খুঁজুন
, ,

ইসলাম কেন ভারসাম্যপূর্ণ জীবনকে গুরুত্ব দেয়?

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
ইসলাম কেন ভারসাম্যপূর্ণ জীবনকে গুরুত্ব দেয়?

ইসলাম মানুষের জীবনকে ভারসাম্য, সৌন্দর্য ও মর্যাদার পথে পরিচালিত করে। মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন থেকে শুরু করে বাহ্যিক পোশাক-পরিচ্ছেদ, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রেই ইসলাম মধ্যপন্থা ও শালীনতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে যে অসংখ্য নিয়ামত দান করেন, সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও প্রকাশও ইসলামের দৃষ্টিতে ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত, তবে শর্ত হলো তা হতে হবে সম্পূর্ণ অহংকার ও অপচয়মুক্ত।

এ ব্যাপারে আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত একটি চমৎকার হাদিস পাওয়া যায়।

 

যেখানে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে কোনো নিয়ামত দান করেন, তখন তিনি ভালোবাসেন যে সেই নিয়ামতের প্রভাব তার জীবনে ও আচরণে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠুক। তিনি কৃত্রিম দারিদ্র্য ও লোক-দেখানো অভাব প্রদর্শন অপছন্দ করেন, (বাস্তবে অভাব না থাকা সত্ত্বেও) বারবার অনুনয়কারী (মানুষকে বিরক্তকারী) ভিক্ষুককে ঘৃণা করেন; আর তিনি সংযমী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও নিজেকে কৃত্রিম অভাব প্রদর্শন থেকে বাঁচিয়ে চলা ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।’ (বায়হাকি)
এই হাদিসে আল্লাহর দৃষ্টিতে পছন্দনীয় ও অপছন্দনীয় কয়েকটি আচরণ স্পষ্ট করা হয়েছে।

প্রথমত, নিয়ামতের প্রকাশ।

আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে ধন-সম্পদ, মর্যাদা বা সামর্থ্য দান করেন, তখন তিনি ভালোবাসেন যে তার প্রভাব বান্দার জীবনে দৃশ্যমান হোক। অর্থাৎ বান্দা তার অবস্থা অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন ও শালীন পোশাক পরবে, খাবারদাবারে কৃপণতা করবে না এবং জীবনযাপনে সৌন্দর্য বজায় রাখবে। এটাই আল্লাহর নিয়ামতের শোকর। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং তোমার প্রতিপালকের যে নিয়ামত (পেয়েছ), তার চর্চা করতে থাক।

’
(সুরা : দুহা, আয়াত : ১১)

তাফসিরবিদদের মতে, অনুগ্রহকারীর অনুগ্রহের কথা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রচার করলে তাতে শরিয়তে কোনো দোষ নেই, বরং তা প্রশংসনীয় কাজ। সুতরাং আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-এর প্রতি যেসব অনুগ্রহ করেছেন, এ আয়াতে তাঁকে তা প্রচার করার হুকুম দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, দুটি আচরণ ইসলামে নিন্দিত। একটি হলো নিয়ামত থাকা সত্ত্বেও নিজেকে জীর্ণ, করুণ ও হীনভাবে উপস্থাপন করা। আরেকটি হলো বাস্তবে অভাবী না হয়েও কৃত্রিমভাবে দারিদ্র্য ও নিঃস্বতা জাহির করে মানুষের সহানুভূতি বা সাহায্য পাওয়ার চেষ্টা করা।

এ দুটি আচরণ আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতার শামিল এবং সমাজে ব্যক্তির মর্যাদা নষ্ট করে। এ ধরনের ভান করা হয় সাধারণত নিজের সম্পদ দিয়ে কাউকে সহযোগিতা করার ভয়ে কিংবা কৃত্রিম দরিদ্রতা দেখিয়ে অন্যের কাছ থেকে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার আশায়।

তৃতীয়ত, অযথা মানুষের কাছে হাত পাতা। হাদিসে এসেছে, মহান আল্লাহ যাচ্ঞাকারী ভিক্ষুক তথা, বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে বারবার অনুনয়কারী ভিক্ষুককে অপছন্দ করেন। ব্যস্ত সড়ক কিংবা বাজারগুলোতে সাধারণত এ রকম কিছু ভিক্ষুক দেখা যায়, যারা মানুষের মানিব্যাগ হাতে নেওয়ার সময় দল বেঁধে তাদের সামনে গিয়ে তাদের বিরক্ত করতে থাকে। এমনকি এক পর্যায়ে তাদের ভিক্ষা দিতে বাধ্য করে। বাস বা ট্রেন স্টেশনে অনেক সময় যাত্রীরা নিজেদের পরিবার ও লাগেজ-ব্যাগ ইত্যাদি নিয়ে বেকায়দায় থাকে, তখনো এসব ভিক্ষুক তাদের অনবরত বিরক্ত করতে থাকে। অথচ বাস্তবে অভাবী হলেও মানুষকে বিব্রত করে ভিক্ষা আদায় অনুচিত, বরং সেসব অভাবীকে সহযোগিতা করা উচিত, যারা অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও মানুষকে বিব্রত করে পয়সা উসুল করতে পারে না।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, (আর্থিক সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে) উপযুক্ত সেই সব গরিব, যারা নিজেদের আল্লাহর পথে এভাবে আবদ্ধ করে রেখেছে যে (অর্থের সন্ধানে) তারা ভূমিতে চলাফেরা করতে পারে না। তারা যেহেতু (অতি সংযমী হওয়ার কারণে কারো কাছে) সওয়াল করে না (ভিক্ষা চায় না), তাই অনবগত লোকে তাদের বিত্তবান মনে করে। তুমি তাদের চেহারার আলামত দ্বারা তাদেরকে (অর্থাৎ তাদের অভ্যন্তরীণ অবস্থা) চিনতে পারবে। (কিন্তু) তারা মানুষের কাছে না-ছোড় হয়ে সওয়াল করে না। তোমরা যে সম্পদই ব্যয় করো, আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন।

(সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৭৩)

চতুর্থত, আত্মসংযম ও লজ্জাশীলতা। আল্লাহ যেসব লজ্জাশীলকে ভালোবাসেন, যারা হারাম থেকে নিজেকে বাঁচায় এবং প্রয়োজনে কষ্ট সহ্য করেও মানুষের কাছে হাত পাতে না। এটি মুমিনের আত্মমর্যাদা ও ঈমানের পরিচায়ক।

সবশেষে বলা যায়, ইসলাম না দারিদ্র্য পূজা শেখায়, না বিলাসিতার অনুমোদন দেয়; বরং ইসলাম শেখায় আল্লাহর নিয়ামত গ্রহণ করা, তা সংযমের সঙ্গে উপভোগ করা, শোকর আদায় করা এবং আত্মমর্যাদা ও ভারসাম্য বজায় রেখে জীবন যাপন করা। এটাই ইসলামের সৌন্দর্য ও বাস্তবমুখী শিক্ষা।

চরভদ্রাসনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

​উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ হলরুমে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চরভদ্রাসন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর চন্দ্রমোহন হালদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মো. মাকসুদুর রহমান, থানা কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সফর আলী, কৃষি কর্মকর্তা ইমরান বিন ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান খান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম।

​আলোচনা সভায় বক্তারা শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষক সমাজকে সম্মানের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।

​অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং উপজেলার নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

সদরপুরে স্কুল ভবনের উদ্বোধন ঘিরে বিরোধ, ৬ দিন ধরে ক্লাসে আসছে না ৩০ শিক্ষার্থী

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
সদরপুরে স্কুল ভবনের উদ্বোধন ঘিরে বিরোধ, ৬ দিন ধরে ক্লাসে আসছে না ৩০ শিক্ষার্থী

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের চর চাঁদপুর কোলচুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিরোধের জেরে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির নির্দেশে গত ছয় দিন ধরে অভিভাবকেরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করে উদ্বোধনের তারিখ জানানোয় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াত দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে দাবি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

​তবে অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় প্রভাবশালী কামরুল হাসান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের নিয়ে সভা করে শিক্ষার্থীদের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করার নির্দেশ দেন। তার প্রভাবেই অনেকে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে সাহস পাচ্ছেন না। কেউ কেউ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য স্কুলে সন্তানদের ভর্তির চেষ্টা করছেন।

​১০৭ জন শিক্ষার্থীর এই বিদ্যালয়ে আগে নিয়মিত ৬৫ থেকে ৭০ জন উপস্থিত থাকলেও, গত ছয় দিন ধরে উপস্থিতি নেমে এসেছে ২৫ থেকে ৩০ জনে। ফলে স্বাভাবিক পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

​বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন, “হঠাৎ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী না আসায় স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

​প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী খান জানান, “ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হঠাৎ উদ্বোধনের কথা জানানোয় কাউকে দাওয়াত দেওয়ার সুযোগ পাইনি। বিষয় টি কামরুল হাসানকে বুঝিয়ে বললেও তিনি কর্ণপাত করেননি।”

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কামরুল হাসান দাবি করেন, “অভিভাবকেরা নিজ ইচ্ছায় সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। সেখানে ঠিকমতো পড়াশোনা হয় না এবং শিক্ষকেরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।” পাশাপাশি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তোলেন তিনি।

​এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৭ বছর ধরে ঘরের খুঁটিতে বাঁধা লিমনের জীবন

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
১৭ বছর ধরে ঘরের খুঁটিতে বাঁধা লিমনের জীবন

বয়সের হিসাবে ২০ ছুঁয়েছেন, কিন্তু জীবনের গতি থেমে গেছে মাত্র তিন বছর বয়সেই। এরপর থেকেই এক পায়ে লোহার শিকল পেঁচিয়ে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে তাঁকে। এভাবেই শিকলবন্দি অবস্থায় কেটে গেছে জীবনের দীর্ঘ ১৭টি বছর।

​করুণ এই গল্পটি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের। দিনমজুর মো. হাফেজ শরিফের ছেলে লিমন শরিফের সারাদিনের জীবন এখন কাটছে মাত্র কয়েক ফুট লোহার শিকলের পরিধিতে।

​পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মাত্র তিন বছর বয়সে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে লিমনের জীবন অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে কমে যায় কথা বলার সক্ষমতা। বর্তমানে বাবা-মা ছাড়া অন্য কারো সঙ্গে তেমন কথা বলতে পারেন না তিনি, চলাফেরাও করতে পারেন না স্বাভাবিক মানুষের মতো।

​শিকলবন্দি রাখার কারণ জানাতে গিয়ে বাবা হাফেজ শরিফ বলেন, “কোনো বাবা-মা চায় না নিজের সন্তানকে এভাবে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে। কিন্তু ওকে মুক্ত রাখলে বাড়ি থেকে দূরে চলে যায়—কখনো উঁচু গাছে উঠে পড়ে, আবার কখনো পুকুরে নেমে যায়। নিজের নিরাপত্তার বোধটুকুও তার নেই। গ্রাম ঘুরে তাকে খুঁজে আনতে হয়। বাধ্য হয়েই নিরাপত্তার স্বার্থে গত ১৭ বছর ধরে ওকে এভাবে শিকলে আটকে রাখতে হচ্ছে।”

​তিন শতক জমির ওপর পলিথিন ও প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে ঘেরা জরাজীর্ণ এক টিনের ঘরে বাস পরিবারটির। দিনমজুরির সামান্য আয়ে সংসার চালানোই যেখানে দায়, সেখানে লিমনের মতো একজন মানসিক ভারসাম্যহীন সন্তানের উন্নত চিকিৎসা চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইতিপূর্বে সাধ্যমতো চিকিৎসা করালেও অর্থের অভাবে তা আর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

​স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ওয়াহিদুল আলী বলেন, “লিমন মানসিকভাবে অসুস্থ এবং তার একটি সরকারি প্রতিবন্ধী কার্ড রয়েছে। পরিবারটি মারাত্মক আর্থিক সংকটে রয়েছে, তাদের থাকার ঘরটির অবস্থাও করুণ। লিমনের সুচিকিৎসা ও পরিচর্যা নিশ্চিত করতে সরকারি ও সামাজিক সহায়তা প্রয়োজন।”

​বিষয়টি জানতে পেরে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিন। তিনি জানান, দ্রুতই পরিবারটিকে ঘরের জন্য টিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি লিমনের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সরকারি সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে উপজেলা প্রশাসন।