষ্যৎ।

বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখেরও বেশি। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত খন্দকার নাসিরের বিপক্ষে গেলে আসনটির রাজনৈতিক সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে ইতিহাস গড়লেন হাসান

খেলাধুলা ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে ইতিহাস গড়লেন হাসান

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য ও রোমাঞ্চকর স্পেলের সাক্ষী হলো ক্রিকেট বিশ্ব। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান একমাত্র টেস্ট ম্যাচে আগুন ঝরানো বোলিংয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ।

টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এর আগে দুই জন স্পিনার হ্যাটট্রিক করলেও, কোনো লাল-সবুজের পেসারের এই কীর্তি ছিল প্রথম।
হাসান মাহমুদের এই অবিশ্বাস্য কীর্তিটি আসে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে আফগান ইনিংসের ৮২তম ওভারে।

ওভারের তৃতীয় বলে ইসমত আলমকে (১) বোল্ড করে ধ্বংসযজ্ঞের শুরু করেন তিনি। ঠিক তার পরের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন জিয়া-উর-রেহমানকে (০)।
এরপরের বলটি ছিল দেখার মতো; ব্যাক অব আ লেন্থ থেকে সুইং করা ডেলিভারিতে পরাস্ত হন কাইস আহমেদ। বলটি তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটের পেছনে গেলে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক অসাধারণ ক্যাচ তালুবন্দী করেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস।
আর তাতেই পূর্ণ হয় হাসানের স্বপ্নের হ্যাটট্রিক এবং মাঠে মেতে ওঠে পুরো বাংলাদেশ দল।
হাসান মাহমুদের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিকধারীর সংখ্যা এখন তিন। এর আগে ২০০৩ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ার টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিকটি করেছিলেন লেগ-স্পিনার অলক কাপালি। তার ঠিক ১০ বছর পর, ২০১৩ সালে ঢাকার মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পাশাপাশি একই ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন অফ-স্পিনার সোহাগ গাজী। আর এবার দীর্ঘ ১৩ বছর পর ২০২৬ সালে এসে তৃতীয় বাংলাদেশি এবং প্রথম দ্রুতগতির বোলার হিসেবে সেই অভিজাত তালিকায় নিজের নাম লেখালেন হাসান মাহমুদ।

হাসানের তাণ্ডবে পরপর তিন বলে তিন উইকেট হারিয়ে ২২০ রানে ৮ উইকেটে পরিণত হয় আফগানিস্তান। দিনের শুরুতে হাসানের এমন বিধ্বংসী বোলিংয়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে।

প্রথম ইনিংসে ওপেনার তানজিদ হাসানের ৮৩, সাদমান ইসলামের ৬৭ এবং লিটন দাসের ৫৩ রানের ওপর ভর করে ৩৪৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে আবদুল মালিকের ৬২ ও রহমত শাহর লড়াকু ৮৮ রানের ওপর ভর করে আফগানিস্তান এক পর্যায়ে বেশ ভালো অবস্থানেই ছিল। তবে শেষ বিকেলে হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিক ও ইবাদত হোসেনের ৩ উইকেটের ধাক্কায় খেই হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আবুধাবি টেস্টে আফগানিস্তান ১২৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে। হাসান মাহমুদ ৪টি এবং ইবাদত হোসেন ৩টি উইকেট শিকার করেছেন।

ভাত খেয়েই ঝরবে পেটের মেদ, করতে হবে যে ব্যায়াম

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
ভাত খেয়েই ঝরবে পেটের মেদ, করতে হবে যে ব্যায়াম

সারা বছর নিয়মিত শরীরচর্চা না করলেও উৎসবের আগে অনেকেই ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাসের দিকে বাড়তি মনোযোগ দেন। কিন্তু কঠোর ডায়েট ও ব্যায়াম করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলে হতাশ হন অনেকে।

পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকরের পরামর্শ, ওজন কমাতে ভাত পুরোপুরি বাদ দেওয়া কিংবা কঠিন খাদ্যনিয়ম মেনে চলা জরুরি নয়। বরং সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা এবং ধৈর্য ধরে ওজন কমানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের পুষ্টিবিদ হিসেবে পরিচিত ঋজুতা মনে করেন, ভাত, ডাল, শাকসবজি, মাছ ও মাংস খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন পেশি শক্তিশালী করার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

পেটের মেদ কমাতে অনেকেই ক্রাঞ্চেসসহ তলপেটের ব্যায়াম করেন। কিন্তু শুধু এসব ব্যায়াম করলেই প্রত্যাশিত ফল নাও মিলতে পারে।

পা, কোমর ও নিতম্বের পেশি দুর্বল থাকলেও শরীরচর্চার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন এই পুষ্টিবিদ।
নিতম্বের পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম

নিতম্ব ও কোমরের পেশি সক্রিয় রাখতে একটি সহজ ব্যায়ামের কথা বলা হয়েছে। প্রথমে মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে দুই পা একটি বালিশের ওপর রাখতে হবে। দুই হাত ভাঁজ করে তালু মেঝেতে রাখতে হবে। এরপর নিতম্বের পেশি সংকুচিত করে পা মেঝের সমান্তরালে রাখার চেষ্টা করতে হবে। এ অবস্থায় ঊরুর অংশে নিচ থেকে ওপরের দিকে চাপ দিয়ে ১০ পর্যন্ত গুনতে হবে।

প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার এই ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি উপযোগী পেটের ব্যায়াম ও নিয়মিত শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে হবে। তবে ব্যায়ামটি করতে গিয়ে ব্যথা বা অস্বস্তি হলে থামতে হবে এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

ওজন কমাতে বাদ দিতে হবে না ভাত

ওজন কমানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকে প্রথমেই খাদ্যতালিকা থেকে ভাত বাদ দেন। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো একটি খাবারকে এককভাবে দায়ী না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। পরিমাণমতো ভাত, ডাল, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের মতো খাবার সুষম খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।

দ্রুত ওজন কমানোর জন্য কঠোর ডায়েট অনুসরণ না করে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ঋজুতা। সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের সমন্বয় দীর্ঘমেয়াদে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

আলফাডাঙ্গায় মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ইছাপাশা এলাকায় অবস্থিত ইছাপাশা কাদেরিয়া হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অভিভাবক সমাবেশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

​মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সেক্রেটারি ও পাশের কাশিয়ানী উপজেলার জয়নগর কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলাম মুর্তজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সুমন রায়।

​সমাবেশে ডা. সুমন রায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি নিষ্কাশন এবং মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

​ডা. সুমন রায় বলেন, “শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনায় মনোযোগী হতে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি। ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মানায় অভ্যস্ত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

​অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সহসভাপতি ও সমাজসেবক মুন্সী বেলাল হুসাইন বলেন, “শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু ভালো ফলাফল অর্জন নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো। সন্তানদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।”

​তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি নির্ভর করে শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর। মেধাবীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রতিও বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যাতে তাদের মাঝে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়।”

​মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় সমাবেশের শেষ অংশে বিভিন্ন শ্রেণিতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত অভিভাবক ও অতিথিরা এ ধরনের উদ্যোগকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।