খুঁজুন
, ,

চাকরি বাঁচাতে অফিসে যেসব কথা এড়িয়ে চলবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
চাকরি বাঁচাতে অফিসে যেসব কথা এড়িয়ে চলবেন?

অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে হালকা কথাবার্তা হলে কাজের চাপ কিছুটা কমে। সারাদিন ডেডলাইন, মিটিং আর কাজের দায়িত্বের ভিড়ে এই ছোট আড্ডা অনেকের জন্য স্বস্তির। কিন্তু আড্ডার মধ্যেই কখন যে ব্যক্তিগত জীবনের কথা ঢুকে পড়ে, তা অনেক সময় বোঝা যায় না।

অফিসের মতো ফর্মাল পরিবেশে ব্যক্তিগত বিষয় কতটা বলা উচিত, সেই সীমারেখা না জানলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এ বিষয়ে কিছু বাস্তব পরামর্শ দিয়েছে দ্য ব্যালেন্স ক্যারিয়ার

কেন অফিসে ব্যক্তিগত আলোচনা এড়িয়ে চলা ভালো

১. পারিবারিক সমস্যা, স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, শ্বশুরবাড়ির অশান্তি এসব বিষয় সহকর্মীদের সঙ্গে শেয়ার করা ঠিক নয়। এতে সহকর্মীদের চোখে আপনার প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।

২. অফিসে বসে জোরে জোরে ফোনে কথা বলা বা রেগে গিয়ে ফোনে ঝগড়া করা অন্যদের বিরক্ত করে। এতে আপনার পেশাদার ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৩. ব্যক্তিগত কথা যত বেশি ছড়ায়, ততই ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ বাড়ে। অনেক সময় মানুষ আপনার কথা নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করে নেয়, যা আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৪. ব্যক্তিগত আলোচনা বাড়তে থাকলে তা কাজের পরিবেশে প্রভাব ফেলে। কাজের মনোযোগ নষ্ট হয় এবং ধীরে ধীরে এর প্রভাব আপনার কর্মদক্ষতা ও ক্যারিয়ারে পড়তে পারে।

৫. অতিরিক্ত পরচর্চার অভ্যাস থাকলে সহকর্মীরা আড়ালে আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করতে পারে। এতে অফিসে আপনার গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে পারে।

কোন বিষয়গুলো অফিসে না বলাই ভালো

অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে যেসব বিষয় আলোচনা না করাই নিরাপদ

– নিজের বা অন্যের ধর্ম নিয়ে মন্তব্য বা সমালোচনা

– রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে তর্ক

– যৌন জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা

– সবসময় নিজের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা জাহির করা

– ব্যক্তিগত ও গোপন স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে কথা বলা

তাহলে কি অফিসে একেবারেই ব্যক্তিগত কথা বলা যাবে না

অফিসে আমরা দিনের বড় একটি সময় সহকর্মীদের সঙ্গে কাটাই। দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করতে করতে কারও কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা স্বাভাবিক। তবে সেই বন্ধুত্ব সাধারণত দু-একজনের মধ্যেই সীমিত থাকে। যাদের আপনি সহকর্মীর পাশাপাশি বন্ধু মনে করেন, তাদের সঙ্গে সীমিত পরিসরে ব্যক্তিগত কথা বলা যেতে পারে।

কিন্তু মনে রাখতে হবে, অফিসের সবাই আপনার ঘনিষ্ঠ মানুষ নয়। তাই সবার সঙ্গে সব কথা শেয়ার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

অফিসে হালকা আড্ডা কাজের চাপ কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনের কথা সেখানে সীমিত রাখাই ভালো। পেশাদার পরিবেশে নিজের ভাবমূর্তি ও কাজের স্বার্থে সচেতন থাকা জরুরি। প্রয়োজন বুঝে, মানুষ চিনে কথা বললে অফিসের সম্পর্ক যেমন ভালো থাকবে, তেমনি আপনার ক্যারিয়ারও নিরাপদ থাকবে।

সূত্র : দ্য ব্যালেন্স ক্যারিয়ার

ফরিদপুরে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০৫ পিস ইয়াবাসহ চম্পা বেগম (৫৫) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। একই অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে মানিক মোল্যা (২৬) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে চরভদ্রাসন উপজেলার চর হাজীগঞ্জ বাজার ও সদর বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৃথক এ অভিযান চালানো হয়।

​জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সকালে পরিদর্শক বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে চর হাজীগঞ্জ বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। এসময় নীল রঙের জিপারযুক্ত পলিথিন প্যাকেটে রক্ষিত ১০৫ পিস ইয়াবাসহ চম্পা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬) অনুযায়ী চরভদ্রাসন থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিকে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

​অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে উপজেলার সদর বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় মানিক মোল্যাকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

​অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভাঙ্গায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তামান্না আক্তার মৌ (২৩) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন তার স্বামী।

​সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চণ্ডীদাসদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

​নিহত তামান্না আক্তার মৌ নগরকান্দা উপজেলার রামেশ্বর এলাকার আতিয়ার রহমানের মেয়ে এবং ভাঙ্গা পৌরসভার চণ্ডীদাসদী এলাকার শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী।

​স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় তামান্নাকে দেখতে পান তার স্বামী শাখাওয়াত। পরে দরজা ভেঙে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রীন প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করলে লাশ রেখেই গা ঢাকা দেন স্বামী শাখাওয়াত।

​নিহতের মায়ের দাবি, তামান্নাকে শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

​খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। দুপুরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

​ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফ জানান, খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুরে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসারে অবহিতকরণ সভা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসারে অবহিতকরণ সভা

বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোলার সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকাভুক্তকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব-জোনাল অফিসের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত), সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব-জোনাল অফিসের এজিএম (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আশীষ কুমার রায়।

​সভায় স্লাইড প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে রুফটপ সোলার সিস্টেম, ক্যাপেক্স ও ওপেক্স মডেল, নেট মিটারিংয়ের আবেদন, রুফটপ সোলার ক্যালকুলেটরের ব্যবহার এবং ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

​পাশাপাশি সোলার সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্তির নিয়ম, ন্যূনতম যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন প্রক্রিয়া ও তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়। পরে মুক্ত আলোচনায় অংশীজনদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

​সভায় বক্তারা বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের বহুল ব্যবহার নিশ্চিত করতে দক্ষ ও মানসম্মত সেবা প্রদানকারীর বিকল্প নেই। সার্ভিস প্রোভাইডারদের তালিকাভুক্তির মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হবে এবং গ্রাহকরাও নির্ভরযোগ্য সেবা পাবেন। এর মাধ্যমে দেশে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

​অনুষ্ঠানে আলফাডাঙ্গা থানার তদন্ত কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি), বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রতিনিধি, বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, ভিলেজ ইলেকট্রিশিয়ান, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।