খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

যে খাবারগুলো চুপিসারে দাঁত নষ্ট করছে? জেনে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৫ এএম
যে খাবারগুলো চুপিসারে দাঁত নষ্ট করছে? জেনে নিন

দাঁত ভালো রাখতে আমরা সাধারণত ব্রাশ আর ফ্লসের কথাই বেশি ভাবি। কিন্তু প্রতিদিনের খাবারও দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকা রাখে। কিছু খাবার দাঁতের এনামেল দুর্বল করে, ক্যাভিটির ঝুঁকি বাড়ায় এবং সময়ের সঙ্গে মাড়ির রোগের কারণ হতে পারে।

তাই দাঁতের জন্য কোন খাবার ক্ষতিকর এবং তার ভালো বিকল্প কী হতে পারে, তা জানা জরুরি।

নিচে দাঁতের জন্য ক্ষতিকর কিছু সাধারণ খাবার এবং সেগুলোর তুলনামূলক ভালো বিকল্প তুলে ধরা হলো।

চিনিযুক্ত কোমল পানীয় ও সফট ড্রিংক

কেন ক্ষতিকর : এই পানীয়গুলোতে চিনি ও অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। এগুলো দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে এবং ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার বাড়ায়, ফলে ক্যাভিটি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

ভালো বিকল্প : সাধারণ পানি, লেবু ছাড়া ফল মেশানো পানি বা চিনি ছাড়া হারবাল চা পান করা ভালো। পানি মুখ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

আঠালো মিষ্টি ও ক্যান্ডি

কেন ক্ষতিকর : চিবানো মিষ্টি দাঁতে লেগে থাকে এবং দীর্ঘ সময় চিনি ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে থাকে। এতে দাঁত ক্ষয়ের আশঙ্কা বাড়ে।

ভালো বিকল্প : পরিমিত পরিমাণে ডার্ক চকলেট বা চিনি ছাড়া চুইংগাম খাওয়া যেতে পারে, যা লালা তৈরি বাড়াতে সাহায্য করে।

টক ফল ও ফলের রস

কেন ক্ষতিকর : লেবু, কমলা বা জাম্বুরার মতো টক ফলের অ্যাসিড নিয়মিত খেলে দাঁতের এনামেল দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং দাঁত সংবেদনশীল হয়।

ভালো বিকল্প : আপেল বা নাশপাতির মতো শক্ত ফল খাওয়া ভালো। এগুলো লালা তৈরি বাড়ায় এবং দাঁতের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ।

বরফ চিবানো

কেন ক্ষতিকর : বরফ চিবোলে দাঁতে ফাটল ধরতে পারে বা দাঁত ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ভালো বিকল্প : খাস্তা কিছু খেতে চাইলে ঠান্ডা গাজর বা সেলারির মতো সবজি খাওয়া যেতে পারে।

শুকনো ফল

কেন ক্ষতিকর : কিশমিশ বা শুকনো এপ্রিকটের মতো ফল আঠালো এবং এতে চিনি বেশি থাকে, যা দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকে।

ভালো বিকল্প : তাজা ফল খাওয়াই ভালো, কারণ এগুলো সহজে দাঁত থেকে সরে যায়।

আলুর চিপস

কেন ক্ষতিকর : এই ধরনের স্টার্চযুক্ত খাবার মুখে গিয়ে চিনিতে পরিণত হয় এবং দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকে।

ভালো বিকল্প : বাদাম বা বীজজাত খাবার খাওয়া ভালো, যা দাঁতের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ।

অ্যালকোহলজাত পানীয়

কেন ক্ষতিকর : অ্যালকোহল লালা উৎপাদন কমিয়ে দেয়। লালা কমে গেলে মুখ পরিষ্কার রাখা কঠিন হয়।

ভালো বিকল্প : অ্যালকোহল গ্রহণের সময় ও পরে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

স্পোর্টস ও এনার্জি ড্রিংক

কেন ক্ষতিকর : এগুলোতে চিনি ও অ্যাসিড বেশি থাকে, যা শিশু ও বড়দের দাঁতের ক্ষতি করতে পারে।

ভালো বিকল্প : সাধারণ পানি বা নারকেলের পানি ভালো বিকল্প হতে পারে।

আচার ও ভিনেগারযুক্ত খাবার

কেন ক্ষতিকর : খুব টক হওয়ায় নিয়মিত খেলে দাঁতের এনামেল দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

ভালো বিকল্প : টক খাবারের সঙ্গে দই বা চিজ খেলে দাঁতের ক্ষতি কিছুটা কমানো যায়।

সাদা পাউরুটি ও পরিশোধিত শর্করা

কেন ক্ষতিকর : এই খাবারগুলো দ্রুত চিনিতে পরিণত হয় এবং ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ভালো বিকল্প : আটা বা পূর্ণ শস্যের রুটি খাওয়া ভালো, যা ধীরে হজম হয়।

চিনি মেশানো চা ও কফি

কেন ক্ষতিকর : চিনি বা সিরাপ মেশালে দাঁতে দাগ পড়ে এবং ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে।

ভালো বিকল্প : চিনি ছাড়া চা বা কফি পান করা ভালো। পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়া উপকারী। গ্রিন টি দাঁতের জন্য তুলনামূলক ভালো।

খাবার কীভাবে দাঁতের ক্ষতি বাড়ায়

শুধু কী খাচ্ছেন তা নয়, কখন এবং কতবার খাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন অল্প অল্প করে খাওয়া, বারবার মিষ্টি পানীয় পান করা বা ঘুমের আগে টক খাবার খেলে দাঁতের ক্ষতি বাড়ে।

দাঁত ভালো রাখতে কিছু সহজ অভ্যাস

– খাওয়ার পর পানি পান করা

– বারবার স্ন্যাকস খাওয়া এড়িয়ে চলা

– চিনি ছাড়া চুইংগাম চিবানো

– ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া

– খাস্তা ফল ও সবজি নিয়মিত খাওয়া

দাঁতের জন্য উপকারী খাবার

– শাকসবজি যেমন পালং বা লেটুস

– দুধ, দই ও চিজ

– আপেল, গাজর ও সেলারি

– গ্রিন টি

– বাদাম

দাঁত সুস্থ রাখতে শুধু নিয়মিত ব্রাশ করাই যথেষ্ট নয়। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিকর খাবার কমিয়ে দাঁতবান্ধব খাবার বেছে নিলে ক্যাভিটি, মাড়ির রোগ এবং এনামেল ক্ষয়ের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। দৈনন্দিন জীবনে সামান্য সচেতনতা দীর্ঘদিন দাঁত সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র : Playa Family Dentistry

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।